• ই-পেপার

ঈদের জামাতে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় দোয়া

ইঞ্জিন বিকলের পর ঢাকা-চট্টগ্রাম আপ লাইনে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক

নিজস্ব প্রতিবেদক
ইঞ্জিন বিকলের পর ঢাকা-চট্টগ্রাম আপ লাইনে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক
কুমিল্লায় সোনার বাংলা এক্সপ্রেস ট্রেনের ইঞ্জিন লাইনচ্যুত

ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের গুনবতী-হাসানপুর সেকশনে ইঞ্জিন বিকল হওয়া ‘সোনার বাংলা এক্সপ্রেস’ ট্রেনটি উদ্ধার করা হয়েছে। এর ফলে দীর্ঘক্ষণ বন্ধ থাকার পর ওই রেলপথে পুনরায় আপ লাইন দিয়ে ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে।

বুধবার (২৪ জুন) রেলপথ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা রেজাউল করিম সিদ্দিকী কালের কণ্ঠকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, আজ সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী ৭৮৭ আপ (সোনার বাংলা এক্সপ্রেস) ট্রেনটি গুনবতী ও হাসানপুর স্টেশনের মধ্যবর্তী ১০৯/৬ কিলোমিটার এলাকায় পৌঁছালে এর ৩০১৩ নম্বর ইঞ্জিনটি হঠাৎ বিকল হয়ে পড়ে।

এতে ঢাকা-চট্টগ্রাম আপ লাইনে ট্রেন চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায় এবং লাইনটি ব্লক হয়ে পড়ে। ঘটনার পরপরই রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে দ্রুত উদ্ধার তৎপরতা শুরু করা হয়।

এসময় পাহাড়তলী লোকোশেড থেকে ৩০১৯ নম্বর একটি রিলিফ (উদ্ধারকারী) ইঞ্জিন দুর্ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। রিলিফ ইঞ্জিনটি বিকল হয়ে যাওয়া ট্রেনটিকে টেনে নিয়ে আসার পর আপ লাইনটি সম্পূর্ণ ক্লিয়ার করা হয়।

রেলপথ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বর্তমানে আপ লাইন দিয়ে ট্রেন চলাচল পুরোপুরি স্বাভাবিক ও নিরাপদ রয়েছে। তবে সাময়িক এই বিঘ্নের কারণে পেছনের কয়েকটি ট্রেনের শিডিউল কিছুটা বিলম্বিত হতে পারে।

বিজ্ঞানীদের মৌলিক গবেষণায় আত্মনিয়োগ করতে হবে : কৃষিমন্ত্রী

বাসস
বিজ্ঞানীদের মৌলিক গবেষণায় আত্মনিয়োগ করতে হবে : কৃষিমন্ত্রী

কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, দেশের টেকসই উন্নয়ন ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে বিজ্ঞানীদের বাজেটনির্ভর নয়, বরং খাদ্যের পুষ্টিগুণ, নিরাপত্তা ও জনস্বাস্থ্যের বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে মৌলিক, উদ্ভাবনী ও মানসম্পন্ন গবেষণায় আত্মনিয়োগ করতে হবে।

বুধবার (২৪ জুন) বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএফআরআই) বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে কনফারেন্স কক্ষে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়সভায় তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী গবেষণার প্যাটেন্ট গ্রহণ এবং কৃষিকে যুগোপযোগী করতে উৎপাদনশীল প্রকল্প গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, কৃষি এগিয়ে গেলেই দেশ এগিয়ে যাবে। নিজ নিজ দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করলে দেশ আরো এগিয়ে যাবে।

তিনি আরো বলেন, পৃথিবীতে খাদ্য উৎপাদনের অভাব নেই, অভাব আছে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের। তাই সরকার নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে গুরুত্ব দিচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, ভেজাল ও নিম্নমানের খাবারের কারণে মৎস্য ও কৃষি খাতের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী, মাছের খাদ্য উৎপাদনের কাঁচামাল নিরাপদভাবে উৎপাদন করা জরুরি। বিশ্ববাজারে স্বাদুপানির মাছের চাহিদা কম। তাই নিরাপদ উপায়ে উৎপাদন বাড়িয়ে পরবর্তীতে রপ্তানি করা হবে।

কৃষিখাতের মতো মৎস্য চাষে ভর্তুকিমূল্যে বিদ্যুৎ সরবরাহের বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, মৎস্যচাষিদের এ দাবি অত্যন্ত যৌক্তিক। বিষয়টি নিয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

৪ মোবাইল অপারেটরের কাছে বকেয়া রাজস্ব ১৩১৪৪ কোটি টাকা

অনলাইন ডেস্ক
৪ মোবাইল অপারেটরের কাছে বকেয়া রাজস্ব ১৩১৪৪ কোটি টাকা

দেশের চারটি মোবাইল ফোন অপারেটরের কাছে সরকারের মোট বকেয়া রাজস্বের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ১৪৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বকেয়া রয়েছে বেসরকারি অপারেটর গ্রামীণফোন লিমিটেডের কাছে, আর দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল অপারেটর টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড।

আজ বুধবার (২৪ জুন) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এ তথ্য জানান। কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফর রহমানের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী অপারেটরগুলোর বকেয়ার বিস্তারিত হিসাব তুলে ধরেন।

