• ই-পেপার

বিশ্বকাপ ভিসা ইস্যুতে আমাদের বোকা বানানো হয়েছে : দ. আফ্রিকার ক্রীড়ামন্ত্রী

গুজরাট টাইটান্সের টিম বাসে আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা

অনলাইন ডেস্ক
গুজরাট টাইটান্সের টিম বাসে আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা

আইপিএল ২০২৬ ফাইনালে পরাজয়ের হতাশা কাটিয়ে হোটেলে ফেরার পথে অনাকাঙ্ক্ষিত এক ঘটনার মুখোমুখি হয়েছে গুজরাট টাইটান্স। দলের খেলোয়াড় ও সাপোর্ট স্টাফদের বহনকারী বাসে শর্ট সার্কিটের কারণে (আগুন) ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়লে দ্রুত সবাইকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়।

আরো পড়ুন
মরণোত্তর জাতিসংঘ পদক পাচ্ছেন ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী

মরণোত্তর জাতিসংঘ পদক পাচ্ছেন ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী

 

সংবাদ সংস্থা পিটিআইয়ের বরাতে জানা গেছে, রবিবার রাতে আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি অনুষ্ঠিত আইপিএল ২০২৬-এর ফাইনালে রয়েল চ্যালেঞ্জার ব্যাঙ্গালোর কাছে পাঁচ উইকেটের ব্যবধানে হারের পর গুজরাট টাইটান্স দল হোটেলের উদ্দেশে রওনা হয়। পথে দলের বাসে হঠাৎ বৈদ্যুতিক ত্রুটি দেখা দিলে শর্ট সার্কিটের সৃষ্টি হয় এবং বাসের ভেতরে ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে।

পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে বাসে থাকা খেলোয়াড় ও সাপোর্ট স্টাফদের তাৎক্ষণিকভাবে নামিয়ে আনা হয়।

আরো পড়ুন
জ্বালানি তেলের নতুন দাম আজ থেকে কার্যকর, কোনটি কত?

জ্বালানি তেলের নতুন দাম আজ থেকে কার্যকর, কোনটি কত?

 

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দ্রুত পদক্ষেপের ফলে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি এবং দলের সব সদস্য নিরাপদে ছিলেন। পরে বিকল্প একটি বাসের ব্যবস্থা করা হলে সেটিতে দল হোটেলে পৌঁছায়।

আইপিএলের শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচ শেষে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় সাময়িক উদ্বেগের সৃষ্টি হলেও কর্তৃপক্ষের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপে বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে। ঘটনার কারণ ও বাসটির কারিগরি ত্রুটি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় তদন্ত করা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

গুজরাটকে বিধ্বস্ত করে ফের চ্যাম্পিয়ন কোহলির বেঙ্গালুরু

অনলাইন ডেস্ক
গুজরাটকে বিধ্বস্ত করে ফের চ্যাম্পিয়ন কোহলির বেঙ্গালুরু
সংগৃহীত ছবি

আইপিএলে প্রথম শিরোপার জন্য বিরাট কোহলি ও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর অপেক্ষা ছিল দীর্ঘ ১৭ বছরের। গত মৌসুমে সেই গেঁড়ো খোলার পর এবার আরেকটি শিরোপা জিতে নিল বেঙ্গালুরু। 

আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে রবিবারের ফাইনালে গুজরাট টাইটান্সকে ৫ উইকেটে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো আইপিএল ট্রফি ঘরে তুলেছে বেঙ্গালুরু। রান তাড়া করতে নেমে ব্যাট হাতে জাদুকরী এক ইনিংস খেলে বেঙ্গালুরুকে চ্যাম্পিয়ন করে মাঠ ছাড়েন বিরাট কোহলি।

লো-স্কোরিং ফাইনালে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে বেঙ্গালুরুর বোলিং তোপে ১৫৫ রানের বেশি করতে পারেনি গুজরাট টাইটান্স। জবাবে ১২ বল বাকি থাকতেই ৫ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় রজত পতিদারের দল। আইপিএলের ১৯ বছরের ইতিহাসে এটি বেঙ্গালুরুর দ্বিতীয় শিরোপা। 

