• ই-পেপার

আজ রাত ৮টায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন মোদি

রাজকীয় ক্ষমায় মুক্তি পাচ্ছেন সাবেক থাই প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
রাজকীয় ক্ষমায় মুক্তি পাচ্ছেন সাবেক থাই প্রধানমন্ত্রী
রয়টার্স ছবি

কারামুক্তি পাচ্ছেন থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রা। রাজকীয় ক্ষমার মাধ্যমে তার বাকি কারাদণ্ড মওকুফ করা হয়েছে। এখন বাকি শুধু আনুষ্ঠানিকতা। আইনি প্রক্রিয়া শেষ হলে তিনি পুরোপুরি মুক্তি পাবেন।

থাইল্যান্ডের বিচারমন্ত্রী রুত্থাফন নাওয়ারাত এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বলে জানায় ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম দ্য হিন্দু।

তিনি বলেন, রাজকীয় ক্ষমাপ্রাপ্ত বন্দিদের তালিকায় থাকসিন সিনাওয়াত্রার নাম রয়েছে। তবে মুক্তির আগে কিছু প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

রাজকীয় ক্ষমা 

এর আগে গতকাল মঙ্গলবার রাতে থাইল্যান্ডের সরকারি রাজকীয় গেজেটে প্রকাশিত এক ঘোষণায় বলা হয়, দেশটির রাজা মহা ভাজিরালংকর্ন রানি সুথিদার ৩ জুনের জন্মদিন উপলক্ষে নির্বাচিত বন্দিদের রাজকীয় ক্ষমা প্রদান করেছেন।

তবে থাকসিনের আইনজীবী উইনইয়াত চার্টমনত্রী তাৎক্ষণিকভাবে সিদ্ধান্তটি নিশ্চিত করতে পারেননি। বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে তিনি বলেন, তার যোগ্যতা বিবেচনায় দেখা যাচ্ছে, তিনি রাজকীয় ক্ষমা ও মুক্তির সুবিধা পাওয়ার শর্ত পূরণ করেন।

নির্বাসন শেষে কারাবন্দি

৭৬ বছর বয়সী ধনকুবের রাজনীতিক থাকসিন সিনাওয়াত্রা ২০২৩ সালের আগস্টে ১৫ বছরের স্বেচ্ছানির্বাসন শেষে থাইল্যান্ডে ফিরে আসেন। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী থাকার সময় স্বার্থের সংঘাত ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে দেওয়া আট বছরের কারাদণ্ড ভোগের জন্যই তিনি দেশে ফেরেন। যেদিন তিনি দেশে ফেরেন, সেদিনই তার মিত্র রাজনৈতিক শক্তি পার্লামেন্টে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সমর্থন নিশ্চিত করে।

দেশে ফেরার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই থাকসিনকে কারাগার থেকে হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সে সময় হৃদ্‌যন্ত্র ও বুকে জটিলতার কথা উল্লেখ করা হয়েছিল। পরে রাজকীয় অনুকম্পায় তার আট বছরের সাজা কমিয়ে এক বছরে নামিয়ে আনা হয়।

প্যারোলে মুক্তি

তিনি ছয় মাস হাসপাতালে কাটানোর পর প্যারোলে মুক্তি পান। গত মাসে প্যারোলে মুক্তি পেলেও তার এক বছরের সাজা আনুষ্ঠানিকভাবে আগামী সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বহাল থাকার কথা ছিল। সেই হিসাবে তার আরো তিন মাসের কিছু বেশি সময়ের সাজা বাকি ছিল।

আইনি জটিলতা

গত বছর থাইল্যান্ডের সুপ্রিম কোর্ট রায় দেন, থাকসিনের দীর্ঘ হাসপাতাল অবস্থান পুরোপুরি ন্যায্য ছিল না। আদালত নির্দেশ দেন, অবশিষ্ট সাজা তাকে কারা হেফাজতেই ভোগ করতে হবে। ফলে তার আইনি পরিস্থিতি আবারও জটিল হয়ে ওঠে। তবে সর্বশেষ রাজকীয় ক্ষমার ফলে সেই অবশিষ্ট সাজাও কার্যত বাতিল হয়ে যাচ্ছে।

