• ই-পেপার

অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের জানাজা সোমবার

নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালের দ্বিতীয় ইউনিট উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

বাসস
নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালের দ্বিতীয় ইউনিট উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালের দ্বিতীয় ইউনিট (১৫ আগস্ট)  উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রবিবার (৫ জুলাই) রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্সেস ও হাসপাতালের ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট দ্বিতীয় ইউনিট উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত প্রস্তুতিমূলক সভায় এ তথ্য জানান স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

তিনি বলেন, ‘আগামী ১৫ আগস্ট ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্সেস ও হাসপাতালের দ্বিতীয় ইউনিট উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আমি বিশ্বাস করি, প্রধানমন্ত্রী হাসপাতালটি পরিদর্শন করলে, এর উন্নয়নে যা যা প্রয়োজন, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবেন।’

বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারের আলোকে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে বিকেন্দ্রীকরণ করা হবে জানিয়ে সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, নির্বাচনী ইশতেহারের আলোকে স্বাস্থ্যসেবাকে গড়ে তোলা হবে। স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে বিকেন্দ্রীকরণ করা হবে। যেমন, চট্টগ্রাম থেকে কাউকে স্বাস্থ্যসেবা নিতে ঢাকায় আসতে হবে না। গ্রামের মানুষের কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া হবে। আমরা সবার সহযোগিতা চাই।’

তিনি বলেন, ‘আমরা প্রধানমন্ত্রীকে সহযোগিতা না করলে তিনি সফল হতে পারবেন না। তিনি পলিসি দেবেন এবং আমরা তা বাস্তবায়ন করব। আমরা তাকে সহযোগিতা করব। প্রধানমন্ত্রী যেখানে সৃষ্টির সম্ভাবনা দেখেন, সেখানে ঝাঁপিয়ে পড়েন সেটাকে আরো বিকশিত করতে।’

ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকার গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘গত দুই মাস ধরেই ডেঙ্গু মোকাবেলার প্রস্তুতি চলছে। জেলা প্রশাসক, সিভিল সার্জন, হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক এবং সিটি করপোরেশনের প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্টদের নিয়ে প্রতিটি জেলায় সমন্বিত কমিটি গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা অভিযান অব্যাহত রাখা হয়েছে। মশার লার্ভা ধ্বংসে প্রয়োজনীয় ট্যাবলেট সরবরাহ এবং উড়ন্ত মশা নিধনে স্প্রে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।’

সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘গত বছরের তুলনায় চলতি বছর ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভালো রয়েছে। রোগী ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত পরিকল্পনা নেওয়ার পাশাপাশি পর্যাপ্ত স্যালাইন মজুদ, মোবাইল হাসপাতাল প্রস্তুত এবং চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় ভ্রাম্যমাণ হাসপাতাল প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পর্যাপ্ত স্যালাইন সংগ্রহ করা হয়েছে, যাতে কোনো রোগী স্যালাইনের সংকটে না পড়েন এবং গুরুতর জটিলতা এড়ানো সম্ভব হয়।’

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত বলেন, ‘আমাদের সরকার স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। স্বাস্থ্যসেবা যেন সবাই সমানভাবে পেতে পারেন, সেজন্য স্বাস্থ্যসেবার বিকেন্দ্রীকরণ জরুরি। এ লক্ষ্যে অন্তত চারটি পুরোনো বিভাগীয় শহরে নিউরোসায়েন্স ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করতে চাই। সে ক্ষেত্রে এই হাসপাতালের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখান থেকে যদি পর্যাপ্ত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক তৈরি করা না যায়, তাহলে ওইসব ইনস্টিটিউট কার্যকরভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হবে না।’

সভায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. জাহিদ রায়হান ও হাসপাতালটির পরিচালক অধ্যাপক ডা. নুরুজ্জামান খান খসরু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

২৭তম বিসিএসের আরো ৭৭ জনকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন

অনলাইন ডেস্ক
২৭তম বিসিএসের আরো ৭৭ জনকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন

২৭তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ আরো ৭৭ জন বঞ্চিত প্রার্থীকে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। রবিবার (৫ জুলাই) বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের সুপারিশে এই প্রার্থীদের নিয়োগ দিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

