• ই-পেপার

\'জাতীয় দলে খেলার স্বপ্ন পূরণ হয়নি\'

দাদির ভিডিও বার্তা দেখে কাঁদলেন ভিনিসিয়ুস

ক্রীড়া ডেস্ক
দাদির ভিডিও বার্তা দেখে কাঁদলেন ভিনিসিয়ুস
দাদির ভিডিও বার্তা দেখে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি ভিনিসিয়ুস। ছবি : সংগৃহীত

প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারের কড়া ট্যাকল ভিনিসিয়ুস জুনিয়রকে টলাতে পারে না। এমনকি বর্ণবাদী আচরণও ব্রাজিল তারকাকে হার মানাতে পারে না। শারীরিক ও মানসিকভাবে এতটাই শক্তিশালী তিনি।

সেই ভিনিসিয়ুস কিনা ছোট্ট এক ভিডিও বার্তার কাছে নিজেকে সংযত রাখতে পারলেন না। ২৫ বছরের এক মানুষ কিনা ছোট্ট শিশুর মতো কাঁদলেন অঝোরে। প্রিয় মানুষের কাছ থেকে বার্তা পেলে অবশ্য যে কারোরই ভিনিসিয়ুসের মতো অবস্থা হওয়ার কথা।

 

বিশ্বকাপ চলাকালে প্রিয় মানুষটার কাছ থেকে বার্তা পেয়ে তাই দুচোখকে বাধা দিতে পারেননি ভিনিসিয়ুস। ভিডিও বার্তার সেই প্রিয় মানুষটি হচ্ছেন তার দাদি নিলজা। আজকের ভিনিসিয়ুস হতে যার অবদান কোনো দিনও ভোলার নয়। 

ব্রাজিলের গ্লোবো নেটওয়ার্কের জনপ্রিয় টিভি অনুষ্ঠান ‘দোমিঙ্গোর’ লাইভে কাঁদতে কাঁদতে ভিনিসিয়ুস বলেন, ‘তিনি আমার জীবন বদলে দিয়েছেন। যখন সময় পাই তখনই তার কাছে থাকি। কারণ আমি জানি, একদিন এমন সময় আসবে, যাদের আমরা ভালোবাসি তাদের আর কখনো পাওয়া যাবে না। আমার পরিবার এবং তার সঙ্গে কাটানো প্রতিটা মুহূর্ত আমি উপভোগ করেছি। কারণ আমার স্বপ্ন পূরণ করতে তারা সবকিছু করেছে।’

এবারের বিশ্বকাপে ৪ গোল করে দুর্দান্ত ছন্দে থাকা ভিনিসিয়ুস আরো বলেছেন, ‘আমার জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একজন মানুষ, দাদিমা। ১৬ বছর বয়স পর্যন্ত তার সঙ্গে থেকেছি। আমাদের বাড়িটা খুব ছোট হওয়ায় উনার পাশেই ঘুমাতে হতো। তিনি এমন একজন মানুষ, যিনি আমার জীবনকে তৈরি করে দিয়েছেন।’

তো ভিনিকে বলা দাদি নিলজার বার্তা কী ছিল? দাদি বলেছেন, ‘ও খুব লাজুক একটা বাচ্চা ছিল। ওর ধ্যানজ্ঞানই ছিল ফুটবল। ১৬ বছর বয়স পর্যন্ত ও আমার পাশেই ঘুমাত। মাঝে মাঝে ও আমাকে জড়িয়ে ধরত এবং চোখ মেলে নিশ্চিত হতো যে সে আমার পাশেই আছে তো। ভিনি, আমার নাতি, আওয়ার লেডি অব আপারেসিডা (দেবী) যেন সব সময় তোমাকে রক্ষা করেন। দাদিমা তোমাকে অনেক অনেক ভালোবাসে।’

বিশ্বকাপে আজ বাঁচা-মরার ম্যাচ খেলতে নামবেন ভিনি। নকআউটের ম্যাচে আজ হিউস্টনে তাদের প্রতিপক্ষ জাপান। তার জাদুতে বর্তমানে দুর্দান্ত ছন্দে আছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। সেই জাদুই আরেকবার দেখানোর পালা রিয়াল মাদ্রিদের তারকার।

