• ই-পেপার

বিশ্বে বায়ুদূষণে আজ শীর্ষে ঢাকা

দেড় বছর ধরে জন্মনিয়ন্ত্রণ উপকরণ সংকট, সরবরাহ কমেছে

অনলাইন ডেস্ক
দেড় বছর ধরে জন্মনিয়ন্ত্রণ উপকরণ সংকট, সরবরাহ কমেছে

সরকারিভাবে বিতরণ করা পাঁচ ধরনের জন্মনিয়ন্ত্রণ উপকরণের সরবরাহ কমেছে। দেড় বছর ধরে এমন সংকট চলছে। অর্থ সংকট, ক্রয় ও সরবরাহ ব্যবস্থায় দীর্ঘসূত্রতা এবং বাজেট বাস্তবায়নের জটিলতার কারণে এ সংকট দেখা দিয়েছে বলে জানা গেছে। পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মাঠ পর্যায় থেকে চাহিদা দিলেও অর্থাভাবে ব্যবস্থা নিতে পারেনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। 

অধিদপ্তর সূত্র বলছে, দেশের ৩৭৮ উপজেলায় কনডম নেই। ৩৬৭ উপজেলায় ওরাল পিলের মজুত শেষ। জরুরি জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি (ইসিপি) নেই ৪১৮ উপজেলায়। তিন থেকে পাঁচ বছর মেয়াদি সুরক্ষাদানকারী ইমপ্লান্ট নেই ৩১১ উপজেলায় এবং ১০ বছর কার্যকর আইইউডি নেই ৩৯৭ উপজেলায়। ইনজেক্টেবল জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রীর মজুতও শেষ হয়ে গেছে ৪৭৭ উপজেলায়। শুধু জন্মনিয়ন্ত্রণ উপকরণ নয়, মাতৃস্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয় মিসোপ্রোস্টল, অক্সিটোসিন, আয়রন-ফলিক এসিড ও ম্যাগনেসিয়াম সালফেটের মতো ওষুধও অধিকাংশ উপজেলায় এখন মজুতশূন্য। দৈনিক সমাকালের একটি প্রতিবেদনের এসব তথ্য উঠে আসে।

সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সক্ষম দম্পতিদের ৩৭ শতাংশ সরকারি খাত থেকে জন্মনিয়ন্ত্রণসামগ্রী পান। এনজিওদের কাছ থেকে পান ৩ শতাংশ। বাকি ৬০ শতাংশ পান বেসরকারি খাত থেকে। ফলে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, পাঁচ ধরনের উপকরণের মধ্যে ইনজেক্টেবলের সরবরাহ পাঁচ লাখে নেমে এসেছে। ২০২২ সালে এই সংখ্যা ছিল ১১ লাখ ৪০ হাজার। অর্থাৎ সরবরাহ প্রায় ৫৬ শতাংশ কমেছে। মুখে খাওয়ার পিলের সরবরাহ ৮৮ লাখ ৯০ হাজার থেকে কমে হয়েছে ১৮ লাখ ৯০ হাজার। কমেছে প্রায় ৭৯ শতাংশ। 

আরও আশঙ্কাজনক চিত্র দীর্ঘমেয়াদি জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির ক্ষেত্রে। আপন ব্র্যান্ডের মুখে খাওয়ার পিলের সরবরাহ ২৩ লাখ ৪ হাজার ৯৪৩ পিস থেকে কমে হয়েছে মাত্র ৪৩ হাজার ৭৬৮ পিস; ৯৮ শতাংশ  কমেছে। ইমপ্লান্টের সরবরাহ ২৯ লাখ ৮৩ হাজার থেকে নেমে হয়েছে ৯ হাজার ৭৫২টিতে, অর্থাৎ প্রায় ৯৭ শতাংশ কমেছে। জরায়ুর ভেতরে স্থাপনযোগ্য গর্ভনিরোধক যন্ত্র (আইইউডি) ১৯ হাজার ৬৯১ থেকে কমে হয়েছে ৭ হাজার ২৮৩, যা প্রায় ৬৩ শতাংশ কম। সরকারি সেবার এই অবস্থা দীর্ঘদিন চলতে থাকলে দেশের জনসংখ্যার ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ার ঝুঁকি রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. জিন্নাত রেহানা বলেন, ‘২০২৩ সালে বড় ধরনের ক্রয়ের অনুমোদন না পাওয়ায় সরবরাহ ব্যবস্থায় সমস্যা তৈরি হয়। ২০২৪ সালের জুনে অপারেশন প্ল্যান (ওপি) মেয়াদোত্তীর্ণ হলে সংকট আরও তীব্র রূপ নেয়। তবে সরকার নতুন করে বাজেট বরাদ্দ দিয়েছে এবং এ খাতে উল্লেখযোগ্য অর্থ সংস্থান করা হয়েছে।’

