• ই-পেপার

বিশ্বকাপে খেলছেন মেসি, নিশ্চিত করল আর্জেন্টিনা

টেন্ডুলকারর রেকর্ড ভাঙার স্বপ্নে জো রুট

ক্রীড়া ডেস্ক
টেন্ডুলকারর রেকর্ড ভাঙার স্বপ্নে জো রুট

টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রানের মালিক শচিন টেন্ডুলকার। দীর্ঘদিন ধরেই অটুট আছে তার ১৫ হাজার ৯২১ রানের বিশ্বরেকর্ড। তবে এবার সেই রেকর্ডে হুমকি হয়ে উঠছেন জো রুট।

ইংল্যান্ডের এই অভিজ্ঞ ব্যাটার বর্তমানে টেস্টে করেছেন ১৩ হাজার ৯৪৩ রান। অর্থাৎ সচিনকে ছাড়িয়ে যেতে তার প্রয়োজন আর মাত্র ১ হাজার ৯৭৮ রান।

সম্প্রতি দ্য অ্যাথলেটিককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শচিনের রেকর্ড নিয়ে কথা বলেছেন রুট। ভারতীয় কিংবদন্তির প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘শচিন আমার জন্মের আগেই টেস্ট অভিষেক করেছিল, আবার আমার টেস্ট অভিষেকের সময়ও খেলছিল! তার দীর্ঘ ক্যারিয়ারই অবিশ্বাস্য। শুধু টেস্ট নয়, ওয়ানডেতেও ৫০টি সেঞ্চুরি করেছে সে।’

রুট আরো জানান, তিনি প্রতিনিয়ত নিজের ব্যাটিংয়ে নতুন কিছু যোগ করার চেষ্টা করেন। তার ভাষায়, ‘আমি সবসময় নিজের ব্যাটিং আরো উন্নত করার চেষ্টা করি। যেন ম্যাচের সময় টেকনিক নয়, পরিস্থিতি অনুযায়ী খেলায় পুরো মনোযোগ দিতে পারি।’

২০২০ সালের পর থেকেই দুর্দান্ত ধারাবাহিকতায় রয়েছেন এই ইংলিশ ব্যাটার। বর্তমানে টেস্ট ক্রিকেটের তথাকথিত ‘ফ্যাব ফোর’—বিরাট কোহলি, স্টিভ স্মিথ, কেন উইলিয়ামসন ও রুটের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রানও তারই।

ইংল্যান্ডের সামনে এখন নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ। আর সেই সিরিজ থেকেই শচিনের রেকর্ডের দিকে আরো একধাপ এগিয়ে যেতে চাইবেন রুট।

২০০ টেস্টে শচিনের সংগ্রহ ১৫,৯২১ রান, যেখানে রয়েছে ৫১টি সেঞ্চুরি। অন্যদিকে ১৬৩ টেস্টেই রুটের ঝুলিতে ৪১টি সেঞ্চুরি ও ১৩,৯৪৩ রান। তাই অনেকের বিশ্বাস, বর্তমান ফর্ম ধরে রাখতে পারলে একদিন হয়তো টেস্ট ইতিহাসের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের আসনেও বসতে পারেন ইংল্যান্ডের এই ব্যাটিং তারকা।

আয়ে শীর্ষে রোনালদো, মেসির কত

ক্রীড়া ডেস্ক
আয়ে শীর্ষে রোনালদো, মেসির কত

২০২৬ সালে বিশ্বের সর্বোচ্চ আয় করা ক্রীড়াবিদদের মধ্যে ফোর্বসের তালিকায় শীর্ষে আছেন ফুটবল মহাতারকা ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো। টানা চতুর্থবারের মতো বিশ্বের সবচেয়ে বেশি আয় করা ক্রীড়াবিদের জায়গা ধরে রেখেছেন পর্তুগিজ এই তারকা। তার মোট আয় দাঁড়িয়েছে ৩০০ মিলিয়ন ডলারে। 

এদিকে রিংয়ে বছরটা খুব একটা সুখের ছিল না ক্যানেলো আলভারেজের। সুপার মিডলওয়েটের অবিসংবাদিত চ্যাম্পিয়নশিপ হারিয়েছেন টেরেন্স ক্রফোর্ডের কাছে, সমালোচনাও শুনতে হয়েছে অনেক। তবে মাঠের বাইরের আয়ে ঠিকই নিজের রাজত্ব ধরে রেখেছেন মেক্সিকান এই বক্সিং সুপারস্টার। 

