• ই-পেপার

ক্যাম্পাসে মিথ্যাচারিতার জনক ঢাবি শিবির সভাপতি ফরহাদ : ছাত্রদল নেতা হামিম

শিশুর কোলে গন্ধগোকুল আর পেছনে হাঁটছে সজারু, দৃশ্যটি কোথাকার?

অনলাইন ডেস্ক
শিশুর কোলে গন্ধগোকুল আর পেছনে হাঁটছে সজারু, দৃশ্যটি কোথাকার?
সংগৃহীত ছবি

সবুজ ধানক্ষেতের মাঝখান দিয়ে চলে গেছে মাটির আলপথ। সেই পথ ধরে একটি গন্ধগোকুলকে জরিয়ে ধরে হেঁটে যাচ্ছে ছোট এক শিশু। তাকে পেছন পেছন অনুসরন করছে বিশাল এক সজারু। রূপকথার মতো এমন একটি দৃশ্য সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

ভিডিওটি দেখার পর নেটিজেনদের অনেকেই ভেবেছিলেন, দৃশ্যটি বাংলাদেশের। তবে প্রকৃতপক্ষে দৃশ্যটি বাংলাদেশের নয়।

ফ্যাক্ট-চেকিং প্রতিষ্ঠান রিউমর স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে জানা যায়, শিশুর কোলে গন্ধগোকুল আর পেছনে সজারু এমন দৃশ্যের ভিডিওটি বাংলাদেশের নয়। প্রকৃতপক্ষে, শ্রীলঙ্কার এক ব্যক্তির ধারণ করা ভিডিওকে বাংলাদেশের দাবিতে প্রচার করা হচ্ছে।

প্রতিষ্ঠানটি জানায়, গত ১২ জুন মূল ভিডিওটি প্রথম প্রভাত সিলভা নামে শ্রীলঙ্কান এক ব্যক্তির ফেসবুক প্রোফাইলে পাওয়া যায়। শ্রীলঙ্কার সিংহলিজ ভাষার ক্যাপশনে ভিডিওটি সম্পর্কে লেখা হয়, “যে ছোট ভাই তার বোনের সাথে কুবুরুতে যায়।”

বাংলাদেশের প্রকৃতি, পরিবেশের সঙ্গে অনেকটা মিলে যাওয়ায় অনেকে এটিকে বাংলাদেশের মনে করলেও এটি মূলত শ্রীলঙ্কার। তবে ভালোবাসার কোনো নির্দিষ্ট সীমানা নেই। শিশুটির এমন দৃশ্য শ্রীলঙ্কার হলেও দৃশ্যটি দেখে মুগ্ধ হয়েছেন নেটিজেনরা। 

ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খান

১৮ মাসের পুরোটা সময় এনসিপি গঠন করার পেছনে কাটিয়েছেন ইউনূস

অনলাইন ডেস্ক
১৮ মাসের পুরোটা সময় এনসিপি গঠন করার পেছনে কাটিয়েছেন ইউনূস

গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপি নেতা রাশেদ খান বলেছেন, ‘গণ-অভ্যুত্থানের পরে যে পরিবর্তনের সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছিল, সেটিকে দল গঠন করতে গিয়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূস গলা টিপে হত্যা করেছেন। ১৮ মাসের পুরোটা সময় মুহাম্মদ ইউনূস কাটিয়েছেন এনসিপি গঠন করার পেছনে।’

রবিবার (২৮ জুন) রাতে ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন তিনি।

রাশেদ খান বলেন, ‘এনসিপির শাপলা কলি প্রতীকটা পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের অঙ্কন করে দেওয়া। এমনকি ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস একজনকে কথিত মাস্টারমাইন্ড হিসেবেও বিশ্ব দরবারে তুলে ধরে জাতির সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে যতবার বৈঠকের সুযোগ হয়েছে, আমি তার ও তার সরকারের সমালোচনা করেছি। আমি কাছ থেকে দেখেছি, মুহাম্মদ ইউনূসের মিষ্টি কথার আড়ালে সংকীর্ণ মানসিকতা।’