দুই নৃগোষ্ঠীর জন্য বিশেষ ভাতার উদ্যোগ, চিঠি পাঠাল মন্ত্রিপরিষদ

বাসস
দুই নৃগোষ্ঠীর জন্য বিশেষ ভাতার উদ্যোগ, চিঠি পাঠাল মন্ত্রিপরিষদ

সমতল ও পাহাড়ে বসবাস করা সকলের অধিকার সমুন্নত রাখার পাশাপাশি তাদের ভাষা, সংস্কৃতি, সামাজিক মূল্যবোধ রক্ষা করা হবে এমন প্রতিশ্রুতি নির্বাচনের আগেই ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বিএনপির সেই বিশেষ উদ্যোগের অংশ হিসেবে সরকার গঠনের পরই দেশের অতি ক্ষুদ্র দুই নৃগোষ্ঠী ওঁরাও ও মাহাতো জনগোষ্ঠীর জন্য বিশেষ ভাতার ব্যবস্থা করতে যাচ্ছে সরকার। এই দুই জনগোষ্ঠীর জন্য বিশেষ ভাতা প্রদানের বিষয়টি সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে বাস্তবায়ন করা হবে। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিবের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

গত মে মাসে অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসক সম্মেলনে ওঁরাও ও মাহাতো ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য বিশেষ ভাতা প্রদানের বিষয়টি তুলে ধরেন সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক।

প্রস্তাবে তিনি বলেন, ‘উল্লেখিত দুই জনগোষ্ঠী সিরাজগঞ্জ জেলায় বসবাসকারী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী এবং সমাজের প্রান্তিক পর্যায়ে অবস্থান করছে। দারিদ্র্যের কষাঘাতে জর্জরিত এই জনগোষ্ঠীর মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতাও বৃদ্ধি পেয়েছে। দারিদ্র্যসীমা হতে উত্তরণ না ঘটলে এই জনগোষ্ঠী বংশানুক্রমিকভাবে সরকারের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা যেমন—শিক্ষা, কর্মসংস্থান, উন্নয়ন পরিকল্পনা, সামাজিক অন্তর্ভুক্তি ইত্যাদি হতে বঞ্চিত থেকে যাবে।’ জেলা প্রশাসকের এমন প্রস্তাব আমলে নিয়েছে সরকার।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে বাস্তবায়নের জন্য ৬টি প্রস্তাব বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৫টি অর্থনৈতিক বিনিয়োগ, ইপিজেড ও অর্থনৈতিক জোন স্থাপনবিষয়ক। অন্যটি ওঁরাও ও মাহাতো জনগোষ্ঠীর জন্য বিশেষ ভাতার ব্যবস্থা করার।

ইতোমধ্যে এই প্রস্তাব বাস্তবায়নে করণীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে। কর্মপরিকল্পনার বাস্তবায়ন অগ্রগতি নিয়মিতভাবে মন্ত্রিপরিষদে প্রতিবেদন আকারে পাঠাতেও বলা হয়েছে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো চিঠিতে এসব উল্লেখ করা হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তারা রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসস'কে জানান, বিভিন্ন জেলা থেকে পাওয়া ১ হাজার ৭২৯টি প্রস্তাবের মধ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বাস্তবায়নকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একাধিক বৈঠকের পর বাস্তবায়নযোগ্য প্রস্তাবগুলো সরকারপ্রধানসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে উপস্থাপন করা হয়।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়-সংশ্লিষ্ট ৬টি সিদ্ধান্ত স্বল্প (এক বছর), মধ্য (তিন বছর) এবং দীর্ঘ (পাঁচ বছর) মেয়াদি পরিকল্পনার আওতায় বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জেলা ও মাঠ প্রশাসন অধিশাখার যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম খান বাসস’কে বলেন, প্রতিবছরই ডিসি সম্মেলনে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রস্তাব আসে। গুরুত্ব বিবেচনায় সরকার স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করে। এবারও বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়েছে এবং এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

২০২২ সালের সর্বশেষ জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুযায়ী বাংলাদেশে ওঁরাও জনগোষ্ঠীর সংখ্যা ৮৫,৮৪৬ জন। অন্যদিকে, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)-এর তথ্য অনুযায়ী, দেশের মোট ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষের মধ্যে ওরাওঁ জনগোষ্ঠীর হার ৫.২০ শতাংশ।

ঐতিহাসিকভাবে তারা প্রধানত রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলের বরেন্দ্র ভূমিতে বসবাস করে। আর ২০২২ সালের সর্বশেষ জনশুমারি অনুযায়ী, বাংলাদেশে মাহাতো জনগোষ্ঠীর সংখ্যা ১৯ হাজার ২৭১ জন। বিবিএস-এর তথ্য অনুযায়ী, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের মোট জনসংখ্যার মধ্যে তারা ১৯,২৭১ জন। দেশে বসবাসরত মোট ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জনসংখ্যার প্রায় ১.১৭ শতাংশ।

