• ই-পেপার

পাকিস্তানে ইতিহাস গড়ে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে সুখবর পেল বাংলাদেশ

আজকের ম্যাচ নিয়ে কী ভবিষ্যৎবাণী করলেন জ্যোতিষি

অনলাইন ডেস্ক
আজকের ম্যাচ নিয়ে কী ভবিষ্যৎবাণী করলেন জ্যোতিষি

বিশ্বকাপের মঞ্চে আজ মঙ্গলবার (১৬ জুন)  আবারও মুখোমুখি হচ্ছে কয়েকটি শক্তিশালী দল। মাঠের লড়াই যেমন খেলোয়াড়দের পায়ে, তেমনি ভাগ্যের চাকা সময় কাল প্রাকৃতিক পরিবেশ ম্যাচের গতিপথ বদলে দিত পারে।

বিশ্বকাপের প্রথম দিকের কয়েকটি ম্যাচে আমাদের পূর্ববর্তী বিশ্লেষণের ইঙ্গিত বাস্তব ফলাফলের সঙ্গে অনকটাই মিল খুঁজে পেয়েছে, তাই পাঠকদের অনুরোধ আমরা দলগুলোর ঐতিহ্য, সুনাম, কৌশল, তারুণ্য, অভিজ্ঞতা ও গ্রহগত সম্ভাবনা চর্চাই করছি এবং আজ ১৬ জুনের ম্যাচগুলোর পর্যবেক্ষণে।

আজকের চারটি ম্যাচ নিয়ে জ্যোতিষ সুজিত আচার্যীর (বাপ্পী) পর্যবেক্ষণ ও ক্রীড়া বিশ্লেষণ তুলে ধরা হলো–

ফ্রান্স বনাম সেনেগাল খেলবে রাত ১টায় ফ্রান্স বিশ্বকাপ ফুটবলের এক প্রতিষ্ঠিত শক্তি। তরুণ প্রতিভা ও অভিজ্ঞতার মিশ্রণে দলটি সবসময়ই প্রতিপক্ষের জন্য ভয়ের কারণ।

আক্রমণভাগে গতি, মাঝমাঠে নিয়ন্ত্রণ এবং রক্ষণে শৃঙ্খলা সব মিলিয়ে তারা বড় মঞ্চের পরীক্ষিত যোদ্ধা। অন্যদিকে সেনেগাল আফ্রিকার সাহসী প্রতিনিধিদের অন্যতম।

শারীরিক সক্ষমতা, দ্রুতগতির আক্রমণ এবং অদম্য লড়াইয়ের মানসিকতা তাদের বড় সম্পদ। তারা সুযোগ পেলেই চমক দেখাতে পারে। জ্যোতিষীয় ইঙ্গিত: ফ্রান্স অভিজ্ঞতার পাল্লায় অনেকটাই ভারী।

ইরাক বনাম নরওয়ে খেলবে ভোর ৪টায়। নরওয়ের প্রধান আকর্ষণ বিশ্বখ্যাত গোলস্কোরার Erling Haaland। শক্তি, গতি ও গোলের ক্ষুধা তাকে বর্তমান ফুটবলের অন্যতম আলোচিত তারকায় পরিণত করেছে। নরওয়ে সাম্প্রতিক সময়ে নিজেদের নতুন শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে। ইরাকের শক্তি তাদের ঐক্য, আত্মবিশ্বাস এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার মানসিকতা। বড় দলের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেওয়ার ইতিহাসও তাদের আছে।

জ্যোতিষীয় ইঙ্গিত: তারকা খ্যাতি ও বাস্তব লড়াকু মানসিকতার সংঘর্ষ। একদল এগিয়ে থাকলেও মাঠে প্রতিরোধের দেয়াল সহজে ভাঙবে না। নরওয়ের তারকা শক্তিতে এগিয়ে থাকতে পারে।

আর্জেন্টিনা বনাম আলজেরিয়া খেলার সময়: সকাল ৭টা।
আর্জেন্টিনা মানেই বিশ্বকাপের আবেগ। দলটির সবচেয়ে বড় আকর্ষণ লিওনেল মেসি। অসাধারণ দৃষ্টিশক্তি, সৃজনশীলতা এবং নেতৃত্বের জন্য তিনি এখনও বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম নাম।

