• ই-পেপার

আর্জেন্টিনার বিপক্ষে খেলার আগে যা বললেন কেপ ভার্দের সেই গোলরক্ষক

বিশ্বকাপের দাবিদার কারা, জানালেন রোনালদো

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপের দাবিদার কারা, জানালেন রোনালদো
রোনালদো নাজারিও। ছবি : রয়টার্স

২০২৬ বিশ্বকাপের নকআউট পর্ব শুরু হতেই শিরোপার সম্ভাব্য দাবিদারদের নাম জানিয়ে দিলেন ব্রাজিল কিংবদন্তি রোনালদো নাজারিও। তার মতে, ফ্রান্স, আর্জেন্টিনা, স্পেন ও জার্মানি এবারের বিশ্বকাপ জয়ের সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী। তবে নিজের দেশ ব্রাজিলকেও শিরোপা দৌড় থেকে বাদ দিতে নারাজ তিনি।

জাপানের বিপক্ষে ব্রাজিলের শেষ ৩২-এর ম্যাচের আগে ফরাসি সংবাদমাধ্যম ‘লেকিপ’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রোনালদো বলেন, ‘ফ্রান্স, স্পেন ও আর্জেন্টিনা দারুণ ফুটবল খেলছে। তারা খুবই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ দল। আর জার্মানি সব সময়ই বিপজ্জনক। এই চার দলই ব্রাজিলের সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী।’

রোনালদোর মতে, ব্রাজিলের শিরোপা স্বপ্ন অনেকটাই নির্ভর করছে নেইমারের ওপর। দীর্ঘ ইনজুরি কাটিয়ে বিশ্বকাপে ফিরেছেন ৩৪ বছর বয়সী এই তারকা। গ্রুপ পর্বের প্রথম দুই ম্যাচ মিস করার পর স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে বদলি হিসেবে মাঠে নেমে প্রায় তিন বছর পর জাতীয় দলে প্রত্যাবর্তন করেন তিনি।

ব্রাজিল কিংবদন্তি বলেন, ‘নেইমারই এই দলের সবচেয়ে বড় ম্যাচ উইনার। তার মতো ম্যাচের ভাগ্য বদলে দেওয়ার সামর্থ্য বর্তমান দলে আর কারো নেই। সে এখন ফিট এবং চিকিৎসকদের ছাড়পত্রও পেয়েছে। আমি বিশ্বাস করি, নকআউট পর্বে সে সমালোচকদের জবাব দেবে।’

২০০২ বিশ্বকাপে চোট কাটিয়ে ফিরে ব্রাজিলকে শিরোপা জেতানো রোনালদো নিজের অভিজ্ঞতার কথাও স্মরণ করেন। তিনি বলেন, ‘আমি জানি ইনজুরি থেকে ফিরে বড় মঞ্চে খেলাটা কতটা কঠিন। তাই নেইমারের জন্য আমি রোমাঞ্চিত। তার আর কিছু প্রমাণ করার নেই, তবে সে যদি নিজের সেরাটা খেলতে পারে, তাহলে সবাইকে ভুল প্রমাণ করবে।’

যদিও এবারের বিশ্বকাপে ব্রাজিলের সবচেয়ে উজ্জ্বল পারফর্মার ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। চার গোল করে তিনি গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে রয়েছেন। তবে রোনালদোর বিশ্বাস, ভিনিসিয়ুসের ফর্মের পাশাপাশি নেইমারের অভিজ্ঞতা যোগ হলে ব্রাজিলের হেক্সা জয়ের স্বপ্ন আরো শক্তিশালী হবে।

নেইমার ‘সমালোচকদের মুখ বন্ধ করে’ বিশ্বকাপ জেতাবে : রোনালদো

ক্রীড়া ডেস্ক
নেইমার ‘সমালোচকদের মুখ বন্ধ করে’ বিশ্বকাপ জেতাবে : রোনালদো
নেইমার জুনিয়র। ছবি : রয়টার্স

দীর্ঘদিন পর ব্রাজিল দলে ফেরা নেইমারকে নিয়ে আশাবাদী দেশটির কিংবদন্তি ফুটবলার রোনালদো নাজারিও। তার বিশ্বাস, নকআউট পর্বে সুযোগ পেলে নেইমারই হতে পারেন ব্রাজিলের সবচেয়ে বড় ম্যাচজয়ী অস্ত্র এবং পারফরম্যান্স দিয়েই সমালোচকদের জবাব দেবেন তিনি।

