• ই-পেপার

ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নে অভিযুক্ত ফুটবলার ঘানার বিশ্বকাপ দলে

কথিত ‘গুরু’র ভবিষ্যদ্বাণী, ফিফা বিশ্বকাপ জিতবে ডাচ'রা

ক্রীড়া ডেস্ক
কথিত ‘গুরু’র ভবিষ্যদ্বাণী, ফিফা বিশ্বকাপ জিতবে ডাচ'রা
সংগৃহীত ছবি

দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত ফিফা বিশ্বকাপে পল নামের অক্টোপাসের কথা সবার মনে আছে। জার্মানি তার ভবিষ্যদ্বাণী মিলে গিয়েছিলো। সারাবিশ্ব অক্টোপাসটিকে জ্যোতিষী আখ্যা দিয়েছিল।

কিন্তু জার্মান অর্থনীতিবিদ জোয়াকিম ক্লেমেন্ট ছাড়িয়ে গেছেন পলকে। যিনি ২০১৪ সাল থেকে বিশ্বকাপ জয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করার ক্ষেত্রে শতভাগ সফলতার রেকর্ড বজায় রেখেছেন। 

ক্লেমেন্টে ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন এবার বিশ্বকাপ জিতবেন নেদারল্যান্ড। এতে তার ভবিষ্যদ্বাণী ঠিখ এটি হবে চতুর্থ বিশ্বকাপ জয়ী দল। 

প্রথমবারের মত ৪৮-দলের অংশগ্রহণে হতে যাওয়া বিশ্বকাপে দ্বিতীয় রাউন্ডে ব্রাজিলের বিপক্ষে জাপান অপ্রত্যাশিত জয় পাবে। সেই সাথে দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে স্কটল্যান্ড বিদায় নিবে। এমন সব ভবিষ্যদ্বাণী রয়েছে।

এদিকে ভবিষ্যদ্বাণী  ইংল্যান্ডের সেমিফাইনালে ওঠার কথা রয়েছে। পর্তুগাল জন্য অপেক্ষা করছে খারাপ সময়। 

এই ভবিষ্যদ্বাণী নিজেকে একজন ‌‘নিরাশাবাদী’ দাবি করেন। ১০ বছর ধরে যুক্তরাজ্যে বসবাস করছেন, তাঁর কাছে এই গবেষণার উদ্দেশ্য কখনোই কাউকে হৃদয়ভঙ্গ থেকে রক্ষা করা বা বাজি ধরে বড় অঙ্কের অর্থও জেতার জন্য নয়। বরং, তিনি ভবিষ্যদ্বাণী করার চেষ্টার অযৌক্তিকতা তুলে ধরতে চেয়েছিলেন।

ক্লেমেন্ট বলেন, ‘এর শুরুটা হয়েছিল বিশ্বকে সেইসব অর্থনীতিবিদদের দেখানো যারা এমন সব বিষয়ের পূর্বাভাস দেওয়ার কথা ভাবেন, যে সম্পর্কে আসলে তাদের কোনো ধারণাই নেই।’

আর এখন ব্যাপারটা এমন হয়ে দাঁড়িয়েছে, যদি আপনার ভাগ্য যথেষ্ট ভালো থাকে। তাহলে লোকেরা আপনাকে প্রায়শই একজন ‘গুরু’ বলে মনে করবে বলে যোগ করেন এই জার্মান নাগরিক।

ক্লেমেন্ট প্রথম ভবিষ্যদ্বাণীতে ২০১৪ সালে বিশ্বকাপ জেতে জার্মানি। সেই সাথে তিনি ২০১৮ সালে ফ্রান্সের ক্ষেত্রে এবং ২০২২ সালে আর্জেন্টিনার ক্ষেত্রেও সঠিক ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন।

যেহেতু আমি পরপর তিনবার সঠিক হয়েছি, তাই লোকেরা এখন মনে করে যে এই মডেলটি অপরাজেয় এবং পরেরবারও আমাকে অবশ্যই সঠিক হতে হবে বলেন এই অর্থনীতিবিদ।

নেইমার নাকি ভিনিসিয়ুস—বিশ্বকাপে ব্রাজিলের ১০ নম্বর জার্সি কে পাচ্ছেন

ক্রীড়া ডেস্ক
নেইমার নাকি ভিনিসিয়ুস—বিশ্বকাপে ব্রাজিলের ১০ নম্বর জার্সি কে পাচ্ছেন
ব্রাজিলের ১০ নম্বর জার্সিতে নেইমার ও ভিনিসিয়ুস। ছবি : এআই দিয়ে বানানো

ব্রাজিল জাতীয় ফুটবল দলে ১০ নম্বর জার্সি শুধু একটি সংখ্যা নয়, বরং বিশাল এক ঐতিহ্য, দায়িত্ব ও মর্যাদার প্রতীক। 

