• ই-পেপার

কম্বোডিয়ার সাইবার স্ক্যাম কম্পাউন্ড থেকে দেশে ফিরেছেন ১০৯ জন

দেশের সব জেলাকে রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আনার পরিকল্পনা

অনলাইন ডেস্ক
দেশের সব জেলাকে রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আনার পরিকল্পনা
সংগৃহীত ছবি

দেশের সব জেলাকে রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে ইতিমধ্যে বিভিন্ন রুটের সমীক্ষা শেষ হলেও নতুন প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়নে অর্থায়নের উৎস খুঁজছে কর্তৃপক্ষ।

এর মধ্যে ভাঙ্গা থেকে ২৪৪ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি নতুন রেলপথ নির্মাণের সমীক্ষা শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ। তবে প্রায় ৪৪ হাজার কোটি টাকার এই প্রকল্প বাস্তবায়নে এখন অর্থসংস্থানের বিষয়টি চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

প্রস্তাবিত এই রেলপথ ভাঙ্গা থেকে গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর হয়ে বরিশাল, ঝালকাঠি, বরগুনা ও পটুয়াখালী পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, কুয়াকাটা পর্যন্ত রেল সংযোগ স্থাপনই এই প্রকল্পের অন্যতম লক্ষ্য।

প্রকল্পের আওতায় পায়রা বন্দরের অর্থনৈতিক অঞ্চল ও বরিশালে একটি মাল্টিমোডাল হাব গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এ পথে ১৯টি বড় স্টেশন, প্রায় ১৭ কিলোমিটার উড়াল রেলপথ এবং নদী ও খাল অতিক্রমে ৪৬টি সেতু নির্মাণের প্রস্তাব রয়েছে। কিছু অংশে আন্ডারপাস ব্যবস্থার মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্ন ট্রেন চলাচলের পরিকল্পনাও করা হয়েছে।

রেল প্রতিমন্ত্রী আরো জানান, রেলের বাইরে থাকা অন্যান্য জেলাগুলোতেও সম্প্রসারণের জন্য নতুন সমীক্ষা শিগগিরই শুরু হবে। তার ভাষায়, দেশের সব জেলাকে ধীরে ধীরে রেল নেটওয়ার্কের মধ্যে আনার পরিকল্পনা সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকারের অংশ।

তিনি বলেন, পায়রা বন্দরসহ দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নকে কেন্দ্র করে রেল সংযোগ সম্প্রসারণে সরকার কাজ করছে। বিশেষ করে পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা ও দ্বীপ ভোলা এখনো রেল নেটওয়ার্কের বাইরে রয়েছে—সেগুলোও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু যাত্রী পরিবহন নয়, রেল প্রকল্পের সঙ্গে বাণিজ্য ও পণ্য পরিবহনের সমন্বিত পরিকল্পনা না থাকলে এই বিশাল বিনিয়োগ কাঙ্ক্ষিত ফল নাও দিতে পারে।

যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. হাদিউজ্জামান বলেন, পায়রা বন্দরকে কেন্দ্র করে আমদানি-রপ্তানি করিডোর গড়ে তুলতে হবে। তার মতে, ফরওয়ার্ড ও ব্যাকওয়ার্ড লিংক নিশ্চিত না হলে এসব রেল প্রকল্প অর্থনৈতিকভাবে চাপ তৈরি করতে পারে।

তিনি আরো বলেন, জমির ব্যবহার পরিকল্পনা ও পরিবহন পরিকল্পনার মধ্যে সমন্বয় না হলে রেলপথ তৈরি হলেও তার পূর্ণ অর্থনৈতিক সুফল পাওয়া যাবে না।

বর্তমানে দেশে প্রায় ৩ হাজার কিলোমিটার রেলপথ রয়েছে, যা ৪৮টি জেলাকে সংযুক্ত করেছে। নতুন পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে দেশের রেল নেটওয়ার্ক আরো বিস্তৃত হবে বলে আশা করছে সরকার।

নতুন ৩ উপজেলা ও একটি থানার অনুমোদন

অনলাইন ডেস্ক
নতুন ৩ উপজেলা ও একটি থানার অনুমোদন

তিনটি নতুন উপজেলা ও একটি থানা অনুমোদন দিয়েছে ‘প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি’ (নিকার)।

উপজেলা তিনটি হচ্ছে– চট্টগ্রামের ‘ফটিকছড়ি উত্তর’, কুমিল্লার ‘বাঙ্গারা’ এবং ময়মনিসংহের ‘পাগলা’। একটি নতুন থানা হচ্ছে চট্টগ্রামের  ‘হালদা’।

বুধবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভা কক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে নিকার ১২১তম বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেসসচিব হাসান শিপলু বলেন,  প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) বৈঠকে  এসব উপজেলা  ও থানা অনুমোদন হয়।

