kalerkantho

বুধবার । ২৩ অক্টোবর ২০১৯। ৭ কাতির্ক ১৪২৬। ২৩ সফর ১৪৪১                 

যে কারণে রসায়নে নোবেল পেলেন তিন বিজ্ঞানী

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৯ অক্টোবর, ২০১৯ ১৬:৫৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



যে কারণে রসায়নে নোবেল পেলেন তিন বিজ্ঞানী

জার্মান বংশোদ্ভূত যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জন বি গুডনাফ, যুক্তরাজ্যের বিংহ্যামটন বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়নবিদ এম স্ট্যানলি হুইটিংহ্যাম ও জাপানের মিজো বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়নবিদ আকিরা ইয়োশিনো এই বছর রসায়নে নোবেল পুরস্কার পান। লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি নিয়ে গবেষণা করে রসায়নে নোবেল পেলেন এই তিন বিজ্ঞানী। বুধবার সুইডেনের স্থানীয় সময় বেলা পৌনে ১২টায় রসায়নে এ তিন বিজ্ঞানীর নোবেল জয়ের ঘোষণা দেয় রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, তারা একটি রিচার্জেবল পৃথিবী গড়ে তুলেছেন। লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারির উন্নয়নে কাজ করেছেন। হালকা ওজনের ওই ব্যাটারি রিচার্জেবল এবং শক্তিশালী। ওই ব্যাটারি মোবাইল ফোন থেকে ল্যাপটপ এবং বৈদ্যুতিক যানবাহনে ব্যবহৃত হয়। এটি সৌর এবং বায়ু শক্তি থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে শক্তি সঞ্চয় করতে পারে। এর ফলে জীবাশ্ম জ্বালানি মুক্ত একটি সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।

লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারির কারণেই বহনযোগ্য ইলেকট্রনিক্স পণ্যের ব্যবহার সহজ হচ্ছে। মোবাইল ফোন, পেসমেকার, ইলেকট্রিক কারের ব্যবহারের পথ তৈরি করেছে লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি। সেই অবদানের কারণেই তিন বিজ্ঞানীকে সম্মানিত করা হয়।

রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি জানায়, লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন এ তিন বিজ্ঞানী। ১৯৭০ সালের শুরুর দিকে স্ট্যানলি হুইটিংহ্যাম প্রথম কার্যকরী লিথিয়াম ব্যাটারি তৈরি করেন। ব্যাটারি থেকে ইলেকট্রন ত্যাগের জন্য প্রচুর লিথিয়াম ব্যবহার করা হয়।

তারা আরো জানায়, ১৯৮০ সালের দিকে জন বি গুডনাফ লিথিয়াম ব্যাটারির সম্ভাবনাকে দ্বিগুণ করেন; তিনি আরো বেশি শক্তিশালী এবং কার্যকর ব্যাটারির জন্য সঠিক অবস্থা তৈরি করেন। পরে তারা ওপর ভিত্তি করে আকিরা ইয়োশিনো ১৯৮৫ সালে প্রথম বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারযোগ্য টেকসই লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি তৈরি করেন।

এদিকে আরো তিনটি ক্ষেত্রে নোবেল পুরস্কার ঘোষণা দেওয়া বাকি রয়েছে। আগামী ১০ অক্টোবর সাহিত্য, ১১ অক্টোবর শান্তিতে ও ১৪ অক্টোবর অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কারজয়ীর নাম ঘোষণা করা হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা