• ই-পেপার

পাচার হওয়া অর্থ ফেরাতে দেশে দেশে চিঠি দিচ্ছে সরকার

নতুন দায়িত্ব পেলেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী জাহিদ হোসেন

বাসস
নতুন দায়িত্ব পেলেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী জাহিদ হোসেন
ফাইল ছবি

দিনাজপুর মেডিক্যাল কলেজ (দিমেক) হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হয়েছেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন । 

এ ছাড়া কমিটিতে সহ-সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছেন সংসদ সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম।

গতকাল বুধবার রাতে দিনাজপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. শেখ সাদেক আলী এ তথ্য জানান। 

তিনি জানান, আজ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি পত্র পেয়েছেন তিনি। পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ১৫ জুন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ দিনাজপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি এবং সহ-সভাপতি নিয়োগ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা-১ শাখার উপ-সচিব কাজী শরিফ উদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত এই প্রজ্ঞাপনে দিনাজপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটিতে সভাপতি ও সহ-সভাপতি হিসেবে তাদের দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।

দুপুরের মধ্যে ১৩ অঞ্চলে ঝড়ের শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্কতা

অনলাইন ডেস্ক
দুপুরের মধ্যে ১৩ অঞ্চলে ঝড়ের শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্কতা

দেশের ১৩টি জেলায় দুপুরের মধ্যে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। একইসঙ্গে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টিরও আশঙ্কা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দুপুর ১টা পর্যন্ত আবহাওয়া অধিদফতরের দেয়া সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

বার্তায় বলা হয়েছে, রংপুর, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

এ সময় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির শঙ্কা রয়েছে। তাই ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেওয়া সতর্কবার্তায় এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

জাইমার অন্যরকম আড্ডা

অনলাইন ডেস্ক
জাইমার অন্যরকম আড্ডা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা ও আখাউড়া উপজেলার ৯০ কৃতী শিশু শিক্ষার্থীর সঙ্গে প্রাণবন্ত ও হৃদ্যতাপূর্ণ আড্ডায় অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী এ আয়োজনে তিনি শিশুদের স্বপ্ন, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও ব্যক্তিগত আগ্রহের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং তাদের সামনে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার নানান ভাবনা তুলে ধরেন। মঙ্গলবার রাজধানীর গুলশানের লেকশোর হোটেলে দুপুর ১টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত এ ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনের সংসদ সদস্য মুশফিকুর রহমানের বড় মেয়ে মেহভীন রহমান মুনিয়া। আড্ডার শুরু থেকেই বেশ আন্তরিক ও প্রাণবন্ত ছিলেন জাইমা রহমান। তিনি শিশুদের উদ্দেশে বলেন, শুধু পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান অর্জন করলেই হবে না, সাহিত্য-সংস্কৃতি, খেলাধুলা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের প্রতিও মনোযোগ দিতে হবে। দেশ ও সমাজের জন্য নিজেকে গড়ে তুলতে হলে বহুমুখী দক্ষতা অর্জনের বিকল্প নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন। একপর্যায়ে তিনি শিশুদের কাছে তাদের স্বপ্ন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানতে চান। পাশাপাশি নিজের জীবনের নানা অভিজ্ঞতাও তাদের সঙ্গে ভাগাভাগি করেন। শিশুদের সঙ্গে খোলামেলা আলাপচারিতার মাধ্যমে তিনি আত্মবিশ্বাসী ও মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার পরামর্শ দেন। আড্ডার একপর্যায়ে রান্না প্রসঙ্গ উঠলে জাইমা রহমান জানতে চান, শিশুদের কেউ রান্না করতে পারে কি না। কয়েকজন শিক্ষার্থী ইতিবাচক উত্তর দিলে তিনি মজা করে বলেন, ‘তোমাদের এলাকায় গেলে আমাকে কী খাওয়াবে?’ জবাবে শিশুরা বিরিয়ানি রান্না করে খাওয়ানোর কথা জানায়। তখন তিনি বিরিয়ানির সঙ্গে ইলিশ মাছ খাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলে পুরো পরিবেশ আনন্দ মুখর হয়ে ওঠে। অনুষ্ঠানে শিশুদের আবদারে তিনি তাদের টি-শার্টে অটোগ্রাফ দেন এবং একসঙ্গে মধ্যাহ্নভোজেও অংশ নেন। তাঁর আন্তরিকতা ও সহজ-সরল আচরণে শিক্ষার্থীরা মুগ্ধ হয়।

কসবা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী জাফনাহ ইসলাম নাযিফা বলেন, জাইমা আপু এত কাছে এসে আমাদের সঙ্গে গল্প করবেন, এটা কখনো ভাবিনি। তিনি আমাদের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সৃজনশীল কাজে অংশ নিতে উৎসাহ দিয়েছেন। রামধননগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী নাহিয়ান ওসমান রাহিন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কন্যার সঙ্গে দেখা করে খুব ভালো লেগেছে। তিনি আমাদের বাবা-মায়ের কথা শুনতে এবং নিয়মিত পড়াশোনা করতে বলেছেন।