আইনি লড়াইয়ে জিতে দুই দশক পর গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর ২৭তম বিসিএসের ৬৭৩ জন চাকরিপ্রার্থীকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এরপর ১৩ মে আরো ৯৬ জন প্রার্থীকে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

নতুন নিয়োগপ্রাপ্তদের আগামী ১৪ জুলাইয়ের মধ্যে ক্যাডার নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয়/বিভাগের নির্ধারিত কার্যালয়ে যোগদানের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। ক্যাডার নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয়/বিভাগ থেকে পরবর্তী কোনো নির্দেশনা না পেলে ওই তারিখেই তিনি যোগদান করবেন। নির্ধারিত তারিখে যোগদান না করলে তিনি চাকরিতে যোগদান করতে সম্মত নন বলে ধরে নেওয়া হবে এবং নিয়োগপত্র বাতিল হয়ে যাবে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয়, এ নিয়োগের ক্ষেত্রে নিয়োগপ্রাপ্তদের জ্যেষ্ঠতা অক্ষুণ্ণ রাখার স্বার্থে তাদের ব্যাচের নিয়োগপ্রাপ্তদের প্রথম যে তারিখে নিয়োগ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল সেই তারিখ থেকে ভূতাপেক্ষিকভাবে নিয়োগ আদেশ কার্যকর হবে। ব্যাচের প্রথম নিয়োগ প্রজ্ঞাপনের যোগদানের তারিখ থেকে তাদের ধারণাগত জ্যেষ্ঠতা বজায় থাকবে। তবে এর ফলে তারা কোনো বকেয়া আর্থিক সুবিধা পাবেন না।

গত বছরের ১১ আগস্ট বিসিএসে বঞ্চিত ১১৩৭ জনকে নিয়োগ দিতে হাইকোর্টের রায় দ্রুত কার্যকরের নির্দেশ দিয়ে পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। সরকারকে এ নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে বলা হয়।

প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কমিটির সদস্য হলেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব রুমন

অনলাইন ডেস্ক
প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কমিটির সদস্য হলেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব রুমন
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন। ছবি: সংগৃহীত

প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন নীতিমালা, ২০২৫-এর আলোকে দেশের সাংবাদিকদের সরকারি প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড প্রদান, নবায়ন এবং এই সংক্রান্ত যেকোনো জটিলতা নিরসনের লক্ষ্যে ১১ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের ‘প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কমিটি’ পুনর্গঠন করা হয়েছে। এই বিশেষ কমিটিতে অন্যতম সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন দৈনিক দিনকালের সম্পাদক ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন। নতুন এই শক্তিশালী কমিটি গঠনের সঙ্গে সঙ্গে পূর্বের গঠিত সকল কমিটি বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রধান তথ্য অফিসারকে সভাপতি এবং তথ্য অধিদপ্তরের সিনিয়র উপ-প্রধান তথ্য অফিসারকে (প্রটোকল) সদস্য-সচিব করে গঠিত এই কমিটিতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তা ও দেশের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকদের যুক্ত করা হয়েছে। 

কমিটিতে আরো স্থান পেয়েছেন, ডিইউজে-বিএফইউজে-এর মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী, জেডনিউজডটনিউজের নির্বাহী সম্পাদক ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সাধারণ সম্পাদক খুরশীদ আলম এবং একাত্তর টেলিভিশনের সিইও ও হেড অব নিউজ মো. শফিকুল ইসলাম (শফিক আহমেদ) ও নিউজ টোয়েন্টিফোরের স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট উম্মে মারুফা।

পাশাপাশি সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে সদস্য হিসেবে রয়েছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনকূটনীতি অনুবিভাগের মহাপরিচালক, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (প্রেস-২) এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিবালয় নিরাপত্তা শাখার উপসচিব।