এই জার্সি পরেই ইতিহাস গড়েছেন পেলে-রিভালদো-রোনালদিনিওর মতো কিংবদন্তিরা। পরবর্তীতে এটি ওঠে নেইমার জুনিয়রের গায়ে।

ব্রাজিল দলে লম্বা সময় ধরে ১০ নম্বর জার্সি পরে খেলেছেন নেইমার। তবে ২০২৩ সালের অক্টোবরে উরুগুয়ের বিপক্ষে ম্যাচে গুরুতর চোট পাওয়ার পর তিনি মাঠের বাইরে চলে যান। এরপর এই জার্সিটি কখনো কখনো পরেছেন রাফিনিয়া, আবার কখনো ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। 

তবে নেইমার বিশ্বকাপ দলে ফেরার পর ১০ নম্বর জার্সি কে পরবেন, তা নিয়ে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে দুজনকে নিয়ে—নেইমার জুনিয়র ও ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। 

অনেকের ধারণা, ফিট থাকলে নেইমারই আবার ঐতিহ্যবাহী ১০ নম্বর জার্সি পরবেন। কারণ লম্বা সময় ধরে এটি তার দখলে।

কেউ কেউ ভিনিসিয়ুসকে নতুন ১০ নম্বর হিসেবে দেখছেন। কয়েকজন ফুটবল বিশ্লেষকের চাওয়া, এবার এই জার্সি ভিনিকে দেওয়া হোক।

মজার বিষয় হলো, ভিনি নিজেই সম্প্রতি বলেছেন, ‘১০ নম্বরটা নেইমারের। এটা তারই প্রাপ্য।’

সব মিলিয়ে যা বোঝা যাচ্ছে, তা হলো ১০০% ফিট থাকলে এবং ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি শুরু থেকেই খেলানোর পরিকল্পনা করলে বিশ্বকাপে ১০ নম্বর জার্সি নেইমার পরবেন। সে ক্ষেত্রে ভিনিসিয়ুসকে নিজের চিরচেনা ৭ নম্বর জার্সিতে দেখা যাবে।

রদ্রিগেজ-দিয়াজকে রেখেই বিশ্বকাপের দল ঘোষণা কলম্বিয়ার

ক্রীড়া ডেস্ক
রদ্রিগেজ-দিয়াজকে রেখেই বিশ্বকাপের দল ঘোষণা কলম্বিয়ার
ছবি : সকার টক

আসন্ন ফিফা বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী দক্ষিণ আমেরিকান দলগুলোর মধ্যে কলম্বিয়া অন্যতম। কলম্বিয়ার অভিজ্ঞ প্লেমেকার হামেস রোদ্রিগেসকে রেখেই ২৬ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে দক্ষিণ আমেরিকার দেশটি। ঘোষিত স্কোয়াডের মাধ্যমে গ্রুপ পর্বে রদ্রিগেজকে মুখোমুখি হতে হবে পতুর্গিজ মহাতারকা রোনাল্ডোর। এতে এক মহাদ্বৈরথ দেখতে পাবে ফুটবলপ্রেমীরা।

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে কলম্বিয়া এবং পর্তুগাল গ্রুপ কেতে রয়েছে। যেখানে তাদের অপর দুই প্রতিপক্ষ হলো উজবেকিস্তান ও ডিআর কঙ্গো। আগামী ২৮ জুন ফ্লোরিডার হার্ড রক স্টেডিয়ামে এই ঐতিহাসিক ম্যাচে মুখোমুখি হবেন সাবেক দুই রিয়াল মাদ্রিদ কিংবদন্তি।

জেমস রদ্রিগেজকে দলের অধিনায়ক করে ২৬ সদস্যের দল ঘোষণা করেছেন আর্জেন্টিনার কোচ নেস্তর লরেঞ্জো। দলে জায়গা পেয়েছে আরেক অভিজ্ঞ উইঙ্গার লুইস ডিয়াজ।

কলম্বিয়ার ২০২৬ বিশ্বকাপ স্কোয়াড :

গোলরক্ষক : ক্যামিলো ভার্গাস (অ্যাটলাস), আলভারো মন্টেরো (ভেলেজ সার্সফিল্ড), ডেভিড ওসপিনা (অ্যাটলেটিকো ন্যাশনাল।

ডিফেন্ডার : ড্যানিয়েল মুনোজ (ক্রিস্টাল প্যালেস), ডেভিনসন সানচেজ (গালাতাসারে), জন লুকুমি (বোলোগনা), জোহান মোজিকা (ম্যালোর্কা), উইলার দিত্তা (ক্রুজ আজুল), সান্তিয়াগো আরিয়াস (ইন্ডিপেনডিয়েন্ট), ডিভার মাচাদো (নান্টেস), ইয়েরি মিনা (ক্যাগলিয়ারি)।

