• ই-পেপার

বাংলাদেশের প্রথম ফুটবলার হিসেবে যে রেকর্ড গড়লেন হামজা

ফিলিস্তিনের পতাকা আঁকা বল ছুড়ে প্রতিবাদ, দুবার থেমে গেল আয়ারল্যান্ড-কাতার ম্যাচ

ক্রীড়া ডেস্ক
ফিলিস্তিনের পতাকা আঁকা বল ছুড়ে প্রতিবাদ, দুবার থেমে গেল আয়ারল্যান্ড-কাতার ম্যাচ
সংগৃহীত ছবি

ডাবলিনে রিপাবলিক অব আয়ারল্যান্ড ও কাতারের মধ্যে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচটিতে আরো একবার জোরালো ফিলিস্তিনের পক্ষে আওয়াজ উঠেছে। ইসরায়েলের বিপক্ষে আয়ারল্যান্ডের আসন্ন ম্যাচকে কেন্দ্র করে স্বাগতিক সমর্থকদের প্রতিবাদের মুখে কাতারের বিপক্ষে ম্যাচটি দুবার বন্ধ হয়ে যায়।

উয়েফা নেশনস লিগের সূচি অনুযায়ী, ইসরায়েলের বিপক্ষে আয়ারল্যান্ডের দুটি ম্যাচ খেলার কথা। তবে এই সূচি ঘিরে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছে এবং ম্যাচ বর্জনের আহ্বানও উঠেছে।
আয়ারল্যান্ডের রাজধানী ডাবলিনের আভিভা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বৃহস্পতিবারের (২৮ মে) ম্যাচে খেলার ১০ ও ২০ মিনিটের মাথায় টেনিস বল ছুড়ে মাঠে প্রতিবাদ জানানো হয়। ওই বলগুলোর ওপর ফিলিস্তিনের পতাকার ছবি ছিল, ফলে খেলা দুবার বন্ধ রাখতে হয়।

এই ম্যাচটি কাতারের জন্য আসন্ন ফিফা বিশ্বকাপের প্রস্তুতির অংশ ছিল, যে টুর্নামেন্টে আয়ারল্যান্ড জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে।

অ্যাসোসিয়েশন অব আয়ারল্যান্ড (এফএআই) গত নভেম্বরেই উয়েফাকে অনুরোধ করেছিল যেন ইসরায়েলকে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করা হয়, তবে ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা তা সমর্থন করেনি।

ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে আয়ারল্যান্ডের কোচ হেইমার হালগ্রিমসন নেশনস লিগের ইসরায়েল ম্যাচ প্রসঙ্গে বলেন, খেলোয়াড়দের ‘এই লড়াই জিততে হবে’।

আইসল্যান্ডের এই কোচ আগেও ইসরায়েলকে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে নিষিদ্ধ করার দাবিতে নিজের সমর্থন জানিয়েছিলেন। তিনি বলেন, ‘এটা এমন একটি বাধা যা আমি পছন্দ করি না এবং খেলোয়াড়দের জন্যও এটা অন্যায় পরিস্থিতি।’

তিনি আরো বলেন, ‘ফুটবল দৃষ্টিকোণ থেকে আমরা যেন খলনায়ক না হই, আমরা খলনায়ক নই।’

বিশ্বকাপ দেখতে বাড়ি বিক্রি করবেন ‘সুপারফ্যান’ অ্যান্ডি

অনলাইন ডেস্ক
বিশ্বকাপ দেখতে বাড়ি বিক্রি করবেন ‘সুপারফ্যান’ অ্যান্ডি
সংগৃহীত ছবি

ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনা মানুষকে কতটা বুঁদ করে রাখতে পারে, তার এক অনন্য ও অবিশ্বাস্য নজির গড়লেন অ্যান্ডি মিলনে (ফুটবলপ্রেমীদের কাছে ‘মিলন’ নামেও পরিচিত)। প্রিয় দল ইংল্যান্ডের খেলা মাঠে বসে দেখার খরচ জোগাতে এবার নিজের বাড়িই বিক্রি করে দিচ্ছেন ৬২ বছর বয়সী অবসরপ্রাপ্ত এই শিক্ষক।

যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে আসন্ন বিশ্বকাপে দলের প্রতিটি ম্যাচ গ্যালারিতে বসে দেখার স্বপ্নপূরণের জন্যই এই চরম সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এ সুপারফ্যান।

৬২ বছর বয়সী অ্যান্ডি মিলনে বিশ্বজুড়ে ফুটবল সমর্থকদের কাছে অত্যন্ত পরিচিত মুখ। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের সময় গায়ে ইংল্যান্ডের জার্সি এবং হাতে বিশ্বকাপের একটি রেপ্লিকা ট্রফি নিয়ে তার উচ্ছ্বসিত ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তুমুল ভাইরাল হয়েছিল।