সংসদে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন লাইসেন্স ফি, রেভিনিউ শেয়ারিং, স্পেকট্রাম ফি, প্রশাসনিক জরিমানা, সামাজিক দায়বদ্ধতা তহবিল (এসওএফ) এবং নিরীক্ষা (অডিট) আপত্তিজনিত দাবির কারণে অপারেটরগুলোর কাছে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ পাওনা হয়েছে।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গ্রামীণফোনের কাছে সরকারের বকেয়া সবচেয়ে বেশি, যার পরিমাণ ৬ হাজার ১০২ কোটি টাকা। ইনফরমেশন সিস্টেম অডিট আপত্তি এবং ভ্যাট-সংক্রান্ত বিভিন্ন দাবির পরিপ্রেক্ষিতে এই পাওনা তৈরি হয়েছে। বর্তমানে এই সংক্রান্ত মামলা উচ্চ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।

রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের কাছে বকেয়ার পরিমাণ ৫ হাজার ৯৫৪ কোটি টাকা। দীর্ঘদিন ধরে লাইসেন্স ফি, রেভিনিউ শেয়ারিং, স্পেকট্রাম ফি ও অন্যান্য খাতে এই পাওনা আদায়ের বিষয়টি ঝুলে রয়েছে।

বেসরকারি অপারেটর রবি আজিয়াটা লিমিটেডের কাছে সরকারের পাওনা ৬১৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে অডিট আপত্তিজনিত দাবি এবং রেভিনিউ শেয়ারিং-সংক্রান্ত পাওনা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই পাওনা আদায়ের বিষয়টিও বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন।

এছাড়া বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশনস লিমিটেডের কাছে সরকারের বকেয়া দাঁড়িয়েছে ৪৭৩ কোটি টাকা। অডিট আপত্তি ও রেভিনিউ শেয়ারিং-সংক্রান্ত বিভিন্ন দাবির কারণে এই অর্থ পাওনা হয়েছে বলে সংসদে জানানো হয়।
 

আগামীতে বিদেশি ঋণ পরিশোধের দায় বাড়বে : অর্থমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
আগামীতে বিদেশি ঋণ পরিশোধের দায় বাড়বে : অর্থমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

গত মার্চ মাসে বাংলাদেশের মোট বিদেশি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭৮২২৩ দশমিক ৪৪৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘বিপুল এই ঋণের কারণে আগামী বছরগুলোতে ঋণের আসল ও সুদ পরিশোধের দায় বাড়বে।’ বুধবার (২৪ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১৪তম দিনে প্রশ্নোত্তর পর্বে এই তথ্য জানান মন্ত্রী।

জামালপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলের লিখিত প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী আরো জানান, মোট ঋণের মধ্যে ৬১ দশমিক ৯৭ শতাংশ কনসেশনাল বা সহজ শর্তের ঋণ আর ৩৮ দশমিক ০৩ শতাংশ নন-কনসেশনাল ঋণ।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বৈদেশিক ঋণ ব্যবস্থাপনার বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “বিশ্বব্যাংকের হিসাব মতে, ২০১৫ সালে বাংলাদেশ নিম্ন আয়ের দেশ হতে নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশে উত্তরণের ফলে আমাদের বৈদেশিক ঋণের কনসেশনালিটি ধীরে ধীরে কমে আসছে। পাশাপাশি একই সময় থেকে সরকারের বৈদেশিক ঋণ গ্রহণের পরিমাণ ও বিপুলভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে সামনের বছরগুলোতে ঋণের আসল ও সুদ পরিশোধের দায় বৃদ্ধি পাবে।”  

অর্থমন্ত্রী জানান, এসব চ্যালেঞ্জ মাথায় রেখে তার সরকার বেশ কিছু সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিয়েছে। তিনি বলেন, “নতুন বৈদেশিক ঋণ গ্রহণের ক্ষেত্রে ঋণ প্রস্তাব ও সংশ্লিষ্ট প্রকল্প প্রস্তাব নিবিড়ভাবে যাচাই করা হচ্ছে যাতে উচ্চ সুদের বৈদেশিক ঋণের মাধ্যমে কোনো অপ্রয়োজনীয় বা কম গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প বাস্তবায়িত না হয়। যেসব প্রকল্পের উচ্চ ইকোনমিক রিটার্ন রয়েছে শুধু সেসব প্রকল্পের জন্যই বৈদেশিক ঋণ বিবেচনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি বৈদেশিক ঋণে বাস্তবায়িত প্রকল্পগুলোর সময় বৃদ্ধি ও ব্যয় বৃদ্ধির সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসার জন্য আমরা প্রকল্পের নিবিড় তদারকি শুরু করেছি। আমরা সরকারের মধ্যমেয়াদি ঋণ ব্যবস্থাপনা নীতি (মিডিয়াম টার্ম ডেট ম্যানেজমেন্ট স্ট্র্যাটেজি) হালনাগাদ করার কাজ করছি। ঋণ ব্যবস্থাপনাকে টেকসই ও সহনশীল করার লক্ষ্যে আমরা ডেট সাসটেইনেবিলিটি অ্যানালাইসিস (ডিএসএ) করছি। সব শেষে, সরকারের ঋণ ব্যবস্থাপনার সার্বিক গুণগতমান উন্নয়নের জন্য আমরা শিগিরই প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি সংস্কারের জন্য একটি পরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ শুরু করেছি।”  

ঈদের জামাতে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় দোয়া | কালের কণ্ঠ