• ই-পেপার

তিন মাসেও নিয়ন্ত্রণে আসেনি হাম

নেপালের সঙ্গে যৌথভাবে ৬৮৩ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের পথে সরকার

অনলাইন ডেস্ক
নেপালের সঙ্গে যৌথভাবে ৬৮৩ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের পথে সরকার

বাংলাদেশ বর্তমানে নেপালের সঙ্গে যৌথভাবে ৬৮৩ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন একটি জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের বিষয়টি পর্যালোচনা করছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।

সোমবার (২২ জুন) সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের সরকারি দলের সদস্য ফাহিমা নাসরিনের টেবিলে উপস্থাপিত তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান তিনি।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী বলেন, নেপাল থেকে আরো বেশি জলবিদ্যুৎ আমদানি করার লক্ষ্যে এই ৬৮৩ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র যৌথভাবে নির্মাণের বিষয়টি বিবেচনাধীন।

তিনি আরো জানান, বাংলাদেশ বর্তমানে নেপালের সঙ্গে জ্বালানি সহযোগিতার অংশ হিসেবে ৪০ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ আমদানি করছে।

ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, ভবিষ্যতে আঞ্চলিক জলবিদ্যুৎ খাতে যদি কোনো আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজন হয়, তবে সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ডাম্প ইয়ার্ড নির্মাণে খাসজমি বরাদ্দের নির্দেশ

বাসস
পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ডাম্প ইয়ার্ড নির্মাণে খাসজমি বরাদ্দের নির্দেশ
সংগৃহীত ছবি

দেশের ৩৩০টি পৌরসভার মধ্যে যেগুলোতে এখনো ডাম্পিং স্টেশন নেই, সেগুলোর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে ডাম্প ইয়ার্ড নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় খাসজমি বরাদ্দ দিতে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) নির্দেশ দিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।

সম্প্রতি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের পৌর-২ শাখা থেকে জারি করা এক চিঠিতে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়। উপসচিব ড. আশফিকুন নাহার স্বাক্ষরিত চিঠিটি দেশের সব জেলা প্রশাসকের কাছে পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, গত ৭ জুন প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং দূষণমুক্ত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনকে নিয়ে একটি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা তৈরির নির্দেশনা দেওয়া হয়।

এরই ধারাবাহিকতায় ১১ জুন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সিদ্ধান্ত হয়- যেসব পৌরসভায় ডাম্পিং স্টেশন নেই, সেসব এলাকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য শহরের কাছাকাছি কম জনবসতিপূর্ণ এলাকায় প্রয়োজনীয় খাসজমি বরাদ্দের ব্যবস্থা করতে হবে।

নির্দেশনায় আরো বলা হয়, ডাম্প ইয়ার্ড নির্মাণের লক্ষ্যে উপযুক্ত খাসজমি চিহ্নিত করে প্রথমে বার্ষিক বন্দোবস্তের মাধ্যমে তা পৌরসভাকে ব্যবহারের সুযোগ দিতে হবে। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে জমিটি স্থায়ী বন্দোবস্ত দেওয়ার উদ্যোগ নিতে হবে। 

এছাড়া খাসজমির স্থায়ী বরাদ্দ চূড়ান্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট জমিটি সাময়িকভাবে বর্জ্য ডাম্পিংয়ের কাজে ব্যবহারের অনুমতি দিতে বলা হয়েছে।

স্থানীয় সরকার বিভাগ জেলা প্রশাসকদের জরুরি ভিত্তিতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করে আগামী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে এ বিষয়ের অগ্রগতি প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে বলেছে।

নবম পে-স্কেল

১০ থেকে ২০তম গ্রেডভুক্ত কর্মচারীদের জন্য সুসংবাদ

অনলাইন ডেস্ক
১০ থেকে ২০তম গ্রেডভুক্ত কর্মচারীদের জন্য সুসংবাদ

জুলাই থেকে নতুন জাতীয় বেতন কাঠামো (পে-স্কেল) বাস্তবায়নের পরিকল্পনায় সরকার নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য তুলনামূলক বেশি বেতন বৃদ্ধির বিষয়টি গুরুত্ব দিচ্ছে। উচ্চ মূল্যস্ফীতির চাপ ও আর্থিক বাস্তবতা বিবেচনায় উচ্চপদস্থদের তুলনায় নিম্ন আয়ের কর্মীদের বেশি সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাব এখন আলোচনায় রয়েছে, তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি।

সরকারি সূত্রের বরাতে জানা গেছে, ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডভুক্ত কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধির হার তুলনামূলক বেশি হতে পারে। অন্যদিকে ১ম থেকে ৯ম গ্রেডভুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্ষেত্রে বেতন বৃদ্ধির হার কম রাখা হতে পারে।

বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থিত এক প্রতিমন্ত্রী দেশের একটি গণমাধ্যমকে জানান, নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের বিষয়টি আনুষ্ঠানিক এজেন্ডায় না থাকলেও বিবিধ আলোচনায় এটি গুরুত্ব পায়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী যে ঘোষণা দিয়েছেন, সে অনুযায়ী তিন অর্থবছরে ধাপে ধাপে নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

তিনি আরও জানান, উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে নিম্ন আয়ের কর্মচারীদের পারিবারিক ব্যয়ের চাপ বেড়েছে। এ বাস্তবতা বিবেচনায় মন্ত্রিসভার সদস্যরা প্রথম বছরেই কম বেতনের কর্মচারীদের জন্য বেশি বেতন বৃদ্ধির পক্ষে মত দিয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সরকার ইতোমধ্যে আগামী ১ জুলাই থেকে নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছে। শুরুতে পরিকল্পনা ছিল নতুন ও বর্তমান বেতন কাঠামোর পার্থক্যের ৫০ শতাংশ করে পরপর দুই অর্থবছরে মূল বেতন সমন্বয় করা হবে এবং শেষ অর্থবছরে ভাতার বর্ধিত অংশ দেওয়া হবে। তবে এখন সেই পরিকল্পনায় পরিবর্তন আসতে পারে।

খসড়া আলোচনায় উঠে আসা একটি প্রস্তাব অনুযায়ী, ১ম থেকে ৯ম গ্রেডের জন্য নির্ধারিত বেতন বৃদ্ধির ৪০ শতাংশ আগামী অর্থবছরে কার্যকর করা হতে পারে। আর ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডভুক্তদের ক্ষেত্রে ৬০ শতাংশ বৃদ্ধি প্রথম বছরেই দেওয়া হতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের গঠিত জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে জাতীয় বেতন কমিশন-২০২৫ গঠন করা হয়। গত ২১ জানুয়ারি কমিশন তাদের প্রতিবেদন প্রধান উপদেষ্টার কাছে জমা দেয়।

কমিশন বিভিন্ন গ্রেডে ১০০ থেকে ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বেতন বৃদ্ধির সুপারিশ করেছে। কর্মকর্তাদের হিসাবে, এই সুপারিশ পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে সরকারের অতিরিক্ত প্রায় ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হতে পারে।

এ ছাড়া বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পে কমিশন-২০২৫ এবং সশস্ত্র বাহিনী বেতন কমিশন-২০২৫ বিচার বিভাগ ও সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের বেতন বৃদ্ধির আলাদা সুপারিশও জমা দিয়েছে।

গত ২১ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির নেতৃত্বে ১০ জন সচিবের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়। তিনটি কমিশনের প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে সরকারের জন্য সুপারিশ প্রণয়নই এ কমিটির দায়িত্ব।

১১ মাসে বিটিভির আয় ৮ কোটি, ব্যয় ২৫৪ কোটি টাকা

অনলাইন ডেস্ক
১১ মাসে বিটিভির আয় ৮ কোটি, ব্যয় ২৫৪ কোটি টাকা

১১ মাসে বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) আয় হয়েছে ৮ কোটি ৫ লাখ ৩৫ হাজার টাকা। এর বিপরীতে ব্যয় হয়েছে ২৫৪ কোটি ১৮ লাখ ৪৫ হাজার টাকা।

সোমবার (২২ জুন) জাতীয় সংসদে গতকাল নওগাঁ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হুদার প্রশ্নের জবাবে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এ তথ্য জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বৈঠকের শুরুতে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপন করা হয়।

সংসদে উপস্থাপিত তথ্য অনুসারে, চলতি অর্থবছরের মে মাস পর্যন্ত ১১ মাসে করসহ আয় করেছে ৮ কোটি ৫ লাখ ৩৫ হাজার টাকা। একই সময়ে প্রতিষ্ঠানটির ব্যয় হয়েছে ২৫৪ কোটি ১৮ লাখ ৪৫ হাজার টাকা। চলতি বছরে বিটিভির মোট আয়ের মধ্যে বিজ্ঞাপন শাখার রাজস্ব আয় ৫ কোটি ৭ লাখ ৯ হাজার ৪১৭ টাকা।

শুধু চলতি অর্থবছরই নয়, বিটিভির ক্ষেত্রেও আগের কয়েক অর্থবছরে একই ধরনের আর্থিক চিত্র দেখা গেছে। জাতীয় সংসদে মন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২০-২১ অর্থবছরে বিটিভির আয় ছিল ৩৪ কোটি ৫ লাখ ৯৯ হাজার ও ব্যয় ২৮০ কোটি ৮১ লাখ ৩৬ হাজার টাকা। ২০২১-২২ অর্থবছরে আয় ছিল ৪০ কোটি ২৬ লাখ ৬০ হাজার ও ব্যয় ২৮৫ কোটি ৪৭ লাখ ২৭ হাজার টাকা। ২০২২-২৩ অর্থবছরে আয় ছিল ৩০ কোটি ৮৭ লাখ ৮৫ হাজার ও ব্যয় ৩৭০ কোটি ৬১ লাখ ৫১ হাজার টাকা। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে আয় ছিল ৪৪ কোটি ২১ লাখ ২২ হাজার ও ব্যয় ছিল ২৯৮ কোটি ৫৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে আয় ছিল ২৭ কোটি ৬৪ লাখ ৮০ হাজার ও ব্যয় ছিল ৩০৭ কোটি ৯২ লাখ ২২ হাজার টাকা।

টেলিভিশন চ্যানেল-সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, দেশে ৫৫টি বেসরকারি টেলিভিশন স্টেশনের মধ্যে ৩৯টি বর্তমানে সম্প্রচারে রয়েছে। সম্প্রচারিত অধিকাংশ টেলিভিশনের আয়ের তুলনায় ব্যয় বেশি হলেও গত কয়েক বছরে এ ব্যবধান সাধারণত দ্বিগুণের বেশি নয়। বিপরীতে রাষ্ট্রায়ত্ত বিটিভিতে আয়ের তুলনায় ব্যয়ের ব্যবধান প্রায় ৩২ গুণ।