• ই-পেপার

‘জয় শাহ আইসিসিকে ভারতের কবজায় নিলে তা ক্রিকেটের জন্য সহায়ক হবে না’

রোনালদোকে নিয়ে কোহলির পুরনো সতর্ক বার্তা ভাইরাল

ক্রীড়া ডেস্ক
রোনালদোকে নিয়ে কোহলির পুরনো সতর্ক বার্তা ভাইরাল
সংগৃহীত ছবি

বিশ্বকাপে নিজেদের উদ্বোধনী ম্যাচে ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে পর্তুগালের ১-১ গোলের ড্রয়ের পর থেকেই ফুটবল বিশ্বে শুরু হয়েছে তীব্র সমালোচনা। আর এই সমালোচনার মূল তিরটি যার দিকে, তিনি আর কেউ নন, ৪১ বছর বয়সী মহাতারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। 

আন্তর্জাতিক ফুটবলে রেকর্ড ১৪৩ গোলের মালিককে এই বয়সেও পর্তুগালের আক্রমণের চাবিকাঠি দেওয়া হয়েছে, কিন্তু উদ্বোধনী ম্যাচে তিনি যেন ছিলেন নিজেরই ছায়া। মাত্র একটি ম্যাচের পারফরম্যান্স দেখেই পণ্ডিত আর একদল সমর্থক দলে তার অন্তর্ভুক্তি নিয়েই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন।

যখন চারদিক থেকে রোনালদোকে কোণঠাসা করার চেষ্টা চলছে, ঠিক তখনই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘুরেফিরে আসছে বিরাট কোহলির তিন বছর আগের একটি সতর্কবার্তা। সময়ের অন্যতম সেরা এই ভারতীয় ক্রিকেটার নিজেও ক্যারিয়ারের শেষভাগে এসে এমন কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে গেছেন। তাই রোনালদোর যন্ত্রণাটা তার চেয়ে ভালো আর কে বুঝবেন!

তিন বছর আগে পিএসজির বিপক্ষে রিয়াদ অল-স্টার্সের (আল-হিলাল ও আল-নাসরের সম্মিলিত দল) হয়ে মাঠে নেমেছিলেন রোনালদো। লিওনেল মেসি, নেইমার জুনিয়র আর কিলিয়ান এমবাপ্পেদের মহাতারকাখচিত পিএসজিকে ৪-৩ ব্যবধানে হারিয়েছিল রোনালদোর দল, যেখানে সিআরসেভেন নিজেই করেছিলেন জোড়া গোল।

সেই ম্যাচের পর সমালোচকদের ধুয়ে দিয়ে বিরাট কোহলি লিখেছিলেন, ‘৩৮ বছর বয়সেও সর্বোচ্চ স্তরে পারফর্ম করে যাচ্ছেন। প্রতি সপ্তাহে স্রেফ সস্তা প্রচারের আশায় যেসব ফুটবল বিশেষজ্ঞরা তার সমালোচনা করেন, তারা এখন সুবিধাজনকভাবে চুপ হয়ে গেছেন। অথচ বিশ্বের অন্যতম সেরা ক্লাবের বিপক্ষে তিনি এই পারফরম্যান্স দেখালেন। আর হ্যাঁ, ওনারা তো বলেই দিয়েছিলেন যে রোনালদো নাকি ফুরিয়ে গেছেন!’

এতদিন পর এসে কোহলির সেই পোস্ট আবার ভাইরাল হয়েছে ভক্ত মহলে। 
 

‘আমার পা ভেঙে গেলেও মেসি কার্ড পেত না’ : আলজেরিয়া ডিফেন্ডার

ক্রীড়া ডেস্ক
‘আমার পা ভেঙে গেলেও মেসি কার্ড পেত না’ : আলজেরিয়া ডিফেন্ডার
সংগৃহীত ছবি

বিশ্বকাপের মঞ্চে আর্জেন্টিনার ৩-০ গোলের জয়ের রাতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন লিওনেল মেসি। হ্যাটট্রিক করে দলকে দুর্দান্ত জয় এনে দেওয়ার পাশাপাশি বিশ্বকাপের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ডও স্পর্শ করেন তিনি। তবে ম্যাচ শেষে তার ফুটবল জাদুর চেয়ে বেশি আলোচনায় উঠে এসেছে একটি বিতর্কিত ট্যাকল।

আলজেরিয়ার অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার আইসা মান্দির অভিযোগ, ম্যাচের এক পর্যায়ে মেসির বিপজ্জনক ট্যাকলের শিকার হলেও রেফারি কোনো ব্যবস্থা নেননি। এমনকি ভিডিও সহকারী রেফারি (ভিএআর) পর্যালোচনার পরও আর্জেন্টাইন অধিনায়ককে কোনো কার্ড দেখানো হয়নি।

ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের হতাশা প্রকাশ করেন মান্দি। তিনি লিখেছেন, ‘গত রাতে যদি আমার গোড়ালি ভেঙেও যেত, তবু যে খেলোয়াড় এটা করেছে সে কোনো কার্ড পেত না। রেফারিদের আরো ভালো হতে হবে। পুরো বিশ্ব তাদের দিকে তাকিয়ে আছে।’

 

ম্যাচের প্রধান রেফারি ছিলেন পোল্যান্ডের শিমন মারচিনিয়াক। তার সিদ্ধান্তকে ঘিরে ইতোমধ্যেই ফুটবলপ্রেমী ও বিশ্লেষকদের মধ্যে শুরু হয়েছে তর্ক-বিতর্ক। অনেকের মতে, মেসির ট্যাকলটি অন্তত হলুদ কার্ড পাওয়ার মতো ছিল। আবার কেউ কেউ বলছেন, ঘটনাটি খেলার অংশ এবং রেফারির সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল।

আলজেরিয়ার কোচ ভ্লাদিমির পেতকোভিচও ম্যাচ শেষে বলেন, তাদের দল কিছু ভুল করেছে, যা মেসির মতো খেলোয়াড়কে আরো বেশি সুযোগ করে দিয়েছে। তবে ট্যাকল প্রসঙ্গে তিনি সরাসরি মন্তব্য করেননি।

মেসিকে দলে নেওয়ার কথা ভাবছেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট!

ক্রীড়া ডেস্ক
মেসিকে দলে নেওয়ার কথা ভাবছেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট!
সংগৃহীত ছবি

মরক্কোর সঙ্গে ১-১ গোলের ড্রয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করেছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। মাঠের পারফরম্যান্সে দলের দুর্বলতাগুলো যখন ঢাকঢোল পিটিয়ে সামনে চলে এসেছে, ঠিক তখনই ব্রাজিল শিবিরে চলল একচোট হাসির ফোয়ারা। আর সেই হাসির কেন্দ্রে স্বয়ং দেশের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা এবং ইনজুরি কাটিয়ে ফেরা ‘পোস্টার বয়’ নেইমার জুনিয়র! 

মরক্কো ম্যাচ শেষে ব্রাজিলের মলিন পারফরম্যান্স নিয়ে সাংবাদিকরা যখন প্রেসিডেন্ট লুলাকে চেপে ধরলেন, তখন তিনি এক অদ্ভুত আর মজার সমাধান বাতলে দিলেন। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনার প্রাণভোমরা লিওনেল মেসিকে ব্রাজিলে উড়িয়ে আনার কথা ভাবছেন লুলা! 

মঙ্গলবার আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করে আর্জেন্টিনাকে উড়ন্ত জয় এনে দিয়েছেন মেসি। সেই প্রসঙ্গ টেনেই লুলা হেসে কুটিপাটি হয়ে বললেন, ‘আমি তো ভাবছিলাম ব্রাজিল দলে খেলানোর জন্য মেসিকেই হায়ার (চুক্তি) করে ফেলব কি না!’ 

তবে রসিকতা পাশে সরিয়ে দেশের ফুটবলারদের ওপর ভরসাও রাখছেন লুলা। মরক্কোর সঙ্গে ড্র করাটা তার কাছে ‘মস্ত বড় কোনো বিপর্যয়’ নয়, কারণ মরক্কোই নাকি এই গ্রুপের সবচেয়ে কঠিন প্রতিপক্ষ। 

লুলার বলেন, ‘লোকে বলে, ব্রাজিলকে নিয়ে যখনই সবাই সবচেয়ে বেশি সন্দেহ প্রকাশ করে, তখনই নাকি তারা বিশ্বকাপ জেতে... দেখা যাক এবার কী হয়!’

