• ই-পেপার

মাশরাফির হাতে ১৪ সেলাই, বিপিএল শেষ!

সালাহকে অধিনায়ক করে বিশ্বকাপ দল ঘোষণা মিসরের, আছে চমক

ক্রীড়া ডেস্ক
সালাহকে অধিনায়ক করে বিশ্বকাপ দল ঘোষণা মিসরের, আছে চমক
ছবি : রয়টার্স

আসন্ন ফিফা বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দল ঘোষণা করেছেন মিসর। যথারীতি দলের নেতৃত্বে লিভারপুলের তারকা উইঙ্গার মোহাম্মদ সালাহ বলে জানিয়েছেন কোচ হোসাম হাসান। পুরো স্কোয়াডের সবচেয়ে বড় চমক হিসেবে জায়গা করে নিয়েছেন ১৮ বছর বয়সী তরুণ স্ট্রাইকার হামজা আবদেল কারিম।

রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তরুণ প্রতিভাবনা কারিম মিশরের জায়ান্ট দল আল আহলি থেকে ধারে স্প্যানিশ তৃতীয় স্তরের ফুটবল লীগের দল  বার্সেলোনা আতলেতিকে খেলছেন। তবে অনভিজ্ঞ ও তরুণ হওয়া সত্ত্বেও বার্সার যুব একাডেমিতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের কারণে কোচ হোসাম হাসান এই কিশোর প্রতিভার ওপর ভরসা রেখেছেন।

এদিকে আক্রমণভাগে সালাহর সঙ্গী হিসেবে থাকছেন ম্যানচেস্টার সিটির ফরোয়ার্ড ওমর মারমুশ। যিনি এই মৌসুমে ক্লাবের হয়ে ৩৬ ম্যাচে ৮টি গোল করেছেন।

তবে আক্রমণভাগের অন্যতম নিয়মিত মুখ ফরাসি ফুটবল ক্লাব এফসি নঁতের ফরোয়ার্ড মোস্তফা মোহামেদ দল থেকে বাদ পড়েছেন। ৬ জুন ওহাইওতে ব্রাজিলের বিপক্ষে চূড়ান্ত প্রস্তুতিমূলক প্রীতি ম্যাচ খেলবে মিশর।

মিশর এবার বিশ্বকাপের গ্রুপ জি-তে খেলবে। যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ বেলজিয়াম, নিউজিল্যান্ড ও ইরান। আগামী ১৫ই জুন সিয়াটলে বেলজিয়ামের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে দেশটি।

মিসরের বিশ্বকাপ স্কোয়াড

গোলরক্ষক : মোহাম্মদ এল-শেনাউই, মোস্তফা শোবেইর (আল আহলি), এল-মাহদি সোলিমান (জামালেক), মোহাম্মদ আলা (এল গাউনা)।

ডিফেন্ডার : মোহাম্মদ আবদেলমোনেম (নাইস), মোহাম্মদ হ্যানি, ইয়াসির ইব্রাহিম (আল আহলি), হোসাম আবদেলমাগুইদ, আহমেদ ফাতুহ (জামালেক), তারেক আলা (জেডইডি), রামি রাবিয়া (আল আইন), হামদি ফাথি (আল ওয়াকরাহ), করিম হাফেজ (পিরামিড)।

মিডফিল্ডার : মোহাম্মদ সালাহ (লিভারপুল), মারওয়ান আত্তিয়া, আহমেদ মোস্তফা “জিজো”, মাহমুদ হাসান “ট্রেজেগুয়েট”, এমাম আশুর (আল আহলি), মোস্তফা আবদেল রউফ, মোহান্নাদ লাশীন (পিরামিড), হাইথাম হাসান (রিয়াল ওভিয়েডো), মাহমুদ সাবের (জেডব্রাহিম), ইমরানল্যান্ড (জেড)। (আল-নাজমা)।

ফরোয়ার্ড : ওমর মারমাউস (ম্যানচেস্টার সিটি), হামজা আবদেল করিম (বার্সেলোনা আতলেতিক)

বাংলাদেশের বিপক্ষে সেরা তারকাকে পাচ্ছে না ভারত

গোয়া থেকে প্রতিনিধি
বাংলাদেশের বিপক্ষে সেরা তারকাকে পাচ্ছে না ভারত
ভারতীয় দলের তারকা ফরোয়ার্ড মনিষা কল্যাণ। ছবি : সংগৃহীত

