• ই-পেপার

সে চাকরির বিধি লঙ্ঘন করছে, এটা ঠিক হয়নি : ঊর্মির মা

বায়ুদূষণে শীর্ষে কাম্পালা, ঢাকার বাতাস কতটা দূষিত

অনলাইন ডেস্ক
বায়ুদূষণে শীর্ষে কাম্পালা, ঢাকার বাতাস কতটা দূষিত

বিশ্বের বিভিন্ন শহরের বায়ুদূষণ দিন দিন বাড়ছে। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাও দীর্ঘদিন ধরে ছিল বায়ুদূষণের কবলে। সবশেষ বায়ুরমান সূচকে শহরটির বাতাসের মানে কিছুটা উন্নতির ইঙ্গিত মিললেও দূষণের চাপ পুরোপুরি কাটেনি।

আজ সোমবার (২৯ জুন) সকালে আইকিউএয়ারের এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (এএকিউআই) অনুযায়ী, ঢাকার স্কোর ৮০। এই স্কোরে বায়ুরমান ‘মাঝারি’ হিসেবে বিবেচিত হয়। এ সময় বিশ্বের দূষিত শহরগুলোর তালিকায় ঢাকার অবস্থান ১৯তম।

এদিকে, একই সময়ে দূষিত শহরের তালিকায় ১৭৬ স্কোর নিয়ে শীর্ষে রয়েছে উগান্ডার রাজধানী কাম্পালা। এ ছাড়া ১৬৪ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর শহর। ১৫৯ স্কোর নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা। ১৪৩ স্কোর নিয়ে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে ভারতের কলকাতা শহর, ১৩৯ স্কোর নিয়ে পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে চীনের উহান শহরের।

আইকিউএয়ারের স্কোর শূন্য থেকে ৫০ ভালো হিসেবে বিবেচিত। ৫১ থেকে ১০০ মাঝারি হিসেবে গণ্য করা হয়, আর সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তাকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বায়ু বলে মনে করা হয়।

এ ছাড়া, ২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে থাকা স্কোরকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়। এ অবস্থায় শিশু, প্রবীণ এবং অসুস্থ রোগীদের বাড়ির ভেতরে এবং অন্যদের বাড়ির বাইরের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে। ৩০১ থেকে ৪০০-এর মধ্যে থাকা স্কোর ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে বিবেচিত, যা নগরের বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।

অক্টোবরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসি

অনলাইন ডেস্ক
অক্টোবরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসি

স্থানীয় সরকার নির্বাচন অক্টোবরে আয়োজনের লক্ষ্য নিয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচন আয়োজনে ব্যালট বাক্স, প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসার প্রস্তুত আছে। ভোটার তালিকাও চূড়ান্ত হয়ে আছে। তবে নির্বাচন আয়োজনে বাজেট কিছুটা কমানো যায় কি না- সেটা নিয়েও ভাবছে সাংবিধানিক এই সংস্থাটি।

ইসির স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি বিষয়ক অনানুষ্ঠানিক বৈঠকে এসব আলোচনা হয়েছে। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে রবিবার বেলা ১১টা থেকে বিকেল পৌনে ৪টা পর্যন্ত এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। চার নির্বাচন কমিশনার এবং ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন নির্বাচন কর্মকর্তারা এতে অংশ নেন।

বৈঠকে অংশ নেওয়া একাধিক কর্মকর্তা জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আইন-কানুন ও আচরণবিধির খসড়া নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এ সময় প্রণয়নের অপেক্ষায় থাকা আচরণবিধির খসড়া চূড়ান্ত করতে রাজনৈতিক দলসহ অংশিজনদের মতামত পাওয়ার ১৫ দিনের মতো সময় লাগতে পারে বলে জানানো হয়। স্থানীয় সরকারের পৃথক পাঁচ ধরনের নির্বাচনের জন্য খসড়া আচরণ বিধিমালা ইতোমধ্যে ইসির ওয়েবসাইটে আপলোড করেছে। ৩০ জুনের মধ্যে এসব নিয়ে মতামত দিতে রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে আলাদা চিঠিও পাঠানো হয়েছে বলে সমকাল এক প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

বৈঠকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হওয়ায় ভোটকেন্দ্র ও কক্ষের সংখ্যা বাড়বে বলে জানানো হয়। বেসরকারি ও এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ভোটগ্রহণের দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়েও আলোচনা হয়। তবে সবকিছুই রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে মত দেওয়া হয়। এছাড়া ভোটগ্রহণের আনুষঙ্গিক প্রস্তুতি হিসেবে ভোটার তালিকা ও নির্বাচনী সরঞ্জামসহ অন্যান্য পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয়। ভোটগ্রহণের ব্যয় যথাসম্ভব কমানোর ওপর জোর দেন নির্বাচন কমিশনাররা।

বৈঠক শেষে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ সাংবাদিকদের বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনে অক্টোবরকে লক্ষ্য ধরে কাজ এগুচ্ছে ইসি। আর অক্টোবরে হলে এর ৪৫ দিন আগে তফসিল ঘোষণা করা হবে। আমরা মূলত অক্টোবর ধরে কাজ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি।