এর মাধ্যমে চেন্নাই সুপার কিংস (২০১০ ও ২০১১) এবং মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের (২০১৯ ও ২০২০) পর টুর্নামেন্টের ইতিহাসে তৃতীয় দল হিসেবে টানা দুইবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করল বেঙ্গালুরু। অন্যদিকে মাত্র ৫ বছর বয়সী ফ্রাঞ্চাইজি গুজরাট তিনবার ফাইনালে উঠে দ্বিতীয়বারের মতো রানার্সআপ ট্রফি নিয়ে মাঠ ছাড়ল।

এদিন টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বেঙ্গালুরু অধিনায়ক রজত পাতিদার। প্রথম কোয়ালিফায়ারে জয়ী একাদশ নিয়েই ফাইনালের মঞ্চে নামে তারা। ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই বেঙ্গালুরুর আক্রমণাত্মক বোলিংয়ের সামনে চাপে পড়ে যায় গুজরাট। রাজস্থান রয়্যালসের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করে দলকে ফাইনালে তোলা অধিনায়ক গিল এদিন থমকে যান মাত্র ১০ রানে। তার ওপেনিং সঙ্গী সাই সুদর্শনও ১২ রানের বেশি করতে পারেননি। মিডল-অর্ডারে নিশান্ত সিন্ধু ২০ এবং দলের অন্যতম ভরসা জস বাটলার ফেরেন ১৯ রান করে। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ১৫৫ রান তোলে গুজরাট টাইটান্স।

১৫৬ রানের লক্ষ্য তাড়ায় নেমে ভেঙ্কটেশ আইয়ারকে নিয়ে বেঙ্গালুরুকে বিধ্বংসী সূচনা এনে দেন বিরাট কোহলি। মোহাম্মদ সিরাজ ও কাগিসো রাবাদার ওপর তাণ্ডব চালিয়ে মাত্র ৩.৩ ওভারেই দলের স্কোরবোর্ডে ৫০ রান যোগ করেন এই দুই ওপেনার। পঞ্চম ওভারে ১৬ বলে ৩২ রান করা আইয়ারকে ফিরিয়ে ব্রেকথ্রু এনে দেন সিরাজ।

এরপর দ্রুতই বিদায় নেন দেবদূত পাডিক্কাল। অধিনায়ক রজত পতিদার ক্রিজে এসে কিছুক্ষণ কোহলিকে সঙ্গ দিলেও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। একই ওভারে পতিদার ও ক্রুনাল পান্ডিয়াকে ফিরিয়ে গুজরাটকে ম্যাচে ফেরানোর চেষ্টা করেন আফগান স্পিনার রশিদ খান।

তবে অন্য প্রান্তে টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের ১১০তম ও চলতি আইপিএলের ষষ্ঠ ফিফটি তুলে নেন ৩৭ বছর বয়সী কোহলি। মাত্র ২৫ বলে করা এই ফিফটিটি আইপিএল ইতিহাসে কোহলির নিজের দ্রুততম এবং আইপিএল ফাইনালের ইতিহাসে যেকোনো ব্যাটারের দ্বিতীয় দ্রুততম ফিফটির রেকর্ড।

এরমধ্যেই টিম ডেভিড ১৭ বলে ২৪ রান করে আরশাদ খানের শিকার হন। তবে এক প্রান্ত আগলে রেখে খেলে যান কোহলি। পরে আরশাদ খানের বলে কোহলিও মিড অফে প্রায় ক্যাচ তুলে দিয়েছিলেন। তবে শুভমান গিল বল ধরার পর কিছু অংশ মাটিতে লেগে যাওয়ায় বেঁচে যান কোহলি। এরপর গুজরাটকে আর কোনো সুযোগ না দিয়ে ১৮তম ওভারের শেষ বলে ছক্কা মেরে বেঙ্গালুরুর ব্যাক-টু-ব্যাক শিরোপা নিশ্চিত করেন কোহলি। ৯টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৪২ বলে ৭৫ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। 

