• ই-পেপার

কালবৈশাখী হতে পারে আরো দুই-তিন দিন

রাজধানীতে প্রবাসীদের জন্য ১০০ শয্যার আবাসন ব্যবস্থা করছে সরকার

অনলাইন ডেস্ক
রাজধানীতে প্রবাসীদের জন্য ১০০ শয্যার আবাসন ব্যবস্থা করছে সরকার

বিদেশে গমনেচ্ছু প্রবাসীদের জরুরি প্রয়োজনে অবস্থান ও রাত্রিযাপনের সুবিধার্থে হজ ক্যাম্পে ১০০ শয্যার পৃথক আবাসন ব্যবস্থা চালু করছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশক্রমে এবং ধর্মমন্ত্রীর প্রস্তাবে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে তা বাস্তবায়িত হচ্ছে।

আজ সকালে রাজধানীর আশকোনায় ‌‘হজ্জ ক্যাম্প’ পরিদর্শন করেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। পরিদর্শনকালে তিনি বিদেশে গমনেচ্ছু প্রবাসীদের জরুরি প্রয়োজনে অবস্থান ও রাত্রিযাপনের সুবিধার্থে হজ ক্যাম্পে ১০০ শয্যার পৃথক আবাসন ব্যবস্থা চালুর কথা জানান। 

মন্ত্রী বলেন, বিদেশে গমনেচ্ছু কর্মীদের সুবিধার্থে বর্তমানে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় কর্তৃক পরিচালিত ‘ওয়েজ আর্নার্স সেন্টার’-এ ৪৯ জনের থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। তবে যেকোনো সংকটকালীন মুহূর্তে কিংবা আকস্মিক ফ্লাইট বাতিল হলে প্রবাসীদের ভোগান্তি কমাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিকটবর্তী হজ্জ ক্যাম্পে আরো ১০০টি শয্যার ব্যবস্থা করা হবে।

এর মধ্যে পুরুষদের জন্য ৫০টি এবং নারীদের জন্য পৃথক ৫০টি বেড থাকবে। এই উদ্যোগের সার্বিক অর্থায়ন করবে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ ‘ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড’।

বর্তমান সরকারের প্রবাসীবান্ধব নীতির কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, বর্তমান সরকার প্রবাসীদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করতে সম্পূর্ণ বদ্ধপরিকর। যুদ্ধবিগ্রহ বা বৈরী আবহাওয়াসহ নানা কারণে অনেক সময় ফ্লাইট বিলম্ব বা বাতিল হয়। এমন মুহূর্তে বিমানবন্দরে প্রবাসীরা যে আবাসন সংকটে পড়েন, হজ ক্যাম্পে এই শয্যা ব্যবস্থা প্রবাসীদের সেই দুর্ভোগ অনেকাংশে লাঘব করবে।

পরিদর্শনকালে অন্যান্যের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোখতার আহমেদ, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ এবং হজ্জ ক্যাম্পের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক
সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ
মো. সাহাবুদ্দিন।

সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশনে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে মানবতাবিরোধী অপরাধে এ অভিযোগ করা হয়।

রবিবার (২৬ জুলাই) বাংলাদেশ আজাদ পার্টি ও ও রাষ্ট্রসংলাপ ফোরামের পক্ষ থেকে ট্রাইব্যুনালে এই অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগে সাবেক আরেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের নামও রয়েছে। এ ছাড়া  ‘কালচারাল ফ্যাসিস্ট’ নামে কয়েকজন অভিনেতা-অভিনেত্রীর বিরুদ্ধেও অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগ দায়েরের পর ট্রাইব্যুনালে ব্রিফিং করে এসব তথ্য জানান অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল হাসিনুর রহমান।

পরে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, অভিযোগগুলো তো আমি পড়ে দেখিনি। একটা দিয়েছে আজাদ পার্টি। আরেকটা দিয়েছে রাষ্ট্রসংলাপ ফোরাম।

রাষ্ট্রসংলাপ ফোরাম জানায়, সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন (চুপ্পু)-এর বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান সংশ্লিষ্ট অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।

