• ই-পেপার

আবারও রিয়ালের কোচ মরিনহো

বৈভবের ঝড় ম্লান, গিল–সুদর্শনের বিশ্বরেকর্ডে ফাইনালে গুজরাট

অনলাইন ডেস্ক
বৈভবের ঝড় ম্লান, গিল–সুদর্শনের বিশ্বরেকর্ডে ফাইনালে গুজরাট
সেঞ্চুরির পর গিল। ছবি : সংগৃহীত।

লক্ষ্য ছিল ২১৫ রানের। কিন্তু টি-টোয়েন্টির যুগে এই রান আর ততটা ‘বড়’ নয়। মুলানপুরের পিসিএ স্টেডিয়ামে তারই প্রমাণ মিলল। অনায়াসেই সেই লক্ষ্য টপকে গেল গুজরাট টাইটান্স। দলের সাত উইকেটে জয়ে মুখ্য ভূমিকা নিলেন অধিনায়ক শুভমান গিল, তার দুর্দান্ত সেঞ্চুরির সৌজন্যে। ফলে রবিবারের আইপিএল ফাইনালে হাইভোল্টেজ লড়াই। ‘কিং’ বনাম ‘প্রিন্স’-এর বহুল প্রতীক্ষিত দ্বৈরথ।

শুক্রবার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে দু’বার টস হল। প্রথমে টস জিতলেও দ্বিতীয়বার টস হওয়ায় হেরে যান গুজরাট অধিনায়ক। আসলে প্রথমে গিলকে কয়েনটি স্পিন করতে বলেন ম্যাচ রেফারি। কিন্তু রিয়ান পরাগ যে হেড কল করেছেন, তা কানে পৌঁছয়নি তার। টেল পড়ায় গিল জিতেও যান। কিন্তু রেফারি রিয়ানের কল শুনতে পাননি বলে গিলকে ফের টস করতে বলেন। ঘটনায় বেশ বিরক্তই হন গুজরাট ক্যাপ্টেন। কিন্তু নিয়ম মেনে তিনি ফের টস করতে বাধ্য হন। এবার রিয়ান হেড কল করেন। হেডই পড়ে। ফলে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় রাজস্থান।

প্রথমে ব্যাটিং নিলেও শুরুটা কিন্তু জমাতে পারল না রাজস্থান। সাত তাড়াতাড়ি ফিরলেন যশস্বী জয়সওয়াল (১) এবং ধ্রুব জুরেল (৭)। এরপর রবীন্দ্র জাডেজার সঙ্গে বৈভব সূর্যবংশীর ১২৭ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি রাজস্থানকে লড়াকু স্কোরে পৌঁছে দেয়। 

জাড্ডু অপরাজিত থাকেন ৩৫ বলে ৪৫ রানে। তার আগে অবশ্য ক্রিকেটবিশ্ব আরও একবার সাক্ষী থাকল বৈভব-তাণ্ডবে। এদিন অবশ্য অনেক ‘পরিণত’ বৈভবকে দেখা গেল। ৩১ বলে হাফসেঞ্চুরি করল বাঁহাতি তারকা। যা আইপিএলে তার সবচেয়ে মন্থর পঞ্চাশ। আগের ম্যাচে ২৯ বলে ৯৭ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেললেও, এদিন দলের স্বার্থে তাকে অনেক বেশি ধীরস্থির হয়ে ব্যাট করেছে সে। অর্ধশতরান আসে ১৩তম ওভারে। তবে পঞ্চাশের পরই গিয়ার বদলে আগ্রাসী মেজাজে ব্যাট করতে শুরু করে বৈভব। এক সময় মনে হচ্ছিল সেঞ্চুরি সময়ের অপেক্ষা। কিন্তু কাগিসো রাবাডার শর্ট বলে থার্ডম্যান অঞ্চলে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণের হাতে ক্যাচ দিয়ে থামতে হয় তাকে। ১৫ বছরের এই ব্যাটারের ৪৭ বলে ৯৬ রানের ইনিংসকে সম্মান জানাতে গোটা মাঠ দাঁড়িয়ে অভিবাদন জানায়। শেষদিকে ডোনোভান ফেরেরা রশিদ খানকে শেষ ওভারে চারটি ছক্কা মেরে দলকে ২০০ রানের গণ্ডি পার করান।