মিডফিল্ডার : ফারসন লারমা (ক্রিস্টাল প্যালেস), জোন আরিয়াস (পালমেইরাস), জর্জ ক্যারাসকাল (ফ্ল্যামেঙ্গো), জুয়ান ক্যামিলো পোর্টিলা (অ্যাথলেটিকো প্যারানেসে), রিচার্ড রিওস (বেনফিকা), জুয়ান ফার্নান্দো কুইন্টেরো (রিভার প্লেট), গুস্তাভো পুয়ের্তা (রেসিং ডি সান্তান্ডার), জেমস রোজিও (রেসিং দ্য সান্তান্ডার) (মিনেসোটা ইউনাইটেড), জ্যামিন্টন ক্যাম্পাজ (রোজারিও সেন্ট্রাল।

ফরওয়ার্ড : লুইস দিয়াজ (বায়ার্ন মিউনিখ), জন কর্ডোবা (ক্রাসনোডার), লুইস সুয়ারেজ (স্পোর্টিং সিপি), কুচো হার্নান্দেজ (রিয়েল বেটিস), কার্লোস আন্দ্রেস গোমেজ (ভাস্কো দা গামা)।

বিসিবিতে না থাকার সিদ্ধান্ত প্রতিমন্ত্রীর ছেলের

আতিক রহমান, বগুড়া
বিসিবিতে না থাকার সিদ্ধান্ত প্রতিমন্ত্রীর ছেলের
এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের ছেলে মীর শাকরুল আলম সীমান্ত। ছবি : ফেসবুক

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক নির্বাচিত হওয়া প্রায় নিশ্চিত হলেও শেষ পর্যন্ত বোর্ডে না থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রাজশাহী বিভাগের কাউন্সিলর মীর শাকরুল আলম সীমান্ত। পারিবারিক ও ব্যাবসায়িক ব্যস্ততার কারণে তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।

মীর সীমান্তর বাবা মীর শাহে আলম ক্ষমতাসীন বিএনপি সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) প্রতিমন্ত্রী। মীর শাহে আলম নতুন দায়িত্ব নেওয়ার পর পারিবারিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও লিমিটেড কম্পানির শেয়ারসহ সার্বিক দায়িত্ব পালন করছেন তার ছেলে সীমান্ত।

বর্তমানে একাধিক ফিলিং স্টেশন, অটো রাইস মিল, পুষ্টি চালের কার্নেল ফ্যাক্টরি, আয়োডিন ফ্যাক্টরি, পুষ্টি মিশ্রণ ফ্যাক্টরি, মিনি কোল্ড স্টোরেজ, কৃষি খামার, প্রাণী খামার, ফ্লাওয়ার মিলসহ আরো কয়েকটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সরাসরি তদারকি করছেন সীমান্ত।

এ ব্যাপারে সীমান্ত বলেছেন, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও বড় পরিসরের দায়িত্বের জায়গা। অন্যদিকে পারিবারিক ব্যবসাগুলোর পূর্ণ দায়িত্ব বর্তমানে আমার ওপর রয়েছে। সবকিছু একসঙ্গে সমন্বয় করে ক্রিকেট বোর্ডে প্রয়োজনীয় সময় দেওয়া আমার জন্য খুব কঠিন হয়ে পড়বে। তাই বাস্তবতা বিবেচনায় বোর্ডে না থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

তবে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন সীমান্ত, ‘একজন ক্রীড়া সংগঠক ও ব্যবসায়ী হিসেবে ক্রিকেটসহ সব খেলার উন্নয়ন ও বিকাশে  সবসময় পৃষ্ঠপোষকতা ও সহযোগিতা করে যাব।’

PHOTO
বিসিবির অ্যাডহক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবালের সঙ্গে মীর সীমান্ত। ছবি: ফেসবুক

সীমান্ত আরো জানিয়েছেন, বোর্ডে আসতে না চাওয়ার সিদ্ধান্ত শিগগিরই বিসিবির অ্যাডহক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবালকে কাছে লিখিতভাবে জানাবেন।

ক্রিকেট সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তরুণ সংগঠক হিসেবে সীমান্তর বিসিবিতে আসা নিয়ে রাজশাহী বিভাগের ক্রিকেটাঙ্গনে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছিল। তবে পারিবারিক ও ব্যাবসায়িক ব্যস্ততা বিবেচনায় তার এ সিদ্ধান্তকে অনেকে দায়িত্বশীল পদক্ষেপ হিসেবেই দেখছেন।