বৈঠকের আলোচনার বিষয় নিয়ে তিনি বলেন, সব ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের প্রক্রিয়া বিষয়ে কমিশন অবহিত হয়েছে। ৪ হাজার ৫০০ স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন আয়োজন করতে হলে কোনটা আগে বা কোনটা পরে করব তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। নির্বাচন আয়োজনের জন্য সব জিনিসপত্র প্রস্তুত আছে কি না— সেটাও অবহিত করা হয়েছে। তবে কোনো সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি।

সামগ্রিক প্রস্তুতি নিয়ে এ নির্বাচন কমিশনার বলেন, গত নির্বাচনের চেয়ে কিছু ভোটকেন্দ্র বাড়াতে হবে। জাতীয় নির্বাচনের পরপর এ স্থানীয় নির্বাচন হওয়ায় আমাদের ব্যালট বাক্স প্রস্তুত। প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসার নিয়োগ হবে এসবের প্রস্তুতিও আছে।

তিনি জানান, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের স্থানীয় সরকারের নির্বাচনে যুক্ত করার বিষয়ে আলোচনা হলেও নতুন কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায়নি। এবারের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রের সংখ্যাও কিছুটা বাড়তে পারে। আমরা এটা নিয়েও প্রাথমিক আলোচনা করেছি। তবে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা না করে কোনো সিদ্ধান্ত আমরা নেবো না।

আবদুর রহমানেল মাছউদ বলেন, এবারের স্থানীয় সরকারের নির্বাচনগুলো হবে নির্দলীয়, অর্থাৎ নির্বাচনে দলীয় প্রতীকের ব্যবহার থাকছে না। তারপরও আমরা মনে করছি, যেহেতু রাজনৈতিক দলগুলো আমাদের সমাজের প্রতিনিধিত্ব করে। কাজেই ইচ্ছায় হোক আর অনিচ্ছাই হোক, নির্দলীয় নির্বাচনে তারাও ইনভলভ থাকবেই। এই কারণেই তাদের কাছে মতামত জানতে চেয়েও চিঠি দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, অংশীজনের মতামত পাওয়ার পর সাধারণত ১৫ দিনের মধ্যে চূড়ান্ত করা হয়। এ সময়ের মধ্যে আমরা করে ফেলতে পারব। আমরা আইন কানুন দেখেছি। রাজনৈতিক দলগুলোর পাশাপাশি সাংবাদিকসহ যেকেউ ওপর মতামত দিতে পারবেন এবং সবার গ্রহণযোগ্য মতামত নিয়ে খসড়া আচরণ বিধিমালায় সংযোজন-বিয়োজন আনা হবে বলে জানান এ নির্বাচন কমিশনার।

২৯ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
২৯ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ সোমবার (২৯ জুন) রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের ‘বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র’ থেকে একযোগে দেশের ২৯ হাজারেরও বেশি মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন।

গতকাল রবিবার (২৮ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত ৫ বছরে ২৫ কোটি গাছের চারা লাগানোর লক্ষ্যমাত্রা এবং প্রতিজন শিশুকে প্রতিবছর বৃক্ষরোপণে সম্পৃক্ত করতে ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেশের শিক্ষাঙ্গনে এই নতুন সবুজায়ন কর্মসূচি শুরু হয়েছে। এর আওতায় আগামী ৫ বছরে দেশের স্কুল, কলেজ ও মাদরাসায় ৫ কোটি গাছ লাগানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, শেরে বাংলা নগরের ‘বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে’ আয়োজিত মূল অনুষ্ঠান থেকে প্রধানমন্ত্রী দুপুর ২টায় মাধ্যমিক পর্যায়ের মোট ২৯ হাজার ৬২১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একযোগে এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ১৮ হাজার ৯০৭টি বিদ্যালয়, ১ হাজার ৪৪৬টি স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং ৯ হাজার ২৬৮টি মাদরাসা রয়েছে।

এ কর্মসূচি সোমবার সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও বিশেষ কারণে তা দুপুর ২টায় অনুষ্ঠিত হবে বলে আজ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক আদেশে বলা হয়।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রতিবছর প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৫ হাজার টাকা করে বিশেষ জলবায়ু সচেতনতা অনুদান প্রদান করা হচ্ছে। এ বছর কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১টি ফলদ বৃক্ষ, ১টি বনজ বৃক্ষ ও ১টি ঔষধি বৃক্ষ রোপণ করা হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি দেশের প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বড় পর্দায় সরাসরি প্রদর্শনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট এলাকার মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী, সংসদ সদস্য, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা উপস্থিত থেকে সরাসরি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করবেন।

১১ জেলার জন্য আবহাওয়া অফিসের সতর্কবার্তা

অনলাইন ডেস্ক
১১ জেলার জন্য আবহাওয়া অফিসের সতর্কবার্তা

দেশের ১১ জেলায় দুপুরের মধ্যে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। একই সঙ্গে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টিরও আশঙ্কা রয়েছে।

সোমবার (২৯ জুন) দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দুপুর ১টা পর্যন্ত আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

বার্তায় বলা হয়েছে, রংপুর, দিনাজপুর, বগুড়া, ময়মনসিংহ, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্রবাজার এবং সিলেট  ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

এ সময় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির শঙ্কা রয়েছে। তাই ভোর ৪টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেওয়া সতর্কবার্তায় এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

সে চাকরির বিধি লঙ্ঘন করছে, এটা ঠিক হয়নি : ঊর্মির মা | কালের কণ্ঠ