লুলা যখন মেসির স্বপ্নে বিভোর, তখন সেলেসাও শিবিরে আসল স্বস্তি ফিরিয়েছেন নেইমার। চোট আর অফ-ফর্মের টানাপোড়েনে প্রায় তিন বছর জাতীয় দলের বাইরে থাকার পর, ৩৪ বছর বয়সী এই তারকা যখন বিশ্বকাপের স্কোয়াডে সুযোগ পান, অনেকেই ভ্রু কুঁচকেছিলেন। তার ওপর গত মাসে যোগ হয়েছিল কাফ মাসলের ইনজুরি।

সব শঙ্কা উড়িয়ে বুধবার অবশেষে ব্রাজিলের অনুশীলনে বল পায়ে নেমেছেন সেলেসাওদের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা। তবে মাঠে নেমেই চিরচেনা সেই ‘দুষ্টুমি’ ভুললেন না নেইমার। গা-গরমের হালকা সেশন শেষে সাংবাদিকদের দেখে চওড়া হাসিতে চিৎকার করে জিজ্ঞেস করলেন, ‘কী হে, আমাকে খুব মিস করছিলে নাকি?’

নেইমারের এই হাসিমুখ কোটি ব্রাজিল ভক্তের বুকে শান্তি আনলেও, আগামী শুক্রবার হাইতির বিপক্ষে ম্যাচে তিনি শুরু থেকেই মাঠে নামবেন কি না, তা নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা রেখে দিয়েছে কোচিং স্টাফ। 

‘বড় টুর্নামেন্টে’ পেনাল্টি ছাড়া পাঁচ বছর ধরে গোল পান না রোনালদো!

ক্রীড়া ডেস্ক
‘বড় টুর্নামেন্টে’ পেনাল্টি ছাড়া পাঁচ বছর ধরে গোল পান না রোনালদো!
ছবি : রয়টার্স

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ডিআর কঙ্গোর কাছে বড় ধাক্কা খেয়েছে ফেবারিট পর্তুগাল। তবে ম্যাচের ফলের পাশাপাশি সবচেয়ে বেশি আলোচনায় মহাতারকা ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর পারফরম্যান্স।

এদিন সবার নজর ছিল রোনালদোর দিকে। তবে তিনি প্রথমার্ধে যেমন নিষ্প্রভ ছিলেন, দ্বিতীয়ার্ধেও প্রত্যাশার ছাপ রাখতে পারেননি রোনালদো।

বেশ কয়েকবার বল পেলেও গোলমুখে কোনো শটই নিতে পারেননি তিনি। বরং সুযোগ নষ্ট করেছেন একাধিক। ফলে শেষ পর্যন্ত ১-১ গোলের ড্রয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে পর্তুগালকে।

তবে এদিন গোল করতে না পারায় রোনালদোর বড় টুর্নামেন্টে গোলখরা আরো দীর্ঘ হয়েছে। ২০২২ বিশ্বকাপে ঘানার বিপক্ষে পেনাল্টি থেকে গোল করার পর থেকে বিশ্বকাপ ও ইউরো মিলিয়ে টানা ১০ ম্যাচে গোলের দেখা পাননি তিনি।

আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে এটি তার সবচেয়ে দীর্ঘ গোলশূন্য অধ্যায়। এ ছাড়া ওপেন প্লে থেকে বড় টুর্নামেন্টে তার সর্বশেষ গোল এসেছিল ইউরো ২০২০-এ জার্মানির বিপক্ষে।

উল্লেখ্য, নেশনস লিগে রোনালদো কিছু গোল পেলেও তা ইউরোপের ফ্রেন্ডলি ম্যাচগুলোকে প্রতিযোগিতামূলক করতে ফরম্যাটটি তৈরি করায় একে বড় টুর্নামেন্ট হিসেবে ধরা হয় না।