বর্তমানে থাইল্যান্ডে বসবাসরত অবসরপ্রাপ্ত এই ব্রিটিশ শিক্ষক ২০২৪ সালে বিবিসির মর্যাদাপূর্ণ ‘স্পোর্টস পারসোনালিটি অব দ্য ইয়ার’ অনুষ্ঠানেও অতিথি হিসেবে আমন্ত্রিত হয়েছিলেন। এ পর্যন্ত তিনি পুরুষ ও নারী দল মিলিয়ে মোট ৯টি বিশ্বকাপ সরাসরি মাঠে বসে উপভোগ করেছেন।

আসন্ন মেগা টুর্নামেন্টের বিপুল খরচ মেটাতে ইংল্যান্ডের চেশায়ারের নর্থউইচ এলাকায় থাকা তার দ্বিতীয় বাড়িটি বিক্রির জন্য বাজারে তুলেছেন মিলনে। বাড়িটির আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩ লাখ ৫০ হাজার পাউন্ড (বাংলাদেশি মুদ্রায় যা কয়েক কোটি টাকা)।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘মিরর’-কে মিলনে বলেন, ‘আমি মূলত বিশ্বকাপে যাওয়ার খরচ জোগাতেই বাড়িটি বিক্রি করছি। কাতার বিশ্বকাপ ছিল নিজের জমানো টাকায় নিজেকে দেওয়া এক উপহার। আর চেশায়ারের এই বাড়িটি আমাদের কাছে দীর্ঘ ২৭ বছর ধরে রয়েছে। আমার মনে হয়েছে, বড় একটি স্বপ্নের জন্য এটি বিক্রি করার এটাই সঠিক সময়।’

১৯৮২ সালে স্পেনে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে প্রথমবার গ্যালারিতে বসে খেলা দেখেছিলেন মিলনে। এবার তিনি প্রায় সাত সপ্তাহ যুক্তরাষ্ট্রে থাকবেন এবং ফাইনাল পর্যন্ত ইংল্যান্ডের প্রতিটি ম্যাচের টিকিট ইতিমধ্যেই সংগ্রহ করে ফেলেছেন। তবে বাড়ি বিক্রি করলেও খরচ কমাতে মেক্সিকো, ডালাস ও ভ্যাঙ্কুভারে বন্ধুদের বাসায় ‘কাউচ সার্ফিং’ বা অতিথি হিসেবে থাকার পরিকল্পনা রয়েছে তার।

মিলনের এই অবিশ্বাস্য ত্যাগের খবরের মাঝেই আসন্ন বিশ্বকাপের টিকিটের আকাশচুম্বী মূল্য নিয়ে বিশ্বজুড়ে সমালোচনা ঝড় বইছে। ইউরোপভিত্তিক সংগঠন ‘ফুটবল সাপোর্টার্স ইউরোপ’ অতিরিক্ত মূল্যের কারণে ফিফার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগও দায়ের করেছে।

হিসাব অনুযায়ী, একজন দর্শক যদি গ্রুপ পর্ব থেকে ফাইনাল পর্যন্ত মোট ৮টি ম্যাচ মাঠে বসে দেখতে চান, তবে তার টিকিট খরচ হবে—সর্বনিম্ন শ্রেণির প্রায় ৫,২২৫ পাউন্ড, মধ্যম শ্রেণির টিকিট—প্রায় ৮,৫৮০ পাউন্ড এবং সর্বোচ্চ শ্রেণির টিকিট প্রায় ১২,৩৫০ পাউন্ড।

ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো টিকিটের এই চড়া দামকে ‘অস্বাভাবিক চাহিদার প্রতিফলন’ বলে দাবি করলেও ফুটবলপ্রেমীদের ক্ষোভ কমছে না। তা ছাড়া অতীতে ফ্যান জোনগুলো সবার জন্য উন্মুক্ত ও বিনা মূল্যে হলেও এবার কিছু আয়োজক শহরে ফ্যান জোনে ঢোকার জন্যও টাকা নেওয়া হবে।

দি অ্যাথলেটিকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বকাপ চলাকালে যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনের মতো আয়োজক শহরগুলোতে ট্রেনের ভাড়া চার গুণ পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে, যা সাধারণ সমর্থকদের জন্য এক বড় ধাক্কা। এর আগে কাতার বিশ্বকাপে টিকিটধারীদের জন্য মেট্রো ভ্রমণ ছিল সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে।

