• ই-পেপার

লাইসেন্স জটিলতা কমিয়ে বিনিয়োগে গতি আনতে বড় সংস্কার

  • ট্রেড লাইসেন্স পুরোপুরি অনলাইনে, আরজেএসসিসহ বিভিন্ন সেবা ডিজিটালাইজেশনের উদ্যোগ

হজ শেষে ফিরেছেন ৭৩০৭৬  বাংলাদেশি

অনলাইন ডেস্ক
হজ শেষে ফিরেছেন ৭৩০৭৬  বাংলাদেশি

পবিত্র হজ পালন শেষে রবিবার পর্যন্ত সৌদি আরব থেকে মোট ২০৪টি ফিরতি ফ্লাইটে ৭৩ হাজার ৭৬ জন বাংলাদেশি হাজি দেশে ফিরেছেন। তাদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৪৫৯ জন এবং বেসরকারি ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে ৬৮ হাজার ৬১৭ জন হাজি দেশে ফিরেছেন।

এ বছর হজ করতে গিয়ে মোট ৫৫ জন বাংলাদেশি মারা গেছেন। তাদের মধ্যে মক্কায় ৩৭ জন, মদিনায় ১৭ জন এবং জেদ্দায় একজন মৃত্যুবরণ করেন। তবে মিনা বা মুজদালিফায় কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।

সোমবার (২৯ জুন) হজ বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ১০৮টি, সৌদিয়া এয়ারলাইনস ৬৯টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস ২৭টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।

এয়ারলাইনস ভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ১০৮টি ফ্লাইটে ৩৩ হাজার ৪৮৮ জন, সৌদিয়া এয়ারলাইনসের ৬৯টি ফ্লাইটে ২৫ হাজার ১২৮ জন, ফ্লাইনাসের ২৭টি ফ্লাইটে ১০ হাজার ২৬০ জন এবং অন্যান্য এয়ারলাইনসের মাধ্যমে ৪ হাজার ২০০ জন হাজি দেশে ফিরেছেন।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বাকি হাজিরা নির্ধারিত এয়ারলাইনসের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে দেশে ফিরবেন।

হজ বুলেটিন অনুযায়ী, ৪১৫ জন বাংলাদেশি হাজি সৌদি আরবের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন এবং ৭ জন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। সৌদি মেডিক্যাল সেন্টারগুলো ৬৭ হাজার ১৩৯ জন হাজিকে স্বাস্থ্যসেবা দিয়েছে এবং মক্কা ও মদিনার আইটি হেল্প ডেস্ক ২৮ হাজার ৪৪৩ জন হাজিকে বিভিন্ন তথ্য ও সেবা দিয়ে সহায়তা করেছে।

গত ১৮ এপ্রিল প্রথম বহির্গামী ফ্লাইটের মাধ্যমে চলতি বছরের হজ পরিবহন কার্যক্রম শুরু হয় এবং ২১ মে প্রাক হজ ফ্লাইট সম্পন্ন হয়। চলতি বছরের ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয়। হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষে ৩০ মে থেকে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয় এবং তা আগামী ১ জুলাই পর্যন্ত চলবে।

হজ অফিসের তথ্যমতে, এবার বাংলাদেশের জন্য সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জনসহ মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজযাত্রীর কোটা বরাদ্দ ছিল।

বাজেট পাস কাল, আসছে যেসব পরিবর্তন

নিজস্ব প্রতিবেদক
বাজেট পাস কাল, আসছে যেসব পরিবর্তন

ভ্যাট ও করব্যবস্থার ওপর প্রস্তাবিত বিষয়গুলোর কয়েকটি সংশোধনী আনা হচ্ছে, আবার কয়েকটি প্রত্যাহার হতে পারে। এ ছাড়া ব্যাংক হিসাব খুলতে কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) বাধ্যতামূলক করা ও সঞ্চয়পত্রের ওপর করারোপে সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে পারে সরকার।

পাশাপাশি ব্যক্তি শ্রেণির করদাতাদের করমুক্ত আয়ের সীমা বাড়িয়ে চার লাখ টাকা করা হতে পারে। এসব সংশোধনী এনে প্রস্তাবিত অর্থ বিল ২০২৬ জাতীয় সংসদে পাস করা হচ্ছে আজ সোমবার। এরপর কাল মঙ্গলবার (৩০ জুন) সংসদে পাস করা হবে বাজেট ২০২৬-২৭, যা আগামী ১ জুলাই থেকেই কার্যকর করা হবে। অর্থ বিভাগ সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

