কিংবদন্তি ফুটবলারদের সংক্ষিপ্ত তালিকা করা হলে নিশ্চিতভাবেই পতুর্গালের বেশ কজন থাকবেন। তাদের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ইউসেবিও, লুইস ফিগো ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। কিন্তু বিশ্বকাপজয়ীদের তালিকা করলে থাকবেন না কেউই। বিশ্বকাপে ২০১৬ সালের ইউরো জয়ীদের সর্বোচ্চ সাফল্য তৃতীয় স্থান। ১৯৬৬ বিশ্বকাপের সেই দলে ছিলেন ইউসেবিও। ২০০৬ সালে ফিগো-রোনালদো জুটিতে শেষ চারে জায়গা পেয়েছিল পর্তুগাল। দুই পূর্বসূরি পারেননি নিজ দেশকে এবার কি শিরোপা এনে দিতে পারবেন ‘সিআর সেভেন’। লিওনেল মেসি-গিয়ের্মো ওচোয়ার সঙ্গে যৌথভাবে সর্বোচ্চ ষষ্ঠবারের মতো বিশ্বমঞ্চে অংশ নিবেন তিনি। বয়স ৪১ হওয়ায় অমরত্ব লাভের এটাই শেষ সুযোগও তার। সেই লক্ষ্য পূরণে এবার পাশে পাচ্ছেন নিজেদের ইতিহাসের সোনালি প্রজন্মকে।
কোচ: রবার্তো মার্তিনেজ
অধিনায়ক: ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো
ফিফা র্যাংকিং: ৫
বিশ্বকাপ ইতিহাস-
সেরা সাফল্য: তৃতীয় স্থান (১৯৬৬)
সর্বশেষ: ২০২২ (কোয়ার্টার ফাইনাল)
প্রথম: ১৯৬৬
অংশগ্রহণ: ৯ বার
‘কে’ গ্রুপের সূচি
১৭ জুন: পর্তুগাল বনাম ডিআর কঙ্গো হিউস্টোন রাত ১১ টা
২৩ জুন: পর্তুগাল বনাম উজবেকিস্তান হিউস্টোন রাত ১১ টা
২৮ জুন: পর্তুগাল বনাম কলম্বিয়া মায়ামি ভোর ৫টা ৩০ মিনিট
পর্তুগালের বিশ্বকাপ স্কোয়াড:
গোলরক্ষক- দিয়োগো কস্তা, হোসে সা, রুই সিলভা, রিকার্দো ভেলহো
ডিফেন্ডার- তোমাস আরাউহো, জোয়াও কানসেলো, দিয়োগো দালোত, রুবেন দিয়াস, গনসালো ইনাসিও, নুনো মেন্ডেস, মাথিউস নুনেস, নেলসন সেমেদো, রেনাতো ভেইগা
মিডফিল্ডার- সামুয়েল কস্তা, ব্রুনো ফার্নান্দেস, জোয়াও নেভেস, রুবেন নেভেস, বের্নার্দো সিলভা, ভিতিনিয়া
ফরোয়ার্ড- ফ্রান্সিসকো কনসেইসাও, জোয়াও ফেলিক্স, গনসালো গেদেস, রাফায়েল লিয়াও, পেদ্রো নেতো, গনসালো রামোস, ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, ফ্রান্সিসকো ত্রিনকাও