মুহাম্মদ ইউনূস নির্বাচন দিতে সম্মত হচ্ছিলেন না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বিএনপি ক্ষমতায় আসুক, এটা তিনি চাচ্ছিলেন না। তিনি বিএনপিকে জাতির কাছে কালার করার জন্য তার সময় অতিবাহিত করছিলেন। কিন্তু তিনি পারেননি। কারণ বিএনপি গণমানুষের দল। বরং ১৮ মাসে জাতির সামনে তার মুখোশ উন্মোচন হয়ে গেছে।’

রাশেদ খান আরো বলেন, ‘আমার চোখে মুহাম্মদ ইউনূস একজন মিষ্টিভাষী ভিলেন। যারা তাকে নায়ক মনে করেন, আমি তাদের বলব, আপনার ভুল। তার স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় ও পেশাগত জীবনের বন্ধুদের জিজ্ঞাসা করলেই তার সম্পর্কে জানতে পারবেন। তিনি তার লোভ সংবরণ করতে পারেননি। তরুণদের ব্যবহার করে রাষ্ট্রের শীর্ষ পদে থেকে ব্যবসা-বাণিজ্য প্রসারে সর্বোচ্চ সুবিধা নিয়েছেন।’

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিয়ন্ত্রণকারী হাসনাত-সারজিসরা ৬০০ শিশুর মৃত্যুর পেছনে দায়ী : মো. তারেক

অনলাইন ডেস্ক
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিয়ন্ত্রণকারী হাসনাত-সারজিসরা ৬০০ শিশুর মৃত্যুর পেছনে দায়ী : মো. তারেক

আমজনতার দলের সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান বলেছেন, ‘কারা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিয়ন্ত্রণ করেছে? এই সারজিসরা, এই হাসনাতরা। ৬০০ শিশু মারা যাওয়ার সঙ্গে জড়িত কারা? আবার বাহাদুরি করে, এক টাকাও দুর্নীতি কেউ যদি বের করতে পারো। হো, তুমি রাজনীতি করো, তুমি কাজকর্ম করো না, তুমি বাতাস খেয়ে বেঁচে আছ। এক টাকা দুর্নীতি করলে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয়। 

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক ভিডিওতে তিনি এসব কথা বলেন।

আমজনতার দলের এই নেতা আরো বলেন, ‘হাজার হাজার কোটি কোটি টাকা কে দুর্নীতি করেছে? এই হান্নান মাসউদ, এই হাসনাত আবদুল্লাহ, এই আসিফ, এই নাহিদ। এরাই তো সবকিছু মিলিয়ে করেছে। ওয়াসার দুর্নীতির কথা কে জানে না? নাহিদের নাম সিরিয়ালি রয়েছে। আসিফের নাম রয়েছে। কার নাম নেই? একেকজনের পিএস-এপিএস কত বড় বড় টাকার জালিয়াতির মামলা হলো?’

আমজনতার দলের তারেক রহমান বলেন, ‘পাঠ্যপুস্তক, যেটা আমরা প্রতিবছর আমরা জানুয়ারি মাসে পাই, অথচ এদের লুটপাটের কারণে, সারজিসদের লুটপাটের কারণে পাঠ্যপুস্তক আমরা জুন-জুলাই মাসে পেয়েছি এবং সেই পাঠ্যপুস্তক কেনাকাটার জালিয়াতির সব বের হয়েছে না? নাকি বাকি আছে এখনো? এসব কিছুর কোনো জবাব দিতে পারবে না।’ 

তিনি আরো বলেন, ‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, ৬০০ শিশু মারা গেছে। কাকে দায়ী করব? কাকে দায়ী করব? কারা সারা দেশে মাস্তানি করেছে? কারা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিয়ন্ত্রণ করেছে? এই সারজিসরা, এই হাসনাতরা, এরা নিয়ন্ত্রণ করছে না? তাহলে ৬০০ শিশু মারা যাওয়ার সঙ্গে জড়িত কারা? আবার বাহাদুরি করে?’