দক্ষিণ আফ্রিকার বিশ্বকাপ দলে নতুন দুই মুখ

অনলাইন ডেস্ক
দক্ষিণ আফ্রিকার বিশ্বকাপ দলে নতুন দুই মুখ
সংগৃহীত ছবি

দুই নতুন মুখ নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার বিশ্বকাপ দল ঘোষণা ২০১০ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে খেলতে যাচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকা।

দক্ষিণ আফ্রিকার বিশ্বকাপের দলে ডাক পেয়েছেন নতুন দুই মুখ ডিফেন্ডার অলওয়েথু মাখানিয়া ও ব্র্যাডলি ক্রস। আর দলটিতে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য পেয়েছে সাম্প্রতিক সময়ে বড় শিরোপা জেতা দুই ক্লাব ‌মামেলোদি সানডাউনস ও অরল্যান্ডো পাইরেটসের ফুটবলাররা।

দক্ষিণ আফ্রিকার বিশ্বকাপ দলে সানডাউনস ও পাইরেটস দুই ক্লাব থেকেই জায়গা পেয়েছেন আটজন করে খেলোয়াড়।

দক্ষিণ আফ্রিকার বিশ্বকাপ দল :

গোলরক্ষক : সিফো চেইনে (অরল্যান্ডো পাইরেটস), রিকার্ডো গস (সিওয়েলেলে), রনওয়েন উইলিয়ামস (মামেলোদি সানডাউনস);

ডিফেন্ডার : অব্রি মোদিবা, খুলিসো মুদাউ, খুলুমানি এনদামানে (সবাই সানডাউনসের), কামোগেলো সেবেলেবেলে, এনকোসিনাথি সিবিসি (দুজনই পাইরেটস), ব্র্যাডলি ক্রস (কাইজার চিফস), সামুকেলে কাবিনি (মোলদে/নরওয়ে), অলওয়েথু মাখানিয়া (ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়ন/যুক্তরাষ্ট্র), থাবাং মাতুলুদি (পোলোকওয়ানে সিটি), এমবেকেজেলি এমবোকাজি (শিকাগো ফায়ার/যুক্তরাষ্ট্র), ইমে ওকন (হ্যানোভার/জার্মানি);

মিডফিল্ডার : অসউইন অ্যাপোলিস, থালেন্তে এমবাথা, রেলেবোহিলে মোফোকেং (সবাই পাইরেটস), জেডেন অ্যাডামস, তেবোহো মোকোয়েনা, থেম্বা জোয়ানে (সবাই সানডাউনস), স্পেহেফেলো সিথোলে (তোনদেলা/পর্তুগাল);

ফরোয়ার্ড : এভিডেন্স মাকগোপা, ছেপাং মোরেমি (দুজনই পাইরেটস), লাইল ফস্টার (বার্নলি/ইংল্যান্ড), থাপেলো মাসেকো (এইইএল লিমাসল/সাইপ্রাস), ইকরাম রেইনার্স (সানডাউনস)।

দক্ষিণ আফ্রিকা এর আগে তিনবার বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলেছে। ১৯৯৮ সালে প্রথমবার অংশ নেওয়ার পর তারা আবার ২০০২ সালে যোগ্যতা অর্জন করে এবং ২০১০ সালে নিজেদের মাটিতে টুর্নামেন্ট আয়োজনও করে। তবে প্রতিবারই গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল তাদের।

স্কোয়াডের বাইরে দিবালা, যা বললেন স্কালোনি

ক্রীড়া ডেস্ক
স্কোয়াডের বাইরে দিবালা, যা বললেন স্কালোনি
সংগৃহীত ছবি

শিরোপা ধরে রাখার মিশন শুরু করতে ২৬ সদস্যের বিশ্বকাপ স্কোয়াড চূড়ান্ত করার শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি নিচ্ছেন আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি। ২০২২ বিশ্বকাপজয়ী দলের বেশ কয়েকজন সদস্য ইতোমধ্যেই এই স্কোয়াড থেকে বাদ পড়েছেন। তাদের মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত নাম পাওলো দিবালা। প্রাথমিক দলেই কেন এই তারকার ফরোয়ার্ডে জায়গা হয়নি তা নিয়ে অবশেষে মুখ খুলেছেন আলবিসেলেস্তা কোচ।

গত ১১ মে চূড়ান্ত ২৬ সদস্যের দলের লড়াইয়ে থাকা ৫৫ জন খেলোয়াড়ের একটি প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করেন স্কালোনি। তবে সেখানে সবচেয়ে বড় চমক ছিল পাওলো দিবালার অনুপস্থিতি। এএস রোমার হয়ে মৌসুমের শেষভাগটা দুর্দান্ত কাটানোর পরও বর্ধিত এই দলেও তার জায়গা না হওয়াটা আর্জেন্টিনা সমর্থকদের মনে বেশ বড়সড় প্রশ্নের জন্ম দেয়।