এদিকে ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর তীব্র আপত্তি, অর্থনীতিবিদদের পরামর্শ এবং বাস্তবায়ন সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্নের মুখে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে প্রস্তাবিত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কর ও ভ্যাটব্যবস্থা পুনর্বিবেচনা করছে সরকার। এর মধ্যে খুচরা ব্যবসায় প্যাকেজভিত্তিক ভ্যাট, ব্যাংক হিসাব খুলতে টিআইএন বাধ্যতামূলক করা, ব্যক্তিশ্রেণির করমুক্ত আয়সীমা, আয়কর স্ল্যাব এবং জমির মূলধনী মুনাফা কর—এই পাঁচটি বিষয় বিশেষভাবে আলোচনায় রয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সংসদে বাজেট পাসের আগে এবং অর্থ বিলের চূড়ান্ত অনুমোদনের সময় এসব প্রস্তাবে সংশোধন আনা হতে পারে।

বাজেটে প্রস্তাব করা হয়েছিল, বছরে ৫০ লাখ টাকার কম বিক্রয় বা টার্নওভার রয়েছে এমন খুচরা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের জন্য একটি নির্দিষ্ট বা ‘স্পেসিফিক’ ভ্যাট ব্যবস্থা চালু করা হবে।

ব্যবসার অবস্থান ও ধরন অনুযায়ী মাসিক এক হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ভ্যাট নির্ধারণের পরিকল্পনা ছিল।

তবে এ প্রস্তাব বাস্তবায়নে পর্যাপ্ত প্রস্তুতির অভাব, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের হয়রানির আশঙ্কা এবং বাজারে পণ্যমূল্য বৃদ্ধির আশঙ্কার কারণে সরকার আপাতত এ সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে পারে বলে জানা গেছে।

অর্থ বিলে নতুন ব্যাংক হিসাব খোলার ক্ষেত্রে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাবও পুনর্বিবেচনা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মনে করছেন, দেশে বিপুলসংখ্যক মানুষের করযোগ্য আয় না থাকলেও তাদের ব্যাংকিং সেবা প্রয়োজন। ফলে টিআইএন বাধ্যতামূলক করা হলে সাধারণ গ্রাহকদের ওপর অপ্রয়োজনীয় প্রশাসনিক চাপ তৈরি হতে পারে।

বাড়তে পারে করমুক্ত আয়সীমা : করদাতাদের জন্য স্বস্তির খবর হচ্ছে, ব্যক্তিশ্রেণির করমুক্ত আয়সীমা বর্তমান তিন লাখ ৭৫ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে চার লাখ টাকা করার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

সূত্র জানায়, করমুক্ত আয়সীমা চার লাখ টাকা হতে পারে এবং তা ২০২৭-২৮ অর্থবছরেও বহাল থাকতে পারে।

আয়কর স্ল্যাবে আসতে পারে পরিবর্তন : করমুক্ত সীমা বৃদ্ধির পাশাপাশি আয়করের বিভিন্ন স্তর বা স্ল্যাবেও পরিবর্তন আনার আলোচনা চলছে। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের করদাতাদের ওপর করের চাপ কমাতে কিছু সমন্বয় আনা হতে পারে।

জমির মূলধনী মুনাফা কর কমানোর চিন্তা : জমি উন্নয়ন প্রকল্পে ভূমির মালিকদের জন্য প্রস্তাবিত ১৫ শতাংশ মূলধনী মুনাফা করও সংশোধনের পথে রয়েছে। ব্যবসায়ী ও আবাসন খাতের প্রতিনিধিদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে এ হার কমিয়ে ৫ শতাংশ করার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, উচ্চ করহার বহাল থাকলে ভূমি উন্নয়ন ও আবাসন খাতে বিনিয়োগ নিরুৎসাহ হতে পারে।

