• ই-পেপার

রাস্তায় পড়ে থাকা ৪৬ লাশ হাসপাতালে নেয় পথচারীরা

স্বাস্থ্যের পিআইসিইউ প্রকল্পে ভয়াবহ দুর্নীতি

অর্থ ফিরিয়ে নিয়েছে বিশ্বব্যাংক চালু হয়নি একটি পিআইসিইউ সমন্বয়হীনতা অব্যবস্থাপনা ও অনিয়মে মুখ থুবড়ে পড়েছে পরিকল্পনা

অনলাইন ডেস্ক
স্বাস্থ্যের পিআইসিইউ প্রকল্পে ভয়াবহ দুর্নীতি

মহামারি মোকাবিলার পাশাপাশি ভবিষ্যতের স্বাস্থ্যঝুঁকির জন্য প্রস্তুতি গড়ে তোলা, আইসিইউ সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং শিশুদের জন্য নিবিড় পরিচর্যা সেবা সম্প্রসারণে নেওয়া হয়েছিল ৬ হাজার ৩৮৬ কোটি টাকার প্রকল্প। কিন্তু ছয় বছর পর প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলেও পরিকল্পিত ১৬টি পেডিয়াট্রিক ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটের (পিআইসিইউ) একটিও চালু করা সম্ভব হয়নি। একইভাবে ৫০টি জেলা সদর হাসপাতালে আইসিইউ স্থাপনের উদ্যোগেও চালু হয়নি কার্যকর সেবা। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) মূল্যায়ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, প্রকল্প বাস্তবায়নে চরম সমন্বয়হীনতা, বারবার প্রকল্প পরিচালক পরিবর্তন, প্রয়োজন নির্ধারণে ত্রুটি এবং দুর্বল ব্যবস্থাপনার কারণে হাজার কোটি টাকার এ উদ্যোগ কার্যত মুখ থুবড়ে পড়েছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি কেবল প্রশাসনিক ব্যর্থতা নয়, বরং জনস্বাস্থ্যের প্রতি গুরুতর অবহেলা ও জবাবদিহির অভাবের একটি বড় উদাহরণ। ‘ইমারজেন্সি রেসপন্স অ্যান্ড প্যানডেমিক প্রিপেয়ারডনেস (ইআরপিপি)’ নামে নেওয়া এ প্রকল্পের বড় অংশের অর্থায়ন করেছিল বিশ্বব্যাংক। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে কাজের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি না হওয়ায় সংস্থাটি তাদের প্রতিশ্রুত অর্থের একটি অংশ ছাড় দেওয়া বন্ধ করে দেয়। এ ব্যাপারে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. মুশতাক হোসেন বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘এ প্রকল্পে চূড়ান্ত দায়িত্বহীনতার প্রবণতা দেখা গেছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ১৬টি পিআইসিইউ এবং ৫০টি জেলা হাসপাতালের আইসিইউ কার্যকর করা গেলে বর্তমানে হাম, নিউমোনিয়া কিংবা অন্যান্য জটিল রোগে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসাসংকট অনেকাংশে মোকাবিলা করা সম্ভব হতো।’ তিনি আরও বলেন, ‘নতুন সরকার বিশ্বব্যাংকের কাছে চাইলে এ অর্থায়ন ফিরিয়ে আনা সম্ভব। সে ক্ষেত্রে তারা মানুষের স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে, রোগ প্রতিরোধে নির্দিষ্ট প্রকল্প করে এ অর্থায়ন কাজে লাগাতে পারে।’

প্রকল্পের আওতায় আরও বিভিন্ন পরিকল্পনার পাশাপাশি দেশের ১৪টি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট এবং শিশু ও মাতৃস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটে বিদ্যমান কাঠামোর বাইরে পৃথকভাবে ১৬টি পিআইসিইউ স্থাপনের কথা ছিল। এসব ইউনিটে সংকটাপন্ন শিশুদের উন্নত চিকিৎসার পরিকল্পনা ছিল। হাম, নিউমোনিয়া, জটিল সংক্রমণ, জন্মগত রোগ এবং অন্যান্য গুরুতর অসুস্থতায় আক্রান্ত শিশুদের জীবন রক্ষায় এ ইউনিটগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখত বলে উল্লেখ ছিল প্রকল্পে।