গত মার্চে বাংলাদেশের পাশাপাশি এএফসি নারী এশিয়ান কাপ খেলেছে ভারতও। তিনটি ম্যাচই হেরেছে তারা। তবে বড় মঞ্চে দুইটি গোলও পেয়েছে। এর একটি মনিষা কল্যাণের। চায়নিজ তাইপের বিপক্ষে ফ্রি কিকে দুর্দান্ত গোল করে নজর কেড়েছিলেন ২৪ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড।

শুধু ওই গোলই নয়, গত ৫-৬ বছর ধরে ভারতের আক্রমণভাগের প্রাণভোমরা মনিষা। ভারতের প্রথম নারী ফুটবলার হিসেবে খেলেছেন উয়েফা নারী চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচও। খেলেছেন ইউরোপের দুইটি ক্লাবে। এমন অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ফুটবলারকে আগামীকাল বাংলাদেশের বিপক্ষে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচে পাচ্ছে না ভারত।

পেরুর ক্লাব আলিয়াঞ্জা লিমার হয়ে খেলা মনিষা জাতীয় দলে যোগ দেবেন ১ জুন। সেদিনই শুরু হবে ফিফা উইন্ডো। উইন্ডোর আগেই নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু হয়ে যাওয়ায় মনিষাকে ছাড়েনি তার ক্লাব। বাংলাদেশের বিপক্ষে গোলও আছে মনিষার। ২০১৯ সাফে ৪-০ ব্যবধানের জয়ে ম্যাচে একটি গোল করেছিলেন তিনি।

২০১৯ সালে আন্তর্জাতিক অভিষেক হওয়া মনিষা পেরুর লিগ ছাড়াও খেলেছেন সাইপ্রাস ও গ্রিসের ক্লাবে। ২০২২ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত ছিলেন সাইপ্রাসের অ্যাপোলোন ক্লাবে। সেখানে ৪৬ ম্যাচে করেন ১৬টি গোল। জিতেছেন দুইটি লিগ শিরোপা।

এরপর নাম লেখান গ্রিক ক্লাব পিএওকেতে। এক মৌসুমে ২৩ ম্যাচে তার গোল ছিল আটটি। আন্তর্জাতিক ফুটবলেও তার গোল ১৫টি।

২০২১ সালে ব্রাজিলের বিপক্ষে ৬-১ গোলে ভারত হারলেও একমাত্র গোলটি ছিল মনিষা কল্যাণের। ভারতীয় ফুটবলের বর্ষসেরার পুরস্কারও জিতেছেন দুইবার। এমন একজন ফরোয়ার্ডকে মোকাবেলা করতে হচ্ছে না বলে কিছুটা স্বস্তিতে থাকবে বাংলাদেশ।

গোয়ার জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে আগামীকাল স্বাগতিক ভারতের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। খেলা শুরু রাত ৮টায়। সরাসরি সম্প্রচার করবে টি স্পোর্টস।

বাংলাদেশ দলে ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছেন আনিকা

রানা শেখ, গোয়া থেকে
বাংলাদেশ দলে ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছেন আনিকা
বাংলাদেশ দলের স্ট্রাইকার আনিকা রানিয়া সিদ্দিকী। ছবি: মীর ফরিদ, গোয়া থেকে

গোয়ার ডন বস্কো বিশ্ববিদ্যালয় মাঠে অনুশীলন শেষে অন্যরা যখন টিম বাসে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, তখনও মাঠে ব্যস্ত আনিকা রানিয়া সিদ্দিকী। গোলরক্ষক মিলি আক্তারকে পেনাল্টি শটে একের পর এক পরাস্ত করতে দেখা গেল সুইডিশ প্রবাসী এই স্ট্রাইকারকে।

সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে ভারতের বিপক্ষে মর্যাদার ম্যাচ সামনে রেখে আজ মিনিট দশেক অতিরিক্ত অনুশীলন করেছেন আনিকা। এতেই বোঝা যায়, ম্যাচটা নিয়ে কতটা সিরিয়াস তিনি! কোচ পিটার বাটলারও তার এই অতিরিক্ত পরিশ্রমের প্রশংসা করলেন, ‘আমি তাকে সবসময় উৎসাহ দিয়ে থাকি। এটাও বলেছি, উন্নতি করতে হলে এটার (অতিরিক্ত পরিশ্রম) বিকল্প নেই। শুধু তার ক্ষেত্রে নয়, সবার জন্য।’

