• ই-পেপার

দলের বাজে পারফরম্যান্সের জেরে বরখাস্ত হলেন সৌদি কোচ

যে রেকর্ড করলে ব্রাজিল বিশ্বকাপ জেতে, ভিনি সেটাই করলেন

ক্রীড়া ডেস্ক
যে রেকর্ড করলে ব্রাজিল বিশ্বকাপ জেতে, ভিনি সেটাই করলেন
ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। ছবি : রয়টার্স

ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের দুর্দান্ত ফর্মে এগিয়ে চলছে ব্রাজিল। ২০২৬ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে টানা তিন ম্যাচেই গোল করে এমন এক কীর্তি গড়েছেন এই তারকা উইঙ্গার, যা ব্রাজিল সমর্থকদের নতুন করে স্বপ্ন দেখাচ্ছে।

স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ৩-০ গোলের জয়ে প্রথমার্ধেই জোড়া গোল করেন ভিনিসিয়ুস। এর আগে মরক্কোর বিপক্ষে একটি এবং হাইতির বিপক্ষে একটি গোল করেছিলেন তিনি। ফলে গ্রুপ পর্বের তিনটি ম্যাচেই গোল করার বিরল কীর্তি গড়লেন রিয়াল মাদ্রিদের এই ফরোয়ার্ড।

আর এখানেই লুকিয়ে আছে ব্রাজিলের জন্য বড় এক ‘শুভসংকেত’।

এর আগে ব্রাজিলের হয়ে বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের প্রতিটি ম্যাচে গোল করেছিলেন মাত্র চারজন ফুটবলার— জাইরজিনহো (১৯৭০), রোমারিও (১৯৯৪), রোনালদো ও রিভালদো (২০০২)। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এই চারটি আসরেই শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ ট্রফি জিতেছিল ব্রাজিল।

২৪ বছর পর সেই তালিকায় নাম লেখালেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। ফলে পরিসংখ্যান বলছে, এমন কীর্তি গড়া ফুটবলারদের হাত ধরেই অতীতে বিশ্বকাপ জয়ের হাসি হেসেছে সেলেসাওরা।

চলতি বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত তিনটি বিশ্বকাপ ম্যাচে ভিনিসিয়ুসের অবদান পাঁচ গোলে। করেছেন ৪টি গোল, সঙ্গে রয়েছে ১টি অ্যাসিস্ট। নকআউট পর্বের আগে এমন পারফরম্যান্সে ব্রাজিলের আক্রমণভাগ আরো ভয়ংকর হয়ে উঠেছে।

তবে পরিসংখ্যান যতই ব্রাজিলের পক্ষে কথা বলুক, শেষ পর্যন্ত সেই ইতিহাস পুনরাবৃত্তি করতে হলে ভিনিসিয়ুসদের একই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে হবে নকআউট পর্বেও। এখন দেখার বিষয়, অতীতের মতো এবারও কি এই রেকর্ড ব্রাজিলকে বিশ্বকাপ শিরোপার পথে নিয়ে যেতে পারে।

বৈভব সূর্যবংশীর বয়স বিড়ম্বনা, ব্যবহার করতে হবে আলাদা চেঞ্জিং রুম?

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
বৈভব সূর্যবংশীর বয়স বিড়ম্বনা, ব্যবহার করতে হবে আলাদা চেঞ্জিং রুম?
বৈভব সূর্যবংশী

বয়স এখনো ১৬ হয়নি। চেহারায় নিষ্পাপ সারল্য। কিন্তু এরই মধ্যে ভেঙে চলেছেন একের পর এক ব্যাটিং রেকর্ড। বয়সভিত্তিক ক্রিকেট, ঘরোয়া ক্রিকেট, আইপিএল, ভারত ‘এ’ দলের হয়ে  শ্রীলঙ্কা সফর—সর্বত্রই বৈভবের ব্যাটে যেন ভর করে টর্নেডো। 

এই অতিমানবীয় পারফরম্যান্সে এবার তিনি ডাক পেয়েছেন ভারতের মূল ক্রিকেট দলে। ডাকটা একটু আগেই পেয়েছেন, আগে মানে বেশি আগে। ভারতের আয়ারল্যান্ড-ইংল্যান্ড সফরে অভিষেক হলে বৈভব ভারতের ক্রিকেট ‘দেবতা’ শচিন টেন্ডুলকারের ৩৬ বছরের পুরোনো রেকর্ড ভেঙে সবচেয়ে কম বয়সী ভারতীয় ক্রিকেটার বনে যাবেন।

