• ই-পেপার

আইসিসি ব্যাটিং র‌্যাংকিং

এক লাফে ৯৩ ধাপ এগোলেন গিল

বিশ্বকাপ থেকে নেইমারকে বাদ দেবেন না আনচেলত্তি, জানালেন কবে ফিরবেন মাঠে

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপ থেকে নেইমারকে বাদ দেবেন না আনচেলত্তি, জানালেন কবে ফিরবেন মাঠে
সংগৃহীত ছবি

ব্রাজিলের বিশ্বকাপ স্কোয়াডে নেইমারকে নিয়ে কোনো ধরনের পরিবর্তনের পরিকল্পনা নেই বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন প্রধান কোচ কার্লো আনচেলত্তি। শনিবার সংবাদ সম্মেলনে ব্রাজিলের ইতালিয়ান এই কোচ বলেন, নেইমারের চোট নিয়ে নতুন তথ্য সামনে এলেও তার সিদ্ধান্ত বদলানোর কোনো কারণ দেখছেন না তিনি। 

গত ১৭ মে থেকে ডান পায়ের কাফ ইনজুরিতে মাঠের বাইরে রয়েছেন নেইমার। শুরুতে তার ক্লাব সান্তোস জানিয়েছিল, এটি শুধুমাত্র ফোলা বা এডিমার সমস্যা এবং দ্রুতই তিনি সুস্থ হয়ে উঠবেন। তবে ব্রাজিল দলের ক্যাম্পে যোগ দেওয়ার পর নতুন পরীক্ষায় ধরা পড়ে গ্রেড-২ মাংসপেশির টান, যার কারণে আরও দুই থেকে তিন সপ্তাহ মাঠের বাইরে থাকতে হতে পারে তাকে। 

সংবাদকর্মীরা জানতে চান, চোটের প্রকৃত অবস্থা আগে জানলে নেইমারকে কি স্কোয়াডে রাখতেন? জবাবে নিজের স্বভাবসুলভ রসিকতা করেন আনচেলত্তি।

হাসতে হাসতে ব্রাজিল কোচ বলেন, ‘আমার দাদার যদি চাকা থাকত, তাহলে তিনি একটা গাড়ি হতেন।’ 

উপস্থিতদের হাসির মাঝেই তিনি বলেন, ‘আমি যখন ২৬ জনের স্কোয়াড নির্বাচন করেছি, তখন নেইমার সেই তালিকাতেই ছিল।’

আনচেলত্তির মতে, স্কোয়াড ঘোষণার পর থেকেই নেইমারের চিকিৎসা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব নেয় ব্রাজিল ফুটবল ফেডারেশন। তবুও তিনি নিশ্চিত, বিশ্বকাপ পরিকল্পনায় নেইমার এখনও গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

ব্রাজিলের প্রথম ম্যাচে নেইমারকে পাওয়া না গেলেও দ্বিতীয় ম্যাচে তার ফেরার সম্ভাবনা দেখছেন কোচ।

আনচেলত্তি বলেন, ‘আমরা ভেবেছিলাম সে প্রথম ম্যাচের জন্য প্রস্তুত থাকবে। যদি প্রথম ম্যাচে না-ও পারে, দ্বিতীয় ম্যাচে অবশ্যই প্রস্তুত হবে। এ বিষয়ে আমাদের কোনো সন্দেহ নেই।’

এ কারণে ২৬ সদস্যের দলে নতুন কাউকে অন্তর্ভুক্ত করার প্রয়োজনও দেখছেন না তিনি।

দলে পরিবর্তন নিয়ে সেলেসাওদের কোচ বলেন, ‘আমি কোনো পরিবর্তন করছি না। যে ২৬ জনকে নির্বাচন করেছি, তারাই বিশ্বকাপে খেলবে।’

আনচেলত্তি জানান, নেইমারের সঙ্গে তার ব্যক্তিগতভাবে কথাও হয়েছে এবং ব্রাজিলিয়ান তারকা দ্রুত ফিটনেস ফিরে পেতে কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।

বিশ্বকাপে মরক্কোর বিপক্ষে ১৩ জুন প্রথম ম্যাচ দিয়ে ব্রাজিল তাদের হেক্সা অভিযান শুরু করবে। এরপর ১৮ জুন হাইতি এবং ২৩ জুন স্কটল্যান্ডের মুখোমুখি হবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। 
 