সম্প্রতি আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যম ‘ডি-স্পোর্টস’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দিবালাকে বাদ দেওয়ার কারণ সরাসরি ব্যাখ্যা করেছেন স্কালোনি। আলবিসেলেস্তেদের মাস্টারমাইন্ড বলেন, ‘পাওলো যে কত বড়মাপের খেলোয়াড় তা নতুন করে বলার কিছু নেই। ও নিজের ক্লাবের হয়ে অবিশ্বাস্যভাবে ছন্দে ফিরেছে, ওর দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের ওপর ভর করেই তারা চ্যাম্পিয়নস লিগে কোয়ালিফাই করেছে। কিন্তু ফুটবলে এমনটা সবসময়ই হয়—নতুন তরুণেরা উঠে আসে যারা দলে অবদান রাখছে, আবার কিছু খেলোয়াড় ওই পজিশনে নিজেদের দারুণভাবে থিতু করে নিয়েছে যারা একটা সুযোগ পাওয়ার যোগ্য। আর তাই আমরা অন্য খেলোয়াড়দের স্কোয়াডে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

দিবালাকে বাদ দেওয়ার পেছনে অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে জাতীয় দলের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের দূরত্ব। সবশেষ আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে জড়িয়েছিলেন ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে, যেখানে চিলি ও কলম্বিয়ার বিপক্ষে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচগুলোতে মাত্র ১৬ মিনিট মাঠে থাকার সুযোগ পেয়েছিলেন।

এরপর থেকে আর্জেন্টিনার প্রতিটি আন্তর্জাতিক উইন্ডোতেই দলের বাইরে ছিলেন দিবালা। আর এই সুযোগে নিকো পাজ এবং এমিলিয়ানো বুয়েন্দিয়ার মতো তরুণেরা দারুণ পারফর্ম করে স্কোয়াডে নিজেদের জায়গা পাকাপোক্ত করে নিয়েছেন।

আর্জেন্টিনার হয়ে ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফিতে চুমু আঁকা সেই পাওলো দিবালার বয়স এখন ৩২। এবারের বিশ্বকাপের পর আর্জেন্টিনার ফুটবলের ভবিষ্যৎ কোন দিকে যাচ্ছে—সেই দূরদর্শী ভাবনা থেকেই মূলত এবার তাকে উপেক্ষা করা হয়েছে।

এই প্রসঙ্গে স্কালোনি বলেন, ‘ওর যে অবিশ্বাস্য প্রতিভা রয়েছে, তা নিয়ে কোনো সন্দেহের অবকাশ নেই; আমরা সবাই ওকে ভীষণ ভালোবাসি, মানুষ হিসেবেও ও অসাধারণ। কিন্তু আমাদের বর্তমানের পাশাপাশি ভবিষ্যতের কথাও ভাবতে হবে যে, অন্যেরা আমাদের দীর্ঘমেয়াদে কী দিতে পারছে। বিশ্বজয়ী দলের আরো বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় এবার বাদ পড়েছেন। আসলে ফুটবল প্রতিদিনের পারফরম্যান্সের ওপর চলে, আর পরিস্থিতি বিবেচনা করেই আমরা এই কঠিন সিদ্ধান্তটি নিয়েছি।’

২০২৫-২৬ মৌসুম দিবালার জন্য মাঠ এবং মাঠের বাইরে—সব মিলিয়েই বেশ চ্যালেঞ্জিং ছিল। প্রথমত, এএস রোমায় কোচ জিয়ান পিয়েরো স্পেরিনির নতুন কৌশলের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার লড়াই করতে হয়েছে তাকে। এরপরই হানা দেয় ইনজুরি, হাঁটুর অস্ত্রোপচারের কারণে মৌসুমের একটি বড় অংশজুড়েই মাঠের বাইরে কাটাতে হয় এই ফরোয়ার্ডকে।

অবশ্য রোমার টানা পাঁচ ম্যাচ জয়ের যে দৌড়—যা তাদের শেষ পর্যন্ত চ্যাম্পিয়নস লিগের টিকিট এনে দিয়েছিল, তার শেষ তিন ম্যাচে চার-চারটি অ্যাসিস্ট করে দারুণ অবদান রেখেছিলেন তিনি। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, এই পারফরম্যান্স তিনি করেছিলেন স্কালোনির প্রাথমিক তালিকা প্রকাশের ঠিক আগ মুহূর্তে। ফলে কোচের মন গলানোর বা সিদ্ধান্ত বদলানোর মতো পর্যাপ্ত সময় আর দিবালার হাতে ছিল না।