সরকার গঠনের আগে গত আগস্টে ময়মনসিংহে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জাতীয় প্রতিনিধি সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘সকল জাতিগোষ্ঠীকে নিয়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক নিরাপদ দেশ গড়তে চায় বিএনপি।’

প্রত্যেকটি ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীকে একেকটি ‘রঙ’ উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ‘দেশকে আমরা বলেছি রেইনবো ন্যাশন বৈচিত্র্যের মধ্যেই ঐক্য প্রতিষ্ঠা রাখা আমাদের মূল লক্ষ্য। সকল জাতিগোষ্ঠী মিলেমিশে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে বিএনপি বদ্ধপরিকর।’

সমতল ও পাহাড়ে বসবাস করা সকলের অধিকার সমুন্নত রাখার পাশাপাশি ভাষা, সংস্কৃতি, সামাজিক মূল্যবোধ রক্ষায় বিএনপির বিশেষ উদ্যোগ রয়েছে উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, ‘জাতীয় সংসদ ও দলীয় কমিটিতে যোগ্য প্রতিনিধির অন্তর্ভুক্তি, ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান,  ট্রাইব্যুনাল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনকে ট্রাস্ট হিসেবে মর্যাদা প্রদান, দেশি-বিদেশি প্রযুক্তিগত শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ, নারী উদ্যোক্তাকে সহজে ঋণ প্রদান বাস্তবায়নে বিএনপির পরিকল্পনা রয়েছে’।

পাহাড়ি অঞ্চল কিংবা সমতলে বসবাসকারী প্রত্যেকটি জনগোষ্ঠী নিজ দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সচেতন থাকলে কোনো অপশক্তি বিভ্রান্তি ছড়ানোর সুযোগ নিতে পারবে না বলেও স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

দেশের ১৫ অঞ্চলের নদীবন্দরে সতর্কতা

অনলাইন ডেস্ক
দেশের ১৫ অঞ্চলের নদীবন্দরে সতর্কতা

দেশের ১৫ অঞ্চলের নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় এ পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুল হামিদ মিয়া জানান, রংপুর, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

এ কারণে এসব এলাকার নদীবন্দরকে ১ নম্বর পুনঃ ১ নম্বর সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

হজ শেষে ফিরেছেন ৫৮৬৩৯ জন বাংলাদেশি

অনলাইন ডেস্ক
হজ শেষে ফিরেছেন ৫৮৬৩৯ জন বাংলাদেশি

হজ পালন শেষে সৌদি আরব থেকে এখন পর্যন্ত ১৪৫ ফ্লাইটে দেশে ফিরেছেন ৫৮ হাজার ৬৩৯ জন বাংলাদেশি হাজি। দেশে প্রত্যাবর্তনকারী হাজিদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ফিরেছেন ৪ হাজার ৩১৯ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ফিরেছেন ৫৪ হাজার ৩২০ জন।

এদিকে হজ পালনে সৌদিতে গিয়ে হজ সম্পন্ন হওয়ার আগে এবং পরে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ৫২ জন বাংলাদেশি। তাদের মধ্যে ৩৫ জন পুরুষ এবং ১৭ জন নারী। মৃতদের মধ্যে মক্কায় ৩৭ জন, মদিনায় ১৪ জন এবং জেদ্দায় একজন মারা যান।

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সর্বশেষ তথ্যে জানা গেছে, ১৮ জুন (সৌদি সময়) পর্যন্ত দেশে ফিরতি হজযাত্রী পরিবহনে শীর্ষে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। সংস্থাটি এখন পর্যন্ত ২৫ হাজার ৭২৬ জন হাজিকে দেশে ফিরিয়ে এনেছে। এ ছাড়া সৌদি এয়ারলাইনস পরিবহন করেছে ২০ হাজার ২৮০ জন, ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস ৮ হাজার ৩৮০ জন এবং অন্যান্য এয়ারলাইনসের মাধ্যমে ফিরেছেন ৪ হাজার ২৫৩ জন হাজি।

হজযাত্রীদের দেশে ফিরিয়ে আনতে এখন পর্যন্ত মোট ১৪৫ ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস পরিচালনা করেছে ৭২টি, সৌদি এয়ারলাইনস ৫২টি এবং ফ্লাইনাস ২১টি ফ্লাইট।

স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সৌদি আরবে বাংলাদেশি চিকিৎসাকেন্দ্রগুলো থেকে এখন পর্যন্ত ৬৫ হাজার ৮৮৮টি স্বয়ংক্রিয় চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্র প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি আইটি হেল্পডেস্কের মাধ্যমে ২৮ হাজার ১৬৭টি সেবা দেওয়া হয়েছে।

চলতি বছর পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয় ২৬ মে। বাংলাদেশ থেকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে যান। হজযাত্রীদের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয় ৩০ মে এবং শেষ ফিরতি ফ্লাইট নির্ধারিত রয়েছে আগামী ৩০ জুন।

হজযাত্রীদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।