বিশ্বকাপের শেষ ৩২-এর ম্যাচে সোমবার জাপানের মুখোমুখি হবে ব্রাজিল। সেই ম্যাচের আগে ফরাসি সংবাদমাধ্যম ‘লেকিপ’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রোনালদো বলেন, বর্তমান ব্রাজিল দলে নেইমারের মতো ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা আর কারো নেই।

প্রায় তিন বছর আগে জাতীয় দলের হয়ে খেলতে গিয়ে এসিএল ইনজুরিতে ছিটকে পড়েছিলেন নেইমার। এরপর দীর্ঘ পুনর্বাসনের পর এবারের বিশ্বকাপ দলে ফিরলেও হ্যামস্ট্রিং চোটের কারণে প্রথম দুই ম্যাচে খেলতে পারেননি। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে বদলি হিসেবে নেমে প্রায় ৯৮১ দিন পর আবারও ব্রাজিলের জার্সিতে মাঠে ফেরেন তিনি।

ওই ম্যাচে মাঠে নেমে নেইমার ব্রাজিলের ইতিহাসে চতুর্থ ফুটবলার হিসেবে চারটি ভিন্ন বিশ্বকাপে খেলার কীর্তি গড়েন। তার আগে এই তালিকায় ছিলেন জালমা সান্তোস, কাফু এবং পেলে।

রোনালদো বলেন, ‘নেইমারই এই দলের সবচেয়ে বড় ম্যাচ উইনার। সে এখন পুরোপুরি ফিট এবং চিকিৎসকদের ছাড়পত্রও পেয়েছে। তাই তাকে ব্যবহার করার সুযোগ হাতছাড়া করা উচিত নয়। আমি বিশ্বাস করি, সে মাঠে নেমে সব সমালোচকের মুখ বন্ধ করে দিতে পারবে।’

২০০২ বিশ্বকাপে গুরুতর চোট কাটিয়ে ফিরে ব্রাজিলকে শিরোপা জেতানো রোনালদো নিজের অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘আমি নিজেও এমন প্রত্যাবর্তনের অভিজ্ঞতা পেয়েছি। তাই নেইমারের জন্য আমি ভীষণ রোমাঞ্চিত। ৩৪ বছর বয়সে তার প্রতিভা নিয়ে আর কিছু প্রমাণ করার নেই, তবে আমি চাই সে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে সবাইকে ভুল প্রমাণ করুক।’

যদিও এবারের বিশ্বকাপে ব্রাজিলের আক্রমণভাগে সবচেয়ে উজ্জ্বল নাম ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। চার গোল করে তিনি গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে রয়েছেন। তবু রোনালদোর বিশ্বাস, নকআউট পর্বে নেইমারের অভিজ্ঞতা ও সৃজনশীলতাই ব্রাজিলকে অনেক দূর নিয়ে যেতে পারে।

তিনি আরো বলেন, ফ্রান্স, আর্জেন্টিনা, স্পেন ও জার্মানি শিরোপার অন্যতম দাবিদার হলেও ব্রাজিলের সামর্থ্য নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। আর সেই স্বপ্নপূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন নেইমার।

মরক্কোর বিস্ময়বালককে নিয়ে ইউরোপ জায়ান্টদের কাড়াকাড়ি

ক্রীড়া ডেস্ক
মরক্কোর বিস্ময়বালককে নিয়ে ইউরোপ জায়ান্টদের কাড়াকাড়ি
ব্রাজিল মিডফিল্ডার গিমারেস ও আয়ুব বুয়াদ্দি। ছবি : রয়টার্স

মরক্কোর ফুটবলের নতুন বিস্ময়বালক আয়ুব বুয়াদ্দিকে ঘিরে শুরু হয়েছে ইউরোপের শীর্ষ ক্লাবগুলোর তুমুল প্রতিযোগিতা। মাত্র ১৮ বছর বয়সেই লিলের এই মিডফিল্ডার নিজের প্রতিভার ঝলক দেখিয়ে জায়গা করে নিয়েছেন ম্যানচেস্টার সিটি, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, আর্সেনাল ও বায়ার্ন মিউনিখের নজরে।

