• ই-পেপার

হঠাৎ ক্লাব ছাড়ার ঘোষণা আর্জেন্টাইন তারকার, বার্সা-পিএসজি-রিয়ালের লড়াই

আলজেরিয়ার দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে বিদায় নিশ্চিত জর্ডানের

ক্রীড়া ডেস্ক
আলজেরিয়ার দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে বিদায় নিশ্চিত জর্ডানের
ছবি : রয়টার্স

খাদের কিনারা থেকে কীভাবে ঘুরে দাঁড়াতে হয়, সান ফ্রান্সিসকো বে স্টেডিয়ামে সেটাই যেন আরো একবার প্রমাণ করল আলজেরিয়া। ম্যাচের শুরুতে পিছিয়ে পড়ার পরও দুর্দান্তভাবে ম্যাচে ফিরে ‘জে’ গ্রুপের লড়াইয়ে জর্ডানকে ২-১ গোলে হারিয়েছে তারা। এই রোমাঞ্চকর জয়ে টুর্নামেন্টের নকআউট পর্বে খেলার স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখল আলজেরিয়ানরা।

অন্য দিকে আলজেরিয়ার আনন্দের দিনে চরম হতাশা জর্ডান শিবিরে। টুর্নামেন্টে টানা দুই ম্যাচে হারের তেতো স্বাদ পাওয়ায় গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায়ঘণ্টা বেজে গেল মধ্যপ্রাচ্যের এই দলটির।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণ-প্রতিআক্রমণে জমে ওঠে লড়াই। তবে প্রথমার্ধেই গোল হজম করে ব্যাকফুটে চলে যায় আলজেরিয়া। জর্দানের হয়ে ৩৬তম মিনিটে গোল করেন আলরাশদান।

গোল খেয়েও মনোবল না হারিয়ে আক্রমণের ধার বাড়ায় আলজেরিয়া। দ্বিতীয়ার্ধে একের পর এক ধারালো আক্রমণে জর্ডানের রক্ষণভাগকে নাস্তানাবুদ করে দেয় আলজেরিয়ার ফরোয়ার্ডরা।

শেষ পর্যন্ত ৬৯তম মিনিটে নাদির বেনবুয়ালির গোলে সমতায় আসে আলজেরিয়া। এরপর ৮২ মিনিটের মাথায় গোল করে আলজেরিয়াকে জয় এনে দেন আমিনে গুইরি।

আগামী রবিবার সকাল ৮ টায় অস্ট্রিয়ার মুখোমুখি হবে আলজেরিয়া। দুই দলেরই সমান তিন পয়েন্ট থাকায় ম্যাচের জয়ী দল সরাসরি যাবে শেষ ৩২-এ। অন্য ফল আসলে অপেক্ষা করতে হবে গ্রুপের তৃতীয় স্থান দখলের জটিল সমীকরণে।

ক্লোসাকে ছুঁয়ে ছুটছেন এমবাপ্পে, ভাঙলেন মেসি-রোনালদোর রেকর্ড

ক্রীড়া ডেস্ক
ক্লোসাকে ছুঁয়ে ছুটছেন এমবাপ্পে, ভাঙলেন মেসি-রোনালদোর রেকর্ড
ছবি : রয়টার্স

প্রথম দুই বিশ্বকাপেই ফাইনাল খেলার রোমাঞ্চ, আর বিশ্বজয়ের স্বাদ পাওয়া কিলিয়ান এমবাপ্পের ক্যারিয়ারের শুরুটাই হয়েছে রূপকথার মতো। তবে ফরাসি এই অধিনায়ক যে কেবল শুরুতেই থামার পাত্র নন, তার প্রমাণ মিলছে চলতি বিশ্বকাপে। নিজের তৃতীয় বিশ্বকাপ খেলতে নেমে তিনি যেন আরও বেশি রুদ্রমূর্তি ধারণ করেছেন। মাত্র ১৬ ম্যাচ খেলেই তিনি ছুঁয়ে ফেলেছেন বিশ্বকাপের ইতিহাসের অন্যতম সেরা গোলশিকারী জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসাকে।

২০১৪ সালে যখন জার্মান কিংবদন্তি ক্লোসা আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানান, তখন তার নামের পাশে ছিল ২৪ ম্যাচে ১৬ গোলের মহাকীর্তি। দীর্ঘ এক যুগ ধরে বিশ্বকাপের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার সিংহাসনটি তারই দখলে ছিল। কিন্তু চলতি আসরে সেই সিংহাসনে প্রথম আঘাত হানেন লিওনেল মেসি। এবারের বিশ্বকাপে নিজের প্রথম ম্যাচেই ক্লোসাকে ছোঁয়ার পর, গত ম্যাচে ১৮তম গোল করে এককভাবে বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে বসেন এই আর্জেন্টাইন মহাতারকা। তবে এই রেকর্ড গড়তে ম্যাচ খেলেছেন ২৮ টি। 

