• ই-পেপার

শ্রীলঙ্কার নতুন কোচ সিলভারউড

পানামার জালে ব্রাজিলের গোলোৎসব

ক্রীড়া ডেস্ক
পানামার জালে ব্রাজিলের গোলোৎসব
পানামার বিপক্ষে প্রথম মিনিটে গোল করার পর সতীর্থর সঙ্গে ভিনিসিয়ুস। ছবি : রয়টার্স

দীর্ঘ ২৪ বছরের অপেক্ষা ফুরানোর পালা এবার ব্রাজিলের। গেল ৫ বিশ্বকাপে একবারও যে সোনালি ট্রফিটা পুনরায় ছুঁয়ে দেখা হয়নি তাদের। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো বিশ্বকাপে স্পর্শের সুযোগ পাবে ব্রাজিল এমনটাই বিশ্বাস সমর্থকদের।

মারাকানায় আজ সমর্থকদের বিশ্বাসের পাল্লাও ভারী করেছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র-রাফিনিয়ারা। প্রস্তুতি ম্যাচে পানামার জালে গোলোৎসব করে। বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়ার আগে আজ প্রতিপক্ষকে ৬-২ গোলে বিধ্বস্ত করেছে ব্রাজিল।

ব্রাজিল গোলোৎসব করেছে দলের ৬ গোলদাতার সৌজন্যে। তবে বদলি হওয়ার আগে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের আক্রমণের মধ্যমণি ছিলেন ভিনিসিয়ুস। গোলোৎসবের শুরুটাও হয় একদম শুরুতেই। বক্সের বাইরে থেকে প্রথম মিনিটেই দূরপাল্লার শটে পানামার জাল কাঁপান ভিনিসিয়ুস। 

বিরতিতে যাওয়ার আগে ভিনির ক্রস থেকেই ব্যবধান দ্বিগুণ করেন কাসেমিরো। তার আগে অবশ্য ১৪ মিনিটে সমতায় ফেরে পানামা। পানামার মিডফিল্ডার মুরিলো ফ্রি কিক নিলে শেষ মুহূর্তে ম্যাথিউস কুনহার শরীরে লেগে ব্রাজিলের জাল স্পর্শ করে বলটি। ডানদিকে গোলরক্ষক অ্যালিসন বেকারের ঝাঁপিয়ে পড়াটা তাই বৃথাই যায়। 

দ্বিতীয়ার্ধে সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার লিও পেরেইরাকে রেখে পুরো দলকেই বদলে ফেলেন কার্লো আনচেলত্তি। তাতে আক্রমণের ধারও বাড়ে এবং খেলায় ছন্দ খুঁজে পায় ব্রাজিল। ম্যাচ শেষে নিজেই জানিয়েছেন ব্রাজিল কোচ। তবে তৃতীয় গোলটি সেলেসাওরা পায় পানামার গোলরক্ষকের ভুলে। 

 

ম্যাচের ৫৩ মিনিটে গোলরক্ষক অরল্যান্ড মসকুয়েরা শট নিতে গিয়ে রায়ানের পায়ে বল দেন। ফাঁকা গোলবারে বল জড়াতে ভুল করেননি বোর্নমাউথের ফরোয়ার্ড। সেই গোলের পর দ্রুতই আরো দুটি পায় ব্রাজিল। ৬০ মিনিটে লুকাস পাকেতার বিপরীতে ৬৩ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করেন ইগর থিয়াগো। 

৮১ মিনিটে পাকেতার পাস থেকে ৬-১ ব্যবধান করেন দানিলো। বিপরীতে ৮৩ মিনিটে চোখ ধাঁধানো এক শটে ব্যবধান কমান কার্লোস হার্ভি। বক্সের অনেক বাইরে থেকে বুলেট গতির শট গোলটি করেন তিনি। তবে ম্যাচ শেষে সব আলো কেড়ে নিয়েছেন নেইমার। চোটের কারণে প্রস্তুতি ম্যাচে না খেলা সুপারস্টারকে ঘিরে শুরু হয় ফটো তোলার হিড়িক। এক এক করে পানামার বেশিরভাগ ফুটবলারই তার সঙ্গে তুললেন ছবি। হাসিমুখে সকলের আবদারও মেটালেন নেইমার।