একাদশেও জায়গা হারাচ্ছেন আফঈদা

গোয়া থেকে প্রতিনিধি
একাদশেও জায়গা হারাচ্ছেন আফঈদা
ছবি : মীর ফরিদ

ভারতের বিপক্ষে ম্যাচে একাদশে জায়গা হারাতে পারেন ডিফেন্ডার আফঈদা খন্দকার। মালদ্বীপের বিপক্ষে এই সেন্টার ব্যাকের পারফরম্যান্স প্রত্যাশা মেটাতে পারেনি। প্রতিপক্ষ দল যে দুইটি কাউন্টার অ্যাটাক করেছে, দুইটিতে গোল হজম করে বাংলাদেশ। বিশেষ করে, দ্বিতীয় গোলে আফঈদার প্রচেষ্টা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। যে কারণে আজ ভারত ম্যাচে তার জায়গা হতে পারে বেঞ্চে।

গতকাল অনুশীলনেও এমন আভাস পাওয়া গেছে। ডন বস্কো বিশ্ববিদ্যালয় মাঠে ম্যাচ আবহ প্রস্তুতিতে আফঈদার পরিবর্তে সেন্টার ব্যাকে দেখা গেছে সুরমা জান্নাতকে। পুরোটা সময়ই মূল দলের সঙ্গে অনুশীলন করেছেন সুরমা। আর আফঈদা ছিলেন বেঞ্চের দলে। 

টিম ম্যানেজমেন্ট সূত্রেও জানা গেছে, আফঈদাকে আজ বেঞ্চে বসতে হতে পারে।

তবে সবকিছু নির্ভর করছে কোচ পিটার বাটলারের ওপর। ম্যাচের আগে দলীয় মিটিংয়ের পর জানা যাবে কারা থাকছে মূল একাদশে।

২০২৩ সালের পহেলা ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে অভিষেক হয় আফঈদার। এরপর থেকে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন ২৪টি। কিন্তু কোনো ম্যাচেই পারফরম্যান্সের কারণে বাদ পড়েননি। অবশেষে ভারত ম্যাচে জায়গা হারাতে চলেছেন। এর আগে অধিনায়কত্বও হারিয়েছেন তিনি। সবমিলিয়ে বেশ কঠিন সময় পার করছেন ২০ বছর বয়সী এই ফুটবলার।

নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশ ও ভারতের ম্যাচ শুরু হবে রাত ৮টায়। দুই দলই প্রথম ম্যাচ জেতায় সেমিফাইনাল নিশ্চিত হয়ে গেছে। তবে কারা গ্রুপসেরা হবে তা নির্ধারণ হবে আজকের ম্যাচে। সেরা হতে বাংলাদেশের সামনে জয়ের বিকল্প নেই, আর ভারতের ড্র-ই যথেষ্ট।
 

ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দলে না থাকা তারকা চ্যাম্পিয়নস লিগে গড়লেন ইতিহাস

ক্রীড়া ডেস্ক
ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দলে না থাকা তারকা চ্যাম্পিয়নস লিগে গড়লেন ইতিহাস
ছবি : রয়টার্স

চ্যাম্পিয়নস লিগে আর্সেনালকে স্পটকিকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ফরাসি জায়ান্ট পিএসজি। এতেই রিয়াল মাদ্রিদের রড্রিগোকে পেছনে ফেলে সর্বকনিষ্ঠ ব্রাজিলিয়ান হিসেবে দুইটি চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের ইতিহাস গড়েছেন লুকাস বেরালদো। 

২০২৪-২৫ এবং ২০২৫-২৬ মৌসুমে বেরালদো প্যারিস সেন্ট-জার্মেইর (পিএসজি) হয়ে টানা দুইটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা জয় করেন।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বেরালদো ২২ বছর, ৬ মাস এবং ৬ দিন বয়সে দুইটি চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতলেন। 

এর আগে রিয়ালের হয়ে রড্রিগো ২৩ বছর, ৪ মাস এবং ২৩ দিন বয়সে দুইটি চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতে এই রেকর্ড নিজের করে রেখেছিলেন। 

পিএসজির চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের যত ইতিহাস

ক্রীড়া ডেস্ক
পিএসজির চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের যত ইতিহাস
ছবি : রয়টার্স

ইউরোপীয় ফুটবলে নিজেদের আধিপত্য আরো একবার প্রমাণ করল পিএসজি। চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে আর্সেনালকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার শিরোপা জিতে ইতিহাসের পাতায় নতুন অধ্যায় লিখেছেন ফরাসি জায়ান্টরা।

