গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হলে জাপান, গ্রুপ রানার্সআপ হলে নেদারল্যান্ডস আর গ্রুপে তৃতীয় হলে জার্মানি—বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ৩২-এ সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ নিয়ে ব্রাজিল সমর্থকদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এভাবেই ভয় দেখানো হচ্ছে।
বিশ্বকাপে সহজ প্রতিপক্ষ বলে কিছু নেই। তাই পরের রাউন্ডে প্রতিপক্ষ যেই হোক, ব্রাজিল গ্রুপ চ্যাম্পিয়নই হতে চাইবে। ‘সি’ গ্রুপে কার্লো আনচেলত্তির দলের তিন প্রতিপক্ষ মরক্কো, হাইতি ও স্কটল্যান্ড।
মরক্কোর সঙ্গে ড্র ও হাইতির বিপক্ষে জিতে এই মুহূর্তে গ্রুপের শীর্ষে আছে ব্রাজিল। মায়ামিতে আগামীকাল ভোর ৪টায় গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে সেলেসাওদের প্রতিপক্ষ স্কটল্যান্ড। একই সময়ে হাইতির মুখোমুখি হবে মরক্কো। যদি মরক্কো জিতে যায়, তাহলে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হতে হলে ব্রাজিলকে বড় ব্যবধানে জিততে হবে।
কিন্তু ব্রাজিল যদি গ্রুপে রানার্সআপ বা দ্বিতীয় হয়, তাহলে রাউন্ড অব ৩২-এর ম্যাচ খেলতে যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে বিশ্বকাপের আরেক আয়োজক দেশ মেক্সিকোয় যেতে হবে। নেইমার-ভিনিসিয়ুসদের ম্যাচটি খেলতে হবে মেক্সিকোর মন্তেররেই শহরে।
শুধু কি তাই? বিশ্বকাপে নিজেদের বেস ক্যাম্প নিউ জার্সির কলম্বিয়া পার্ক ট্রেনিং ফ্যাসিলিটিও ছাড়তে হবে ব্রাজিল দলকে। এরপর থেকে তারা আর স্থায়ী বেস ক্যাম্প পাবে না। এক শহর থেকে আরেক শহরে চষে বেড়াতে হবে। ফলে বেশ ভ্রমণ ধক্কি পোহাতে হবে।
কিন্তু গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হতে পারলে ব্রাজিলের ভ্রমণ অনেক কম হবে এবং বিশ্বকাপজুড়ে তারা নিউ জার্সির ক্যাম্পেই থাকতে পারবে। টেক্সাসের হিউস্টনে তারা রাউন্ড অব ৩২-এর ম্যাচ জিতলে রাউন্ড অব ১৬-এর ভেন্যু হিসেবে নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামকেই পাবে, যে মাঠে বিশ্বকাপ ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে।
কলম্বিয়া পার্ক ট্রেনিং ফ্যাসিলিটিতে ব্রাজিল দল গোপনীয়তা বজায় রাখার পাশাপাশি আরামদায়ক পরিবেশ ও অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছে
ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনও (সিবিএফ) চায় নেইমার-ভিনিসিয়ুসরা নিউ জার্সিতেই থাকুক। শীর্ষে থেকে গ্রুপ পর্ব শেষ করতে পারলে ভ্রমণ ধক্কি যেমন কমবে, তেমন সুযোগ-সুবিধাও একই রকম থাকবে।