হাসান শিপুল বলেন, এছাড়া রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের আওতাধীন পূর্বাঞ্চল নতুন শহর প্রকল্প এলাকার নারায়নগঞ্জ ও গাজীপুর জেলা প্রকল্পের অংশগুলো ঢাকা জেলার অন্তুর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

নিকার প্রস্তাব অনুযায়ী তিনটি নতুন উপজেলার মধ্যে চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন নিয়ে ‘ফটিকছড়ি উত্তর’ উপজেলা, কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলাকে ভাগ করে ‘বাঙ্গারা’ এবং ময়মনসিংহ জেলার গফরাগাঁও উপজেলার পাগলা থানার ৮টি ইউনিয়ন নিয়ে ‘পাগলা’ উপজেলা।এ ছাড়া চট্টগ্রামের হাটাজারি থানাকে বিভক্ত করে গঠন করা হয়েছে ‘হালদা থানা’।

জুনের অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে মন্ত্রণালয়ের বিশেষ বিজ্ঞপ্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক
জুনের অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে মন্ত্রণালয়ের বিশেষ বিজ্ঞপ্তি

অন্যান্য মাসের তুলনায় জুনে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের অভিযোগের বিষয়টি নজরে এসেছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের। বিষয়টি যথাযথভাবে পর্যবেক্ষণপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আজ বুধবার মন্ত্রণালয়ের এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিদ্যুতের গ্রাহক পর্যায়ে সাম্প্রতিক সময়ে অন্যান্য মাসের তুলনায় জুন ২০২৬ মাসে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল পরিলক্ষিত হচ্ছে মর্মে জানা যায়। গ্রাহক হয়রানি লাঘবের নিমিত্ত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের বিষয়টি যথাযথভাবে পর্যবেক্ষণপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থা/কম্পানিসমূহকে ইতোমধ্যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

গ্রাহকদের অতিরিক্ত বিল সংক্রান্ত বিষয়ে বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থা/কম্পানিসমূহের সঙ্গে সরাসরি অথবা হটলাইনগুলোতে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করেছে মন্ত্রণালয়।

হটলাইন সমূহ

বিদ্যুৎ বিভাগের কেন্দ্রীয় সেবা- ১৬৯৯৯
বিপিডিবি-এর কল সেন্টার- ১৬২০০
পবিবো-এর কল সেন্টার- ১৬৮৯৯
ডিপিডিসি লি.-এর কল সেন্টার-১৬১১৬
ডেসকো লি.-এর কল সেন্টার- ১৬১২০
নেসকো লি.-এর কল সেন্টার- ১৬৬০৩
ওজোপাডিকো লি.-এর কল সেন্টার- ১৬১১৭

৫০০ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মোতায়েন হচ্ছে পাঁচ হাজার আনসার

অনলাইন ডেস্ক
৫০০ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মোতায়েন হচ্ছে পাঁচ হাজার আনসার

দেশের ৫০০ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঁচ হাজার আনসার সদস্য মোতায়েনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। জন্য প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক, আর্থিক ও বাস্তবায়ন কার্যক্রম সম্পন্ন করতে নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালককে (বুধবার) থেকে এ মোতায়েন কার্যকর করার পাশাপাশি বাস্তবায়ন শেষে প্রতিবেদন পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম আরও নিরাপদ, নির্বিঘ্ন ও জনবান্ধব করতে নবগঠিত পাঁচটি উপজেলাসহ দেশের ৫০০টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রতিটিতে ১০ জন করে অঙ্গীভূত আনসার সদস্য মোতায়েন করা হবে।

যেসব স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আগে থেকেই আনসার সদস্য কর্মরত রয়েছেন, সেসব প্রতিষ্ঠানে বিদ্যমান সদস্যদের সম্বন্বয় করে প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মোট ১০ জন আনসার সদস্য নিশ্চিত করতে হবে।

চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, পাঁচ হাজার আনসার সদস্যের বেতন-ভাতা বাবদ বছরে ১১৯ কোটি ৩৭ লাখ ৩৮ হাজার ৭৫০ টাকা ব্যয় হবে। এ অর্থ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দের পরিবর্তে আনসার ও ভিডিপির নির্ধারিত বাজেট কোডে বরাদ্দ দেওয়ার জন্য অর্থ বিভাগে ইতোমধ্যে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মনিরুল হাসান স্বাক্ষরিত চিঠির অনুলিপি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে পাঠানো হয়েছে।

এ উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে উপজেলা পর্যায়ের সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে। একই সঙ্গে চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি রোগী ও তাদের স্বজনরাও আরও নিরাপদ পরিবেশে স্বাস্থ্যসেবা নিতে পারবেন।