• ই-পেপার

বাংলাদেশে স্টারলিংক চালুর বিষয়ে যা জানা গেল

প্রধানমন্ত্রী

শিক্ষাখাতের আধুনিকায়নে কাজ করছে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
শিক্ষাখাতের আধুনিকায়নে কাজ করছে সরকার
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শিক্ষাখাতের আধুনিকায়ন ও পরিমার্জন এবং সময়োপযোগী করে তুলতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আগামীকাল অনুষ্ঠিতব্য ‘প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা) ২০২৬’ উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন। এই আয়োজন অবশ্যই ইতিবাচক উদ্যোগ বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন,  "সরকার ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ শীর্ষক নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে শিক্ষাখাতের আধুনিকায়ন ও পরিমার্জন এবং সময়োপযোগী করে তুলতে কাজ করছে।"

এরই অংশ হিসেবে পাঠ্যক্রমে খেলাধুলাও অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে। চতুর্থ শ্রেণি থেকে উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে ফুটবল, ক্রিকেট, দাবা, কারাতে ও সাঁতার এসব খেলা পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

তারেক রহমান বলেছেন, ‘জাতি গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ হলো শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে বিনিয়োগ। একটি আত্মবিশ্বাসী, দক্ষ ও মানবিক প্রজন্ম গড়ে তোলার জন্য পাঠ্য বিষয় শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলা, সংস্কৃতি ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে গুরুত্ব অনস্বীকার্য।’

শুধু তাত্ত্বিক নয়, ব্যবহারিক ক্লাস ও মূল্যায়নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের এই ক্রীড়া কার্যক্রমে অংশ নিতে হবে বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, 'আমার বিশ্বাস, এর ফলে মাদকাসক্তি, মোবাইল ফোন আসক্তির মতো সামাজিক সমস্যা রুখে দিতে সহায়ক হবে।'

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, এ টুর্নামেন্টে বালক ও বালিকা দল সমান সুযোগ নিয়ে অংশগ্রহণ করেছে। এ বছর সারা দেশে বালক ও বালিকা দল মিলিয়ে মোট ১ লাখ ২৩ হাজার ৯৭৪টি খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট কলেবর বিবেচনায় বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুটবল টুর্নামেন্ট হিসেবে বিবেচিত।

বর্তমান সরকার শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের সঙ্গে মনন বিকাশে লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণে গুরুত্বারোপ করছে। এর ফলে দেশে ও আন্তর্জাতিক আয়োজনে আমাদের ছেলেমেয়েরা খেলাধুলায়, বিশেষ করে ফুটবলে, সাফল্য অর্জন করছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, আমি বিশ্বাস করি, এই টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারীরা হবে আমাদের আগামীর উজ্জ্বল মুখ, যারা দেশকে আন্তর্জাতিক পরিসরে নতুনভাবে আলোকিত করবে। আমি ‘প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা) ২০২৬’-এর সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করি।

একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি আল মুজাহিদী আর নেই

অনলাইন ডেস্ক
একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি আল মুজাহিদী আর নেই
সংগৃহীত ছবি

একুশে পদকপ্রাপ্ত প্রখ্যাত কবি আল মুজাহিদী ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুর ২টায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন তিনি। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সাইফুল্লাহ মানসুর।

জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরেই বার্ধক্যজনিত সমস্যাসহ হৃদরোগে ভুগছিলেন কবি আল মুজাহিদী। গত এক বছর আগে চিকুনগুনিয়া হওয়ায় তখন থেকেই তিনি একেবারে বিছানায় পড়ে যান। তিনি এক সময় দৈনিক ইত্তেফাকের সাহিত্য সম্পাদক ছিলেন। ছাত্রজীবনে ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। একাত্তরে মহান মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন তিনি।

তার প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা অনেক। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে- হেমলকের পেয়ালা, ধ্রুপদ ও টেরাকোটা, যুদ্ধ নাস্তি, মৃত্তিকা অতি-মৃত্তিকা, প্রিজন ভ্যান, দিদেলাস ও ল্যাবিরিস্থ, ঈডের হ্যামলেট, ‎প্রাচ্য পৃথিবী, পৃথিবীর ধুলো, সৌর জোনাকি, ‎ভিতা নুওভা, অ্যাকাডেমাসের বাগান, আল মুজাহিদীর শ্রেষ্ঠ কবিতা, আল মুজাহিদীর প্রেমের কবিতা, সন্ধ্যার বৃষ্টি, কালেরবন্দীতে, ‎পাখির পৃথিবী, ‎আলবাট্রাস, ‎ভঙুর গোলাপ, ‎কাঁদো হিরোশিমা কাঁদো নাগাসাকি ও ‎পালকি চলে দুলকি তালে প্রভৃতি।

উপন্যাসসমূহের মধ্যে রয়েছে প্রথম প্রেম, ‎চাঁদ ও চিরকুট, ‎মিলু এট ও স্যোন্যাটা, ‎লাল বাতির হরিণ, ‎রুপোলি রোদ্দুর, ‎আলোর পাখিটা, ‎ছুটির ছুটি, খোকার আকাশ ও খোকার যুদ্ধ। গল্পগ্রন্থ- ‎প্রপঞ্চের পাখি, ‎বাতাবরণ ও ভরা কটাল মরা কটালের চাঁদ। এছাড়া শিশুসাহিত্যের মধ্যে রয়েছে- হালুম হুলুম, ‎তালপাতার সেপাই, শেকল কাটে খাঁচার পাখি, সোনার মাটি রূপোর মাটি ও ‎ইস্টিশানে হুইসেল।