মজার ব্যাপার হলো, মেসির এই কীর্তির কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানেই ইরাকের বিপক্ষে ৩-০ গোলের জয়ে জোড়া গোল করে বসেন এমবাপ্পে। আর তাতেই মাত্র ১৬ ম্যাচে ক্লোসার ১৬ গোলের রেকর্ডে ভাগ বসালেন এই ফরাসি ফরোয়ার্ড। চলতি বিশ্বকাপে এই দুই মহাতারকার শীর্ষস্থান দখলের যে যুদ্ধ শুরু হয়েছে, তা কোথায় শেষ হয় তাই এখন দেখার বিষয়। 

এদিকে বিশ্বকাপের টানা তিন বা তার বেশি ম্যাচে অন্তত দুটি করে গোল করার অনন্য কীর্তি গড়েছেন এমবাপ্পে। ইতিহাসের মাত্র চতুর্থ পুরুষ ফুটবলার হিসেবে এই ক্লাবে যোগ দিলেন তিনি। এর আগে ১৯৩০ সালে গুইয়ের্মো স্তাবিলে, ১৯৫৪ সালে স্যান্ডর কোচিস (৪ ম্যাচ) এবং সাম্প্রতিক সময়ে লিওনেল মেসি এই রেকর্ড গড়েছিলেন।

বিশ্বকাপে এ নিয়ে ষষ্ঠবারের মতো কোনো নির্দিষ্ট ম্যাচে একাধিক গোল করলেন এমবাপ্পে। যার মধ্যে রয়েছে পাঁচটি জোড়া গোল এবং একটি অনবদ্য হ্যাটট্রিক।

এমবাপের খেলার ধরনেও এসেছে দারুণ পরিবর্তন। বিশ্বকাপে তার প্রথম ১৩টি গোলের মধ্যে মাত্র একটি এসেছিল পেনাল্টি বক্সের বাইরে থেকে। অথচ শেষ ৩টি গোলের দুটিই তিনি করেছেন দূরপাল্লার শটে, বক্সের বাইরে থেকে।

আন্তর্জাতিক ফুটবলে শততম ম্যাচ খেলার মাইলফলক স্পর্শ করার পর গোলের তালিকায় এমবাপের অবস্থান এখন অষ্টম। ক্যারিয়ারের এই পর্যায়ে এসে ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা দুই কিংবদন্তিকেও ছাড়িয়ে গেছেন এমবাপে। নিজের শততম আন্তর্জাতিক ম্যাচ শেষে লিওনেল মেসির গোল ছিল ৪৬টি এবং ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর ছিল মাত্র ৩৭টি। সেই তুলনায় ৬০ গোল করা এমবাপে যে ভবিষ্যতের আরো বড় কোনো রেকর্ডের দিকে ছুটছেন, তা বলাই বাহুল্য। 

বিশ্বকাপের গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে এগিয়ে যারা

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপের গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে এগিয়ে যারা
ছবি : রয়টার্স

বিশ্বকাপের মঞ্চে গোল্ডেন বুটের লড়াইটা যে এতটা জমজমাট রূপ নেবে, তা হয়তো অতি বড় ফুটবল রোমান্টিকও কল্পনা করেননি। যেন কেউ কাউকে এক চুল ছাড় দিতে রাজি নন! ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা ফরোয়ার্ডদের গোল করার এই অবিশ্বাস্য প্রতিযোগিতা টুর্নামেন্টকে রূপ দিয়েছে এক অনন্য উচ্চতায়। মাত্র দুই ম্যাচ শেষেই এখন গোল্ডেন বুটের দৌড় রূপ নিয়েছে এক মহাকাব্যিক লড়াইয়ে।

আপাতত ৫ গোল নিয়ে তালিকার সবার উপরে আছেন ফুটবল জাদুকর লিওনেল মেসি। তার ঠিক পেছনেই ৪টি করে গোল নিয়ে যৌথভাবে দ্বিতীয় স্থানে আছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে ও আর্লিং হালান্ড। বিশ্বকাপ ইতিহাসের মাত্র দ্বিতীয়বারের মতো দুই ম্যাচ শেষেই তিনজন খেলোয়াড় ৪ বা তার বেশি গোল করার কীর্তি গড়লেন। এর আগে সর্বশেষ ১৯৫৪ সালের বিশ্বকাপে এমন গোলবন্যা দেখা গিয়েছিল।

