• ই-পেপার

হাসিনাকে ফেরাতে ভারতকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাঠিয়েছে ঢাকা

স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনে ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যান তৈরি করা হচ্ছে : তথ্যমন্ত্রী

বাসস
স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনে ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যান তৈরি করা হচ্ছে : তথ্যমন্ত্রী

দেশে একটি স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনের লক্ষ্যে ‘ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যান’ (জাতীয় কর্মপরিকল্পনা) তৈরি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

আজ মন্ত্রণালয়ে তথ্যমন্ত্রীর অফিস কক্ষে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে, রাষ্ট্রদূতকে তিনি এ বিষয়ে জানান। সাক্ষাৎকালে তারা বাংলাদেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও বাকস্বাধীনতার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিশদ আলোচনা করেন।

বৈঠকে স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনে বর্তমান সরকারের উদ্যোগের প্রশংসা করেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার। 

এ বিষয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা প্রদানের আগ্রহ প্রকাশ করে তিনি বলেন, গণমাধ্যমে স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। বাংলাদেশ তা কাজে লাগাতে পারে।

রাষ্ট্রদূতের মন্তব্যের জবাবে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর। তবে স্বাধীনতার পাশাপাশি জনগণকে ভুল তথ্য ও অপতথ্য থেকে সুরক্ষা দেওয়াও সরকারের অন্যতম দায়িত্ব।’

তিনি আরও বলেন, এই দুই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই সরকার একটি স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনে কাজ করছে। 

তথ্যমন্ত্রী জানান, গণমাধ্যম খাতে সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের মতামতের ভিত্তিতে একটি ‘ড্রাফট কমিটি’ গঠন করা হবে। এই কমিটি একটি ‘ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যান’ তৈরি করে সরকারের কাছে উপস্থাপন করবে। পরবর্তীতে এই ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যানের ওপর ভিত্তি করেই স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠন করা হবে। 

প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
সংগৃহীত ছবি

প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত কিম জি-জুন। বুধবার (১৭ জুন)  প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।  

সাক্ষাৎকালে উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যকার বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং পারস্পরিক সহযোগিতা আরো সম্প্রসারণের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। বিশেষ করে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রযুক্তি, শিল্পায়ন, অবকাঠামো উন্নয়ন, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং দক্ষতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের দ্রুত অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশের প্রশংসা করেন। তিনি বাংলাদেশের ইলেকট্রনিক্স উৎপাদন ও প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগের ব্যাপারে দক্ষিণ কোরিয়ার আগ্রহের কথা উল্লেখ করেন। পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানি, তথ্যপ্রযুক্তি, উৎপাদন শিল্প এবং অন্যান্য সম্ভাবনাময় খাতেও সহযোগিতা ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের আগ্রহ প্রকাশ করেন।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন অংশীদারির প্রশংসা করেন এবং উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং শিল্প সহযোগিতা আরো জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বাংলাদেশে অধিকতর দক্ষিণ কোরীয় বিনিয়োগকে স্বাগত জানান এবং এ লক্ষ্যে সরকারের প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।

সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত বৈঠকে উভয় পক্ষ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়সমূহে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এবং বাংলাদেশ-দক্ষিণ কোরিয়া সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু

অনলাইন ডেস্ক
জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু
সংগৃহীত ছবি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট অধিবেশন শুরু হয়েছে। বুধবার (১৭ জুন) বিকেল ৩টা ২ মিনিটে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রমের সভাপতিত্বে পুনরায় অধিবেশন শুরু হয়।

পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অধিবেশন শুরু হয়।

১৬ লাখ টন তেল কিনবে সরকার, সিঙ্গাপুর যাচ্ছেন জ্বালানিমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
১৬ লাখ টন তেল কিনবে সরকার, সিঙ্গাপুর যাচ্ছেন জ্বালানিমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

জিটুজি (গভমেন্ট টু গভমেন্ট) পদ্ধতিতে বিভিন্ন দেশের ১০ কম্পানির কাছ থেকে ১৬ লাখ টন জ্বালানি তেল কিনবে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। তেলের দাম পড়বে প্রায় ১৬৫ কোটি ডলার বা (বাংলাদেশি ২০ হাজার কোটি টাকার মতো)। এই তেল কেনায় সমঝোতা করতে আগামী ২০ জুন সিঙ্গাপুরে যাচ্ছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের নেতৃত্বে একটি দল।

