• ই-পেপার

ঢাকাসহ ৫ জেলায় ঝড়ের শঙ্কা

আগামী ৫০ বছর আ. লীগের ফেরার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ : এমপি মাহবুবুর রহমান

অনলাইন ডেস্ক
আগামী ৫০ বছর আ. লীগের ফেরার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ : এমপি মাহবুবুর রহমান

ময়মনসিংহ-৭ আসনের সংসদ সদস্য ডা. মাহবুবুর রহমান জাতীয় সংসদে বলেছেন, আগামী ৫০ বছর আওয়ামী লীগের বোধ হয় ফিরে আসার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ‍দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১৫তম দিন বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। বেলা ১১টায় শুরু হওয়া সংসদের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগকে উদ্দেশ্য করে বলতে চাই— আওয়ামী লীগ তিনটি জেনারেশনকে ইনজুর্ড (আঘাত) করেছে। একটি হচ্ছে স্কুল, আরেকটি কলেজ, অন্য একটি ইউনিভার্সিটি। এটা হলো নিরাপদ সড়ক আন্দোলন, কোটা আন্দোলন, পরে হাসিনার খেদাও আন্দোলন। এই তিনটা জেনারেশন জীবিত থাকা অবস্থায়, আগামী ৫০ বছর আওয়ামী লীগের বোধহয় ফিরে আসার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ বলে মনে করেন তিনি।
 

রাষ্ট্রপতির কাছে দীনেশ ত্রিবেদীর পরিচয় পেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
রাষ্ট্রপতির কাছে দীনেশ ত্রিবেদীর পরিচয় পেশ
ছবি : পিআইডি

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের কাছে পরিচয় পেশ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের নতুন হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। আজ বৃহস্পতিবার সকালে বঙ্গভবনে গিয়ে পরিচয় পেশ করেন তিনি।

গত এপ্রিলে ভারত সরকার তাদের ১৬তম হাইকমিশনার হিসেবে ঢাকায় নিয়োগ দিয়েছে সাবেক রেলমন্ত্রী দীনেশ ত্রিবেদীকে। নতুন দায়িত্বে যোগ দিতে দীনেশ ত্রিবেদী ১২ জুন পশ্চিমবঙ্গ থেকে স্থলসীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পৌঁছান।


এদিকে হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীকে ইউনিয়ন ক্যাবিনেট মন্ত্রীর সমমর্যাদা দিয়েছে ভারত সরকার। গত ২৪ জুন ভারত সরকারের জারি করা এক অফিস স্মারকে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশে ভারতের হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালনরত দিনেশ ত্রিবেদীকে আনুষ্ঠানিক প্রটোকলের ক্ষেত্রে টেবিল অব প্রিসিডেন্সে ইউনিয়ন ক্যাবিনেট মন্ত্রীর সমপর্যায়ের মর্যাদা দেওয়া হয়েছে।

এই মর্যাদা শুধু আনুষ্ঠানিক ও রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানের জন্য প্রযোজ্য। এটি সম্পূর্ণরূপে দিনেশ ত্রিবেদীর ব্যক্তিগত মর্যাদা হিসেবে বিবেচিত হবে এবং ভারতের টেবিল অব প্রিসিডেন্সে কোনো কাঠামোগত পরিবর্তন আনবে না বলে স্মারকে উল্লেখ আছে।

মাদক মামলার বিচারে হচ্ছে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
মাদক মামলার বিচারে হচ্ছে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, মাদক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তাদের অস্ত্র দেওয়ার পাশাপাশি মাদক মামলার বিচারে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস উপলক্ষে সচিবালয়ের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে ১৫টি বেসরকারি মাদক পুনর্বাসনকেন্দ্রকে অনুদানের চেক হস্তান্তর করা হয়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশে এখন ৮২ লাখ মানুষ মাদকাসক্ত। সিনথেটিক ও সেমি সিনথেটিক মাদকের বিস্তারের কারণে বিপুলসংখ্যক মানুষ মাদকাসক্ত হয়ে পড়েছে। বিদ্যমান মাদক আইনে মাদক নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি করা যাচ্ছে না। কারণ মাদকচক্রগুলো অত্যাধুনিক অস্ত্র ব্যবহার করছে। আর আমাদের কর্মকর্তাদের কাছে কোনো অস্ত্র নেই।