বিশ্বকাপ ভিসা ইস্যুতে আমাদের বোকা বানানো হয়েছে : দ. আফ্রিকার ক্রীড়ামন্ত্রী

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপ ভিসা ইস্যুতে আমাদের বোকা বানানো হয়েছে : দ. আফ্রিকার ক্রীড়ামন্ত্রী
২৯ মে নিকারাগুয়ার সঙ্গে নিজেদের শেষ প্রস্তুতি ম্যাচটিতে পেনাল্টি মিস করে ড্র করে দ. আফ্রিকা। ছবি : রয়টার্স

বিশ্বকাপ ফুটবল খেলতে মেক্সিকো যাওয়ার প্রাক্কালে দক্ষিণ আফ্রিকা জাতীয় ফুটবল দলের ভিসা জটিলতা এবং আকস্মিক ভ্রমণ বিলম্বের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দেশটির ক্রীড়ামন্ত্রী গায়টন ম্যাকেঞ্জি। এই প্রশাসনিক ব্যর্থতার কারণে বিশ্বমঞ্চে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ‘বোকা’ বানানো হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

এই চরম অব্যবস্থাপনার জন্য দক্ষিণ আফ্রিকান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (সাফা) কাছে কৈফিয়ত চেয়ে ম্যাকেঞ্জি বলেন, ‘এই বিশৃঙ্খলার জন্য যারা দায়ী, তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।’

দক্ষিণ আফ্রিকার জাতীয় সম্প্রচার মাধ্যম ‘এসএবিসি’ পুরো ঘটনাটিকে একটি ‘প্রশাসনিক বিপর্যয়’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।

এর আগে রবিবার (৩১ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে ক্রীড়ামন্ত্রী ম্যাকেঞ্জি লিখেছিলেন, ‘সাফার এই ভ্রমণ ও ভিসা সংক্রান্ত জটিলতা অত্যন্ত লজ্জাজনক এবং এটি খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফদের প্রতি চরম অন্যায়।’

অবশ্য রবিবার গভীর রাতে ক্রীড়ামন্ত্রী নিশ্চিত করেছেন, সরকারের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সহায়তায় খেলোয়াড়দের ভিসা সমস্যার সমাধান হয়েছে। সোমবার একটি চার্টার্ড ফ্লাইটে পুরো দল মেক্সিকোর উদ্দেশ্যে রওনা হবে। তবে খেলোয়াড়দের ভিসা মিললেও দলের সহকারী কোচ, টিম ডক্টর, নিরাপত্তা প্রধান এবং একজন অ্যানালিস্টের ভিসা এখনো নিশ্চিত করা যায়নি বলে তিনি জানান।

বিশ্বকাপের প্রস্তুতিতে ধাক্কা

‘বাফানা বাফানা’ নামে পরিচিত দক্ষিণ আফ্রিকা ফুটবল দলটির আগামী শুক্রবার মেক্সিকোতে জ্যামাইকার বিরুদ্ধে একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার কথা রয়েছে। এরপর আগামী ১১ জুন স্বাগতিক মেক্সিকোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে তারা বিশ্বকাপ মিশন শুরু করবে। উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের এই বিশ্বকাপটি যৌথভাবে আয়োজন করছে মেক্সিকো, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা।

যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডার ৪৮ দলের এই বর্ধিত বিশ্বকাপে আফ্রিকা মহাদেশ থেকে অংশ নেওয়া ১০টি দেশের একটি দক্ষিণ আফ্রিকা। ২০১০ সালে ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ আয়োজন করার পর এই প্রথম বাফানা বাফানা বিশ্বমঞ্চে খেলার যোগ্যতা অর্জন করল।

তবে মাঠের পারফরম্যান্স এবং মাঠের বাইরের এই প্রশাসনিক জটিলতা—সব মিলিয়ে বেশ চাপে রয়েছে দলটি। গত শুক্রবার ঘরের মাঠে নিকারাগুয়ার বিপক্ষে নিজেদের শেষ প্রস্তুতি ম্যাচটিতে পেনাল্টি মিস করে ০-০ গোলে ড্র করে দক্ষিণ আফ্রিকা, যা তাদের টানা ৪ ম্যাচে জয়হীন থাকার রেকর্ড এনে দিয়েছে।

