• ই-পেপার

১৬ মে চাঁদপুর সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সেনাপ্রধানের সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
সেনাপ্রধানের সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ
সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত এইচ ই মিস্টার কিম জি-জুন।

সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত এইচ ই মিস্টার কিম জি-জুন সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। 

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সেনা সদরে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়। এ সময় রাষ্ট্রদূতের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদলের বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়।  

সাক্ষাৎকালে পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময়ের পাশাপাশি বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যকার বিদ্যমান সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক, দ্বিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। 

গণমাধ্যম খাতে সহযোগিতা জোরদারে বাংলাদেশ-চীন ৪ সমঝোতা স্মারক সই

অনলাইন ডেস্ক
গণমাধ্যম খাতে সহযোগিতা জোরদারে বাংলাদেশ-চীন ৪ সমঝোতা স্মারক সই

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে গণমাধ্যম খাতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদার, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং তথ্য আদান-প্রদান বৃদ্ধির লক্ষ্যে চারটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বেইজিংয়ের ঐতিহাসিক ‘গ্রেট হল অব দ্য পিপল’-এ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের উপস্থিতিতে এসব এমওইউ সই হয়।

বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে সমঝোতা স্মারকগুলোতে সই করেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। চীনের পক্ষে সই করেন দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ‘সিনহুয়া নিউজ এজেন্সি’ এবং ‘চায়না মিডিয়া গ্রুপ’ (সিএমজি)-এর প্রধানরা।

এক সরকারি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সই হওয়া এই সমঝোতা স্মারকগুলোর আওতায় বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে সংবাদ ও তথ্য বিনিময়ে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা, গণমাধ্যম খাতে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারি, গ্লোবাল সাউথভুক্ত গণমাধ্যম বিষয়ে যৌথ গবেষণা, আধুনিক প্রযুক্তির পারস্পরিক ব্যবহার এবং সম্প্রচার ক্ষেত্রে কারিগরি সহযোগিতা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের নতুন সুযোগ সম্প্রসারিত হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই সমঝোতা স্মারকগুলো দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরো সুদৃঢ় করবে এবং গণমাধ্যম ও তথ্য খাতে পারস্পরিক সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

অল্প সময়ের মধ্যে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু : পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
অল্প সময়ের মধ্যে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু : পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

অল্প সময়ের মধ্যেই তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে একটি জাতীয় গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন। ‘ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স, ওয়াটার সিকিউরিটি অ্যান্ড সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক এ আয়োজনের উদ্যোগ নেয় যুব সংগঠন ইয়াং ক্লাইমেট অ্যাকশন নেটওয়ার্ক (ইউক্যান)। সহযোগিতায় ছিল পরিবেশ অধিদপ্তর। সমর্থন দেয় পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়। অংশীদার ছিল নিরাপদ অ্যালায়েন্স।

বৈঠকে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলা, পানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং টেকসই উন্নয়ন এগিয়ে নিতে সমন্বিত নীতি ও কার্যকর অর্থায়নের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন নীতিনির্ধারক, বিশেষজ্ঞ ও উন্নয়নকর্মীরা।

4

প্রতিমন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করেছে। তবে সামনে বড় চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে। পানি নিরাপত্তা, নদী ব্যবস্থাপনা, জলবায়ু অভিযোজন ও দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসের বিষয়গুলো সমন্বিতভাবে দেখতে হবে।

তিনি জানান, নদী পুনরুদ্ধার, খাল খনন, নিরাপদ পানির প্রাপ্যতা বৃদ্ধি এবং জলবায়ু সহনশীল পানি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা সরকারের অগ্রাধিকার। এসব উদ্যোগ পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সহায়তা করবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরো নিরাপদ ভিত্তি গড়ে তুলবে।

ফারাক্কা চুক্তির গুরুত্ব তুলে ধরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে স্মরণ করেন ফরহাদ হোসেন আজাদ। এ ছাড়া পদ্মা ব্যারাজ ও তিস্তা প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়েও কথা বলেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, জলবায়ু সংকট নিরসনে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তরুণদের ভূমিকাও তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী। তার মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের ভুক্তভোগী হওয়ার পাশাপাশি তরুণরা এখন সমাধানেরও অংশ। তরুণদের কণ্ঠই জলবায়ু মোকাবেলা করতে পারবে।

এ সময় পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক শওকত আলী বলেন, জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা (ন্যাপ) ও জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান (এনডিসি) বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে বাংলাদেশ। এখন প্রয়োজন বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, প্রতিষ্ঠান ও অংশীজনের মধ্যে কার্যকর সমন্বয়।

তিনি বিজ্ঞানভিত্তিক পরিকল্পনা, তথ্যনির্ভর সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বৈঠকে অতিথি বক্তা অনুসন্ধানী সাংবাদিক মুনতাসির তাসরিপ পটুয়াখালীসহ দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় মানুষের ঝুঁকির বিষয়গুলো তুলে ধরেন।

ইউক্যানের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক যুধিষ্ঠির চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, জলবায়ু বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় তরুণদের অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা সময়ের দাবি। জলবায়ু সহনশীলতা, পানি নিরাপত্তা ও টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে সব পক্ষকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