অল্প বয়সে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দিয়ে তো দিনের পর দিনের সংবাদ শিরোনাম হচ্ছেনই। এবার ভিন্ন কারণে আলোচনায় বৈভব। এটাও অবশ্য বয়সের কারণেই। বলা যায় বয়স বিড়ম্বনা। বয়স নিয়ে মজার বিড়ম্বনা অবশ্য আগেও হয়েছে তার। গাড়ি চালানোর বয়স না হলেও তার গ্যারেজে একাধিক বিলাসবহুল গাড়ি রয়েছে, যেগুলো তিনি উপহার পেয়েছেন। তবে এবারের বিড়ম্বনাটি একটু ভিন্ন। আয়ারল্যান্ড-ইংল্যান্ড সফরকালে বৈভবকে আলাদা চেঞ্জিং রুম ব্যবহার করতে হবে। 

ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি) ১৬ বছরের কমবয়সীদের নাবালক (মাইনর) হিসেবে বিবেচনা করে। আর নাবালকদের সুরক্ষা ও গোপনিয়তা নিশ্চিত করতে রয়েছে তাদের কঠোর আইন। ইসিবির শিশু সুরক্ষা নীতিমালা অনুযায়ী সূর্যবংশী বড়দের সাথে চেঞ্জিং রুম শেয়ার করতে পারবেন না। ম্যাচ পূর্ববর্তী ওয়ার্ম-আপ, কৌশলগত আলোচনা, দলীয় মিটিং এবং সাধারণ ম্যাচের দিনের পারস্পরিক যোগাযোগের জন্য সূর্যবংশী মূল ড্রেসিংরুমে থাকতে পারবেন। তবে পোশাক পরিবর্তন এবং শাওয়ার নেয়ার সময় তাকে অবশ্যই আলাদা রুম ব্যবহার করতে হবে। এই আইনের প্রয়োগ করতে ভারতীয় দলের জন্য তিনটি আলাদা রুমের ব্যবস্থা করতে হবে আয়োজকদের। 

একটি সবার জন্য কমন ড্রেসিং রুম। আরেকটি সিনিয়রদের পোশাক বদলানো ও শাওয়ারের জন্য। আরেকটি বৈভবের জন্য আলাদা। তবে কোনো ভেন্যুতে তিন রুমের ব্যবস্থা করতে না পারলে বৈভবকে পোশাক বদলানো ও শাওয়ারের কাজটি দলের অন্য সদস্যরা আসার আগেই সেরে ফেলতে হবে।

ভারতের কেউ কেউ এই নিয়মের কথা শুনে অবাক হলেও ইংল্যান্ডে দুই দশক ধরে সব ধরনের খেলাধুলায় শিশু সুরক্ষা নীতিমালা কঠোরভাবে মানা হয়। যেহেতু এটি একটি দ্বিপক্ষীয় সিরিজ, আইসিসির কোনো ইভেন্ট নয়; তাই এই নীতিমালার ব্যাপারে আইসিসিরও কিছু করার নেই।

আলাদা চেঞ্জিং রুম ব্যবহার করতে হলে বৈভব একাকিত্বে ভূগবেন কিনা, এ নিয়ে কারো কারো শঙ্কা ছিল। তবে বৈভবের বাবা-মা সফরে দলের সাথে থাকবেন বলে বৈভবকে একাকিত্বে ভুগতে হবে না। কারণ শিশু সুরক্ষা নীতিমালা অনুযায়ী, নাবালকের পোশাক বদলানোর সময় বাবা-মা সেই রুমে থাকতে পারেন। বয়স বিবেচনীয বৈভবের দেখভাল করার জন্য ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড তাদের খরচে তার বাবা-মাকে সফরে যাওয়ার বিশেষ ব্যবস্থা করেছে। তারা টিম হোটেলে থাকবেন।

আগামীকাল শুক্রবার আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে ভারতের আয়ারল্যান্ড ও ইংল্যান্ড সফর। এই সফরে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ২টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে তারা। আর ইংল্যান্ড সফরে আছে ৫টি টি-টোয়েন্টি এবং ৩টি একদিনের ম্যাচ।