নবগঠিত এই কমিটির ওপর বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে। কমিটি মূলত সাংবাদিকদের প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড ইস্যু করার যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। একই সাথে কার্ড সংক্রান্ত যেকোনো ধরনের আপত্তি ও অভিযোগের শুনানি এবং তা দ্রুত নিষ্পত্তির আইনি দায়িত্বও পালন করবে। এছাড়া পরিবর্তিত সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন নীতিমালায় প্রয়োজনীয় সংযোজন, সংশোধন বা পরিমার্জনের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট সুপারিশ প্রণয়ন করার ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছে এই কমিটিকে।

পেনশন জট কমাতে অর্থ বিভাগের নতুন উদ্যোগ

অনলাইন ডেস্ক
পেনশন জট কমাতে অর্থ বিভাগের নতুন উদ্যোগ
ছবি: কালের কণ্ঠ

অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পেনশন সংক্রান্ত কার্যক্রম আরো দ্রুত, সমন্বিত ও হয়রানিমুক্ত করতে অর্থ বিভাগে একজন কল্যাণ কর্মকর্তা (ওয়েলফেয়ার অফিসার) মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। পেনশন-সংক্রান্ত সব কার্যক্রমে সমন্বয় ও তদারকির দায়িত্ব পালন করবেন তিনি। সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের প্রশাসন ও সমন্বয় অনুবিভাগের প্রশাসন-৩ শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত একটি অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে। গত ২ জুলাই উপসচিব মো. জহিরুল হক এ আদেশে সই করেন।

অফিস আদেশে বলা হয়েছে, ‘সরকারি কর্মচারীদের পেনশন সহজীকরণ আদেশ, ২০২০’-এর ২.০১ (ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, অবসরগমনকারী সরকারি কর্মচারীদের পেনশন মামলা দ্রুত নিষ্পত্তিতে সহায়তার জন্য প্রতিটি মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদফতর, পরিদফতর ও দফতরে পেনশন কার্যক্রমের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত একজন কর্মকর্তাকে কল্যাণ কর্মকর্তা হিসেবে মনোনয়ন দেওয়ার বিধান রয়েছে। সেই বিধান অনুযায়ী অর্থ বিভাগের প্রশাসন-৪ শাখায় দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তাকে কল্যাণ কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

পেনশন সহজীকরণ আদেশ অনুযায়ী, কল্যাণ কর্মকর্তা পেনশন মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষ এবং প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা বা সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ অফিসের মধ্যে সমন্বয়কের ভূমিকা পালন করবেন। এছাড়া ২০১৬ সালে অর্থ বিভাগের জারি করা পরিপত্রে নির্ধারিত দায়িত্ব ও কর্তব্যও তাকে পালন করতে হবে।

পরিপত্র অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীর অবসরের অন্তত এক বছর আগে তাকে এবং সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ অফিসকে অবহিত করা, চাকরির তথ্য ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংগ্রহ ও যাচাই, অডিট আপত্তি বা বিভাগীয় মামলা থাকলে তা দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া কল্যাণ কর্মকর্তার দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে।

এ ছাড়া পেনশন, আনুতোষিক, ছুটি নগদায়ন এবং সাধারণ ভবিষ্য তহবিলের (জিপিএফ) চূড়ান্ত অর্থ উত্তোলনের আবেদন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রক্রিয়াকরণ, অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং মৃত কর্মচারীর পরিবারের পেনশন-সংক্রান্ত কার্যক্রমে সহায়তা করা এবং পেনশন নিষ্পত্তির অগ্রগতি নিয়মিত তদারকি করবেন তিনি।

একইসঙ্গে পেনশন, আনুতোষিক ও ছুটি নগদায়নের তথ্য নিয়মিত হালনাগাদ রাখা এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পেনশন পেমেন্ট অর্ডার (পিপিও) জারি ও সংশ্লিষ্ট অর্থপ্রাপ্তি নিশ্চিত করাও কল্যাণ কর্মকর্তার অন্যতম দায়িত্ব।

অর্থ বিভাগের জারি করা অফিস আদেশের অনুলিপি সংশ্লিষ্ট অতিরিক্ত সচিব, অনুবিভাগ প্রধান, যুগ্মসচিব, উপসচিব, হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা, আইসিটি অধিশাখাসহ সংশ্লিষ্ট দফতরগুলোতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পাঠানো হয়েছে।