বিশ্বকাপের শেষ বত্রিশের লড়াইয়ে মুখোমুখি হচ্ছে স্পেন এবং উজ্জীবিত অস্ট্রিয়া। ক্যালিফোর্নিয়ার সোফাই স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় হাইভোল্টেজ ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে।
বিশ্বকাপে অন্যতম হট ফেভারিট হিসেবে যাত্রার শুরুতেই বড় ধাক্কা খায় স্পেন। অবশ্য বিশ্বকাপের নবাগত কেপ ভার্দের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্রয়ের পর সৌদি আরবকে ৪-০ গোলে হারিয়ে ছন্দে ফেরার ইঙ্গিতও দেয়।
কিন্তু উরুগুয়ের বিপক্ষে মন ভরাতে ব্যর্থ হয় লা রোজারা আবারও। অন্যতম নির্ভরযোগ্য তারকা লামিন ইয়ামালের পুরোপুরি ফিট না থাকার জন্যই হয়তো তালটা মেলাতে পারছে না তারা। এবার নকআউটে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে লড়াইয়ে নামছে তারা লস অ্যাঞ্জেলেসে। ইয়ামাল মাঠে থাকলে লা রোজাদের চেহারাই পাল্টে যায়।
তখন স্পেনের আক্রমণভাগও কার্যকর হয়ে ওঠে। কেপ ভার্দের বিপক্ষে এই তরুণ ফরোয়ার্ড শেষ ২০ মিনিট মাঠে থাকার আগে দলের আক্রমণ ছিল ভোঁতা। কিন্তু স্ট্রাইকার মিকেল ওয়াইরসাবাল সৌদির বিপক্ষে পরের ম্যাচেই জোড়া গোল করেন ইয়ামাল প্রথমার্ধের পুরো সময় মাঠে থাকায়। এই তরুণ ফরোয়ার্ডও একটি গোল পেয়ে যান সেদিন।
উরুগুয়ের বিপক্ষে শেষ গ্রুপ ম্যাচে ৭৫ মিনিট মাঠে ছিলেন। স্পেনের মূল লক্ষ্য বার্সেলোনার এই তারকাকে পুরো সময় মাঠে পাওয়া। সেই পথে ক্রমেই এগিয়ে যাচ্ছেন তিনি—সেটাই সবচেয়ে ভালো খবর কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তের জন্য। টানা ৩৪ ম্যাচ অপরাজিত থেকে এবার অস্ট্রিয়ার মুখোমুখি হবে স্পেন। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ১৬ বারের লড়াইয়ে ৯ বার জেতা স্পেন হেরেছে চারবার এবং ড্র করেছে তিনবার।
জে গ্রুপ থেকে অবশ্য রালফ রাংনিকের দলটি দ্বিতীয় স্থানে থেকে ৪৪ বছর পর বিশ্বকাপের নক আউটে উঠে বেশ উজ্জীবিত। তারাও এবার ইয়ামালকে কড়া পাহারায় রেখেই লড়ার পরিকল্পনা করছে। এর অংশ হিসেবে ‘লো-ব্লক’ কৌশলটাই অবলম্বন করবে তারা।