উপস্থিত সহকারী শিক্ষক জান্নাতুল ফেরদৌস বাবলী বলেন, প্রধানমন্ত্রীকন্যার সঙ্গে শিশুরা বেশ ভালো সময় কাটিয়েছে। তিনি প্রতিটা শিশুকে কাছে ডেকে তাদের কথা শুনেছেন। নিজের জীবনের কথা শুনিয়েছেন। অনেক স্বপ্নের কথা বলেছেন। শিশুদের টি-শার্টে অটোগ্রাফ দিয়েছেন। তাদের সঙ্গে খাবার খেয়েছেন। শিশুদের প্রায় তিন ঘণ্টা সময় দিয়েছেন। আখাউড়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ড. দৌলত হোসেন ভূঁইয়া বলেন, প্রধানমন্ত্রীকন্যার সঙ্গে আলোচনায় বসতে পেরে শিশুরা বেশ অনুপ্রাণিত হয়েছে। আমি ব্যক্তিগতভাবেও এটা নিয়ে বেশ আনন্দিত। প্রধানমন্ত্রীকন্যা শিশু শিক্ষার্থীদের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন এবং নিজের বিষয়েও শিশুদের সঙ্গে কথা বলেছেন।

কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ছামিউল ইসলাম বলেন, কসবা-আখাউড়ার শিশুদের জন্য এটি ছিল একটি অনন্য ও অনুপ্রেরণাদায়ক আয়োজন। জাইমা রহমান অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে শিশুদের কথা শুনেছেন এবং তাদের উৎসাহিত করেছেন। এ অভিজ্ঞতা তাদের ভবিষ্যৎ পথচলায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাপসী রাবেয়া বলেন, শিশুদের অনুপ্রেরণার জন্য এটি একটি অসাধারণ উদ্যোগ।

অনুষ্ঠানে অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি ও সংসদ সদস্য মুশফিকুর রহমান, কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ছামিউল ইসলাম, আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাপসী রাবেয়া, শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

স্বাস্থ্যের পিআইসিইউ প্রকল্পে ভয়াবহ দুর্নীতি

অর্থ ফিরিয়ে নিয়েছে বিশ্বব্যাংক চালু হয়নি একটি পিআইসিইউ সমন্বয়হীনতা অব্যবস্থাপনা ও অনিয়মে মুখ থুবড়ে পড়েছে পরিকল্পনা

অনলাইন ডেস্ক
স্বাস্থ্যের পিআইসিইউ প্রকল্পে ভয়াবহ দুর্নীতি

মহামারি মোকাবিলার পাশাপাশি ভবিষ্যতের স্বাস্থ্যঝুঁকির জন্য প্রস্তুতি গড়ে তোলা, আইসিইউ সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং শিশুদের জন্য নিবিড় পরিচর্যা সেবা সম্প্রসারণে নেওয়া হয়েছিল ৬ হাজার ৩৮৬ কোটি টাকার প্রকল্প। কিন্তু ছয় বছর পর প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলেও পরিকল্পিত ১৬টি পেডিয়াট্রিক ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটের (পিআইসিইউ) একটিও চালু করা সম্ভব হয়নি। একইভাবে ৫০টি জেলা সদর হাসপাতালে আইসিইউ স্থাপনের উদ্যোগেও চালু হয়নি কার্যকর সেবা। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) মূল্যায়ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, প্রকল্প বাস্তবায়নে চরম সমন্বয়হীনতা, বারবার প্রকল্প পরিচালক পরিবর্তন, প্রয়োজন নির্ধারণে ত্রুটি এবং দুর্বল ব্যবস্থাপনার কারণে হাজার কোটি টাকার এ উদ্যোগ কার্যত মুখ থুবড়ে পড়েছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি কেবল প্রশাসনিক ব্যর্থতা নয়, বরং জনস্বাস্থ্যের প্রতি গুরুতর অবহেলা ও জবাবদিহির অভাবের একটি বড় উদাহরণ। ‘ইমারজেন্সি রেসপন্স অ্যান্ড প্যানডেমিক প্রিপেয়ারডনেস (ইআরপিপি)’ নামে নেওয়া এ প্রকল্পের বড় অংশের অর্থায়ন করেছিল বিশ্বব্যাংক। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে কাজের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি না হওয়ায় সংস্থাটি তাদের প্রতিশ্রুত অর্থের একটি অংশ ছাড় দেওয়া বন্ধ করে দেয়। এ ব্যাপারে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. মুশতাক হোসেন বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘এ প্রকল্পে চূড়ান্ত দায়িত্বহীনতার প্রবণতা দেখা গেছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ১৬টি পিআইসিইউ এবং ৫০টি জেলা হাসপাতালের আইসিইউ কার্যকর করা গেলে বর্তমানে হাম, নিউমোনিয়া কিংবা অন্যান্য জটিল রোগে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসাসংকট অনেকাংশে মোকাবিলা করা সম্ভব হতো।’ তিনি আরও বলেন, ‘নতুন সরকার বিশ্বব্যাংকের কাছে চাইলে এ অর্থায়ন ফিরিয়ে আনা সম্ভব। সে ক্ষেত্রে তারা মানুষের স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে, রোগ প্রতিরোধে নির্দিষ্ট প্রকল্প করে এ অর্থায়ন কাজে লাগাতে পারে।’