ফরাসি সংবাদমাধ্যম আরএমসি স্পোর্ট জানিয়েছে, বুয়াদ্দিকে নিয়ে একাধিক ক্লাব আগ্রহী হলেও তাকে সহজে ছাড়তে রাজি নয় লিল। তরুণ এই মিডফিল্ডারের জন্য ৮০ থেকে ১০০ মিলিয়ন ইউরো ট্রান্সফার ফি দাবি করছে ফরাসি ক্লাবটি। পাশাপাশি, চুক্তি সম্পন্ন হলেও তাকে আরো এক মৌসুম ধারে রেখে দিতে চায় তারা।

বিশেষ করে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের আগ্রহের পেছনে রয়েছে মিডফিল্ড সংকট। কাসেমিরোর বিদায়ের পর এবং ম্যানুয়েল উগার্তের দীর্ঘমেয়াদি চোটে নতুন মিডফিল্ডার খুঁজছে ইংলিশ জায়ান্টরা। সেই তালিকার অন্যতম শীর্ষ নাম এখন বুয়াদ্দি।

অন্যদিকে, ইংলিশ চ্যাম্পিয়ন ম্যানচেস্টার সিটি, আর্সেনাল এবং জার্মান জায়ান্ট বায়ার্ন মিউনিখও নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছে মরক্কো বংশোদ্ভূত এই প্রতিভাবান ফুটবলারকে। ইউরোপীয় ফুটবলে ভবিষ্যতের অন্যতম সেরা মিডফিল্ডার হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে তাকে।

তবে বুয়াদ্দির ব্যক্তিগত পছন্দের তালিকায় রয়েছে ফরাসি চ্যাম্পিয়ন পিএসজি। যদিও বর্তমান স্কোয়াডে বড় কোনো পরিবর্তন না এলে চলতি গ্রীষ্মে পিএসজির তাকে দলে নেওয়ার সম্ভাবনা কম বলেই মনে করা হচ্ছে।

বিশ্বকাপ ব্যর্থতায় তদন্তের নির্দেশ দক্ষিণ কোরিয়া প্রেসিডেন্টের

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপ ব্যর্থতায় তদন্তের নির্দেশ দক্ষিণ কোরিয়া প্রেসিডেন্টের
ছবি : রয়টার্স

২০২৬ বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেওয়ার পর জাতীয় দলের ব্যর্থতা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে-মিউং। দলের হতাশাজনক পারফরম্যান্সের জন্য তিনি ভুল জনবল নির্বাচন ও নেতৃত্বকে দায়ী করে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

বিশ্বকাপে দক্ষিণ কোরিয়ার ব্যর্থতার পর দেশটির সংস্কৃতি, ক্রীড়া ও পর্যটন মন্ত্রণালয়কে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে নির্দেশ দেন প্রেসিডেন্ট। তার মতে, সঠিক যোগ্যতার পরিবর্তে ব্যক্তিগত সম্পর্কের ভিত্তিতে দায়িত্ব দেওয়ার ফলেই এমন ব্যর্থতা এসেছে।

এক বিবৃতিতে প্রেসিডেন্ট লি বলেন, ‘আমি শুধু হতবাক নই, এই ফলাফলে সম্পূর্ণ বিস্মিত। এটি আবারও প্রমাণ করেছে যে জনবল নির্বাচনই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। পেশাদার দক্ষতার বদলে ব্যক্তিগত সম্পর্ককে অগ্রাধিকার দিয়ে অযোগ্য ব্যক্তিদের নেতৃত্বে বসালে এমন ফলই আসবে।’

প্রেসিডেন্টের সমালোচনার মূল লক্ষ্য ছিলেন জাতীয় দলের প্রধান কোচ হং মিয়ং-বো। বিশ্বকাপ ব্যর্থতার পর ২৮ জুন পদত্যাগ করেন তিনি।

গ্রুপ ‘এ’-তে দক্ষিণ কোরিয়া প্রথম ম্যাচে চেক প্রজাতন্ত্রকে ২-১ গোলে হারালেও পরের দুই ম্যাচে মেক্সিকো ও দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ১-০ ব্যবধানে হেরে যায়। তিন ম্যাচে তিন পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপে তৃতীয় স্থানে থেকে নকআউট পর্বে উঠতে ব্যর্থ হয় এশিয়ার দলটি।

বিশ্বকাপ থেকে অকাল বিদায়ের পর দক্ষিণ কোরিয়ার ফুটবলে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। তদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতে ফুটবল প্রশাসন ও জাতীয় দলের কাঠামোয় পরিবর্তন আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।