ব্যবসায়ীদের স্বস্তি, আরো পর্যালোচনার দাবি : ব্যবসায়ী নেতারা বলছেন, হঠাৎ করে নতুন কর ও ভ্যাট ব্যবস্থা চালু করা হলে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। অন্যদিকে অর্থনীতিবিদরা কর ও ভ্যাটের আওতা সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তার কথা বললেও বাস্তবায়নের আগে পর্যাপ্ত গবেষণা ও প্রস্তুতির ওপর জোর দিয়েছেন।

সামগ্রিকভাবে বাজেটের বিতর্কিত কয়েকটি প্রস্তাব নিয়ে সরকারের নমনীয় অবস্থান ব্যবসায়ী ও করদাতাদের মধ্যে স্বস্তি তৈরি করেছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কী হবে, তা নির্ভর করবে সংসদে অর্থ বিল পাস এবং সরকারের শেষ মুহূর্তের পর্যালোচনার ওপর।

বায়ুদূষণে শীর্ষে কাম্পালা, ঢাকার বাতাস কতটা দূষিত

অনলাইন ডেস্ক
বায়ুদূষণে শীর্ষে কাম্পালা, ঢাকার বাতাস কতটা দূষিত

বিশ্বের বিভিন্ন শহরের বায়ুদূষণ দিন দিন বাড়ছে। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাও দীর্ঘদিন ধরে ছিল বায়ুদূষণের কবলে। সবশেষ বায়ুরমান সূচকে শহরটির বাতাসের মানে কিছুটা উন্নতির ইঙ্গিত মিললেও দূষণের চাপ পুরোপুরি কাটেনি।

আজ সোমবার (২৯ জুন) সকালে আইকিউএয়ারের এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (এএকিউআই) অনুযায়ী, ঢাকার স্কোর ৮০। এই স্কোরে বায়ুরমান ‘মাঝারি’ হিসেবে বিবেচিত হয়। এ সময় বিশ্বের দূষিত শহরগুলোর তালিকায় ঢাকার অবস্থান ১৯তম।

এদিকে, একই সময়ে দূষিত শহরের তালিকায় ১৭৬ স্কোর নিয়ে শীর্ষে রয়েছে উগান্ডার রাজধানী কাম্পালা। এ ছাড়া ১৬৪ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর শহর। ১৫৯ স্কোর নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা। ১৪৩ স্কোর নিয়ে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে ভারতের কলকাতা শহর, ১৩৯ স্কোর নিয়ে পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে চীনের উহান শহরের।

আইকিউএয়ারের স্কোর শূন্য থেকে ৫০ ভালো হিসেবে বিবেচিত। ৫১ থেকে ১০০ মাঝারি হিসেবে গণ্য করা হয়, আর সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তাকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বায়ু বলে মনে করা হয়।

এ ছাড়া, ২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে থাকা স্কোরকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়। এ অবস্থায় শিশু, প্রবীণ এবং অসুস্থ রোগীদের বাড়ির ভেতরে এবং অন্যদের বাড়ির বাইরের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে। ৩০১ থেকে ৪০০-এর মধ্যে থাকা স্কোর ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে বিবেচিত, যা নগরের বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।

অক্টোবরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসি

অনলাইন ডেস্ক
অক্টোবরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসি

স্থানীয় সরকার নির্বাচন অক্টোবরে আয়োজনের লক্ষ্য নিয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচন আয়োজনে ব্যালট বাক্স, প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসার প্রস্তুত আছে। ভোটার তালিকাও চূড়ান্ত হয়ে আছে। তবে নির্বাচন আয়োজনে বাজেট কিছুটা কমানো যায় কি না- সেটা নিয়েও ভাবছে সাংবিধানিক এই সংস্থাটি।

ইসির স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি বিষয়ক অনানুষ্ঠানিক বৈঠকে এসব আলোচনা হয়েছে। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে রবিবার বেলা ১১টা থেকে বিকেল পৌনে ৪টা পর্যন্ত এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। চার নির্বাচন কমিশনার এবং ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন নির্বাচন কর্মকর্তারা এতে অংশ নেন।