উইঙ্গার হিসেবে গত মার্চে বাংলাদেশ দলে অভিষেক হলেও সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে এসে নতুন ভূমিকায় আনিকা। স্ট্রাইকার হিসেবে খেলে প্রথম ম্যাচেই পেয়েছেন গোল। শারীরিকভাবে শক্তিশালী এই ফুটবলার দলে ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছেন বলে জানালেন বাটলার, ‘আমরা এখন ভিন্ন একটি দল। আমরা অনেক ভালো ফুটবল খেলি। আমাদের দলে বেশ কিছু প্রতিভাবান তরুণ খেলোয়াড় উঠে এসেছে। তবে আমি কোনো একজন খেলোয়াড়ের ওপর গুরুত্ব দিতে চাই না। আমার মনে হয় আমাদের দলে অনেক ম্যাচজয়ী ফুটবলার আছে। আনিকা আমাদের খেলায় সম্পূর্ণ ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে।’

ঋতুপর্ণা চাকমা, শামসুন্নাহার জুনিয়র, উমেহ্লা মারমাদের সঙ্গে আনিকা থাকায় আক্রমণভাগেও শক্তি বেড়েছে বাংলাদেশের। অন্যদিকে ভারতের আক্রমণভাগেও আছে পার্থক্য গড়ে দেওয়ার মতো ফুটবলার। তবে এই ম্যাচে স্বাগতিকরা পাচ্ছে না দলের অন্যতম সেরা ফরোয়ার্ড মনীষা কল্যাণকে। পেরুর ক্লাব আলিয়াঞ্জা লিমার হয়ে খেলা এই ফুটবলার দলের সঙ্গে যোগ দেবেন ১ জুন।

সেদিনই শুরু হবে ফিফা উইন্ডো। উইন্ডোর আগেই সাফ শুরু হয়ে যাওয়ায় মনীষাকে ছাড়েনি তার ক্লাব। এএফসি এশিয়ান কাপে চায়নিজ তাইপের বিপক্ষে ফ্রি কিকে দুর্দান্ত গোল করেছিলেন তিনি। ইউরোপের ক্লাবে খেলার অভিজ্ঞতাসম্পন্ন মনীষার না থাকা নিশ্চিতভাবেই স্বস্তি দেবে বাংলাদেশকে।

তবে বাকি যারা আছেন—সৌম্য গুগুলাথ, কাভিয়া পাক্কিরিসামি, গ্রাস দাংমেইরাও কঠিন চ্যালেঞ্জে ফেলতে পারে বাংলাদেশের রক্ষণভাগকে।

এ নিয়ে বাটলার বলেছেন, ‘ভারতের আক্রমণ যতই শক্তিশালী হোক, আমাদেরও আক্রমণভাগ আছে। প্রয়োজন হলে আমরা ভালোভাবে রক্ষণ সামলাতে পারি, প্রয়োজন হলে লড়াই করে রক্ষণ করতে পারি। আমরা প্রতিপক্ষকে কাটিয়ে উঠতে পারি, সুযোগ তৈরি করতে পারি—সেটা আমরা আগেও দেখিয়েছি। এখন মূল বিষয় হলো সেই সুযোগগুলোকে গোলে রূপ দেওয়া।’

‘আমি কোনো দলকে ভয় পাই না’—ভারত ম্যাচ নিয়ে বাটলার

রানা শেখ, গোয়া থেকে
‘আমি কোনো দলকে ভয় পাই না’—ভারত ম্যাচ নিয়ে বাটলার
বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের প্রধান কোচ পিটার বাটলার। ছবি: মীর ফরিদ, গোয়া থেকে

ভোরের আলো ফোটার পরপরই গোয়ার ডন বস্কো বিশ্ববিদ্যালয় মাঠে হাজির বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। সেই সময়েও এখানে গরমের তীব্রতা ছিল অসহনীয়। এর মাঝেই প্রায় ঘণ্টা দুয়েক ঘাম ঝরালেন পিটার বাটলারের শিষ্যরা। রানিং, স্ট্রেচিংয়ের পর দুই ভাগে ভাগ হয়ে ম্যাচ আবহে প্রস্তুতি সারলেন মারিয়া মান্দা-মনিকা চাকমারা।

প্রস্তুতির অধিকাংশ সময়েই চলল সেট পিস অনুশীলন। কখনো কর্নার আবার কখনো ফ্রি কিকে শানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা ঋতুপর্ণা চাকমা, শামসুন্নাহার জুনিয়রদের। অনুশীলনের পুরোটা সময়ই খুব সিরিয়াস দেখা গেছে ফুটবলারদের। কারণ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে আগামীকাল ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ।