গুজরাট টাইটান্সের টিম বাসে আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা

অনলাইন ডেস্ক
গুজরাট টাইটান্সের টিম বাসে আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা

আইপিএল ২০২৬ ফাইনালে পরাজয়ের হতাশা কাটিয়ে হোটেলে ফেরার পথে অনাকাঙ্ক্ষিত এক ঘটনার মুখোমুখি হয়েছে গুজরাট টাইটান্স। দলের খেলোয়াড় ও সাপোর্ট স্টাফদের বহনকারী বাসে শর্ট সার্কিটের কারণে (আগুন) ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়লে দ্রুত সবাইকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়।

আরো পড়ুন
মরণোত্তর জাতিসংঘ পদক পাচ্ছেন ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী

মরণোত্তর জাতিসংঘ পদক পাচ্ছেন ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী

 

সংবাদ সংস্থা পিটিআইয়ের বরাতে জানা গেছে, রবিবার রাতে আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি অনুষ্ঠিত আইপিএল ২০২৬-এর ফাইনালে রয়েল চ্যালেঞ্জার ব্যাঙ্গালোর কাছে পাঁচ উইকেটের ব্যবধানে হারের পর গুজরাট টাইটান্স দল হোটেলের উদ্দেশে রওনা হয়। পথে দলের বাসে হঠাৎ বৈদ্যুতিক ত্রুটি দেখা দিলে শর্ট সার্কিটের সৃষ্টি হয় এবং বাসের ভেতরে ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে।

পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে বাসে থাকা খেলোয়াড় ও সাপোর্ট স্টাফদের তাৎক্ষণিকভাবে নামিয়ে আনা হয়।

আরো পড়ুন
জ্বালানি তেলের নতুন দাম আজ থেকে কার্যকর, কোনটি কত?

জ্বালানি তেলের নতুন দাম আজ থেকে কার্যকর, কোনটি কত?

 

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দ্রুত পদক্ষেপের ফলে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি এবং দলের সব সদস্য নিরাপদে ছিলেন। পরে বিকল্প একটি বাসের ব্যবস্থা করা হলে সেটিতে দল হোটেলে পৌঁছায়।

আইপিএলের শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচ শেষে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় সাময়িক উদ্বেগের সৃষ্টি হলেও কর্তৃপক্ষের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপে বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে। ঘটনার কারণ ও বাসটির কারিগরি ত্রুটি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় তদন্ত করা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

গুজরাটকে বিধ্বস্ত করে ফের চ্যাম্পিয়ন কোহলির বেঙ্গালুরু

অনলাইন ডেস্ক
গুজরাটকে বিধ্বস্ত করে ফের চ্যাম্পিয়ন কোহলির বেঙ্গালুরু
সংগৃহীত ছবি

আইপিএলে প্রথম শিরোপার জন্য বিরাট কোহলি ও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর অপেক্ষা ছিল দীর্ঘ ১৭ বছরের। গত মৌসুমে সেই গেঁড়ো খোলার পর এবার আরেকটি শিরোপা জিতে নিল বেঙ্গালুরু। 

আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে রবিবারের ফাইনালে গুজরাট টাইটান্সকে ৫ উইকেটে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো আইপিএল ট্রফি ঘরে তুলেছে বেঙ্গালুরু। রান তাড়া করতে নেমে ব্যাট হাতে জাদুকরী এক ইনিংস খেলে বেঙ্গালুরুকে চ্যাম্পিয়ন করে মাঠ ছাড়েন বিরাট কোহলি।

লো-স্কোরিং ফাইনালে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে বেঙ্গালুরুর বোলিং তোপে ১৫৫ রানের বেশি করতে পারেনি গুজরাট টাইটান্স। জবাবে ১২ বল বাকি থাকতেই ৫ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় রজত পতিদারের দল। আইপিএলের ১৯ বছরের ইতিহাসে এটি বেঙ্গালুরুর দ্বিতীয় শিরোপা। 

