• ই-পেপার

স্বাস্থ্যমন্ত্রী

১১ জুলাইয়ের মধ্যে ক্লিনিকে ডেলিভারি রুম স্থাপন না হলে লাইসেন্স বাতিল

দেশের সব ক্লিনিকে লেবার রুম নিশ্চিতের নির্দেশ, অমান্য করলে লাইসেন্স বাতিল : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
দেশের সব ক্লিনিকে লেবার রুম নিশ্চিতের নির্দেশ, অমান্য করলে লাইসেন্স বাতিল : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, ‘দেশের সব বেসরকারি ক্লিনিকে শনিবারের মধ্যে বাধ্যতামূলক লেবার রুম চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

সোমবার (৬ জুলাই) রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশ মিডওয়াইফ সোসাইটির আয়োজনে জাতীয় পর্যায়ের অ্যাডভোকেসি কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন।

মো. সাখাওয়াত হোসেন, ‘নির্দেশনা অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট ক্লিনিকের লাইসেন্স বাতিল করা হবে। ডেঙ্গু ও হাম মোকাবেলায় সারাদেশে পর্যাপ্ত শয্যার ব্যবস্থা রয়েছে এবং প্রয়োজন হলে মোবাইল হাসপাতাল চালু করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘সাতদিনের মধ্যে সারাদেশে এডিস মশার লার্ভা ধ্বংসে ট্যাবলেট সরবরাহ করা হবে। স্বাস্থ্য খাতে এক লাখ নতুন জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে, যার মধ্যে প্রায় ৮০ হাজার নারী এবং সবচেয়ে বেশি নিয়োগ পাবেন মিডওয়াইফরা।’

ঢাবির কেন্দ্রীয় মসজিদে হবে অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের জানাজা

অনলাইন ডেস্ক
ঢাবির কেন্দ্রীয় মসজিদে হবে অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের জানাজা
অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক। ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলা বিভাগের প্রয়াত অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের জানাজা আজ বাদ জোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ ‘মসজিদুল জামিআ’য় অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে শেষ শ্রদ্ধা জানানোর জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে আনা হবে তার মরদেহ।

সোমবার (৬ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দফতরের পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রয়াত অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের স্মৃতির প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য সোমবার দুপুর ১২টায় তার মরদেহ অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে আনা হবে। পরে বাদ জোহর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ ‘মসজিদুল জামিআ’-য় মরহুমের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে জানাজার পর তাকে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হবে।

এর আগে, গতকাল রবিবার দুপুরে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর।

অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক ১৯৪০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৬৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা বিষয়ে স্নাতক (সম্মান) এবং ১৯৬৬ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

পরবর্তীতে তিনি দীর্ঘদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে অধ্যাপনা করেন। পাশাপাশি বাংলা একাডেমির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। সর্বস্তরে বাংলা ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে গেছেন।

প্রধানমন্ত্রীর গুলশানের বাসভবনকে কেপিআই ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক
প্রধানমন্ত্রীর গুলশানের বাসভবনকে কেপিআই ঘোষণা

রাজধানীর গুলশানে নিজের বর্তমান বাসভবনেই থাকছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আর এ কারণে প্রধানমন্ত্রীর গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাসভবনকে ‘বিশেষ শ্রেণির’ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা (কেপিআই) হিসেবে ঘোষণা করেছে সরকার। এর ফলে এই বাসভবন ও এর আশপাশের এলাকা সর্বোচ্চ নিরাপত্তাব্যবস্থার আওতায় চলে এসেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, গত ৭ জুন কেপিআই-সংক্রান্ত কমিটির (কেপিআইডিসি) মাসিক সভায় গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাসভবনকে বিশেষ শ্রেণির কেপিআই হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করা হয়। পরে সরকারের অনুমোদনের ভিত্তিতে ১৫ জুন প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। গত শুক্রবার (৩ জুলাই) এ বিষয়ে গেজেট প্রকাশিত হয়েছে।

বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজধানীর গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাসভবন থেকেই সরকারি কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা সরকারি কাজে প্রস্তুত থাকলেও তিনি সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাস করেন না।

এই বাসভবনের মালিকানা প্রসঙ্গে জানা যায়, গত বছরের ৫ জুন অন্তর্বর্তী সরকার সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার হাতে বাড়িটির নামজারির কাগজ হস্তান্তর করে। ১৯৮১ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পর গুলশানে প্রায় দেড় বিঘা জমির ওপর নির্মিত বাড়িটি খালেদা জিয়ার নামে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। পরে নামজারি সম্পন্ন হওয়ার পর বাড়িটি সংস্কার ও আধুনিকায়ন করা হয়।

গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরার পর তারেক রহমান ওই বাসভবনে ওঠেন। পরে ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পরও তিনি সেখান থেকেই রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করছেন।

নিরাপত্তা তদারকিতে স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) সমন্বয়ে পৃথক নিরাপত্তা কমিটি গঠন করা হবে। অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তায় ২৪ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করবেন প্রেসিডেন্ট গার্ডস রেজিমেন্টের (পিজিআর) সদস্যরা। তাদের সঙ্গে বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করবেন।

নিরাপত্তা নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কেপিআই ঘোষিত স্থাপনার সীমানাপ্রাচীরের উচ্চতা কমপক্ষে ১২ ফুট হতে হবে। এর ওপর আরো তিন ফুট উচ্চতার ‘ওয়াই’ আকৃতির কাঁটাতারের বেড়া স্থাপন করতে হবে।

এ ছাড়া নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনায় আশপাশের উঁচু ভবন থেকে নজরদারি, ছবি তোলা বা সম্ভাব্য হামলার ঝুঁকি মূল্যায়ন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেপিআই স্থাপনার ১৫০ থেকে ৩০০ মিটারের মধ্যে নতুন কোনো উঁচু ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ছাড়পত্র প্রয়োজন হবে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, কেপিআই স্থাপনার ২৫ মিটারের মধ্যে নতুন কোনো ভবন বা স্থাপনা নির্মাণ করা যাবে না। পাশাপাশি স্থাপনার চারপাশের পাঁচ ফুট এলাকার মধ্যে থাকা বিদ্যুৎ ও টেলিফোনের খুঁটি এবং নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করতে পারে—এমন গাছপালা অপসারণের ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী ও তার পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ নথি, তথ্য এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমের সুরক্ষার স্বার্থেই গুলশানের এই বাসভবনকে বিশেষ শ্রেণির কেপিআই হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফজলুল হকের মরদেহ, বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন

অনলাইন ডেস্ক
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফজলুল হকের মরদেহ, বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন

দ্বিতীয় জানাজা শেষে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের মরদেহ নেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। সোমবার (৬ জুলাই) বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মোহাম্মদ আজম এ তথ্য জানান।

মোহাম্মদ আজম বলেন, ‘সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে, বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এবং দুপুর ১২টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিশিষ্ট এ শিক্ষাবিদের মরদেহ শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হবে।’

তিনি বলেন, ‘জোহরের নামাজের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর তাকে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হবে।’

বাংলা একাডেমির সভাপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক রবিবার (৫ জুলাই) ৮৬ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।