বৈভব যার রেকর্ড ভাঙতে যাচ্ছেন, সেই শচিন টেন্ডুলকারও তার প্রথম ইংল্যান্ড সফরে গিয়ে বয়স বিড়ম্বনায় পড়েছিলেন। ১৯৯০ সালের ১৪ আগস্ট ওল্ড ট্রাফোর্ডে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি (১১৯ রান) করে ভারতকে নিশ্চিত হারের হাত থেকে রক্ষা করেছিলেন ১৭ বছর বয়সী শচিন। ম্যান অব দ্য ম্যাচ হিসেবে তাকে ঐতিহ্যবাহী ম্যাগনাম শ্যাম্পেইনের একটি বোতল উপহার দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ইংল্যান্ডের আইনে ১৮ বছরের নিচে কারো অ্যালকোহল পান নিষিদ্ধ। তাই উপহার পেয়েও শচিন মাঠে বোতলটি খোলার বা পানের অনুমতি পাননি।

শচিন সেই না-খোলা শ্যাম্পেইনের বোতলটি সযত্নে রেখে দিয়েছিলেন। ৮ বছর পর মেয়ে সারা টেন্ডুলকারের প্রথম জন্মদিন তিনি সেই বিশেষ শ্যাম্পেইন দিয়েই উদযাপন করেছিলেন।

ব্রাজিল সমর্থকদের পা মাটিতে রাখতে বললেন আনচেলত্তি

ক্রীড়া ডেস্ক
ব্রাজিল সমর্থকদের পা মাটিতে রাখতে বললেন আনচেলত্তি
সংগৃহীত ছবি

স্কটল্যান্ডকে ৩-০ গোলে হারিয়ে ‘সি’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে ব্রাজিল। তবে টানা দুই জয়ে দল ছন্দে ফিরলেও সমর্থকদের এখনই অতিরিক্ত উচ্ছ্বসিত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন কোচ কার্লো আনচেলত্তি।

ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে ইতালিয়ান এই কোচ বলেন, প্রথম ম্যাচে মরক্কোর বিপক্ষে ১-১ ড্রয়ের পর থেকে তার দল অনেক উন্নতি করেছে এবং এখন তারা দলগত ফুটবল খেলছে।

আনচেলত্তি বলেন, ‘এখন আমরা একটি দল হিসেবে খেলছি, সেটাই ছিল আমাদের লক্ষ্য। আমরা এখনো নিখুঁত নই। কিছু জায়গায় উন্নতির প্রয়োজন আছে, বিশেষ করে বল দখলে রেখে আরো দ্রুত খেলতে হবে। তবে প্রথম ম্যাচের তুলনায় দলের উন্নতিতে আমি খুবই সন্তুষ্ট। নকআউট পর্বে দৃঢ় একটি দল হওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’

এই ম্যাচে সবচেয়ে বড় আকর্ষণ ছিল প্রায় তিন বছর পর জাতীয় দলের হয়ে বিশ্বকাপে নেইমারের মাঠে ফেরা। চোট কাটিয়ে বদলি হিসেবে মাঠে নামা ৩৪ বছর বয়সী তারকাকে নিয়ে আশাবাদী আনচেলত্তি।

তিনি বলেন, ‘নেইমারের এই সুযোগটা প্রাপ্য ছিল। সুস্থ হয়ে ফিরতে সে কঠোর পরিশ্রম করেছে। অল্প সময় খেললেও ভালো খেলেছে। তার অভিজ্ঞতা ও সামর্থ্য এই বিশ্বকাপে আমাদের অনেক সাহায্য করবে। ব্রাজিলের জার্সি গায়ে খেলতে কোনো ফুটবলারের আলাদা অনুপ্রেরণার দরকার হয় না। ৩৪ বছর বয়সেও নেইমারের মধ্যে একজন তরুণের মতোই আবেগ রয়েছে।’

স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে জোড়া গোল করে টানা তৃতীয় ম্যাচে ম্যাচসেরা হওয়া ভিনিসিয়ুস জুনিয়রেরও প্রশংসা করেন ব্রাজিল কোচ।

আনচেলত্তি বলেন, ‘ভিনিসিয়ুস দারুণ ফর্মে আছে এবং পুরো দল তাকে সহায়তা করছে। সে উইং কিংবা ভেতরের পজিশন—দুই জায়গাতেই সমান কার্যকর। তাকে এভাবে খেলতে দেখে আমি আনন্দিত। আমি কখনোই সন্দেহ করিনি যে সে এই পর্যায়ে পৌঁছাতে পারবে। সে বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার।’