আলজেরিয়া বরাবরই দ্রুতগতির আক্রমণ, টেকনিক্যাল ফুটবল এবং অপ্রত্যাশিত চমকের জন্য পরিচিত। সুযোগ পেলে তারা বড় দলকে বিপদে ফেলতে পারে।

জ্যোতিষীয় দৃষ্টি: খ্যাতি ও অভিজ্ঞতার আলো উজ্জ্বল, তবে প্রতিপক্ষের সাহসী প্রতিরোধকে হালকাভাবে দেখার সুযোগ নেই। ম্যাচে নাটকীয় মুহূর্তের সম্ভাবনা থাকলে ও জ্যোতিষী ভবিষ্যদ্বাণী: আর্জেন্টিনা ঐতিহ্য ধরে রাখতে পরবেন (মেসি যোগ্যতায় প্রমাণে সাফল্য পাবেন।

অস্ট্রিয়া বনাম জর্ডান: খেলার সময়: সকাল ১০টা
অস্ট্রিয়া ইউরোপীয় শৃঙ্খলাবদ্ধ ফুটবলের প্রতিনিধি। দলগত সমন্বয়, পরিকল্পিত আক্রমণ ও রক্ষণে দৃঢ়তা তাদের শক্তি। জর্ডান সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এশিয়ার অন্যতম পরিশ্রমী দল হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। সীমিত সম্পদ নিয়েও তারা সাহস ও আত্মবিশ্বাসে বড় দলগুলোর সঙ্গে লড়াই করে।

জ্যোতিষীয় ইঙ্গিত: এই ম্যাচে অঘটনের ছায়া তুলনামূলক বেশি থাকলেও অস্ট্রিয়ার দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও কৌশলে অনেক এগিয়ে থাকতে পারে। তবে জ্যোতিষ দৃষ্টিতে ১৬ জুনের গ্রহগত অবস্থান বলছে অভিজ্ঞতা ও তারকা শক্তি কয়েকটি দলে স্পষ্টভাবে বিদ্যমান, উদ্দীপনা, সাহস এবং নিজেদের প্রমাণ করার তীব্র আকাঙ্ক্ষাও সমানভাবে সক্রিয়। ফলে আজকের ম্যাচগুলোতে প্রতিষ্ঠিত আলোচিত দলগুলোর অভিজ্ঞতা আর দক্ষতা চমক দেখাবে, আর অন্য দলের উদ্যম সাহস সবসময় বিস্ময় চমক উপহার দিতে পারে। ফুটবলের সৌন্দর্য শেষ বাঁশি বাজার আগ পর্যন্ত কিছুই নিশ্চিত নয়।

টাকার অভাবে মাকে মাঠে নিতে পারেননি কেপ ভার্দের গোলরক্ষক

ক্রীড়া ডেস্ক
টাকার অভাবে মাকে মাঠে নিতে পারেননি কেপ ভার্দের গোলরক্ষক
অবিশ্বাস্য এক ম্যাচ উপহার দিয়েছেন কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ভোজিনিয়া। ছবি : রয়টার্স

বিশ্বকাপের অন্যতম শিরোপা প্রত্যাশী স্পেনকে গোলশূন্য ড্রয়ে আটকে দিয়ে ইতিহাস গড়েছে কেপ ভার্দে। ফুটবল বিশ্বের অন্যতম বড় অঘটনের এই ম্যাচে নায়ক হয়ে ওঠেন ৪০ বছর বয়সী অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ভোজিনিয়া, যার দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে মূল্যবান এক পয়েন্ট অর্জন করে আফ্রিকার ছোট্ট দেশটি।

ম্যাচ শেষে শেষ বাঁশি বাজতেই আবেগে ভেঙে পড়েন ভোজিনিয়া। মাঠেই হাঁটু গেড়ে বসে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। সতীর্থরা তাকে ঘিরে সান্ত্বনা দিলেও চোখের জল থামাতে পারেননি এই গোলরক্ষক।

পুরো ম্যাচজুড়ে স্পেনের একের পর এক আক্রমণ প্রতিহত করেন ভোজিনিয়া। তার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সেভ কেপ ভার্দেকে নিশ্চিত পরাজয়ের হাত থেকে রক্ষা করে। অসাধারণ এই পারফরম্যান্সের জন্য ম্যাচসেরার স্বীকৃতিও পান তিনি।