সরকারি একাধিক সূত্র জানায়, কম দামে তেল কেনায় সমঝোতা করতে এবারই প্রথম কোনো জ্বালানিমন্ত্রী দেশের বাইরে যাচ্ছেন। বিপিসির চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমানসহ মন্ত্রীর সঙ্গে যাচ্ছেন জ্বালানি বিভাগের একজন যুগ্মসচিব এবং বিপিসির কমার্শিয়াল বিভাগের কয়েকজন কর্মকর্তা। 

বিপিসির একটি সূত্র জানায়, বছরে ৭০ লাখ টনের মতো জ্বালানি তেল আমদানি করে সরবরাহ করা হয়। এর মধ্যে অর্ধেক তেল কেনা হয় দরপত্রের মাধ্যমে। বাকি অর্ধেক জিটুজি পদ্ধতিতে সমঝোতা করে কেনা হয়। জ্বালানি তেল সরবরাহ দেওয়ার জন্য ১০ দেশের সঙ্গে জ্বালানি বিভাগ এবং বিপিসির চুক্তি আছে। তার আওতায় ওইসব দেশের সরকারি-বেসরকারি কম্পানি বছরের জানুয়ারি-জুন এবং জুলাই-ডিসেম্বর দুই ভাগে তেল সরবরাহ করে। 

সূত্রটি আরো জানায়, এবারের সমঝোতায় যে ১৬ লাখ টন জ্বালানি তেল কেনার সমঝোতা হবে, তাতে অংশ নেবে-ইনক, পেট্রোচায়না, এনআরএল, আইওসিএল, পিটিটি, ইউনিপ্যাক, বিএসপি, কেপিসিটি ও কিউ ট্রেডিং এবং পেটকো মালয়েশিয়া।

জ্বালানি সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, জিটুজি ভিত্তিতে তেল কেনার প্রক্রিয়ায় তেলের দাম নিয়ে কোনো সমঝোতা হবে না। প্ল্যার্টসের দামের ফর্মুলা অনুযায়ী বিপিসি ওই তেলের দাম পরিশোধ করবে। জ্বালানিমন্ত্রীর নেতৃত্বে সমঝোতা হবে প্রিমিয়াম বা জাহাজ ও ইন্স্যুরেন্সসহ অন্যান্য খরচের হিসাব নিয়ে। আগামী জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ১৫ লাখ টনের পরিশোধিত তেল দরপত্রের মাধ্যমে কেনার প্রক্রিয়া অনেকটা সম্পন্ন করেছে বিপিসি। এতে প্রতি ব্যারেল পরিশোধিত তেলের প্রিমিয়াম হবে ১৩ দশমিক ১৮ সেন্ট থেকে ১৪ দশমিক ৭৮ সেন্ট। মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধকালীন জাহাজ চলাচলের ঝুঁকি বিবেচনা করে ওই প্রিমিয়াম চেয়েছে তেল সরবরাহকারীরা। আগামী শুক্রবার যুদ্ধ বন্ধের চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা থাকায় সেই প্রিমিয়াম অনেক কমে আসবে বলে মনে করছে বিপিসির কর্মকর্তারা। 

এদিকে বিশ্ববাজারে তেলের দামে স্বস্তি ফিরছে। মার্চ-এপ্রিলে যুদ্ধকালীন ৩০ হাজার টনের পরিশোধিত তেল কিনতে সরকারকে দিতে হয়েছিল ৫ কোটি ডলার। এখন সেটি সাড়ে তিন কোটি ডলারে নেমে এসেছে। সবশেষ প্ল্যার্টস ফর্মুলা অনুযায়ী বিপিসি এখন ডিজেল কিনছে প্রতি লিটার ১৬৩ টাকায়। এর মধ্যে এনবিআরের আমদানি শুল্ক আছে ৩৬ টাকা।

দেশে ১৪ জুন পর্যন্ত অকটেন ৫১ হাজার ৭৮ টন, পেট্রোল ২৮ হাজার ৮৩২ টন, জেট ফুয়েল ৫২ হাজার ৯০৪ টন, ডিজেল ৪ লাখ ৮৯ হাজার ৫৩৭ টন এবং ফার্নেস অয়েল আছে ৯৪ হাজার ৮৫৮ টন। এই তেল দিয়ে ৩২ দিনের বেশি চাহিদা মেটানো যাবে।

হাসিনাকে ফেরাতে ভারতকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাঠিয়েছে ঢাকা | কালের কণ্ঠ