এর মাধ্যমে চেন্নাই সুপার কিংস (২০১০ ও ২০১১) এবং মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের (২০১৯ ও ২০২০) পর টুর্নামেন্টের ইতিহাসে তৃতীয় দল হিসেবে টানা দুইবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করল বেঙ্গালুরু। অন্যদিকে মাত্র ৫ বছর বয়সী ফ্রাঞ্চাইজি গুজরাট তিনবার ফাইনালে উঠে দ্বিতীয়বারের মতো রানার্সআপ ট্রফি নিয়ে মাঠ ছাড়ল।

এদিন টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বেঙ্গালুরু অধিনায়ক রজত পাতিদার। প্রথম কোয়ালিফায়ারে জয়ী একাদশ নিয়েই ফাইনালের মঞ্চে নামে তারা। ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই বেঙ্গালুরুর আক্রমণাত্মক বোলিংয়ের সামনে চাপে পড়ে যায় গুজরাট। রাজস্থান রয়্যালসের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করে দলকে ফাইনালে তোলা অধিনায়ক গিল এদিন থমকে যান মাত্র ১০ রানে। তার ওপেনিং সঙ্গী সাই সুদর্শনও ১২ রানের বেশি করতে পারেননি। মিডল-অর্ডারে নিশান্ত সিন্ধু ২০ এবং দলের অন্যতম ভরসা জস বাটলার ফেরেন ১৯ রান করে। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ১৫৫ রান তোলে গুজরাট টাইটান্স।

১৫৬ রানের লক্ষ্য তাড়ায় নেমে ভেঙ্কটেশ আইয়ারকে নিয়ে বেঙ্গালুরুকে বিধ্বংসী সূচনা এনে দেন বিরাট কোহলি। মোহাম্মদ সিরাজ ও কাগিসো রাবাদার ওপর তাণ্ডব চালিয়ে মাত্র ৩.৩ ওভারেই দলের স্কোরবোর্ডে ৫০ রান যোগ করেন এই দুই ওপেনার। পঞ্চম ওভারে ১৬ বলে ৩২ রান করা আইয়ারকে ফিরিয়ে ব্রেকথ্রু এনে দেন সিরাজ।

এরপর দ্রুতই বিদায় নেন দেবদূত পাডিক্কাল। অধিনায়ক রজত পতিদার ক্রিজে এসে কিছুক্ষণ কোহলিকে সঙ্গ দিলেও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। একই ওভারে পতিদার ও ক্রুনাল পান্ডিয়াকে ফিরিয়ে গুজরাটকে ম্যাচে ফেরানোর চেষ্টা করেন আফগান স্পিনার রশিদ খান।

তবে অন্য প্রান্তে টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের ১১০তম ও চলতি আইপিএলের ষষ্ঠ ফিফটি তুলে নেন ৩৭ বছর বয়সী কোহলি। মাত্র ২৫ বলে করা এই ফিফটিটি আইপিএল ইতিহাসে কোহলির নিজের দ্রুততম এবং আইপিএল ফাইনালের ইতিহাসে যেকোনো ব্যাটারের দ্বিতীয় দ্রুততম ফিফটির রেকর্ড।

এরমধ্যেই টিম ডেভিড ১৭ বলে ২৪ রান করে আরশাদ খানের শিকার হন। তবে এক প্রান্ত আগলে রেখে খেলে যান কোহলি। পরে আরশাদ খানের বলে কোহলিও মিড অফে প্রায় ক্যাচ তুলে দিয়েছিলেন। তবে শুভমান গিল বল ধরার পর কিছু অংশ মাটিতে লেগে যাওয়ায় বেঁচে যান কোহলি। এরপর গুজরাটকে আর কোনো সুযোগ না দিয়ে ১৮তম ওভারের শেষ বলে ছক্কা মেরে বেঙ্গালুরুর ব্যাক-টু-ব্যাক শিরোপা নিশ্চিত করেন কোহলি। ৯টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৪২ বলে ৭৫ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। 

গুজরাটের হয়ে ৩ ওভারে ৪৪ রান দিয়ে ১ উইকেট নেন রাবাদা। তবে পুরো আসরে ২৯ উইকেট নিয়ে এই আসরের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারির (পার্পল ক্যাপ) পুরস্কার নিজের করে নেন এই দক্ষিণ আফ্রিকান পেসার।

শ্রীলঙ্কার নতুন কোচ সিলভারউড | কালের কণ্ঠ