দুই দলই সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে। তবে গ্রুপসেরা কে হবে সেটা নির্ধারণ হবে এই ম্যাচে। ভারত গোল ব্যবধানে (+১১) অনেক এগিয়ে বাংলাদেশের (+২) চেয়ে। সেক্ষেত্রে গ্রুপসেরা হতে গেলে জয়ের বিকল্প নেই বাংলাদেশের সামনে।

তাই এই ম্যাচে নিজেদের সামর্থ্য প্রমাণের সুযোগ দেখছেন কোচ বাটলার, 'আপনি নেপালের বিপক্ষে খেলুন বা ভারতের বিপক্ষে, বিষয়টা গুরুত্বপূর্ণ নয়। আপনি সেমিফাইনালে আছেন, এটাই গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের লক্ষ্য এক ধাপ করে এগিয়ে যাওয়া। আমি বহুবার এমন পরিস্থিতির মধ্যে ছিলাম। ভারত হোক, নেপাল হোক—আমি কোনো দলকেই ভয় পাই না। বরং এমন দলের মুখোমুখি হতে পেরে আমি খুশি। কারণ তারা আপনার পরীক্ষা নেয়। মেয়েদের জন্য এটি নিজেদের সামর্থ্য দেখানোর আরেকটি সুযোগ।'

SPORTS kK
ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ সামনে রেখে অনুশীলনে বাংলাদেশের মেয়েরা। ছবি: মীর ফরিদ, গোয়া থেকে

মালদ্বীপের বিপক্ষে অনেক সু্যোগ নষ্ট করেন বাংলাদেশের ফরোয়ার্ডরা। তাতে বড় জয়ের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। ম্যাচ জিতলেও মেয়েদের মধ্যে হতাশা ছিল। এটা শেখারই অংশ বলে মনে করেন বাটলার, ‘আমি মনে করি না তারা ভেঙে পড়েছিল বা হতাশ ছিল। তারা হয়তো শুধু হতাশ হয়েছিল কারণ আমাদের অনেক বড় ব্যবধানে জেতার কথা ছিল। আমাদের প্রায় ৮০ শতাংশ বলের দখল ছিল। কিন্তু তৈরি করা সুযোগগুলো কাজে লাগাতে পারিনি। ঋতুপর্ণার দিনটা ভালো যায়নি, আরো কয়েকজনেরও ভালো যায়নি।’

বাটলার আরো বলেন, ‘এমন দিন আসতেই পারে। এটা শেখারই অংশ। আমার মতে ঋতুপর্ণা দক্ষিণ এশিয়ার সেরা উইঙ্গারদের একজন। তার অনেক সম্ভাবনা আছে, সে তরুণী এবং অসাধারণ প্রতিভাবান। আমি তার সঙ্গে কাজ করা খুব উপভোগ করি। সে একেবারে সতেজ বাতাসের মতো। মনিকাও ফিরে এসেছে, যা ভালো খবর। আগামীকাল সকালে আমরা দল চূড়ান্ত করব।’

ভারতের বিপক্ষে মিডফিল্ডার মনিকা চাকমা সঙ্গে আরো কয়েকজনকে সু্যোগ দেওয়ার কথা ভাবছেন বাংলাদেশ কোচ, ‘এই ম্যাচ আমাদের জন্য কিছু খেলোয়াড়কে খেলার সুযোগ করে দেবে। মনিকা ফিরছে। আজ সকালে আমি কয়েকটি বিষয় নিয়ে কাজ করেছি। পরিকল্পনা ‘এ’, পরিকল্পনা ‘বি’—যাই বলুন না কেন, আমাদের কিছু বিকল্প আছে। তবে আমরা জানি, আমরা একটি শক্তিশালী দলের বিপক্ষে খেলতে যাচ্ছি। আমরা অবশ্যই তাদের নিয়ে হোমওয়ার্ক করব। এখান (অনুশীলন) থেকে ফিরে আমরা আগের ম্যাচের বিশ্লেষণে বসব এবং সেই অনুযায়ী প্রস্তুতি নেব।’

ভারতের বিপক্ষে সর্বশেষ দুই ম্যাচেই বাংলাদেশ। ২০২২ সাফে ৩-০ এবং ২০২৪ আসরে জয় ছিল ৩-১ ব্যবধানে। এবার ভারতের মাঠ জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে তাদের হারানোর পরিকল্পনা আঁটছে বাংলাদেশ। জিততে পারলে হ্যাটট্রিক শিরোপার মিশনে এগিয়ে যাবে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

আগামীকাল বাংলাদেশ সময় রাত ৮টায় শুরু হবে ম্যাচ। সরাসরি সম্প্রচার করবে টি স্পোর্টস।