এ ছাড়া প্রবন্ধগ্রন্থ- সমাজ ও সমাজতত্ত্ব। ‎অনুবাদগ্রন্থ- ‎কাইফি আজমির কবিতা, ‎পৃথিবীর কবিতা, ‎আহমদ ফরাজের কবিতা, ‎উর্দু কবিতা, হিন্দি কবিতা ও ‎হাইনরীশ হাইনের কবিতা। গবেষণাগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে- কালান্তরের যাত্রী।

কবি আল মুজাহিদী জীবন ও কর্মের স্বীকৃতিস্বরূপ জীবনানন্দ দাশ একাডেমি পুরস্কার, ‎কবি জসীম উদ্‌দীন একাডেমি পুরস্কার, ‎মাইকেল মধুসূদন একাডেমি পুরস্কার, শেরে বাংলা সংসদ পুরস্কার, ‎জয়বাংলা সাহিত্য পুরস্কার, বাসাসপ কাব্যরত্ন পদক ও একুশে পদক লাভ করেন।

রিজার্ভ চুরি মামলার খসড়া চার্জশিট নিয়ে প্রকাশিত তথ্য সিআইডির নয়

অনলাইন ডেস্ক
রিজার্ভ চুরি মামলার খসড়া চার্জশিট নিয়ে প্রকাশিত তথ্য সিআইডির নয়

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির মামলার ‘খসড়া চার্জশিট’ বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে যে প্রকাশ করা হয়েছে, তা সংস্থার কোনো কর্মকর্তা সরবরাহ করেননি বলে জানিয়েছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। শুক্রবার সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খানের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সিআইডি বলেছে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ চুরি মামলার তদন্ত-সংক্রান্ত বিষয়ে সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে সিআইডির কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে খসড়া চার্জশিট সম্পর্কে যে তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে, সংস্থার কোনো কর্মকর্তা সেই তথ্য গণমাধ্যমকে সরবরাহ করেননি।

প্রকাশিত বক্তব্যগুলোকে সিআইডির আনুষ্ঠানিক অবস্থান হিসেবে গণ্য না করার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, বহুল আলোচিত রিজার্ভ চুরি মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন। তদন্তের স্বার্থে এ মুহূর্তে মামলার বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা সম্ভব নয়। তদন্ত কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার পর আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে এবং পরবর্তীতে প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে মামলার হালনাগাদ তথ্য জানানো হবে।

জাতীয় প্রেস ক্লাবে দেশি ফলের প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
জাতীয় প্রেস ক্লাবে দেশি ফলের প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত

দেশি ফলের সম্ভার ও দেশাত্মবোধক গানের আয়োজনে জাতীয় প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে ৪২ ধরনের দেশি ফলের প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

আজ শুক্রবার এ প্রদর্শনী উদ্বোধন করেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। জাতীয় প্রেস ক্লাব থিম সং ‘প্রেস ক্লাব আমাদের সেকেন্ড হোম’ পরিবেশনার মধ্য দিয়ে প্রদর্শনীটি উদ্বোধন করা হয়।

প্রেস ক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভূঁইয়া ও অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ক্লাবের ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য এবং বিশেষ অনুষ্ঠান ও আপ্যায়ন উপকমিটির আহ্বায়ক কাদের গনি চৌধুরী।

এ সময় গান পরিবেশন করেন তামান্না হক, শাহরিয়ার রাফাত, মিনি আলাউদ্দিন ও বাবু। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ফল উৎসব ও সংগীত  উপভোগ করেন ক্লাব সদস্য ও তাদের পরিবারের সদস্যরা।

দেশি ফলের সম্ভারের মধ্যে ছিল আম্রপালি, ফজলি, জাম্বুরা, কলা, কামরাঙা, আমলকী, আমড়া, পেঁপে, কাঁঠাল, আনারস, অড়বরই, কামরাঙা, পেয়ারা, করমচা, লটকন, ড্রাগন, ডেউয়া, জামরুল, তাল, আপেল, লেবু, বাতাবিলেবু, লিচু, কাঠ লিচু, হাঁড়িভাঙ্গা, বিলাতি গাব, জাম, ফজলি আম, সফেদা, তরমুজ, বাঙ্গি, সাম্মাম, আমলকী, আমড়া, মাখনা, তালের শাঁস, কাঠবাদাম, দেশি খেজুর  ইত্যাদি।

প্রেস ক্লাবের ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য কাজী রওনাক হোসেন, বখতিয়ার রানা, সৈয়দ আবদাল আহমদ, এ কে এম মহসিন, মাসুমুর রহমান খলিলী, শাহনাজ বেগম পলি, মোহাম্মদ মোমিন হোসেন ও ক্লাবের সিনিয়র সদস্যরা সপরিবারে উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশে স্টারলিংক চালুর বিষয়ে যা জানা গেল | কালের কণ্ঠ