গত কয়েক ঘণ্টায় ফুটবল বিশ্ব দেখেছে বিশ্বসেরা স্ট্রাইকারদের গোল করার এক অবিশ্বাস্য প্রদর্শনী। গোল উৎসবের শুরুটা করেছিলেন মেসি। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনার হয়ে জোড়া গোল করে বিশ্বকাপের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড নিজের করে নেন ‘এলএম-টেন’।

মেসির এই কীর্তির জবাব দিতে সময় নেননি কিলিয়ান এমবাপ্পেও। আবহাওয়া বিপর্যয়ের কারণে বিঘ্নিত ম্যাচে ইরাকের বিপক্ষে জোড়া গোল করেন এই ফরাসি তারকা। আর এই ম্যাচ দিয়েই নিজের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শততম ম্যাচটি স্মরণীয় করে রাখলেন এমবাপ্পে।

দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর এমন পারফরম্যান্সের পর চুপ করে বসে থাকেননি নরওয়েজিয়ান গোলমেশিন আর্লিং হালান্ডও। সেনেগালের বিপক্ষে জোড়া গোল করে নরওয়েকে শেষ ৩২-এ তুলতে বড় ভূমিকা রাখেন তিনি। নিজের প্রথম বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারের শুরুটা এর চেয়ে দুর্দান্ত বোধহয় হতেই পারত না হালান্ডের।

একজন গোল করলে যেন অন্যজন তাকে ছাড়িয়ে যাওয়ার পণ করেছেন। বিশ্বমঞ্চে সেরাদের এই দ্বৈরথ ফুটবলপ্রেমীদের এক অন্যরকম রোমাঞ্চ দিচ্ছে। আর এই লড়াইয়ের উত্তাপ আরও বাড়তে পারে আজ মঙ্গলবারই। ঘানার বিপক্ষে উদ্বোধনী ম্যাচে জোড়া গোল করা ইংলিশ অধিনায়ক হ্যারি কেন আজ আবার মাঠে নামছেন নিজের গোলের সংখ্যা বাড়িয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে।

সেরাদের এই অবিশ্বাস্য গোলক্ষুধা নিয়ে ফরাসি ফুটবল বিশেষজ্ঞ জুলিয়েন লরেনস বিবিসি স্পোর্টসকে বলেন, ‘বড় তারকাদের তাড়নাটাই আলাদা, তারা সবসময় বল নিজের পায়ে চায়। আমার মনে হয়, তারা কেবল এবারের গোল্ডেন বুটের পেছনেই ছুটছেন না; তাদের মধ্যে কয়েকজন বিশ্বকাপের সর্বকালের সেরা গোলদাতার রেকর্ড ভাঙার লক্ষ্যেই মাঠে নামছেন।’

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের মাত্র শুরু, তাতেই যেভাবে রেকর্ডের পর রেকর্ড ভেঙে চুরমার হচ্ছে, তাতে গোল্ডেন বুটের এই লড়াই শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে ঠেকে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

হালান্ডের জোড়া গোলে ২৮ বছর পর বিশ্বকাপের নকআউটে নরওয়ে

ক্রীড়া ডেস্ক
হালান্ডের জোড়া গোলে ২৮ বছর পর বিশ্বকাপের নকআউটে নরওয়ে
জোড়া গোল করে নরওয়ের জয়ের নায়ক হালান্ড। ছবি : রয়টার্স

লিওনেল মেসি-কিলিয়ান এমবাপ্পেরা জালের দেখা পেলে তো আর মন ভরবে না আর্লিং হালান্ডের। মনের খোরাক মেটানোর জন্য তারও দরকার গোল। নিউ ইয়র্ক/নিউ জার্সিতে যেন গোলের পণ করেই মাঠে নামেন নরওয়ের তারকাও।

মেসি-এমবাপ্পের ম্যাজিকাল রাতে তাই ভাগ বসালেন হালান্ড। দুই কিংবদন্তির মতোই ম্যাচে জোড়া গোল পেয়েছেন তিনিও। তার জোড়া গোলে সেনেগালের বিপক্ষে ৩-২ ব্যবধানের জয় পেয়েছে নরওয়ে। এতে করে ২৮ বছর পর বিশ্বকাপের নকআউটে খেলবে নরওয়ে। ইরাকের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচেও জোড়া গোল করেন হালান্ড। 

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণের পসরা সাজায় নরওয়ে। কিন্তু তাদের সামনে বাধা হয়ে দাঁড়ায় সেনেগালের গোলরক্ষক এদুয়ার্দো মেন্ডি। ম্যাচের তৃতীয় মিনিটে দুর্দান্ত এক সেভ দেন তিনি। কর্নার থেকে নরওয়ের ডিফেন্ডার ক্রিস্টোফার আয়ার গোল প্রায় পেয়েই গিয়েছিলেন। তবে তার হেড জালে জড়ানোর আগে অবিশ্বাস্যভাবে পা দিয়ে সেভ করেন সেনেগালের গোলরক্ষক।

৩৭ মিনিটে নরওয়েকে লিড এনে দেওয়ার সুর্বণ সুযোগ পেয়েছিলেন মার্টিন ওডেগার্ডও। বক্সের মধ্যে আর্লিং হালান্ডের কাছ থেকে বল পেয়ে জোরাল ভলি নিয়েছিলেন আর্সেনালের মিডফিল্ডার। তবে গোলবার ছেড়ে বেরিয়ে আসা গোলরক্ষক মেন্ডির শরীরে লাগায় গোল আর পাওয়া হয়নি তার।

বিরতিতে যাওয়ার ২ মিনিট আগে অবশ্য নরওয়েকে আনন্দে ভাসান মার্কাস পেডারসেন। ৪৩ মিনিটে তার নেওয়া ডান পায়ের শট এবারও অনেকটা ঠেকিয়েই দিয়েছিলেন মেন্ডি। তবে বলে পাওয়ার থাকায় হাতে লাগার পরেও জালে জড়ায়।

যোগ করা সময়ে ২-০ লিড পেতে পারত নরওয়ে। তবে হতাশ করে পোস্ট। ডান প্রান্ত থেকে গোলে শট নিয়েছিলেন আর্লিং হালান্ড। কিন্তু তার শট কাছের পোস্টে লাগায় গোল আর পাওয়া হয়নি। একই আক্রমণে আরেকটি সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি। সতীর্থর ক্রসে হেড নিয়েছিলেনও তিনি, তবে বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে ধরে ফেলেন মেন্ডি।

হতাশা নিয়ে বিরতিতে গেলেও দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হতেই কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পান হালান্ড। সতীর্থ ওডেগার্ডের পাসে ৪৮ মিনিটে জোরাল শটে গোল করেন ম্যানচেস্টার সিটির স্ট্রাইকার। ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়া সেনেগাল ম্যাচে ফেরে ৫৩ মিনিটে। সাদিও মানের পাস থেকে ব্যবধান কমান ইসমাইলা সার।

তবে গোল ব্যবধান কমানোর আনন্দ বেশিক্ষণ উপভোগ করা হয়নি সেনেগালের। ৫৮ মিনিটে যে জোড়া গোল করেন হালান্ড। প্যাট্রিক বার্গের ক্রসকে পেনাল্টি স্পট থেকে সাইড-ফুটেড ভলিতে গোলটি করেন হালান্ড।

৮৮ মিনিটে হ্যাটট্রিকের খুব কাছে গিয়েছিলেন হালান্ড। তার শট প্রতিপক্ষের এক ডিফেন্ডারের পায়ে ব্লক না হলে বিশ্বকাপে প্রথম হ্যাটট্রিকটা পেয়েই জেতেন তিনি। ৯০ মিনিটে অবিশ্বাস্য এক সেভ দেন সেনেগালের আরেক ডিফেন্ডার পাথে চিস। অস্কার ববের জোরাল এক শট গোল লাইন থেকে হেডে বাঁচিয়ে দেন।

বিপরীতে যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে আরেকটি গোল করে ম্যাচ জমানোর ইঙ্গিত দেন সার। নিকোলাস জ্যাকসনের অ্যাসিস্টে বক্স থেকে গোল করে। তবে গোলটিতে ব্যবধান ৩-২ হলেও সমতায় ফেরা হয়নি সেনেগালের।

এ জয়ে ফ্রান্সের পর গ্রুপ ‘আই’ থেকে নকআউট নিশ্চিত করেছে নরওয়ে। উভয় দলই টানা দ্বিতীয় জয় পেয়েছে। তবে পয়েন্ট সমান ৬ হলেও গোল ব্যবধানে এগিয়ে থাকা ফ্রান্স শীর্ষে। তবে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন কারা হবে সেটা নির্ভর করবে আগামী ২৭ জুনের ম্যাচে। সেদিন বোস্টনে মুখোমুখি হবে নরওয়ে-ফ্রান্স।