কিন্তু আইএমইডির প্রতিবেদনে দেখা গেছে, প্রকল্প শেষ হলেও একটি পিআইসিইউও চালু করা সম্ভব হয়নি। অর্থাৎ কোটি কোটি টাকা ব্যয়ের পরও শিশুরা সেই কাক্সিক্ষত সেবা পায়নি। শুধু পিআইসিইউ নয়, দেশের ৫০টি জেলা সদর হাসপাতালে আইসিইউ স্থাপনের পরিকল্পনাও বাস্তবায়িত হয়নি। কোথাও ভবন নির্মাণ শেষ হয়নি, কোথাও যন্ত্রপাতি স্থাপন হয়নি, আবার কোথাও প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ না হওয়ায় সেবা চালু করা যায়নি। প্রকল্প অফিস ও গণপূর্ত অধিদপ্তরের সমন্বয়হীনতায় স্থবির হয়ে পড়ে কাজ। আইএমইডির প্রতিবেদনে প্রকল্প ব্যর্থতার অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে সমন্বয়হীনতাকে চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রকল্পের অধীনে চিকিৎসা সরঞ্জাম ও যন্ত্রপাতি কেনার দায়িত্ব ছিল প্রকল্প অফিসের ওপর। যন্ত্রপাতি স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ভবন ও অবকাঠামো নির্মাণের দায়িত্ব ছিল গণপূর্ত অধিদপ্তরের ওপর। কিন্তু এ দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যকর সমন্বয়ের অভাবে কাজের অগ্রগতি থমকে যায়। অনেক ক্ষেত্রে যন্ত্রপাতি কেনার পরিকল্পনা থাকলেও স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো প্রস্তুত হয়নি। আবার কোথাও অবকাঠামো প্রস্তুতির কাজ শুরুই হয়নি। ফলে পুরো প্রকল্প বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া দীর্ঘসূত্রতা ও অচলাবস্থার মধ্যে পড়ে। আইএমইডির পর্যবেক্ষণে আরও বলা হয়েছে, প্রকল্প পরিচালকদের ঘন ঘন পরিবর্তনও বাস্তবায়নে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। নেতৃত্বে ধারাবাহিকতার অভাব এবং প্রকল্পের প্রকৃত প্রয়োজন নির্ধারণে ত্রুটির কারণে পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের মধ্যে বড় ধরনের ফাঁক তৈরি হয়। প্রকল্পের অনেক কার্যক্রম বাস্তব চাহিদা বিবেচনা না করেই নির্ধারণ করা হয়েছিল। ফলে বাস্তবায়নের সময় নানান জটিলতা তৈরি হয়। সূত্র জানান, বিশ্বব্যাংক অর্থায়ন স্থগিত করার পেছনে শুধু ধীরগতি নয়, বরং প্রকল্প ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতা, বিভাগগুলোর মধ্যে সমন্বয়হীনতা এবং অনিয়মের বিষয়গুলোও বিবেচনায় নেয়। পরে ‘পঞ্চম স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও জনসংখ্যা সেক্টর কর্মসূচি’র আওতায় অসমাপ্ত কাজ শেষ করার পরিকল্পনা করা হলেও কার্যকর বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় সেটিও বাস্তবায়িত হয়নি।

দেশে হামসহ বিভিন্ন সংক্রামক রোগে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা বাড়ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গুরুতর অসুস্থ শিশুদের জন্য দেশে পিআইসিইউ সুবিধা অত্যন্ত সীমিত। সরকারি হাসপাতালে আসনসংখ্যা চাহিদার তুলনায় অনেক কম। ফলে অনেক ক্ষেত্রে রোগী ভর্তি করানো সম্ভব হয় না। পর্যাপ্ত নিবিড় পরিচর্যা সুবিধা না থাকায় অনেক অভিভাবক সন্তানকে নিয়ে এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতালে ছুটতে বাধ্য হচ্ছেন। চিকিৎসা পেতে দেরি হওয়ায় অনেক শিশুর অবস্থার অবনতি ঘটছে, এমনকি মৃত্যুর ঘটনাও ঘটছে।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

একনজরে আজকের কালের কণ্ঠ (১৮ জুন)

অনলাইন ডেস্ক
একনজরে আজকের কালের কণ্ঠ (১৮ জুন)
রিজার্ভ চুরিতে ৬৪ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান

রিজার্ভ চুরিতে ৬৪ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের অর্থ চুরির ঘটনায় সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমানসহ দেশি-বিদেশি ৬৪ ব্যক্তি ও...

 

উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে ষড়যন্ত্রকারীদের রুখতে হবে

উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে ষড়যন্ত্রকারীদের রুখতে হবে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশের চলমান উন্নয়ন ধারা অব্যাহত রাখতে এবং সাধারণ মানুষের মৌলিক ও গণতান্ত্রিক...

 

ইউপি নির্বাচনের তোড়জোড়

ইউপি নির্বাচনের তোড়জোড়

স্থানীয় সরকার কাঠামোর সর্বনিম্ন স্তর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন আগামী সেপ্টেম্বর মাসেই শুরু হতে পারে। সরকার ও...