২১৫ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকে আগ্রাসী মনোভাব দেখায় গুজরাট। প্রথম ওভারেই জফ্রা আর্চারকে চারটি চার মেরে চাপে ফেলে দেন ওপেনাররা। নান্দ্রে বার্গার ও ব্রিজেশ শর্মাও রানের গতি আটকাতে পারেননি। পাওয়ার প্লে শেষ হতেই গুজরাট তুলে ফেলে ৬৯ রান। এরপরও থামেনি দাপট। সময়ের সঙ্গে আরও একপেশে হয়ে ওঠে ম্যাচ। নবম ওভারেই শতরানের জুটি গড়ে তোলেন শুভমান গিল ও সাই সুদর্শন। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এই জুটির এটি ১১তম শতরান। যা একটি নজিরবিহীন রেকর্ড।

রান আটকাতে স্পিনারদের আক্রমণে আনলেও উলটো ফল হয়। রবীন্দ্র জাডেজা ও যশ রাজ পুঞ্জার বলেও কেমন যেন ম্যাড়ম্যাড়ে। মনে হচ্ছিল, কোনও উইকেট না হারিয়েই ম্যাচ শেষ করে দেবে গুজরাট। কিন্তু হঠাৎই ‘অদ্ভুত’ বিদায় সুদর্শনের। আগের ম্যাচের মতো এবারও হিট উইকেট তিনি। চার পেলেও লাভ হয়নি। বল বাউন্ডারিতে গেলেও তার আগেই ব্যাট লেগে স্টাম্প ভেঙে যায়। হতাশায় মাথায় হাত দেন সুদর্শন, আর অন্য প্রান্তে থাকা গিলও অবাক হয়ে হাঁটু গেড়ে বসে পড়েন। ৩২ বলে ৫৮ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেলেন তিনি।

এরপর গিল নিজের ছন্দ বজায় রেখে রবীন্দ্র জাডেজাকে চার মেরে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। দুর্দান্ত এই ইনিংসে ৫৩ বলে ১০৪ রান করেন তিনি। ছিল ১৫টি চার ও ৩টি ছয়। তবে ১৫তম ওভারে আর্চারের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফিরতে হয় গুজরাট অধিনায়ককে। শেষদিকে ওয়াশিংটন সুন্দর (১৬) আউট হলেও ম্যাচ জেতাতে কোনও সমস্যা হয়নি। জস বাটলার ও রাহুল তেওতিয়া ৮ বল বাকি থাকতে দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন

মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স ছাড়ছেন হার্দিক পান্ডিয়া

মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স ছাড়ছেন হার্দিক পান্ডিয়া
হার্দিক পান্ডিয়া। ছবি : বিসিসিআই

মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের হয়েই আইপিএলে আলো ছড়িয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বক্রিকেটে আলোচনায় আসেন হার্দিক পান্ডিয়া। সেই মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সেই তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়েছেন পড়েছেন। 

পরিণাম—ফ্র্যাঞ্চাইজিটি ছাড়তে যাচ্ছেন দলের অধিনায়ক। নির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় বার্তা সংস্থা পিটিআই। 

আইপিএলের এবারের মৌসুম এখনো শেষ না হলেও হার্দিক পান্ডিয়ার নেতৃত্বাধীন মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের যাত্রা থেকে গেছে লিগ পর্বেই। ১০ দলের আসরে নবম হয়েছে রেকর্ড পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন মুম্বাই। 

২০১৫ থেকে ২০২১ মৌসুম পর্যন্ত মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সে প্রথম অধ্যায় কাটিয়েছেন পান্ডিয়া। বিশ্বের সবচেয়ে ধনী এই ক্রিকেট ফ্র্যাঞ্চাইজিটির হয়ে এই সময়ে জিতেছেন চারটি শিরোপা। 

২০২২ সালে পান্ডিয়া যোগ দেন নবাগত ফ্র্যাঞ্চাইজি গুজরাট টাইটান্সে। সেই বছরই তার অধিনায়কত্বে চ্যাম্পিয়ন হয় গুজরাট। পরের বছর হয় রানার্স আপ। 

পান্ডিয়ার নেতৃত্বগুণে মুগ্ধ হয়ে ২০২৪ সালে চড়া দামে তাকে গুজরাট থেকে মুম্বাইয়ে ফিরিয়ে আনা হয়। রোহিত শর্মাকে সরিয়ে দেওয়া হয় দলটির অধিনায়কত্বও। তবে এতে মুম্বাই সমর্থকদের একাংশের তীব্র সমালোচনা ও বিরূপ প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়তে হয়। ঘরের মাঠ ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে অনবরত দুয়োধ্বনিও শুনতে হয়।