সর্বোচ্চ আয় করা ক্রীড়াবিদদের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে জায়গা করে নিয়েছেন ক্যানেলো আলভারেজ। ৩৫ বছর বয়সী এই বক্সারের মোট আয় ধরা হয়েছে ১৭০ মিলিয়ন ডলার, যার মধ্যে ১৬০ মিলিয়নই এসেছে ফাইট পার্স বা ম্যাচ ফি থেকে। বাকি ১০ মিলিয়ন ডলার এসেছে স্পনসরশিপ ও বিভিন্ন বাণিজ্যিক কার্যক্রম থেকে। 

তালিকায় তৃতীয় স্থানে জায়গা করে নিয়েছেন ফুটবল জাদুকর লিওনেল মেসি। এই মৌসুমে তার মোট আয় হয়েছে ১৪০ মিলিয়ন ডলার। 

তালিকায় ১৩৭.৮ মিলিয়ন ডলার আয় করে চতুর্থ স্থানে আছেন এনবিএ কিংবদন্তি লেব্রন জেমস এবং বেসবলের বিস্ময় শোহেই ওহতানি ১২৭.৬ মিলিয়ন ডলার আয় করে আছেন পঞ্চম স্থানে।

মার্তিনেসকে আগামী দুই ম্যাচে পাবে না আর্জেন্টিনা

ক্রীড়া ডেস্ক
মার্তিনেসকে আগামী দুই ম্যাচে পাবে না আর্জেন্টিনা
মেসির সঙ্গে এমিলিয়ানো মার্তিনেস। ফাইল ছবি

বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র ১৯ দিন বাকি। এমন সময় বড় দুশ্চিন্তার খবর পেল বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। দলের প্রথম পছন্দের গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেসের চোট নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।

অ্যাস্টন ভিলার হয়ে উয়েফা ইউরোপা লিগের ফাইনালের আগে অনুশীলনের সময় ডান হাতের আঙুলে চোট পান মার্তিনেস। জানা গেছে, তার রিং ফিঙ্গারে হালকা মচকানো ধরনের সমস্যা হয়েছে।

চোট নিয়েই অবশ্য ফাইনালে খেলেছেন এই আর্জেন্টাইন গোলকিপার। ৩-০ গোলে হারিয়ে ইউরোপা লিগ জিতেছে অ্যাস্টন ভিলা। তবে ম্যাচ শেষে নিজেই জানান, বল ধরতে গিয়ে সমস্যায় পড়ছিলেন তিনি।

আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যমগুলোর দাবি, পুরোপুরি সুস্থ হতে প্রায় ২০ দিন সময় লাগতে পারে মার্তিনেসের। আর সেই কারণেই বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে তার খেলা নিয়ে তৈরি হয়েছে সংশয়।

আগামী ১৬ জুন আলজেরিয়ার বিপক্ষে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে আর্জেন্টিনা। তার আগে প্রস্তুতি ম্যাচে হন্ডুরাস ও আিইসল্যান্ডের মুখোমুখি হবে লিওনেল স্কালোনির দল। তবে এই দুই ম্যাচে খেলছেন না মার্তিনেস—এটি ইতোমধ্যেই নিশ্চিত করেছে আর্জেন্টাইন গণমাধ্যম।

কোচ লিওনেল স্কালোনি ও তার কোচিং স্টাফ কোনো ঝুঁকি নিতে চাইছেন না। তারা চাইছেন, গ্রুপ পর্বের শুরুতেই নয়, পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে শতভাগ ফিট মার্তিনেসকে পেতে।

বিশ্বকাপজয়ী এই গোলরক্ষক আর্জেন্টিনার জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। ২০২২ বিশ্বকাপ ফাইনালে ফ্রান্সের বিপক্ষে র্যান্ডাল কলো মুয়ানির শট ঠেকিয়ে ইতিহাস গড়েছিলেন তিনি। পরে টাইব্রেকারেও নায়ক হন মার্তিনেস।

স্বপ্নের মৌসুমে ফ্রেঞ্চ কাপ জিতল লেন্স, রেফারির জার্সিতে ছিল নম্বর!