ম্যাচ শেষে সংবাদমাধ্যমকে ভোজিনিয়া জানান, তার আবেগের পেছনে ছিল ব্যক্তিগত বেদনা ও গর্বের মিশ্র অনুভূতি। তিনি বলেন, ছোটবেলায় দাদা-দাদির কাছে বড় হয়েছেন, কিন্তু জীবনের এই ঐতিহাসিক মুহূর্ত দেখার জন্য তারা আজ বেঁচে নেই। পাশাপাশি ভিসা জটিলতা ও আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে তার মা-ও গ্যালারিতে উপস্থিত থাকতে পারেননি।

ভোজিনিয়ার এই আবেগঘন গল্প ফুটবলপ্রেমীদের হৃদয় ছুঁয়ে গেছে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও সাবেক ফুটবলাররাও তার প্রশংসায় পঞ্চমুখ। তারা মনে করছেন, বিশ্বমঞ্চে কেপ ভার্দের এই সাফল্যের প্রতীক হয়ে উঠেছেন এই অভিজ্ঞ গোলরক্ষক।

স্পেনের মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে অর্জিত এই ড্র শুধু একটি ফল নয়, বরং কেপ ভার্দের ফুটবল ইতিহাসে অন্যতম স্মরণীয় অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

বিশ্বকাপের ট্রফি উঠবে কার হাতে? ভবিষ্যৎবাণী দিল চার এআই চ্যাটবট

অনলাইন ডেস্ক
বিশ্বকাপের ট্রফি উঠবে কার হাতে? ভবিষ্যৎবাণী দিল চার এআই চ্যাটবট

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ এর যাত্রা সবে শুরু হয়েছে। এখনো নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলেনি বেশ কয়েকটি শিরোপাপ্রত্যাশী দল। তবে টুর্নামেন্টের শুরুতেই ফুটবলপ্রেমীদের মনে একটি প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে- শেষ পর্যন্ত শিরোপা জিতবে কে?

এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে চারটি জনপ্রিয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) চ্যাটবটের দ্বারস্থ হয়েছিল ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি। মজার বিষয় হলো, চারটি চ্যাটবটই সম্ভাব্য চ্যাম্পিয়ন হিসেবে একই দলের নাম বলেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চ্যাটজিপিটি, ক্লদ, গুগল জেমিনি এবং মাইক্রোসফট কোপাইলটকে একই প্রশ্ন করা হয়- ‘ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ জেতার সর্বোচ্চ সম্ভাবনা কোন দলের?’

চারটি এআই মডেলই তাদের বিশ্লেষণে স্পেনকে শিরোপার সবচেয়ে সম্ভাব্য দাবিদার হিসেবে উল্লেখ করেছে। সম্ভাবনার বিচারে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ফ্রান্স।

চ্যাটজিপিটির ভাষ্য, বর্তমান পরিসংখ্যান ও সামগ্রিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী স্পেনই সবচেয়ে এগিয়ে থাকা দল।

গুগল জেমিনিও একই ধরনের মূল্যায়ন দিয়েছে। তাদের মতে, স্পেন ও ফ্রান্স প্রায় সমান অবস্থানে থাকলেও গাণিতিক সম্ভাবনায় স্পেন সামান্য এগিয়ে।

অন্যদিকে ক্লদ বলেছে, বর্তমান বুকমেকারদের পূর্বাভাস এবং স্কোয়াডের শক্তি বিবেচনায় স্পেনই প্রধান ফেবারিট। দলটির তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামালসহ বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় তাদের এগিয়ে রেখেছে।

বিশ্বকাপের বর্তমান সংস্করণটি ইতিহাসের সবচেয়ে বড়। প্রথমবারের মতো ৪৮টি দল অংশ নিচ্ছে এই আসরে। ফলে শিরোপার লড়াইয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতাও আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি।

বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা, ২০২২ সালের রানার্সআপ ফ্রান্স, ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন স্পেন, পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল এবং জার্মানির মতো দলগুলোকে সম্ভাব্য শিরোপাপ্রত্যাশী হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তবে ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসরে পূর্বাভাস সব সময় বাস্তবতার প্রতিফলন ঘটায় না। অতীতেও অনেকবার ফেবারিটদের বিদায় নিতে হয়েছে অপ্রত্যাশিতভাবে। তাই এআই মডেলগুলোর বিশ্লেষণে স্পেন এগিয়ে থাকলেও বিশ্বকাপের চূড়ান্ত ফল জানতে অপেক্ষা করতে হবে ১৯ জুলাইয়ের ফাইনাল পর্যন্ত। 

