• ই-পেপার

টি-টোয়েন্টির সর্বকালের সেরা অলরাউন্ডারের তালিকায় সাকিব

‘বড় টুর্নামেন্টে’ পেনাল্টি ছাড়া পাঁচ বছর ধরে গোল পান না রোনালদো!

ক্রীড়া ডেস্ক
‘বড় টুর্নামেন্টে’ পেনাল্টি ছাড়া পাঁচ বছর ধরে গোল পান না রোনালদো!
ছবি : রয়টার্স

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ডিআর কঙ্গোর কাছে বড় ধাক্কা খেয়েছে ফেবারিট পর্তুগাল। তবে ম্যাচের ফলের পাশাপাশি সবচেয়ে বেশি আলোচনায় মহাতারকা ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর পারফরম্যান্স।

এদিন সবার নজর ছিল রোনালদোর দিকে। তবে তিনি প্রথমার্ধে যেমন নিষ্প্রভ ছিলেন, দ্বিতীয়ার্ধেও প্রত্যাশার ছাপ রাখতে পারেননি রোনালদো।

বেশ কয়েকবার বল পেলেও গোলমুখে কোনো শটই নিতে পারেননি তিনি। বরং সুযোগ নষ্ট করেছেন একাধিক। ফলে শেষ পর্যন্ত ১-১ গোলের ড্রয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে পর্তুগালকে।

তবে এদিন গোল করতে না পারায় রোনালদোর বড় টুর্নামেন্টে গোলখরা আরো দীর্ঘ হয়েছে। ২০২২ বিশ্বকাপে ঘানার বিপক্ষে পেনাল্টি থেকে গোল করার পর থেকে বিশ্বকাপ ও ইউরো মিলিয়ে টানা ১০ ম্যাচে গোলের দেখা পাননি তিনি।

আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে এটি তার সবচেয়ে দীর্ঘ গোলশূন্য অধ্যায়। এ ছাড়া ওপেন প্লে থেকে বড় টুর্নামেন্টে তার সর্বশেষ গোল এসেছিল ইউরো ২০২০-এ জার্মানির বিপক্ষে।

উল্লেখ্য, নেশনস লিগে রোনালদো কিছু গোল পেলেও তা ইউরোপের ফ্রেন্ডলি ম্যাচগুলোকে প্রতিযোগিতামূলক করতে ফরম্যাটটি তৈরি করায় একে বড় টুর্নামেন্ট হিসেবে ধরা হয় না। 

সাত শব্দে রোনালদোকে তুলোধোনা করলেন অঁরি

ক্রীড়া ডেস্ক
সাত শব্দে রোনালদোকে তুলোধোনা করলেন অঁরি
সংগৃহীত ছবি

বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে হতাশাজনক ড্র করেছে পর্তুগাল। ১-১ গোলে শেষ হওয়া ম্যাচের পর সবচেয়ে বেশি সমালোচনার মুখে পড়েছেন অধিনায়ক ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো। আর সেই সমালোচকদের তালিকায় এবার যোগ দিলেন ফরাসি কিংবদন্তি থিয়েরি অঁরি।

ম্যাচ-পরবর্তী বিশ্লেষণে অঁরি সরাসরি রোনালদোর পারফরম্যান্স নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তার মতে, গোল করার অতিরিক্ত তাড়নায় দলীয় স্বার্থকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছেন পর্তুগিজ মহাতারকা।

অঁরি বলেন, ‘একটা বিষয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ—দলের গোল দরকার, আপনার গোল নয়।’

তিনি বিশেষভাবে দ্বিতীয়ার্ধের একটি মুহূর্তের কথা তুলে ধরেন। ওই আক্রমণে পর্তুগালের তরুণ উইঙ্গার ফ্রান্সিসকো কনসেইসাও বক্সে ঢুকে সুযোগ তৈরি করেছিলেন। অঁরির মতে, রোনালদো যদি সঠিক জায়গায় অবস্থান নিতেন, তাহলে সতীর্থদের জন্য জায়গা তৈরি হতো। কিন্তু গোল করার চেষ্টা করতে গিয়ে তিনি এমন জায়গায় চলে যান, যেখানে আক্রমণটি নষ্ট হয়ে যায়।

ফরাসি কিংবদন্তি বলেন, ‘তিনি (রোনালদো) নিজেই গোল করতে চেয়েছিলেন, ফলে ব্রুনো ফার্নান্দেসের পথও বন্ধ হয়ে যায়। এতে প্রতিপক্ষের জন্য রক্ষণ সামলানো আরো সহজ হয়ে পড়ে।’

ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে পুরো ম্যাচে রোনালদোর পারফরম্যান্স ছিল বেশ নিষ্প্রভ। ৪১ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড ম্যাচে ২৫ বার বল স্পর্শ করলেও লক্ষ্যে রাখতে পারেননি একটি শটও। ফলে বিশ্বকাপ ও ইউরো মিলিয়ে টানা ১০ ম্যাচ গোলশূন্য থাকার হতাশাজনক রেকর্ডও দীর্ঘ হয়েছে তার।

তবে সমালোচনায় বিচলিত নন রোনালদো। ম্যাচ শেষে তিনি বলেন, ‘কিছুই কম ছিল না। ফুটবল এমনই। আমরা জিততেও পারতাম, আবার হারতেও পারতাম।’

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও সমর্থকদের উদ্দেশে বার্তা দিয়েছেন তিনি। রোনালদো লিখেছেন, ‘এটা আমরা যেভাবে শুরু করতে চেয়েছিলাম, এটা ঠিক তেমন না। কিন্তু সবকিছু এখনো শেষ হয়ে যায়নি। বিশ্বকাপের মূল লড়াই এখনো বাকি।’