যারা দেশের স্বাধীনতা চায়নি তারা সংসদে স্বাধীনতার কথা বলে : রাশেদ খান

অনলাইন ডেস্ক
যারা দেশের স্বাধীনতা চায়নি তারা সংসদে স্বাধীনতার কথা বলে : রাশেদ খান
বিএনপি নেতা রাশেদ খান।

বিএনপি নেতা রাশেদ খান বলেছেন, ‘যারা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব চায়নি তারা আজকে সংসদে দাঁড়িয়ে স্বাধীনতার কথা বলছে।’

রবিবার (২৮ জুন) কালের কণ্ঠকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন রাশেদ খান।

তিনি বলেন, ‘যারা এ দেশের স্বাধীনতা চায়নি, একটি পতাকা চায়নি, একটি মানচিত্র চায়নি—যারা সার্বভৌমত্ব চায়নি, তারা আজকে সংসদে দাঁড়িয়ে স্বাধীনতার কথা বলছে। জাতির জন্য এটি অত্যন্ত লজ্জার। সেই ৭১-এর গণহত্যার সহযোগী দল জামায়াতে ইসলামী ঠিক ওই নামেই, যে নামে তারা ওই সময় ছিল। একই নামে বাংলাদেশে রাজনীতি করছে তারা।’

রাশেদ খান বলেন, ‘গণ-অভ্যুত্থানের পরে যে নির্বাচন হয়েছে সেই নির্বাচনে তারা প্রধান বিরোধী দল হয়েছে। এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত দুর্ভাগ্যের। তবে তাদের কণ্ঠে আসলে ওই ধরনের জোর নেই। কারণ হীনম্মন্যতা আছে যে এই দেশের স্বাধীনতা তারা চায়নি। যে কারণে তারা আসলে চাইলেও সেই অর্থে বিরোধিতা করতে পারে না।’ 

তিনি আরো বলেন, ‘জামায়াত নেতা শফিকুল ইসলাম মাসুদ তার এলাকার একটি প্রোগ্রামে বলছেন যে আমরা সংসদে যতই চিল্লাপাল্লা করি না কেন, আমরা আবার বাইরে একসঙ্গে চা খাই, লাউঞ্জে একসঙ্গে বসে আড্ডা দিই। এই কথাগুলো তিনি বলছেন মূলত বিএনপির নেতাকর্মীদের শান্ত করার জন্য। যে যতই আপনারা সংসদে আমাদের এই আওয়াজটা দেখেন এটা মূলত না করলেই না হয়, সে জন্য করতে হয়।’

রাশেদ খান বলেন, ‘সংসদে যে বাজেট অধিবেশন চলছে, আপনার কি মনে হয় এখন বাজেট নিয়ে আলোচনা হচ্ছে? তারা বলছে যে আমরা ছায়া সরকার গঠন করেছি। তো, আপনাদের ছায়া অর্থমন্ত্রী কে? যিনি জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের পক্ষ থেকে পক্ষ থেকে বাজেটের দোষ বা সমালোচনা করবেন। এখন বাজেটের আলোচনায় তারা চলে যাচ্ছেন অন্যদিকে। ট্রেন যেমন লাইনচ্যুত হয়, ঠিক আমাদের বিরোধী দল এই বাজেটের আলোচনায় লাইনচ্যুত হয়েছে।’

সাক্ষাৎকারে রাশেদ আরো বলেন, ‘১৬ বছর বিএনপির অনেকে ঘরে ঘুমাতে পারেনি। অনেকে বাধ্য হয়ে দেশের বাইরে নির্বাসিত জীবনে ছিলেন। অনেকের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ধ্বংস হয়ে গেছে। এখন এই মানুষগুলোকে যদি কটাক্ষ করেন তারা এত দিন কোথায় ছিলেন? ১৬ বছর তো আপনাকে আমরা দেখিনি সংগ্রাম করতে।’

তিনি বলেন, ‘১৬ বছরে যাদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ধ্বংস হয়ে গেছে, যারা হাসিনার আমলে জুলুমের কারণে ব্যাংক থেকে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা করার জন্য যে ঋণটা নিয়েছিলেন, সেটা শোধ করতে পারেননি। এই দোষটা কি আসলে শেখ হাসিনার, নাকি যিনি ঋণ নিয়ে ব্যবসা করেছিলেন তার? ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে যারা ব্যবসা-বাণিজ্য করেন তাদের আপনি কোনোভাবে কটাক্ষ করতে পারেন না।’