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় শেষ ষোলোতে ‘এফ’ গ্রুপের রানার্সআপের মুখোমুখি হবে ব্রাজিল। সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ হিসেবে রয়েছে নেদারল্যান্ডস, জাপান অথবা সুইডেন।

তবে নকআউট নিশ্চিত হলেও বড় লক্ষ্য নিয়ে এখনই ভাবতে রাজি নন আনচেলত্তি।

তিনি বলেন, ‘কতদূর যেতে চাই, সেটা নিয়ে আমি কোনো লক্ষ্য ঠিক করিনি। আমাদের উদ্দেশ্য শুধু ভালো খেলা নয়, শিরোপা জেতা। একজন কোচকে শেষ পর্যন্ত জয়-পরাজয় দিয়েই মূল্যায়ন করা হয়।’

ব্রাজিলজুড়ে বাড়তে থাকা উচ্ছ্বাস নিয়ে প্রশ্ন করা হলে হাসিমুখে আনচেলত্তির সংক্ষিপ্ত উত্তর ছিল, ‘সবাই শান্ত থাকুন।’

বিশ্বকাপে ভিনির গোলে বার্সা-বায়ার্নের রেকর্ড ভাঙল রিয়াল মাদ্রিদ

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপে ভিনির গোলে বার্সা-বায়ার্নের রেকর্ড ভাঙল রিয়াল মাদ্রিদ
ছবি : রয়টার্স

স্কটল্যান্ডকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে কেবল ‘সি’ গ্রুপের শীর্ষস্থানই নিশ্চিত করেনি ব্রাজিল, একই সঙ্গে ফুটবল রূপকথায় রিয়াল মাদ্রিদকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। মাদ্রিদের সাবেক গুরু কার্লো আনচেলত্তির এই প্রিয় শিষ্যের হাত ধরে বিশ্বকাপ ইতিহাসের এক অনন্য রেকর্ড এখন এককভাবে স্প্যানিশ জায়ান্টদের দখলে। বিশ্বকাপ ইতিহাসে কোনো নির্দিষ্ট ক্লাবের খেলোয়াড়দের পক্ষে সর্বোচ্চ গোলের নতুন কীর্তি গড়ল রিয়াল মাদ্রিদ।

বুধবারের ম্যাচের আগে এই তালিকার চূড়ায় যৌথভাবে রাজত্ব করছিল রিয়াল মাদ্রিদ ও বায়ার্ন মিউনিখ; দুই ক্লাবের খেলোয়াড়দেরই গোল সংখ্যা ছিল সমান ৮৪। তবে মায়ামির মাঠে ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড ভিনিসিয়ুসের করা প্রথম গোলেই বায়ার্নকে পেছনে ফেলে রেকর্ডটি এককভাবে নিজেদের করে নেয় লস ব্লাঙ্কোসরা। পরে ভিনি নিজের দ্বিতীয় গোলটি করলে জার্মান ক্লাবটির সঙ্গে স্প্যানিশ জায়ান্টদের ব্যবধান দাঁড়ায় দুই গোলে (৮৬ গোল)।

চলতি বিশ্বকাপ শুরুর আগে সমীকরণটি কিন্তু রিয়ালের পক্ষে ছিল না। ৭৭ গোল নিয়ে তালিকার তিন নম্বরে থেকে বিশ্বকাপ শুরু করেছিল তারা। তাদের ওপরে ছিল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনা (৭৮ গোল) এবং শীর্ষে থাকা বায়ার্ন মিউনিখ (৭৯ গোল)।

তবে চলতি আসরে রিয়াল মাদ্রিদের তারকাদের বুট থেকে এসেছে গোলের বন্যা। ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও কিলিয়ান এমবাপের পা থেকে এসেছে ৪টি করে গোল এবং জুড বেলিংহাম করেছেন ১টি গোল। রিয়াল তারকাদের এই অবিশ্বাস্য পারফরম্যান্সের ওপর ভর করেই বার্সা ও বায়ার্নকে টপকে গোলদাতার তালিকার শীর্ষস্থান ছিনিয়ে নিল সান্তিয়াগো বার্নাব্যুর ক্লাবটি।