বৈঠকে অংশ নেওয়া একাধিক কর্মকর্তা জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আইন-কানুন ও আচরণবিধির খসড়া নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এ সময় প্রণয়নের অপেক্ষায় থাকা আচরণবিধির খসড়া চূড়ান্ত করতে রাজনৈতিক দলসহ অংশিজনদের মতামত পাওয়ার ১৫ দিনের মতো সময় লাগতে পারে বলে জানানো হয়। স্থানীয় সরকারের পৃথক পাঁচ ধরনের নির্বাচনের জন্য খসড়া আচরণ বিধিমালা ইতোমধ্যে ইসির ওয়েবসাইটে আপলোড করেছে। ৩০ জুনের মধ্যে এসব নিয়ে মতামত দিতে রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে আলাদা চিঠিও পাঠানো হয়েছে বলে সমকাল এক প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

বৈঠকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হওয়ায় ভোটকেন্দ্র ও কক্ষের সংখ্যা বাড়বে বলে জানানো হয়। বেসরকারি ও এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ভোটগ্রহণের দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়েও আলোচনা হয়। তবে সবকিছুই রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে মত দেওয়া হয়। এছাড়া ভোটগ্রহণের আনুষঙ্গিক প্রস্তুতি হিসেবে ভোটার তালিকা ও নির্বাচনী সরঞ্জামসহ অন্যান্য পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয়। ভোটগ্রহণের ব্যয় যথাসম্ভব কমানোর ওপর জোর দেন নির্বাচন কমিশনাররা।

বৈঠক শেষে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ সাংবাদিকদের বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনে অক্টোবরকে লক্ষ্য ধরে কাজ এগুচ্ছে ইসি। আর অক্টোবরে হলে এর ৪৫ দিন আগে তফসিল ঘোষণা করা হবে। আমরা মূলত অক্টোবর ধরে কাজ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি।

বৈঠকের আলোচনার বিষয় নিয়ে তিনি বলেন, সব ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের প্রক্রিয়া বিষয়ে কমিশন অবহিত হয়েছে। ৪ হাজার ৫০০ স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন আয়োজন করতে হলে কোনটা আগে বা কোনটা পরে করব তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। নির্বাচন আয়োজনের জন্য সব জিনিসপত্র প্রস্তুত আছে কি না— সেটাও অবহিত করা হয়েছে। তবে কোনো সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি।

সামগ্রিক প্রস্তুতি নিয়ে এ নির্বাচন কমিশনার বলেন, গত নির্বাচনের চেয়ে কিছু ভোটকেন্দ্র বাড়াতে হবে। জাতীয় নির্বাচনের পরপর এ স্থানীয় নির্বাচন হওয়ায় আমাদের ব্যালট বাক্স প্রস্তুত। প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসার নিয়োগ হবে এসবের প্রস্তুতিও আছে।

তিনি জানান, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের স্থানীয় সরকারের নির্বাচনে যুক্ত করার বিষয়ে আলোচনা হলেও নতুন কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায়নি। এবারের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রের সংখ্যাও কিছুটা বাড়তে পারে। আমরা এটা নিয়েও প্রাথমিক আলোচনা করেছি। তবে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা না করে কোনো সিদ্ধান্ত আমরা নেবো না।

আবদুর রহমানেল মাছউদ বলেন, এবারের স্থানীয় সরকারের নির্বাচনগুলো হবে নির্দলীয়, অর্থাৎ নির্বাচনে দলীয় প্রতীকের ব্যবহার থাকছে না। তারপরও আমরা মনে করছি, যেহেতু রাজনৈতিক দলগুলো আমাদের সমাজের প্রতিনিধিত্ব করে। কাজেই ইচ্ছায় হোক আর অনিচ্ছাই হোক, নির্দলীয় নির্বাচনে তারাও ইনভলভ থাকবেই। এই কারণেই তাদের কাছে মতামত জানতে চেয়েও চিঠি দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, অংশীজনের মতামত পাওয়ার পর সাধারণত ১৫ দিনের মধ্যে চূড়ান্ত করা হয়। এ সময়ের মধ্যে আমরা করে ফেলতে পারব। আমরা আইন কানুন দেখেছি। রাজনৈতিক দলগুলোর পাশাপাশি সাংবাদিকসহ যেকেউ ওপর মতামত দিতে পারবেন এবং সবার গ্রহণযোগ্য মতামত নিয়ে খসড়া আচরণ বিধিমালায় সংযোজন-বিয়োজন আনা হবে বলে জানান এ নির্বাচন কমিশনার।