একইসঙ্গে সংগঠনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে বা সংশ্লিষ্ট সময়ে বিভিন্ন ব্যক্তি ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের কয়েকজনের ভূমিকা আইনানুগভাবে তদন্ত করা হোক। সংগঠনের প্রকাশিত তালিকায় রয়েছেন– ফেরদৌস আহমেদ, মেহের আফরোজ শাওন, রিয়াজ আহমেদ, অরুণা বিশ্বাস, শমী কায়সার, রোকেয়া প্রাচী, মাহিয়া মাহি, নিপুণ আক্তার, তানভীন সুইটি, হৃদি হক, জ্যোতিকা জ্যোতি, সাজু খাদেম, সোহানা সাবা, পিয়া জান্নাতুল, শামীমা তুষ্টি, হিরো আলম, আশনা হাবীব ভাবনা, সাইমন সাদিক, জায়েদ খান, সুজাতা আজিম, আজিজুল হাকিম, চন্দন রেজা, আসাদুজ্জামান নূর ও মারিয়া কিসপট্টা।

বঙ্গভবন ছাড়লেন মো. সাহাবুদ্দিন

অনলাইন ডেস্ক
বঙ্গভবন ছাড়লেন মো. সাহাবুদ্দিন
সংগৃহীত ছবি

পদত্যাগের দুদিন পর রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন বঙ্গভবন ছাড়লেন দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু। আজ রবিবার দুপুরে তিনি সপরিবারে বঙ্গভবন ছেড়ে যান। তার পরিবারের এক সদস্য কালের কণ্ঠকে জানিয়েছিলেন, বঙ্গভবন ছেড়ে সপরিবারে রাজধানীর গুলশানে নিজ বাসভবনে উঠবেন মো. সাহাবুদ্দিন।

বঙ্গভবন সূত্র জানিয়েছে, রবিবার দুপুর ২টা ২৫ মিনিটে সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতির গাড়ি বহর বঙ্গভবন থেকে গুলশানস্থ গ্রিন ভিলা বাসভবনের উদ্দেশে রওনা করে।

এর আগে শনিবার সন্ধ্যায় মো. সাহাবুদ্দিন বঙ্গভবনে ব্যক্তিগত নৈশভোজের আয়োজন করেন। সেখানে বঙ্গভবনের কর্মকর্তারা আমন্ত্রিত ছিলেন।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকালে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের কাছে স্বাক্ষরযুক্ত পদত্যাগপত্র পাঠান মো. সাহাবুদ্দিন। পদত্যাগপত্র হাতে পাওয়ার পর সংসদ ভবনের শপথকক্ষে সংবাদ সম্মেলন করে বিষয়টি জানান স্পিকার।

একই সঙ্গে সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের ঘোষণা দেন হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

প্রতি মাসে ১০০ মিলিয়ন ডলার পাচ্ছে আদানি, কমছে বিপিডিবির বকেয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রতি মাসে ১০০ মিলিয়ন ডলার পাচ্ছে আদানি, কমছে বিপিডিবির বকেয়া
সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) নিয়মিত অর্থ পরিশোধের কারণে ভারতের আদানি পাওয়ারের বকেয়া কমছে। বর্তমানে প্রতি মাসে গড়ে প্রায় ১০০ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ১ হাজার ২৩৪ কোটি টাকা) করে পাচ্ছে কোম্পানিটি।

আদানির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মাসিক বিদ্যুৎ বিলের চেয়ে পরিশোধের পরিমাণ কিছুটা বেশি হওয়ায় বকেয়া আরো কমবে।

সম্প্রতি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দু বিজনেস লাইন-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, চলতি বছরের জুন পর্যন্ত বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ বাবদ আদানি পাওয়ারের পাওনা ছিল প্রায় ৪০০ মিলিয়ন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা।

আদানি পাওয়ারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এস বি খালিয়া বলেন, বিপিডিবি নিয়মিত অর্থ পরিশোধ করছে। গত মাসেও বাংলাদেশ ১০০ মিলিয়ন ডলার পরিশোধ করেছে।

তিনি বলেন, গত অর্থবছরের প্রথম দিকে পাওনার পরিমাণ বেশি থাকলেও জুন ও জুলাইয়ে বড় অঙ্কের অর্থ পরিশোধের কারণে বকেয়া অনেকটাই কমেছে।

এদিকে, দুই পক্ষের মধ্যে কিছু অমীমাংসিত বিষয় সমাধানে সিঙ্গাপুর ইন্টারন্যাশনাল আরবিট্রেশন সেন্টারে (এসআইএসি) আবেদন করেছে আদানি পাওয়ার। বিষয়টি সমাধানে উভয় পক্ষই প্রতিনিধি নিয়োগ করেছে।

ভারতের ঝাড়খণ্ডের গোড্ডায় অবস্থিত আদানি পাওয়ারের দুটি ইউনিট থেকে বাংলাদেশে প্রতিদিন সর্বোচ্চ প্রায় ১ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। দেশের বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণে এ বিদ্যুৎ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।