মেক্সিকোর মন্তেরেইকে উৎসবের শহর বানিয়েছে মরক্কোর সমর্থকরা

ক্রীড়া ডেস্ক
মেক্সিকোর মন্তেরেইকে উৎসবের শহর বানিয়েছে মরক্কোর সমর্থকরা

বিশ্বকাপের রাউন্ড অব থার্টি টুর নকআউট ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের মুখোমুখি হওয়ার আগে মেক্সিকোর মন্তেরেই শহরকে উৎসবে ভাসিয়েছেন মরক্কোর সমর্থকরা। মন্তেরেইয়ের বিখ্যাত ম্যাক্রোপ্লাজা চত্বরে সমবেত হয়ে হাজার হাজার মরক্কো ভক্ত গান, নাচ এবং স্লোগানের মাধ্যমে এক বর্ণিল ও উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি করেছেন। এমন একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে ইউরোপভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ইউরো নিউজ

ভিডিওতে দেখা যায়, ঢাল-ঢোল পতাকা উড়িয়ে গানের তালে তালে নাচতে দেখা গেছে মরক্কোর সমর্থকদের। উদযাপনের সময় তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন স্থানীয় মেক্সিকান সমর্থকরাও। যা পুরো শহরের ফুটবল উন্মাদনাকে আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। 

যুক্তরাষ্ট্রে গ্রুপ পর্বের খেলা শেষ করে নকআউট নিশ্চিত করার পর মেক্সিকোতে এটিই মরক্কো দলের প্রথম ম্যাচ হতে যাচ্ছে। 

মরক্কোর লাল-সবুজ উৎসবের পাশাপাশি মন্তেরেই শহরটি ডাচ সমর্থকদের আগমনে ওলন্দাজ কমলার রঙেও রঙিন হয়ে উঠেছে। দুই দেশের সমর্থকদের এমন মুখোমুখি অবস্থানে মন্তেরেই এখন বিশ্বকাপের অন্যতম আকর্ষণীয় ফুটবল কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

এবার বিশ্বকাপের ফ্যান জোনে বন্দুক হামলা, নিহত ১

ক্রীড়া ডেস্ক
এবার বিশ্বকাপের ফ্যান জোনে বন্দুক হামলা, নিহত ১
এবার সান ফ্রান্সিসকো বে এরিয়ার ফ্যান জোনে হামলায় ১ জন নিহত। ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বকাপের মাঝে আবারও রক্তাক্তের ঘটনা। এবার ফ্যান জোনে বন্দুক হামলা হয়েছে। বন্দুক হামলায় ১ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরো ১ জন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে পুলিশ।

ঘটনার বিষয়ে সামাজিক মাধ্যম এক্সে ক্যালিফোর্নিয়ার সান জোসের পুলিশ এক পোস্টে লিখেছে, ‘ঘটনাস্থলেই ১ জন মারা গেছেন। অপরজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ড ধরে ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং ওই এলাকার আশপাশের বেশ কয়েকটি সড়ক বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।’

ঘটনাটি ঘটেছে সান জোসের সান পেদ্রো স্কয়ারে। সান ফ্রান্সিসকো বে এরিয়ায় যে কটি জায়গায় ফ্যান জোন করে খেলা দেখানো হয় তার মধ্যে অন্যতম এটি। এখন পর্যন্ত সান ফ্রান্সিসকো বে এরিয়ায় বিশ্বকাপের ৫টি ম্যাচ হয়েছে। সেখানেই রবিবার এ ঘটনা ঘটে। তবে ঘটনার সময় কোনো ম্যাচ ছিল না। ঘটনাস্থলে থাকা রয়টার্সের এক সাংবাদিকের বরাতে গ্লোবো ডটকম জানিয়েছে, হামলার পর পুরো এলাকাজুড়ে পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

এর আগে ইংল্যান্ড জাতীয় দলের বেসক্যাম্পের কাছে গোলাগুলির ঘটনায় ৯ জন আহত হয়েছিলেন। কানসাস সিটির মেসৌরির ঘটনা পর ২১ জুন ম্যাসাচুসেটসের ব্রকটনে গুলির ঘটনা ঘটে। উরুগুয়েকে হারিয়ে কেপ ভার্দের উদযাপনের সময় সেদিন ৫ জন গুলিতে এবং ১ জন ছুরিকাঘাতে আহত হন। এবারের বিশ্বকাপে অভিষেক হওয়া কেপ ভার্দের আরেক ম্যাচেও এই ব্রকটনেই আরো ৪ জন গুলিবদ্ধ হন।

সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কর্ণধার কাব্য মারানকে নিয়ে চাউর হয়েছে যে গুঞ্জন

ক্রীড়া ডেস্ক
সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কর্ণধার কাব্য মারানকে নিয়ে চাউর হয়েছে যে গুঞ্জন

আইপিএলের উত্তাপ মাঠ থেকে অনেক আগেই মিলিয়ে গিয়েছে। কিন্তু আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু থেকে সরেননি সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কর্ণধার কাব্য মারান। তবে এবার তাঁকে ঘিরে চর্চার কারণ ক্রিকেট নয়, ব্যক্তিগত জীবন। সাম্প্রতিক কয়েকটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, জনপ্রিয় সংগীত পরিচালক অনিরুদ্ধ রবিচন্দরের সঙ্গে নাকি নতুন জীবনের পথে হাঁটতে চলেছেন তিনি। আর সেই খবর সামনে আসতেই নেটপাড়ায় শুরু হয়েছে জল্পনার ঝড়। এর মধ্যেই অনিরুদ্ধর পরিবারের এক সদস্যের মন্তব্য যেন আগুনে ঘি ঢেলেছে। আরো জোরালো করেছে কাব্য-অনিরুদ্ধকে ঘিরে বিয়ের গুঞ্জন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এই সময়ের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এখন পর্যন্ত কাব্য মারান বা অনিরুদ্ধ রবিচন্দর কেউই এই বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি। তবে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন অনিরুদ্ধর কাকা ও বর্ষীয়ান অভিনেতা ওয়াই জি মহেন্দ্র।

 

কাব্যের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘এত কম বয়সে যে দক্ষতার সঙ্গে তিনি বিশাল ব্যবসা এবং একটি আইপিএলের ফ্র্যাঞ্চাইজি সামলাচ্ছেন, তা সত্যিই প্রশংসার যোগ্য।’

একই সঙ্গে তিনি মনে করেন, কাব্য ও অনিরুদ্ধ একসঙ্গে খুব ভালো জুটি হতে পারেন।

মহেন্দ্র বলেন, ‘অনিরুদ্ধ খুবই শান্ত স্বভাবের ছেলে। আমি যা শুনেছি, তাতে মনে হচ্ছে ওদের বিয়ে হতে পারে। কাব্য সাধারণ কোনো মেয়ে নয়। এত বড় একটি দল সামলানোর ক্ষমতা ওর আছে। বাবার ব্যবসায়িক দক্ষতাও ও উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছে। আমার মনে হয়, দুজনকে একসঙ্গে খুব ভালো মানাবে।’

যদিও এই মন্তব্যের পর জল্পনা আরো বেড়েছে, তবু এখন পর্যন্ত দুই পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি।

ভারতের সংগীত দুনিয়ার অন্যতম জনপ্রিয় নাম অনিরুদ্ধ রবিচন্দর। ২০১১ সালে তাঁর গাওয়া ও সুর করা ‘হোয়াই দিস কোলাভারি ডি’ গানটি বিশ্বজুড়ে আলোড়ন তুলেছিল। সেই একটি গানই তাঁকে রাতারাতি কোটি কোটি মানুষের কাছে পরিচিত করে তোলে। তার পর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। ‘জেলার’, ‘জওয়ান’, ‘লিও’, ‘জার্সি’-সহ একাধিক বড় ছবিতে সুর দিয়ে তিনি নিজের আলাদা পরিচয় তৈরি করেছেন। বর্তমানে ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সফল সংগীত পরিচালকদের একজন হিসেবে ধরা হয় তাঁকে।

অনিরুদ্ধর পরিবারও দীর্ঘ দিন ধরে শিল্প ও সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িয়ে। দক্ষিণ ভারতের কিংবদন্তি অভিনেতা রজনীকান্ত তাঁর কাকা। ঐশ্বর্য রজনীকান্ত, সৌন্দর্য রজনীকান্ত ও হৃষীকেশ তাঁর আত্মীয়। এ ছাড়া তাঁর প্রপিতামহ কে. সুব্রহ্মণ্যম ছিলেন সম্মানিত চলচ্চিত্র নির্মাতা এবং পরিবারের আরো অনেক সদস্য শিল্প-সংস্কৃতির জগতে বিশেষ অবদান রেখে গিয়েছেন।

\'জাতীয় দলে খেলার স্বপ্ন পূরণ হয়নি\' | কালের কণ্ঠ