গোলটেবিল বৈঠকে সরকারি কর্মকর্তা, জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধি, উন্নয়ন সহযোগী, গবেষক, পরিবেশ বিশেষজ্ঞ, গণমাধ্যমকর্মী, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের তরুণ জলবায়ু নেতারা অংশ নেন।

আলোচনায় উঠে আসে জলবায়ু ঝুঁকির পরিবর্তিত চিত্র। গুরুত্ব পায় পানি সংকট, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর হ্রাস, উপকূলীয় অঞ্চলের লবণাক্ততা বৃদ্ধি, জলবায়ু অর্থায়ন এবং দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসের বিষয়। আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন বক্তারা।

আলোচকদের মতে, বৈশ্বিক গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণে বাংলাদেশের অবদান খুবই কম। তবু জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর একটি বাংলাদেশ। দেশের প্রায় ৫৬ শতাংশ মানুষ উচ্চ জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাস করে। এ কারণে স্থানীয় পর্যায়ে অভিযোজন কার্যক্রম জোরদার করা জরুরি। প্রয়োজন জলবায়ু অর্থায়নের প্রবাহ বৃদ্ধি। পানিসম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনাকেও অগ্রাধিকার দিতে হবে।

বৈঠক শেষে অংশগ্রহণকারীরা জলবায়ু সহনশীলতা ও পানি নিরাপত্তা জোরদারে সমন্বিত নীতিগত অবস্থানের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। বাস্তবায়নগত বাধা দূর করার সুপারিশ করেন। আন্ত মন্ত্রণালয় সমন্বয় বাড়ানোর আহ্বান জানান। জলবায়ু অর্থায়নের কার্যকারিতা বৃদ্ধির ওপরও গুরুত্ব দেন।

আয়োজকেরা জানান, বৈঠকের আলোচনা ও সুপারিশের ভিত্তিতে একটি ‘পলিসি কনসেনসাস স্টেটমেন্ট’ প্রস্তুত করা হবে। পরে তা নীতিনির্ধারক, উন্নয়ন সহযোগী এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের কাছে উপস্থাপন করা হবে।

ফ্রান্স-বাংলাদেশ চেম্বারের সভাপতি ড. এরশাদ হুসাইন রানা

নিজস্ব প্রতিবেদক
ফ্রান্স-বাংলাদেশ চেম্বারের সভাপতি ড. এরশাদ হুসাইন রানা

ফ্রান্স-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (সিসিআইএফবি) ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন ড. মো. এরশাদ হুসাইন রানা। তিনি ডন গ্রুপের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

আজ বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত চেম্বারের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) শেষে নতুন পরিচালনা পর্ষদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব হস্তান্তর করা হয়। এ সময় দুই বছরের জন্য নতুন নেতাদের নির্বাচন করা হয়।

নতুন কমিটিতে সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন এক্সপো হোল্ডিংস (বিডি) লিমিটেডের ব্যবসা উন্নয়ন পরিচালক এম. এ. রিয়াজ এবং আই লজিস্টিকস (প্রা.) লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মো. জাহাঙ্গীর আলম সরকার। একই মেয়াদের জন্য কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত হয়েছেন অ্যাবিস্তা এফএস লিমিটেডের ফারজানা চৌধুরী।

চেম্বারের ১৭ সদস্যবিশিষ্ট পরিচালনা পর্ষদে নবনির্বাচিত কর্মকর্তাদের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন খাতের শীর্ষ ব্যবসায়ী ও করপোরেট ব্যক্তিত্বরা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

পরিচালক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন এবিএন গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ সাদাত আহমেদ, আখতার গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দাতো কে. এম. রিফাতুজ্জামান, বাংলাদেশ এক্সপোর্টস লিমিটেডের মার্কেটিং পরিচালক বদরিয়া আনিস, বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স কম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও আহমেদ সাইফুদ্দিন চৌধুরী, বেঙ্গল এয়ারলিফট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরিফ রহমান, এলিট সিকিউরিটি সার্ভিসেস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শরীফ আজিজ, ফারিহা নিট টেক্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আসাদুল ইসলাম, নোভো কার্গো সার্ভিসেস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস. এম. রহমান, প্যাসিফিক ডিজাইন অ্যান্ড সোর্সিংয়ের সিইও মোহাম্মদ রাশেদ, রেডিয়েন্ট করপোরেশনের প্রেসিডেন্ট ও সিইও এস. এ. বাহাদুর, তাশো এন্টারপ্রাইজেস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সালিমুল হক এসা, ইউনিগ্লোবাল বিজনেস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহমুদুল ইসলাম পারভেজ এবং ইউটাহ নিটিং অ্যান্ড ডাইং লিমিটেডের নির্বাহী পরিচালক সানা সাত্তার।

এজিএম-পরবর্তী বোর্ড ট্রানজিশন অনুষ্ঠানে নবনির্বাচিত নেতৃত্বকে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া হয়। পরে আয়োজিত মধ্যাহ্নভোজে চেম্বারের সদস্য, ব্যবসায়ী ও অতিথিরা অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ফ্রান্স ও বাংলাদেশের মধ্যকার বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে সিসিআইএফবি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে দুই দেশের ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরো শক্তিশালী হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।