ম্যাচের শুরুটা অবশ্য স্বপ্নের মতো ছিল আর্সেনালের জন্য। মাত্র ছয় মিনিটেই কাই হাভার্টজ গোল করে এগিয়ে দেন লন্ডনের ক্লাবটিকে। তবে পিছিয়ে পড়েও হাল ছাড়েনি পিএসজি। দ্বিতীয়ার্ধে খভিচা কাভারেস্খেইয়ার ওপর ক্রিস্তিয়ান মস্কেরার ফাউলে পাওয়া পেনাল্টি থেকে গোল করে সমতা ফেরান উসমান দেম্বেলে।

নির্ধারিত ৯০ মিনিট ও অতিরিক্ত ৩০ মিনিটেও ফল না আসায় ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। সেখানে এবেরেচি এজে ও গ্যাব্রিয়েল মাগালহায়েসের শট ব্যর্থ হলে আবারও চ্যাম্পিয়নস লিগের ট্রফি উঁচিয়ে ধরে পিএসজি।

পরিসংখ্যানে চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনাল—

এই জয়ের মাধ্যমে পিএসজি ইতিহাসের মাত্র তৃতীয় দল হিসেবে টানা দুই মৌসুমে একই সঙ্গে ঘরোয়া লিগ ও চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের কীর্তি গড়ল। এর আগে এমন কৃতিত্ব দেখাতে পেরেছিল শুধু রিয়াল মাদ্রিদ ও আয়াক্স।

আরেকটি রেকর্ড গড়েছেন পিএসজি কোচ লুইস এনরিকে। কোচ হিসেবে এটি তার তৃতীয় চ্যাম্পিয়নস লিগ শিরোপা। ফলে তিনি পেপ গার্দিওলা, জিনেদিন জিদান ও বব পেইসলির পাশে জায়গা করে নিয়েছেন। তার ওপরে রয়েছেন শুধু কার্লো আনচেলত্তি, যার ঝুলিতে রয়েছে পাঁচটি ইউরোপিয়ান কাপ।

২৪.৭
ফাইনালে আর্সেনাল বলের দখল রাখতে পেরেছিল মাত্র ২৪.৭ শতাংশ সময়, যা ২০০৩-০৪ মৌসুম থেকে চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালের ইতিহাসে সর্বনিম্ন। অন্যদিকে পিএসজি বল দখলে রেখেছিল ৭৫ শতাংশ সময় এবং ম্যাচের ২৮টি শটের মধ্যে ২১টিই ছিল তাদের।

২২৬
হারের মধ্য দিয়ে আর্সেনালের দীর্ঘ অপেক্ষাও আরো দীর্ঘ হলো। ইউরোপিয়ান কাপ বা চ্যাম্পিয়নস লিগে ২২৬টি ম্যাচ খেলেও এখনো শিরোপার দেখা পায়নি গানাররা, যা এই প্রতিযোগিতার ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি।


তবে ব্যক্তিগত অর্জনের তালিকায় নাম তুলেছেন কাই হাভার্টজ। তিনি ইউরোপিয়ান কাপের ইতিহাসে চতুর্থ ফুটবলার হিসেবে দুটি ভিন্ন ক্লাবের হয়ে ফাইনালে গোল করার কীর্তি গড়েছেন। এর আগে ২০২১ সালে চেলসির হয়ে ফাইনালে গোল করেছিলেন জার্মান এই তারকা।


ইংলিশ ক্লাবগুলোর বিপক্ষে পিএসজির আধিপত্যও অব্যাহত রয়েছে। নকআউট পর্বে ইংলিশ প্রতিপক্ষের বিপক্ষে টানা সাতটি ম্যাচ জিতেছে তারা এবং শেষ ১০ ম্যাচে অপরাজিত রয়েছে।

১৭
উসমান দেম্বেলে আবারও নিজেকে বড় ম্যাচের নায়ক হিসেবে প্রমাণ করেছেন। গত মৌসুমের শুরু থেকে চ্যাম্পিয়নস লিগের নকআউট পর্বে তার গোল ও অ্যাসিস্ট মিলিয়ে অবদান এখন ১৭টি, যা এই সময়ে যেকোনো খেলোয়াড়ের মধ্যে সর্বোচ্চ।

৪৫
এদিকে চলতি মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লিগে পিএসজির গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৫ এ। এর মাধ্যমে তারা ১৯৯৯-২০০০ মৌসুমে বার্সেলোনার গড়া সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডে ভাগ বসিয়েছে।
 

এক লাফে ৯৩ ধাপ এগোলেন গিল | কালের কণ্ঠ