প্রকল্পের আওতায় আরও বিভিন্ন পরিকল্পনার পাশাপাশি দেশের ১৪টি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট এবং শিশু ও মাতৃস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটে বিদ্যমান কাঠামোর বাইরে পৃথকভাবে ১৬টি পিআইসিইউ স্থাপনের কথা ছিল। এসব ইউনিটে সংকটাপন্ন শিশুদের উন্নত চিকিৎসার পরিকল্পনা ছিল। হাম, নিউমোনিয়া, জটিল সংক্রমণ, জন্মগত রোগ এবং অন্যান্য গুরুতর অসুস্থতায় আক্রান্ত শিশুদের জীবন রক্ষায় এ ইউনিটগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখত বলে উল্লেখ ছিল প্রকল্পে।

কিন্তু আইএমইডির প্রতিবেদনে দেখা গেছে, প্রকল্প শেষ হলেও একটি পিআইসিইউও চালু করা সম্ভব হয়নি। অর্থাৎ কোটি কোটি টাকা ব্যয়ের পরও শিশুরা সেই কাক্সিক্ষত সেবা পায়নি। শুধু পিআইসিইউ নয়, দেশের ৫০টি জেলা সদর হাসপাতালে আইসিইউ স্থাপনের পরিকল্পনাও বাস্তবায়িত হয়নি। কোথাও ভবন নির্মাণ শেষ হয়নি, কোথাও যন্ত্রপাতি স্থাপন হয়নি, আবার কোথাও প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ না হওয়ায় সেবা চালু করা যায়নি। প্রকল্প অফিস ও গণপূর্ত অধিদপ্তরের সমন্বয়হীনতায় স্থবির হয়ে পড়ে কাজ। আইএমইডির প্রতিবেদনে প্রকল্প ব্যর্থতার অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে সমন্বয়হীনতাকে চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রকল্পের অধীনে চিকিৎসা সরঞ্জাম ও যন্ত্রপাতি কেনার দায়িত্ব ছিল প্রকল্প অফিসের ওপর। যন্ত্রপাতি স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ভবন ও অবকাঠামো নির্মাণের দায়িত্ব ছিল গণপূর্ত অধিদপ্তরের ওপর। কিন্তু এ দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যকর সমন্বয়ের অভাবে কাজের অগ্রগতি থমকে যায়। অনেক ক্ষেত্রে যন্ত্রপাতি কেনার পরিকল্পনা থাকলেও স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো প্রস্তুত হয়নি। আবার কোথাও অবকাঠামো প্রস্তুতির কাজ শুরুই হয়নি। ফলে পুরো প্রকল্প বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া দীর্ঘসূত্রতা ও অচলাবস্থার মধ্যে পড়ে। আইএমইডির পর্যবেক্ষণে আরও বলা হয়েছে, প্রকল্প পরিচালকদের ঘন ঘন পরিবর্তনও বাস্তবায়নে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। নেতৃত্বে ধারাবাহিকতার অভাব এবং প্রকল্পের প্রকৃত প্রয়োজন নির্ধারণে ত্রুটির কারণে পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের মধ্যে বড় ধরনের ফাঁক তৈরি হয়। প্রকল্পের অনেক কার্যক্রম বাস্তব চাহিদা বিবেচনা না করেই নির্ধারণ করা হয়েছিল। ফলে বাস্তবায়নের সময় নানান জটিলতা তৈরি হয়। সূত্র জানান, বিশ্বব্যাংক অর্থায়ন স্থগিত করার পেছনে শুধু ধীরগতি নয়, বরং প্রকল্প ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতা, বিভাগগুলোর মধ্যে সমন্বয়হীনতা এবং অনিয়মের বিষয়গুলোও বিবেচনায় নেয়। পরে ‘পঞ্চম স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও জনসংখ্যা সেক্টর কর্মসূচি’র আওতায় অসমাপ্ত কাজ শেষ করার পরিকল্পনা করা হলেও কার্যকর বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় সেটিও বাস্তবায়িত হয়নি।

দেশে হামসহ বিভিন্ন সংক্রামক রোগে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা বাড়ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গুরুতর অসুস্থ শিশুদের জন্য দেশে পিআইসিইউ সুবিধা অত্যন্ত সীমিত। সরকারি হাসপাতালে আসনসংখ্যা চাহিদার তুলনায় অনেক কম। ফলে অনেক ক্ষেত্রে রোগী ভর্তি করানো সম্ভব হয় না। পর্যাপ্ত নিবিড় পরিচর্যা সুবিধা না থাকায় অনেক অভিভাবক সন্তানকে নিয়ে এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতালে ছুটতে বাধ্য হচ্ছেন। চিকিৎসা পেতে দেরি হওয়ায় অনেক শিশুর অবস্থার অবনতি ঘটছে, এমনকি মৃত্যুর ঘটনাও ঘটছে।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন