• ই-পেপার

মৃত্যুদণ্ড থেকে তরুণকে বাঁচাতে মেসির কাছে আবেদন

আর্জেন্টিনাকে হারানোর ছক কষছে অস্ট্রিয়া

ক্রীড়া ডেস্ক
আর্জেন্টিনাকে হারানোর ছক কষছে অস্ট্রিয়া
ছবি : রয়টার্স

বিশ্বকাপের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার সামনে বড় চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতে প্রস্তুত অস্ট্রিয়া। ডালাসে সোমবারের (২২ জুন) গুরুত্বপূর্ণ গ্রুপ ‘জে’ ম্যাচকে সামনে রেখে আত্মবিশ্বাসী রাল্ফ রাংনিকের শিষ্যরা। যদিও প্রতিপক্ষ দলে রয়েছেন ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় লিওনেল মেসি, তবু নিজেদের সামর্থ্যের ওপর ভরসা রাখছে ইউরোপের দলটি।

প্রথম ম্যাচে আলজেরিয়াকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করেছে আর্জেন্টিনা। সেই ম্যাচে হ্যাটট্রিক করে আবারও আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন ৩৮ বছর বয়সী মেসি। অন্যদিকে জর্ডানকে ৩-১ গোলে হারিয়ে দারুণ সূচনা করেছে অস্ট্রিয়াও। ফলে দুই দলের লড়াইকে ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনা।

অস্ট্রিয়ার অন্যতম তারকা কনরাড লাইমার প্রতিপক্ষকে যথাযথ সম্মান দিলেও হার মানার মানসিকতা নিয়ে মাঠে নামতে রাজি নন। ফিফার ওয়েবসাইটকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আর্জেন্টিনা বিশ্বচ্যাম্পিয়ন, তাই তারাই বর্তমানে বিশ্বের সেরা দল। আর মেসি হচ্ছে ফুটবল বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়।’

তবে এই ম্যাচকে নিজেদের শক্তি যাচাইয়ের বড় সুযোগ হিসেবেও দেখছেন বায়ার্ন মিউনিখের মিডফিল্ডার। তিনি বলেন, ‘তার (মেসি) মতো মাপের ফুটবলারের মুখোমুখি হওয়া এবং নিজেদের শক্তি যাচাই করা সবসময়ই দারুণ ব্যাপার। কারণ এতে বোঝা যায় আমরা কোথায় দাঁড়িয়ে আছি।’

আর্জেন্টিনার শক্তিমত্তা সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘তারা অনেক মানসম্পন্ন এবং বিশেষ একটি দল। অবশ্যই আমরা আমাদের সামর্থ্য দেখাতে চাই। তবে গ্রুপ পর্ব পার হতে হলে বাকি দুই ম্যাচও আমাদের জন্য সমান গুরুত্বপূর্ণ।’

কোচ রাল্ফ রাংনিকের অধীনে অস্ট্রিয়ার সবচেয়ে বড় শক্তি দলগত ঐক্য বলেও মনে করেন লাইমার। তার ভাষায়, ‘আমাদের এই দলের মূল শক্তি হলো আমরা সত্যিকারের একটি দল। সবাই জাতীয় দলের হয়ে জিততে চায় এবং ভালো ফুটবল খেলতে চায়, যা মাঠে স্পষ্ট দেখা যায়। আমরা এখন দারুণ ছন্দে আছি।’

অন্যদিকে আর্জেন্টিনা জানে, এই ম্যাচে জয় পেলে প্রায় নিশ্চিত হয়ে যাবে শেষ ৩২-এর টিকিট। মেসির হ্যাটট্রিকের পর আত্মবিশ্বাসে টগবগ করছে লিওনেল স্কালোনির দল। তবে অস্ট্রিয়া স্পষ্ট করে দিয়েছে, তারা শুধু ম্যাচ খেলতে নয়, বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে অঘটন ঘটাতেই মাঠে নামবে।

মহাকাশে বিশ্বকাপের বল! ‘ট্রিওন্ডা’ নিয়ে গবেষণায় নাসা

ক্রীড়া ডেস্ক
মহাকাশে বিশ্বকাপের বল! ‘ট্রিওন্ডা’ নিয়ে গবেষণায় নাসা
ছবি : রয়টার্স

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের অফিসিয়াল ম্যাচ বল ‘ট্রিওন্ডা’ এবার পৌঁছে গেছে মহাকাশে। আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন (আইএসএস)-এ বলটি নিয়ে বিশেষ পরীক্ষা চালিয়েছেন নভোচারীরা। ফুটবল প্রযুক্তি ও বলের গতিবিধি সম্পর্কে আরো ভালো ধারণা পেতেই এই গবেষণা পরিচালনা করেছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা।

শনিবার (২০২ জুন) নাসা জানায়, আইএসএসে অবস্থানরত নভোচারীরা অ্যাডিডাস নির্মিত ট্রিওন্ডা বল ব্যবহার করে মাইক্রোগ্রাভিটিতে বলের ভারসাম্য ও ভরকেন্দ্র কীভাবে এর গতিপথকে প্রভাবিত করে, তা পরীক্ষা করেছেন। এর মাধ্যমে ২০১৯ সালের একটি গবেষণার পুনরাবৃত্তি করা হয়।

নাসা তাদের বিবৃতিতে বলেছে, ‘বিশ্বকাপের অফিসিয়াল বল মহাকাশে গেছে। ক্রীড়া প্রকৌশলীরা একটি ফুটবলের ভরকেন্দ্র ও ভারসাম্য অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে নির্ধারণ করেন, যাতে ম্যাচ চলাকালে বলের গতিবিধি আরো নির্ভুল ও পূর্বানুমানযোগ্য হয়।’

গবেষণায় দেখা হয়েছে, বলের ভারসাম্যের সামান্য পরিবর্তনও এর চলাচলে কতটা প্রভাব ফেলতে পারে। পাশাপাশি বলের ভেতরে থাকা আধুনিক সেন্সর প্রযুক্তি মাঠের পারফরম্যান্সে কী ভূমিকা রাখে, সে বিষয়েও তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।

২০২৬ বিশ্বকাপের জন্য অ্যাডিডাসের তৈরি ট্রিওন্ডা বলটিতে রয়েছে অত্যাধুনিক ‘কানেক্টেড বল’ প্রযুক্তি। এতে সংযুক্ত ৫০০ হার্টজ গতির একটি মোশন সেন্সর ম্যাচ চলাকালে বলের অবস্থান ও গতিবিধির তথ্য সরাসরি ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) সিস্টেমে পাঠাতে পারে। ফলে অফসাইডসহ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে রেফারিদের সহায়তা করে এই প্রযুক্তি।

ফিফার তথ্য অনুযায়ী, ‘ট্রিওন্ডা’ নামটি এসেছে স্প্যানিশ ভাষার ‘তিন তরঙ্গ’ ধারণা থেকে, যা ২০২৬ বিশ্বকাপের তিন স্বাগতিক দেশ—যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর ঐক্যের প্রতীক। বলটির নকশায়ও তিন দেশের প্রতিনিধিত্বকারী বিভিন্ন প্রতীক যুক্ত করা হয়েছে।

প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ

এবার ৬৫ হাজারের বেশি স্কুল অংশগ্রহণ করেছে : মাহদী আমিন

অনলাইন ডেস্ক
এবার ৬৫ হাজারের বেশি স্কুল অংশগ্রহণ করেছে : মাহদী আমিন

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন বলেছেন, ‘এবারের প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ টুর্নামেন্টে ৬৫ হাজারের বেশি স্কুল অংশগ্রহণ করেছে।’

শনিবার (২০ জুন) রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়ামে টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা শেষে বিশেষ অতিথিদের বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মাহদী আমিন বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ টুর্নামেন্টে ১১ লক্ষ বালক এবং ১১ লক্ষ বালিকাসহ মোট ২২ লাখ শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। বিশ্বের মধ্যে সম্ভবত আমরাই সবচাইতে বড় এই বিশাল ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করেছি।  টুর্নামেন্টে এক লাখ ২৩ হাজারের বেশি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে।’

মাহদী আমিন বলেন, ‘এটিকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করতে পারলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটা রেকর্ড করেছি, এমনটা আমরা বলতে পারব ইনশাল্লাহ।’

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, ‘অংশগ্রহণকারীর সংখ্যার দিক থেকে প্রধানমন্ত্রী এমন একটি শিক্ষা ব্যবস্থা চান, যেখানে আমাদের শিক্ষার্থীরা তাদের মেধার বহিঃপ্রকাশ ঘটাবে। শিক্ষার মাধ্যমে তো অবশ্যই, কিন্তু তার চেয়ে বেশি জরুরি সুনাগরিক হিসেবে নৈতিক এবং পারিবারিক মূল্যবোধ তৈরি করা।’

তিনি বলেন, ‘শিক্ষা থাকবে এবং যার যেখানে ভালো লাগে, সেটা হতে পারে ক্রীড়া ক্ষেত্র, হতে পারে সাংস্কৃতিক ক্ষেত্র। সুপ্ত প্রতিভা এবং সৃজনশীলতা বহিঃপ্রকাশ ঘটাবে।’

তিনি বলেন, আগামীতে সুন্দর বাংলাদেশ বিনির্মাণের কারিগর এই খুদে খেলোয়াড়রা। তাদের জন্য রইল শুভকামনা এবং সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা নিয়ে আমরা তাদের পাশে থাকবো।

গোলরক্ষক রমের বীরত্বে ঐতিহাসিক ড্র কুরাসাওয়ের

ক্রীড়া ডেস্ক
গোলরক্ষক রমের বীরত্বে ঐতিহাসিক ড্র কুরাসাওয়ের
বিশ্বকাপে রেকর্ড সেভ দিয়েছেন কুরাসাওয়ের গোলরক্ষক রম। ছবি : রয়টার্স

বয়স ৩৭। ক্যারিয়ারের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে এলয় রম। গোধূলিলগ্নে পৌঁছায় শক্তি-সামর্থ্য কমে আসবে তার এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু কানসাস সিটিতে ভিন্ন এক রমকে দেখা গেল।

গোলবারের নিচে দুর্ভেদ্য তিনি। যেন ইকুয়েডরকেই শুধু নয় চীনের মহাপ্রচীরকেও হার মানালেন রম। এতটাই বীরত্ব দেখিয়েছেন তিনি। তার বীরত্বেই ঐতিহাসিক এক ড্র পেয়েছে কুরাসাও।

গোলশূন্যে ড্রয়ে অভিষেক বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো পয়েন্ট পেয়েছে কুরাসাও। তার পুরো কৃতিত্বই রমের। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দুর্দান্ত সব সেভ দিয়ে কুরাসাওকে জয়ের সময় ড্র এনে দিয়েছেন তিনি।

 

পুরো ম্যাচে ২৮টি শট নিয়েছে ইকুয়েডর। কিন্তু এরপরেও জালের দেখা পায়নি তারা। ‘সোনার হরিণের’ দেখা পাবে কি করে? এর মধ্যে একাই যে ১৫টি সেভ দিয়েছেন রম। তাতে রেকর্ড গড়েছেন তিনি। ১৯৬৬ সালের পর ৯০ মিনিটের হিসেবে বিশ্বকাপের এক ম্যাচে সর্বোচ্চ সেভ দিয়েছেন তিনি। আগের রেকর্ডটি ছিল র‌্যামন কুইরোগার। ১৯৭৮ বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ১৩টি সেভ দিয়েছিলেন পেরুর গোলরক্ষক। 

অল্পের জন্য অবশ্য টিম হাওয়ার্ডের রেকর্ডে ভাগ বসাতে পারেননি রম। ২০১৪ বিশ্বকাপে বেলজিয়ামের বিপক্ষে এক ম্যাচে সর্বোচ্চ ১৬ সেভ দিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক গোলরক্ষক।

সেদিন অবশ্য ১২০ মিনিটের ম্যাচ খেলেছিলেন হাওয়ার্ড। আজ ৯০ মিনিটে ১৫ সেভ দিয়েছেন রম। অর্থাৎ, আরও ৩০ মিনিট খেলা হলে বিশ্বকাপের এক ম্যাচে সর্বোচ্চ সেভ দেওয়ার রেকর্ডটা নিশ্চিতভাবে নিজের নামে করতে পারতেন। সেটা না হলেও আজ কুরাসাওয়ের ‘বীর’ তিনি। 

বিপরীতে রমের মতো বীরত্ব দেখাতে না পারলেও আরেক ‘নিঃসঙ্গ শেরপা’ ইকুয়েডরের গোলরক্ষক হারনান গালিনদেজ ৩টি সেভ দিয়েছেন।

মৃত্যুদণ্ড থেকে তরুণকে বাঁচাতে মেসির কাছে আবেদন | কালের কণ্ঠ