• ই-পেপার

নিউইয়র্কের উ‌দ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

জিআই সনদ পেল মানিকগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী হাজারী গুড়

অনলাইন ডেস্ক
জিআই সনদ পেল মানিকগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী হাজারী গুড়

মানিকগঞ্জ জেলার ঐতিহ্যবাহী হাজারী গুড় ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) সনদ পেয়েছে। শিল্প মন্ত্রণালয়ের পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্ক অধিদপ্তরের (ডিপিডিটি) পক্ষ থেকে এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১৫ জুন) ডিপিডিটির মহাপরিচালক জাহাঙ্গীর হোসেন স্বাক্ষরিত জিআই (আর) ফরম-১-এর মাধ্যমে ‘মানিকগঞ্জের হাজারী গুড়’কে আনুষ্ঠানিকভাবে নিবন্ধন সনদ দেওয়া হয়।

সনদে উল্লেখ করা হয়, জেলা প্রশাসক, মানিকগঞ্জের নামে ৩০ শ্রেণিতে জিআই-৬২ নম্বরে পণ্যটি ২০২৪ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে নিবন্ধিত হয়েছে।

মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার ঝিটকা এলাকায় উৎপাদিত এই হাজারী গুড় দীর্ঘদিন ধরে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশেও সুনাম অর্জন করেছে। খেজুরের উৎকৃষ্ট রস থেকে ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতিতে তৈরি এই গুড়ের স্বাদ ও ঘ্রাণ আলাদা বৈশিষ্ট্য বহন করে, যা দেশের অন্যান্য অঞ্চলের গুড় থেকে একে বিশেষভাবে পৃথক করেছে। শীত মৌসুমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এর ব্যাপক চাহিদা থাকে। প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছেও এই গুড়ের রয়েছে বিশেষ কদর।

জানা যায়, মানিকগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতার উদ্যোগ ও প্রচেষ্টায় এই জিআই নিবন্ধনের প্রক্রিয়া এগিয়ে যায়। তার সক্রিয় ভূমিকার ফলে দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত এই স্বীকৃতি অর্জন সম্ভব হয়েছে বলে স্থানীয়ভাবে আলোচনা রয়েছে।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান অধিদপ্তরে নতুন ডিজি নিয়োগ

অনলাইন ডেস্ক
জুলাই গণ-অভ্যুত্থান অধিদপ্তরে নতুন ডিজি নিয়োগ

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান অধিদপ্তরের নতুন মহাপরিচালক (ডিজি) নিয়োগ পেয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব মোহাম্মদ আনোয়ারুল নাসের।

তাকে এই নিয়োগ দিয়ে তার চাকরি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করে মঙ্গলবার (১৬ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

আনোয়ারুল নাসের আগামী ২২ জুন বর্তমান কর্মস্থল থেকে অবমুক্ত হয়ে বদলি করা কর্মস্থলে যোগ দেবেন। অন্যথায় ওইদিন বিকেল থেকে তিনি তাৎক্ষণিক অবমুক্ত (স্ট্যান্ড রিলিজ) বলে গণ্য হবেন।

 

পবিত্র আশুরার ছুটি কবে, জানা গেল

নিজস্ব প্রতিবেদক
পবিত্র আশুরার ছুটি কবে, জানা গেল
সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশের আকাশে মঙ্গলবার (১৬ জুন) পবিত্র মহররম মাসের চাঁদ দেখা গেছে। আগামী বুধবার (১৭ জুন) থেকে মহররম মাস গণনা শুরু হবে। সারা দেশে আগামী ২৬ জুন (শুক্রবার) পবিত্র আশুরা পালিত হবে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)।

আশুরা আরবি শব্দ। আশারা থেকে আশুরা শব্দের উৎপত্তি। এর অর্থ হচ্ছে দশ। আরবি সনের প্রথম মাস মহররমের ১০ তারিখকে পবিত্র আশুরা বলা হয়।
 
আশুরা দিবসে বহু স্মরণীয় ও ঐতিহাসিক ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। মহান আল্লাহ যেদিন আকাশ, বাতাস, পাহাড়-পর্বত, নদী-নালা, জান্নাত-জাহান্নাম, লাওহে মাহফুজ ও যাবতীয় সৃষ্টি-জীবের আত্মা সৃষ্টি করেছিলেন সে দিনটি ছিল ১০ মহররম তথা পবিত্র আশুরার দিন।

মহররম মাসের চাঁদ দেখা গেছে

অনলাইন ডেস্ক
মহররম মাসের চাঁদ দেখা গেছে

দেশের আকাশে ১৪৪৮ হিজরি সনের পবিত্র মহররম মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ফলে বুধবার (১৭ জুন) থেকে পবিত্র মহররম মাস গণনা করা শুরু হবে। হিসাব অনুযায়ী, আগামী ২৬ জুন পবিত্র আশুরা পালিত হবে।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সন্ধ্যায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ তথ্য জানানো হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (সচিবের রুটিন দায়িত্ব) মো. ফজলুর রহমান।

১৪৪৮ হিজরি সনের পবিত্র মহররম মাসের চাঁদ দেখা সম্পর্কে সব জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) হতে প্রাপ্ত তথ্য পর্যালোচনা করে এ তথ্য জানিয়েছে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি।

সভায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক আ. ছালাম খান, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি আবদুল মালেক, প্রধান তথ্য অফিসার মো. শাহ আলম, বাংলাদেশ টেলিভিশনের পরিচালক মো. জহিরুল ইসলাম, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মো. মাহবুব আলম, সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়া ঢাকার অধ্যক্ষ অধ্যাপক ওবায়দুল হক, ইসলামিক ফাউন্ডেশন দ্বীনি দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের পরিচালক ড. মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মো. মমিনুল ইসলাম, বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠানের (স্পারসো) মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মুহাম্মদ শহিদুল ইসলাম, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্ম সচিব মো. খোরশেদ আলম খান, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা ডক্টর গোলাম মহিউদ্দিন ইকরাম, ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজ কেন্দ্রীয় মসজিদের ইমাম ও খতিব মুফতি মাওলানা মো. মহিউদ্দিন, চকবাজার শাহী জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মুফতি শেখ নাঈম রেজওয়ান, লালবাগ শাহী জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মুফতি মাওলানা মোহাম্মদ নিয়ামতুল্লাহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।