দুই দশক ধরে থাই রাজনীতির অন্যতম প্রভাবশালী ও একই সঙ্গে সবচেয়ে বিতর্কিত ব্যক্তিত্ব ছিলেন থাকসিন সিনাওয়াত্রা। তার নেতৃত্বে কিংবা তার পরিবারের সমর্থনে পরিচালিত একাধিক জনমুখী সরকার থাইল্যান্ডের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। 

বিশেষ করে সিনাওয়াত্রা পরিবারের রাজনৈতিক প্রভাব দীর্ঘদিন ধরে দেশটির ক্ষমতার ভারসাম্যে বড় ভূমিকা পালন করেছে। গত বছর ফেউ থাই পার্টি নেতৃত্বাধীন সরকারের পতনের পর থাকসিনের রাজনৈতিক ও আইনি চাপ আরও বেড়ে যায়। এরপর তার সাবেক মিত্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বীতে পরিণত হওয়া অনুতিন চানভিরাকুল প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ক্ষমতায় আসেন।

ইরানি হামলায় সব ফ্লাইট বাতিল করল ইজিপ্টএয়ার

অনলাইন ডেস্ক
ইরানি হামলায় সব ফ্লাইট বাতিল করল ইজিপ্টএয়ার

চলমান আঞ্চলিক উত্তেজনায় যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা উল্লেখ করে দুই দিনের সব সব ফ্লাইট বাতিল করেছে ইজিপ্টএয়ার। বুধবার (৩ জুন) কুয়েতের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার জেরে এই সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ।

রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বিমান সংস্থাটি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইরানের হামলার জেরে আগামী বুধ ও বৃহস্পতিবার সব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। তা ছাড়া সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং মিসরের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে ওই  অঞ্চলের পরিস্থিতি স্থিতিশীল না হওয়া পর্যন্ত কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইট চলাচল স্থগিত করা হয়েছে বলে বিবৃতিতে আরো বলা হয়।

এর আগে কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত হয়েছেন একজন এবং আহত হয়েছেন অন্তত ৬৩ জন। তাদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় ৭ জনের জরুরি অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করা হয়েছে বলে জানায় দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

কুয়েতে হামলার জেরে ২ ইরানি কূটনীতিককে দেশ ছাড়ার নির্দেশ

অনলাইন ডেস্ক
কুয়েতে হামলার জেরে ২ ইরানি কূটনীতিককে দেশ ছাড়ার নির্দেশ
সংগৃহীত ছবি

কুয়েতের বিমানবন্দরে ইরানের ভয়াবহ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহতের খবর পাওয়া গেছে। এরই জেরে ইরান দূতাবাসের দুই কর্মকর্তাকে বহিষ্কার ও ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দেশ ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে কুয়েত সরকার। বুধবার (৩ জুন) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান তীব্র আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যে এই পদক্ষেপ নিল দেশটি। কুয়েতের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী হামাদ সুলাইমান আল-মাশআন ইরানের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্সকে তলব করেন। তিনি দূতাবাসের দুই কর্মকর্তাকে ‘পারসোনা নন গ্রাটা’ (অগ্রহণযোগ্য ব্যক্তি) ঘোষণা করে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কুয়েত ছাড়ার নির্দেশ দেন।

আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদলিপি হস্তান্তরের পাশাপাশি কুয়েতে অবস্থিত ইরানি দূতাবাসের কর্মী সংখ্যা কমানোর সিদ্ধান্তও জানানো হয়।

ইরানের এই ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা কুয়েতের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে লক্ষ্য করে চালানো হয়েছিল। হামলায় বিমানবন্দরে থাকা ১ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত এবং ৬৩ জন আহত হয়েছেন। নিহত ব্যক্তি একজন ভারতীয় নাগরিক বলে জানা গেছে।