ওই মৌসুমে মুম্বাই ছিল পয়েন্ট তালিকার তলানিতে। গত বছর পান্ডিয়ার অধিনায়কত্বে মুম্বাই প্লে-অফ পর্বে উঠলেও এ বছর আবারও ব্যর্থ। এবার ব্যাটে-বলে পান্ডিয়ার পারফরম্যান্স ছিল প্রত্যাশার অনেক নিচে। চোটের কারণে কয়েকটি ম্যাচ মিসও করেন তিনি। 

পিটিআইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মুম্বাইয়ের প্লে-অফে ওঠার আশা শেষ হতেই পান্ডিয়া ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিককে জানিয়ে দেন, তিনি আর এই দলে থাকছেন না। মালিকপক্ষও তার এই সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছে।

পিটিআইকে একটি সূত্র জানিয়েছে, ‘হার্দিক পান্ডিয়া মানসিকভাবে চাপে ছিলেন এবং খুব ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন। তিনি পিঠের চোটেও ভুগছিলেন। প্লে-অফের আশা শেষ হওয়ার পরই তিনি সিদ্ধান্ত নেন যে আর দলে থাকবেন না।’

সূত্রটি আরো বলেছে, ‘বুঝতে হবে হার্দিকের বয়স মাত্র ৩২ বছর। তিনি ৩০ বছর বয়সে মুম্বাইয়ে ফেরেন। প্রথম বছর তাকে হেনস্তা করা হয়েছে। এবারও পরিস্থিতি ভালো ছিল না। দলের ভেতর একতা ছিল না। সবাই একসঙ্গে একই পথে চলছিল না। যখন এমন হয়, তখন মানসিকভাবে টিকে থাকা কঠিন হয়ে যায়।’

আরেকটি সূত্রের দাবি, হার্দিক পান্ডিয়া দলের সিনিয়র ক্রিকেটারদের আচরণে আহত হয়েছেন। অভিযোগ উঠেছে, ভারতের হয়ে খেলার সময় তার কাছ থেকে শতভাগ চাওয়া হলেও মুম্বাইয়ের হয়ে নেতৃত্ব দেওয়ার সময় একই সমর্থন তিনি পাননি।

এদিকে পয়েন্ট তালিকার তলানিতে থেকে এবারের মৌসুম শেষ করা লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টসের অধিনায়কত্ব ছেড়েছেন ঋষভ পন্ত। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দলের পরিচালক টম মুডি।

‘ভারতের বিপক্ষে খেললেই বাড়তি এনার্জি আসে’

রানা শেখ, গোয়া থেকে
‘ভারতের বিপক্ষে খেললেই বাড়তি এনার্জি আসে’
টিম হোটেলে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন বাংলাদেশ দলের ফরোয়ার্ড সুরভী আকন্দ প্রীতি। ছবি : মীর ফরিদ, গোয়া থেকে

মালদ্বীপের বিপক্ষে শুরুটা দারুণ করেও শেষটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। ভারত যেখানে ১১-০ গোলে জিতেছে, সেখানে একই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে বাংলাদেশের জয় ৪-২ ব্যবধানে। 

এতে দলের মধ্যে জয়ের আনন্দ থাকলেও স্বস্তি নেই। আগামী রবিবার (৩১ মে) সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে স্বাগতিক ভারতের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। সেই ম্যাচ জিতেই স্বস্তি ফেরাতে চায় লাল-সবুজের দল। 

গতকাল রাতে গোয়ায় টিম হোটেলে ফরোয়ার্ড সুরভী আকন্দ প্রীতি এমনটাই জানিয়েছেন। তার ভাষ্য, ‘মালদ্বীপের বিপক্ষে আমরা প্রত্যাশিত খেলাটা খেলতে পারিনি। তাই এত আনন্দিত হওয়ার কিছু নেই। ভারতের সঙ্গে আমাদের পরের লড়াই। সেই ম্যাচ জিতলে আমরা খুশি হবো আরকি। ভারতের বিপক্ষে খেলা মানেই আমাদের মধ্যে বাড়তি একটা এনার্জি আসে। ওরা তুলনামূলকভাবে ভালো দল, এ জন্যই প্রাণশক্তিটা আসে। তা ছাড়া ওরা আমাদের পাশের দেশ, সে জন্যই আসে এনার্জিটা।’

PRITY KK
মালদ্বীপের বিপক্ষে বদলি নেমে গোল করেন প্রীতি। ছবি: মীর ফরিদ, গোয়া থেকে

মালদ্বীপের বিপক্ষে গোল উৎসবের ভাবনা ছিল বাংলাদেশের। শুরুটাও আশাজাগানিয়া হয়েছিল ১১ সেকেন্ডে আনিকা রানিয়া সিদ্দিকীর গোলে। এরপর উমেহ্লা মারমা ব্যবধান করেছিলেন দ্বিগুণ। 