ক্রীড়া ডেস্ক
স্বপ্নের মৌসুমে ফ্রেঞ্চ কাপ জিতল লেন্স, রেফারির জার্সিতে ছিল নম্বর!
ছবি : রয়টার্স

দারুণ এক মৌসুমের স্বপ্নময় সমাপ্তি টানল লেন্স। ১২০ বছরের ক্লাব ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ফ্রেঞ্চ কাপ জিতে নিয়েছে ক্লাবটি। শুক্রবার স্টেড দে ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত ফাইনালে নিসকে ৩-১ গোলে হারিয়ে শিরোপা উল্লাসে মাতে উত্তর ফ্রান্সের দলটি। 

এই জয়ের নায়ক ছিলেন তারকা ফরোয়ার্ড ফ্লোরিয়ান থাউভিন। পুরো টুর্নামেন্টজুড়েই দুর্দান্ত ফর্মে থাকা এই ফরাসি স্ট্রাইকার ফাইনালেও গোল করার পাশাপাশি একটি গোল বানিয়েও দেন। কোয়ার্টার ফাইনাল, সেমিফাইনাল ও ফাইনালে গোল করে নিজের অসাধারণ ধারাবাহিকতা ধরে রাখলেন তিনি। 

ম্যাচের ২৫ মিনিটে প্রথম গোল করে লেন্সকে এগিয়ে দেন থাউভিন। এরপর প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার তিন মিনিট আগে তার নেওয়া কর্নার থেকে হেডে গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ওডসন এদুয়ার।

দুই গোলে পিছিয়ে পড়লেও দ্রুত ম্যাচে ফেরার ইঙ্গিত দেয় নিস। বিরতির ঠিক আগ মুহূর্তেই জিব্রিল কুলিবালি একটি গোল শোধ করে দলকে আশার আলো দেখান। তবে দ্বিতীয়ার্ধে লেন্স আর ভুল করেনি।

ম্যাচের ৭৮ মিনিটে আবদাল্লাহ সিমা নিসের ডিফেন্ডারদের সঙ্গে শক্তির লড়াই জিতে বল জালে পাঠালে ৩-১ ব্যবধানে নিশ্চিত হয়ে যায় লেন্সের ঐতিহাসিক শিরোপা।

পুরো মৌসুমে লিগ ওয়ানে পিএসজির সঙ্গে সমানতালে লড়াই করেছিল লেন্স। দীর্ঘ সময় শীর্ষস্থান ধরে রাখলেও শেষ দিকে পিএসজির বিশাল স্কোয়াড গভীরতার সঙ্গে পাল্লা দিতে পারেনি তারা। শেষ পর্যন্ত লিগে দ্বিতীয় হলেও ফ্রেঞ্চ কাপ জিতে মৌসুমটা স্মরণীয় করে রাখল পিয়ের সাজের দল।

তরুণ প্রতিভা ও অভিজ্ঞ ফুটবলারদের অসাধারণ মিশেলে সাজানো এই লেন্স দলকে পুরো মৌসুমে দারুণভাবে পরিচালনা করেছেন কোচ পিয়ের সাজ। আর সেই পরিশ্রমেরই পুরস্কার মিলল মৌসুম শেষে।

অন্যদিকে নিসের জন্য হতাশা যেন কাটছেই না। ম্যাচে তারা দুবার পোস্টে বল মেরেও ভাগ্যের সহায়তা পায়নি। লিগে মার্চের মাঝামাঝি থেকে কোনো জয় না পাওয়া দলটি মৌসুম শেষ করেছে অবনমন অঞ্চলের কাছাকাছি অবস্থানে। এখন টিকে থাকার জন্য তাদের খেলতে হবে সাঁ-তেতিয়েনের বিপক্ষে প্লে-অফ।

এদিকে ফাইনালটি আরেকটি বিশেষ কারণে আলোচনায় আসে। ম্যাচের রেফারি জেরোম ব্রিসার্ড নিজের জার্সিতে ৮৪ নম্বর পরে মাঠে নামেন। মূলত ম্যাচ কর্মকর্তাদের প্রতি সম্মান বাড়ানোর প্রচারণার অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়।