ম্যাচ হারার পর মাথা গরম হওয়াটা স্বাভাবিক। শক্তি সামর্থ্যে পিছিয়ে থাকা দলের বিপক্ষে হারলে মাত্রাটা আরো যায় বেড়ে। তাই বলে ম্যাচ শেষে যাদের কাছে পরাজয় দেখেছে তাদের গাড়িতেই উঠতে হবে খেলোয়াড়কে।
হ্যাঁ, এমনি এক বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন লিওন গোরেৎজকা। ইকুয়েডরের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে হারার পর তাদের বাসে উঠেন জার্মান মিডফিল্ডার। বিষয়টি বুঝতে পেরে অবশ্য দ্রুত নিজেদের গাড়িতে চড়ে বসেন ৩১ বছর বয়সী বায়ার্ন মিউনিখের মিডফিল্ডার।
ম্যাচ শেষে ক্যাম্পে ফেরার সময় সাধারণত দুই দলের বাস কাছাকাছিই থাকে। গত পরশুও নিউইয়র্ক/নিউ জার্সিতে হওয়া জার্মানি-ইকুয়েডরের গাড়িও পাশাপাশিই ছিল। নিজেদের গাড়িতে উঠতে গিয়ে অন্যমনস্ক গোরেৎজকা ইকুয়েডরের গাড়িতে চড়েন। সংবিৎ ফিরে পেয়ে নিজেদের গাড়িতে এলেও ট্রলের শিকার ঠিকই হচ্ছেন তিনি।
গোরেৎজকার এমন ঘটনা পরে মুহূর্তেই সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়। তাতে কমেন্ট করে মজা নিচ্ছেন সামাাজিক মাধ্যম ব্যবহারকারীরা। একজন লিখেছেন, ‘সে জানতই না তার দল কোনটা।’ আরেকজন লিখেছেন, ‘সে জয়ী দলের সঙ্গেই যেতে চেয়েছিল।’ বিপরীতে আরেকজন লিখেছেন, ‘পরের বিশ্বকাপ পর্যন্ত হাসার খোরাক পেলাম।’ এক জার্মানভক্ত ক্ষুব্ধ হয়ে লিখেছেন, ‘সে কি তার দেশ ত্যাগ করেছে?’
ইকুয়েডরের বিপক্ষে এবারই প্রথমবার হেরেছে জার্মানি। তবে ২-১ গোলের পরাজয়ের ম্যাচে ছিলেন না গোরেৎজকা। বেঞ্চে ঠাঁই হয়েছিল তার। এবারের বিশ্বকাপে অবশ্য অনেকটা বেঞ্চই গরম করতে হচ্ছে মিডফিল্ডারকে। বায়ার্নের হয়ে মৌসুমটা রাঙালেও বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত মাত্র ২২ মিনিট খেলার সুযোগ পেয়েছেন। কুরাসাওয়ের বিপক্ষে ১৭ মিনিটের বিপরীতে বাকি ৫ মিনিট খেলেছেন আইভরি কোস্টের বিপক্ষে।