কিন্তু এরপর বাংলাদেশ দ্বিগুণ বেগে ছুটবে কি না, উল্টো হজম করে বসে দুই গোল! এমন দুঃসময়ে বদলি নেমে দলকে এগিয়ে নেন প্রীতি। এরপর দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময়ে কোহাতি কিসকুর গোলে জয় পায় পিটার বাটলারের দল।

৩ পয়েন্ট পেয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত হওয়ায় কোচ খুশি বলে জানিয়েছেন প্রীতি, ‘মালদ্বীপ ম্যাচের পর আমাদের মধ্যে তেমন কথা হয়নি। কোচ আমাদের পারফরম্যান্স নিয়ে খুশি। কোচের কথা ছিল আমাদের ৩ পয়েন্ট লাগবে, আমরা সেটা পেরেছি। আমরা ম্যাচে কী ভুল-ত্রুটি করেছি, কোচ তা ট্রেনিংয়ে দেখাবেন। (ভারত ম্যাচের আগে) আমরা ভুল শোধরানোর চেষ্টা করব।’

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আম্পায়ারিং করবেন বাংলাদেশের জেসি

ক্রীড়া ডেস্ক
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আম্পায়ারিং করবেন বাংলাদেশের জেসি
বাংলাদেশি আম্পায়ার সাথিরা জাকির জেসি। ছবি : ফেসবুক

সময় যতই গড়াচ্ছে, সাথিরা জাকির জেসির আম্পায়ারিং ক্যারিয়ার ততই সমৃদ্ধ হচ্ছে। 

একসময় বিশ্বকাপে আম্পায়ারিং করার স্বপ্ন ছিল জেসির। সেই স্বপ্ন অনেক আগেই পূরণ হয়েছে। বয়সভিত্তিক বিশ্বকাপের পর গত বছর মেয়েদের ওয়ানডে বিশ্বকাপে ম্যাচ পরিচালনা করেছেন তিনি। এবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও দেখা যাবে তাকে। 

আগামী ১২ জুন ইংল্যান্ডে শুরু হচ্ছে মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দশম আসর। টুর্নামেন্টে একমাত্র বাংলাদেশি আম্পায়ার হিসেবে ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছেন জেসি। গত রাতে জেসিসহ ১৪ জনকে রেখে টুর্নামেন্টের আম্পায়ার প্যানেল ঘোষণা করেছে আইসিসি।

২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে মালয়েশিয়া-থাইল্যান্ড টি-টোয়েন্টি ম্যাচ দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আম্পায়ারিংয়ের অভিষেক হয় সাথিরার। এখন পর্যন্ত ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত সংস্করণে ২২ ম্যাচে মাঠের এবং ১২ ম্যাচে টিভি আম্পায়ারের দায়িত্বে দেখা গেছে তাকে। ওয়ানডে পরিচালনা করেছেন ১৬টি। এর মধ্যে আছে ২০২৫ নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপের ম্যাচ ৪টি।

শুরুর দিকে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পুরুষ আম্পায়ার ও ম্যাচ রেফারিরা থাকলেও, অষ্টম আসর থেকে পুরো দায়িত্বে আছেন শুধু নারীরাই।

আইসিসি জানিয়েছে, ক্রিকেটে নারীর প্রতিনিধিত্ব বাড়ানোর অংশ হিসেবে টানা তৃতীয়বারের মতো এই টুর্নামেন্টে সম্পূর্ণ নারী ম্যাচ অফিশিয়াল প্যানেল ব্যবহার করা হচ্ছে। এবারের আসরে জেসির সঙ্গে আম্পায়ার হিসেবে আরো অভিষেক হচ্ছে ক্যান্ডেস লা বোর্ডে, কেরিন ক্লাস্ট ও গায়ত্রী বেনুগোপালনের।

আইসিসির প্রধান নির্বাহী সংযোগ গুপ্ত জানান, এই অফিশিয়ালদের অগ্রগতি এবং ২০২৫ নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপে দেখানো মাঠের পারফরম্যান্স বিবেচনা করেই ২০২৬ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে।

এবারের বিশ্বকাপে ‘এ’ গ্রুপে খেলবে বাংলাদেশ। গ্রুপ পর্বে নিগার-নাহিদা-মারুফাদের প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া, ভারত, পাকিস্তান, দক্ষিণ আফ্রিকা ও নেদারল্যান্ডস।