গুজরাটের হয়ে ৩ ওভারে ৪৪ রান দিয়ে ১ উইকেট নেন রাবাদা। তবে পুরো আসরে ২৯ উইকেট নিয়ে এই আসরের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারির (পার্পল ক্যাপ) পুরস্কার নিজের করে নেন এই দক্ষিণ আফ্রিকান পেসার।

সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ

ভারতের সঙ্গে পারল না বাংলাদেশ

রানা শেখ, গোয়া থেকে
ভারতের সঙ্গে পারল না বাংলাদেশ
ভারতের কাছে পরাজয়ের পর হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়ছে বাংলাদেশ দল। আজ গোয়ার জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে। ছবি: মীর ফরিদ, গোয়া থেকে

বাংলাদেশ ০-৩ ভারত

শুরুটা দুর্দান্ত করেছিল বাংলাদেশ নারী দল। দ্বিতীয় মিনিটেই সুযোগ ধরা দিয়েছিল। কিন্তু গোলরক্ষককে একা পেয়েও পরাস্ত করতে পারেননি আনিকা রানিয়া সিদ্দিকী। 

শুরুর সুযোগ নষ্টের হতাশা আর কাটিয়ে উঠতে পারেনি বাংলাদেশ। উল্টো সময় যত গড়াল, পিটার বাটলারের শিষ্যরা যেন খেই হারিয়ে ফেলল। শেষ পর্যন্ত ভারত নারী দলের কাছে হারল ৩-০ গোলে। 

এ হারে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে গ্রুপ পর্বে রানার্স আপ হলো বাংলাদেশ। সেমিফাইনালে প্রতিপক্ষ হিসাবে পেল নেপালকে। আর গ্রুপসেরা ভারতের প্রতিপক্ষ ভুটান। ফাইনালে ওঠার দুটি লড়াই-ই আগামী ৩ জুন। 

আগের ম্যাচের মতো আজও গোয়ার জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামের গ্যালারি ছিল ফাঁকা। স্বাগতিক ভারতের খেলা হলেও দর্শক আসেনি বললেই চলে। প্রায় শূন্য গ্যালারিতে ভারত তাদের সেরা ফুটবলই খেলেছে। বাংলাদেশ বরং নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিতে পারেনি। 

শুরুর প্রচেষ্টায় আনিকা গোল এনে দিতে পারলে ভিন্ন চিত্র হতে পারত। এরপরও বাংলাদেশ ম্যাচে ছিল দ্বিতীয় গোল হজমের আগ পর্যন্ত। মধ্যমাঠের দখল ছিল ভারতের পায়ে। সুযোগ পেলে আক্রমণে গেছে বাংলাদেশ। 

স্ট্রাইকার হিসেবে শুরু করলেও নিচে নেমে খেলেছেন আনিকা। কিন্তু ঋতুপর্ণা কিংবা মনিকা চাকমাদের সঙ্গে যোগসূত্র তৈরি করতে পারেননি। রক্ষণভাগও সেরা অবস্থায় ছিল না। 

৩৬ মিনিটে প্রথম গোল হজম করতে হয় কোহাতি কিসকুর ভুলে। মধ্যমাঠ থেকে উড়ে যাওয়া ক্রস হেডে ক্লিয়ার করতে পারেননি কোহাতি। সেই বল বক্সের সামনে পেয়ে ভেতরে ঢুকে মাপা শটে জাল খুঁজে নেন পিয়ারি সাসা।

PIC1
ভারতীয় মেয়েদের গোল উদযাপন। ছবি: মীর ফরিদ, গোয়া থেকে

বিরতির পর ভারতের ওপর চাপ বাড়ায় বাংলাদেশ। দুই উইং দিয়ে আক্রমণে যাওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু সুযোগ কাজে লাগাতে পারছিল না। 

৬৫ মিনিটে তিনটি পরিবর্তন আনেন পিটার বাটলার। উমেহ্লা মারমা, শাহেদা আক্তার রিপা এবং মোছাম্মৎ সাগরিকা মাঠে নামেন। মিনিট তিনেক পরই সুযোগ আসে উমেহ্লার সামনে। ঋতুপর্ণার ক্রস দূরের পোস্টে উড়ে এলে পা লাগাতে পারেননি উমেহ্লা। পরের মিনিটে আক্রমণে যায় ভারত।