এদিকে কুয়েতের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো সিটি অংশে মার্কিন সামরিক বাহিনীর একটি ঘাঁটি রয়েছে। তবে ইরান দাবি করেছে, তেহরান মূলত কুয়েতের আলী আল সালেম বিমান ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছিল।

আরো একটি ‘এস-৪০০’ পৌঁছাল ভারতে

অনলাইন ডেস্ক
আরো একটি ‘এস-৪০০’ পৌঁছাল ভারতে
সংগৃহীত ছবি

ভারতের আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। আঞ্চলিক নিরাপত্তা ভারসাম্য রক্ষা করতে এবার রাশিয়া থেকে এস-৪০০ ‘সুদর্শন’ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার চতুর্থ স্কোয়াড্রন দেশটিতে যুক্ত হয়েছে।

প্রতিরক্ষা সূত্রের বরাত দিয়ে এশিয়ান নিউজ ইন্টারন্যাশনাল (এএনআই) জানিয়েছে, কয়েক দিন আগে সমুদ্রপথে রাশিয়া থেকে এই অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভারতে আনা হয়েছে।  শিগগিরই এটিকে নির্ধারিত অপারেশনাল এলাকায় মোতায়েন করা হবে।

এস-৪০০ ব্যবস্থা ২০১৮ সালে ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি প্রতিরক্ষা চুক্তির অংশ। ওই চুক্তির আওতায় ভারত মোট পাঁচটি এস-৪০০ স্কোয়াড্রন কেনার সিদ্ধান্ত নেয়। এর মধ্যে প্রথম তিনটি স্কোয়াড্রন দুই বছর আগে সরবরাহ করা হলেও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বাকি দুটি ইউনিটের সরবরাহ বিলম্বিত হয়।

ভারতীয় সামরিক বাহিনীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ‘অপারেশন সিন্দুর’-এ এস-৪০০ সুদর্শন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। দাবি করা হয়েছে, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে ৩০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূরত্বে উড়তে থাকা পাকিস্তান বিমানবাহিনীর একটি উচ্চমূল্যের নজরদারি বিমান ভূপাতিত করা হয়েছিল, যা ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার ইতিহাসে দীর্ঘতম সফল আঘাতগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

প্রতিরক্ষা সূত্র জানিয়েছে, পঞ্চম ও শেষ এস-৪০০ স্কোয়াড্রনও আগামী কয়েক মাসের মধ্যে ভারতে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে ভারতের প্রতিরক্ষা অধিগ্রহণ কাউন্সিল (ডিএসি) আরো পাঁচটি এস-৪০০ স্কোয়াড্রন কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে বলে জানা গেছে। এর মাধ্যমে দেশের আকাশ প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্ককে আরো শক্তিশালী করার পরিকল্পনা রয়েছে।

একই সঙ্গে বিদেশি প্রযুক্তির ওপর নির্ভরতা কমাতে ভারত নিজস্ব দীর্ঘ-পাল্লার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরির উদ্যোগও এগিয়ে নিচ্ছে।

‘প্রজেক্ট কুশা’ নামে পরিচিত এই কর্মসূচির লক্ষ্য হলো এমন একটি দেশীয় ব্যবস্থা তৈরি করা, যা এস-৪০০-এর মতো দূরত্বে শত্রুপক্ষের ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র ও অন্যান্য আকাশীয় হুমকি প্রতিহত করতে সক্ষম হবে।

এই প্রকল্পে উন্নয়ন ও উৎপাদন অংশীদার হিসেবে ভারতের প্রতিরক্ষা শিল্প প্রতিষ্ঠান সোলার ইন্ডাস্ট্রিজ অংশ নিচ্ছে।

আজ রাত ৮টায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন মোদি | কালের কণ্ঠ