তিনি বলেন, অনেকটা ‘ঢাল নেই তলোয়ার নেই নিধিরাম সর্দারে’র মতো। এজন্য আমরা মাদক আইনটা সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছি। একটা আইনি কাঠামোর দাঁড়ানোর চেষ্টা করছি। হয়তো এই সংসদেই সেটা উঠবে।

মাদকের অনেক মামলা আদালতে ঝুলছে জানিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ঢাকায় মাদকের ৮০ হাজার মামলা পেন্ডিং আছে। বিভিন্ন জেলায় আরো অনেক মামলা ঝুলছে।

এ বিপুলসংখ্যক মামলার বিচার প্রথাগতভাবে করা কঠিন মন্তব্য করে তিনি বলেন, মাদক মামলার বিচারের জন্য স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল গঠনের প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে, পাশাপাশি প্রথাগত আদালতেও এর বিচার কাজ চলবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসায় ১৪১৩ কোটি টাকা ব্যয়ে সাতটি বিভাগীয় শহরে ২০০ শয্যাবিশিষ্ট মাদকাসক্ত নিরাময় ও পুনর্বাসনকেন্দ্র নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। বেসরকারি মাদক নিরাময়কেন্দ্রগুলোকে উৎসাহিত করার অংশ হিসেবে ৭৩টি কেন্দ্রকে এক কোটি ১০ লাখ টাকা অনুদান দেওয়া হচ্ছে।

বিগত সময়ের ১৩০০ উন্নয়ন প্রকল্প আমাদের জন্য বোঝা : অর্থমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
বিগত সময়ের ১৩০০ উন্নয়ন প্রকল্প আমাদের জন্য বোঝা : অর্থমন্ত্রী

বিগত সময়ের ১৩০০ উন্নয়ন প্রকল্পকে বর্তমান সরকার ‘গলার কাঁটা’ মনে করছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘আমরা দায়িত্বে এসে ১৩০০ উন্নয়ন প্রকল্প পেয়েছি। এগুলো আমাদের জন্য বোঝা। না গিলতে পারছি, না ফেলতে পারছি। এসব প্রকল্প পর্যালোচনা করেছি। আমরা ডিরেগুলেশনে যাচ্ছি। সব প্রকল্প কাছ থেকে মনিটর করা হবে।’

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীতে ‘ডিবেটিং বাজেট অ্যান্ড বিওন্ড’ শীর্ষক এক সেমিনারে এই কথা জানান তিনি।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘গ্রামগঞ্জে মৃৎশিল্প, শীতলপাটিসহ বিভিন্ন খাতের যেসব কারিগররা রয়েছেন তাদের এগিয়ে নিতে সৃজনশীল অর্থনীতির উদ্যোগ নিয়েছি। আমরা তাদের কাজ আরো মার্কেট অ্যাবল করতে চাই। যা এখন ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে তা ২০০০ টাকায় বিক্রি হবে। তাদের আয় বাড়লেই তো জিডিপি বাড়বে।’

লোকসংগীতের কথা উল্লেখ করে আমির খসরু বলেন, ‘আমরা গান, কালচার, চলচ্চিত্র—সবই মনিটাইজ করতে চাই। বিনোদন একটি আয়ের উৎস।’

দেশের ঐতিহ্যবাহী স্থানগুলোকে সংস্কারের মাধ্যমে পর্যটন খাতে যুক্ত করতে চান জানিয়ে তিনি বলেন, তাই আমরা সৃজনশীল অর্থনীতিতে বরাদ্দ দিতে।

আর্থিক খাতে কোনো রাজনৈতিক নিয়োগ হয়নি দাবি করে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘একজন ছাড়া আমি কাউকেই চিনি না।’ এ সময় তিনি কৃষি খাতকে সরকার সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছে বলেও জানান।

ঢাকাসহ ৫ জেলায় ঝড়ের শঙ্কা | কালের কণ্ঠ