বাংলাদেশের হাই লাইন ডিফেন্স পেছনে ফেলে বক্সে ঢুকে পড়েন বদলি নামা লিন্ডা কম। তার গতির শট লাফিয়ে ফেরান মিলি আক্তার।

৭৭ মিনিটে দ্বিতীয় গোল হজম করে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় বাংলাদেশ। বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে বক্সের মধ্যে ফাউল করে বসেন সুরমা জান্নাত। সফল স্পট কিকে গোল করেন লিন্ডা। আর ৯০ মিনিটে বাংলাদেশের যন্ত্রণা আরো বাড়ান মালভিকা। 

মেয়েদের সাফে দুই আসর এবং দশ ম্যাচ পর হারল বাংলাদেশ।

অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে প্রস্তুতি শুরু আয়োজক মেক্সিকোর

ক্রীড়া ডেস্ক
অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে প্রস্তুতি শুরু আয়োজক মেক্সিকোর
ছবি : এএফপি

বিশ্বকাপের আর বাকি ১০ দিন। চুড়ান্ত মহামরণে নামার আগে নিজের ঝালিয়ে নিতে মাঠে নেমেছিলেন বিশ্বকাপের অন্যতম আয়োজক মেক্সিকো এবং এশিয়ার পরাশক্তি অস্ট্রেলিয়া। 

ক্যালিফোর্নিয়ার পাসাডেনার বিখ্যাত রোজ বোল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত প্রীতি ম্যাচে মেক্সিকো ১-০ গোলে অস্ট্রেলিয়াকে পরাজিত করেছে। প্রীতি ম্যাচটি ছিল বিশ্বকাপের মূল স্কোয়াড ঘোষণার আগে উভয় দলের খেলোয়াড়দের পরখ করে নেওয়ার শেষ সুযোগ। 

ম্যাচের ২৭ মিনিটেই একমাত্র জয়সূচক গোলটি আসে। উইঙ্গার আলেক্সিস ভেগার নিখুঁত কর্নার কিক থেকে চমৎকার হেডে গোলটি করেন মেক্সিকান ডিফেন্ডার ইয়োহান ভাসকেস। 

ম্যাচের প্রথমার্ধে মেক্সিকো সম্পূর্ণ আধিপত্য বিস্তার করে খেলে। তবে প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে মেক্সিকোর ডিফেন্ডার লুইস চাভেজের একটি ভুলের কারণে অস্ট্রেলিয়ার স্ট্রাইকার মোহামেদ তুরে ফাঁকা পোস্ট পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ হন। 

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে মেক্সিকোর কিংবদন্তি গোলরক্ষক গিয়ের্মো ওচোয়া মাঠে নামলে গ্যালারিতে থাকা ৭৮,৪৭৯ জন দর্শক করতালির মাধ্যমে তাকে স্বাগত জানায়। ৭৬তম মিনিটে মেক্সিকোর একটি গোল রেফারি বাতিল করলে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে মৃদু উত্তেজনা ও ধাক্কাধাক্কির সৃষ্টি হয়।

বিশ্বকাপের মূল পর্ব শুরুর আগে আগামী বৃহস্পতিবার টোলুকাতে সার্বিয়ার বিপক্ষে মেক্সিকো তাদের শেষ প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে। এরপর ১১ জুন মেক্সিকো সিটির বিখ্যাত অ্যাজটেকা স্টেডিয়ামে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে আয়োজকরা। 

এদিকে হারের ধাক্কা সামলে কোচ টনি পপোভিক বিশ্বকাপের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করবেন। মূল আসরে নামার আগে আগামী ৬ জুন সান ডিয়েগোতে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে তারা আরেকটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে। বিশ্বকাপে তাদের প্রথম ম্যাচ ১৩ জুন তুরস্কের বিপক্ষে।