সূত্র: এনডিটিভি

২০০ ম্যাচ খেলার ইতিহাস গড়বেন ফুটবলের জাদুকর মেসি

অনলাইন ডেস্ক
২০০ ম্যাচ খেলার ইতিহাস গড়বেন ফুটবলের জাদুকর মেসি
কালের কণ্ঠ গ্রাফিক্স

ফুটবলের ইতিহাসে অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করতে যাচ্ছেন লিওনেল মেসি। আলজেরিয়ার বিপক্ষে বিশ্বকাপ ফুটবলের লড়াইয়ে নামলে আর্জেন্টিনার জার্সিতে ২০০তম ম্যাচ খেলার ঐতিহাসিক কীর্তি গড়বেন বিশ্ব ফুটবলের এ জাদুকর। 

দীর্ঘ দুই দশকের বেশি সময় ধরে আলবিসেলেস্তেদের হয়ে মাঠে দাপিয়ে বেড়ানো মেসির এ যাত্রা শুরু হয়েছিল ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট, হাঙ্গেরির বিপক্ষে এক প্রীতি ম্যাচে। সেই দিনটি ছিল মেসির জন্য এক তিক্ত অভিজ্ঞতার নাম, কারণ বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নেমে মাত্র ২৫ মিনিট খেলার সুযোগ পেয়েই লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল তাকে। সেই দুঃসহ শুরুর পর তিনি বিশ্ব ফুটবলের অবিসংবাদিত নায়ক।

এখন পর্যন্ত খেলা ১৯৯টি ম্যাচে মেসি উপহার দিয়েছেন ১১৭টি গোল ও ৬৪টি অ্যাসিস্ট। ১৬ হাজার ৩৮০ মিনিটের এ দীর্ঘ পথচলায় তিনি জিতেছেন ২০২২ সালের বিশ্বকাপ, দুইবার কোপা আমেরিকা শিরোপা এবং ফিনালিসিমা জয়ের মতো গৌরব। ক্যারিয়ারের এ বাঁক বদল মোটেও সহজ ছিল না, ২০১৫ ও ২০১৬ সালে টানা দুইবার কোপা আমেরিকার ফাইনালে হারের বেদনা থেকে শুরু করে ২০২২ সালে বিশ্ব জয়ের আনন্দে ভেসে অমরত্বের চূড়ায় স্থান করে নেওয়া; সবই তার এ ২০০ ম্যাচের বর্ণিল ইতিহাসের অংশ। 

মেসির এই ম্যাচগুলোর বড় একটি অংশ জুড়ে রয়েছে দক্ষিণ আমেরিকান বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের চ্যালেঞ্জ, যেখানে তিনি ৭২টি ম্যাচে অংশ নিয়ে ৩৬টি গোল ও ১৪টি অ্যাসিস্ট করেছেন। এছাড়া বিশ্বকাপে ২৬টি এবং কোপা আমেরিকায় ৩৯টি ম্যাচ খেলেছেন তিনি।

বর্তমানে আন্তর্জাতিক ফুটবলে সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলার তালিকায় পর্তুগিজ তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ২২৮ ম্যাচ নিয়ে সবার উপরে অবস্থান করছেন। তবে মেসির এই ২০০তম ম্যাচের মাইলফলক ছাপিয়ে এখন সবার নজর আগামী ১৯ জুলাই নিউ জার্সিতে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপের ফাইনালের দিকে। 

এ টুর্নামেন্টের পর মেসি, রোনালদো কিংবা লুকা মদ্রিচ; কারা আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানবেন, তা নিয়ে গুঞ্জন থাকলেও মেসি নিজে এ ব্যাপারে এখনো কোনো ইঙ্গিত দেননি। তবে বর্তমান সময়ের এই মহাতারকা তার বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের আরেক নতুন অধ্যায় লিখতে প্রস্তুত, যা ফুটবলপ্রেমীদের হৃদয়ে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

পাকিস্তানে ইতিহাস গড়ে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে সুখবর পেল বাংলাদেশ | কালের কণ্ঠ