বড় টুর্নামেন্টে টানা ১০ ম্যাচ গোলহীন রোনালদো

ক্রীড়া ডেস্ক
বড় টুর্নামেন্টে টানা ১০ ম্যাচ গোলহীন রোনালদো
ছবি : রয়টার্স

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ফেবারিট পর্তুগালকে রুখে দিয়েছে ডিআর কঙ্গো। তবে ম্যাচের ফলের পাশাপাশি সবচেয়ে বেশি আলোচনায় উঠে এসেছে মহাতারকা ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর পারফরম্যান্স। ম্যাচে তেমন একটা খুঁজে পাওয়া যায়নি রোনালদোকে। এতে আশাহত হয়েছেন সমর্থকরা। 

এদিন সবার নজর ছিল রোনালদোর দিকে। তবে তিনি প্রথমার্ধে যেমন নিষ্প্রভ ছিলেন, দ্বিতীয়ার্ধেও প্রত্যাশার ছাপ রাখতে পারেননি রোনালদো। 

বেশ কয়েকবার বল পেলেও গোলমুখে কোনো শটই নিতে পারেননি তিনি। বরং সুযোগ নষ্ট করেছেন একাধিক। ফলে শেষ পর্যন্ত ১-১ গোলের ড্রয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে পর্তুগালকে।

তবে এদিন গোল করতে না পারায় রোনালদোর বড় টুর্নামেন্টে গোলখরা আরও দীর্ঘ হয়েছে। ২০২২ বিশ্বকাপে ঘানার বিপক্ষে পেনাল্টি থেকে গোল করার পর থেকে বিশ্বকাপ ও ইউরো মিলিয়ে টানা ১০ ম্যাচে গোলের দেখা পাননি তিনি।

আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে এটি তার সবচেয়ে দীর্ঘ গোলশূন্য অধ্যায়। এছাড়া ওপেন প্লে থেকে বড় টুর্নামেন্টে তার সর্বশেষ গোল এসেছিল ইউরো ২০২০-এ জার্মানির বিপক্ষে। 

দিয়াজ-জাদুতে জয়ে বিশ্বকাপ যাত্রা শুরু কলম্বিয়ার

ক্রীড়া ডেস্ক
দিয়াজ-জাদুতে জয়ে বিশ্বকাপ যাত্রা শুরু কলম্বিয়ার
ছবি : রয়টার্স

তারকাখ্যাতি নিয়েই বিশ্বকাপে এসেছিলেন কলম্বিয়ার লুইস দিয়াজ। উজবেকিস্তানের বিরুদ্ধে দলের জয়ে বড় ভূমিকা রেখে নিজের নামের প্রতি সুবিচার করলেন এই তারকা। তার এক গোল ও অ্যাসিস্টের উপর ভর করে নবাগত উজবেকিস্তানকে ৩-১ গোলে হারিয়েছে কলম্বিয়া। এতে করে বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো খেলতে আসা উজবেকদের কোন রূপকথা লিখা হলো না। 

পুরো ম্যাচে বল দখল ও আক্রমণে এগিয়ে ছিল কলম্বিয়া। তবে ম্যাচের মাঝে মাঝে আক্রমণ চালিয়েছে উজবেকিস্তানও। প্রথমার্ধে গোল মাত্র একটি হলেও পুরোটা সময় দাপট দেখিয়েছে কলম্বিয়া। ৭২ শতাংশ বল একাই নিজেদের দখলে রেখেছে দলটি। আর ২৮ শতাংশ বল ছিল উজবেকিস্তানের।

৪১তম মিনিটে লুইস দিয়াজের পাস থেকে কলম্বিয়াকে এগিয়ে দেন দানিয়েল মুনিওজ। দ্বিতীয়ার্ধে আবারও বল দখল নিয়ে খেলতে থাকে কলম্বিয়া। তবে ৬০তম মিনিটে সমতা আনে উজবেকিস্তান। গোল করেন আব্বোসবেগ ফাইজুল্লায়েভ। এল্দর শোমুরোদভের ভলি কলম্বিয়া গোলকিপার কামিলো ভার্গাস বিপদমুক্ত করতে না পারলে গোলমুখে বল পেয়ে যান ফাইজুল্লায়েভ। তাকে শুধু মাথা ছুঁইয়ে বল জালমুখী করতে হয়েছে।

তবে ম্যাচে সমতা বেশিক্ষণ ছিল না। উজবেকিস্তান সমতা আনার ৫ মিনিট পরই আবার এগিয়ে যায় কলম্বিয়া। বক্সে ঢুকেই ডান পায়ের কোনাকুনি শটে বল দূরের পোস্ট দিয়ে বল জালে জড়ান বায়ার্ন মিউনিখ তারকা দিয়াজ।

এরপর বাকি সময়টাতে কলম্বিয়ার আক্রমণ ঠেকিয়ে গেছে উজবেকরা। তবে নির্ধারিত সময়ের পর যোগ করা সময়ের নবম মিনিটে কুচো হার্নান্দেজের ক্রস থেকে দারুণ এক গোল করে কলম্বিয়ার জয় নিশ্চিত করেন জামিনটন ক্যাম্পাজ।

এরপর একটি আক্রমণ করেছিল উজবেকিস্তান। দূরপাল্লার একটি শট বারে লেগে ফিরে আসে। তবে ৩-১ গোলের হার নিয়েই মাঠ ছাড়ে এশিয়ার দেশটি।