 

সর্বোচ্চ চূড়ায়

সর্বোচ্চ চূড়ায়

প্রাপ্তির পেয়ালা এর মধ্যেই কানায় কানায় পূর্ণ করে ফেলেছেন তিনি। অপূর্ণতা নামের কোনো শব্দও এখন আর তাঁর হৃদয়ে ঠাঁই...

 

ডিজিটাল আসক্তিতে ধ্বংসের মুখে শিক্ষার্থী

ডিজিটাল আসক্তিতে ধ্বংসের মুখে শিক্ষার্থী

বাংলাদেশের অমিত সম্ভাবনার কোমলমতি শিশুরা এখন বড় ধরনের ঝুঁকিতে। তাদের নিয়ে মা-বাবার চোখে-মুখে যে আশা-জাগানিয়া...

 

কোন ধরনের সমাজ তৈরি হচ্ছে তা রাষ্ট্রকেও ভাবতে হবে

কোন ধরনের সমাজ তৈরি হচ্ছে তা রাষ্ট্রকেও ভাবতে হবে

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এমন একটি উন্মুক্ত জায়গা যেখানে শিশু থেকে বৃদ্ধসবাই প্রবেশ করতে পারে। তরুণ প্রজন্ম এটি...

 

ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মনস্তাত্ত্বিক বিপর্যয় ডেকে আনছে স্ক্রিন আসক্তি

ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মনস্তাত্ত্বিক বিপর্যয় ডেকে আনছে স্ক্রিন আসক্তি

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বর্তমানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে মনে করা হলেও এটিকে গুরুত্বপূর্ণ না বলে...

 

জ্বালানি তেল কিনতে সিঙ্গাপুর যাচ্ছেন মন্ত্রী

জ্বালানি তেল কিনতে সিঙ্গাপুর যাচ্ছেন মন্ত্রী

সরকার-টু-সরকার (জিটুজি) চুক্তির আওতায় আন্তর্জাতিক কম্পানিগুলোর কাছ থেকে প্রায় ১৬ লাখ মেট্রিক টন জ্বালানি তেল...

 

মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন সীমান্ত হত্যা

মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন সীমান্ত হত্যা

সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক বাংলাদেশি নাগরিক নিহত হওয়ার ঘটনাকে অত্যন্ত দুঃখজনক ও...

 

বাংলাদেশে বিশ্বমানের হাসপাতাল চালুর প্রস্তাব জামায়াত আমিরের

বাংলাদেশে বিশ্বমানের হাসপাতাল চালুর প্রস্তাব জামায়াত আমিরের

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে...

 

ভর্তুকির বোঝা এখনো বড় চ্যালেঞ্জ

ভর্তুকির বোঝা এখনো বড় চ্যালেঞ্জ

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সরকারের ব্যয় বাড়লেও আর্থিক চাপ কমছে না। উল্টো বিপুল ভর্তুকি, উচ্চমূল্যে বিদ্যুৎ ক্রয়,...

 

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার আশা জাগাচ্ছে

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার আশা জাগাচ্ছে

আগামী ২১ থেকে ২২ জুন মালয়েশিয়া সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তাঁর এই মালয়েশিয়া সফর ঘিরে নতুন করে আশার আলো...

 

ফেরার প্রক্রিয়ায় নেইমারের এক ধাপ

ফেরার প্রক্রিয়ায় নেইমারের এক ধাপ

শুরুটা ভালো হয়নি পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের। মরক্কোর বিপক্ষে কোনোক্রমে ১-১ গোলে ড্রয়ের ম্যাচে তারা...

 

লক্ষ্মীপুরে ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যা

লক্ষ্মীপুরে ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যা

লক্ষ্মীপুরে এক স্কুলছাত্রকে আইফোন চুরির অপবাদ দিয়ে ছাত্রাবাসে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ঢাকায় কেরানীগঞ্জে...

 

ছয় বেডের আইসিইউ কক্ষ পাঁচ বছর ধরে তালাবদ্ধ

ছয় বেডের আইসিইউ কক্ষ পাঁচ বছর ধরে তালাবদ্ধ

হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে গত ১৩ জুন মনোয়ারা বেগম নামের এক রোগী ভর্তি হয়েছিলেন ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে।...

 

দক্ষ জনশক্তি পাঠালে দ্বিগুণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন সম্ভব

দক্ষ জনশক্তি পাঠালে দ্বিগুণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন সম্ভব

কালের কণ্ঠ : বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার বর্তমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আপনি কিভাবে মূল্যায়ন করবেন? আনোয়ার শহীদ :...

 

সন্তুষ্ট না হলে ফের ইরানে বোমা

সন্তুষ্ট না হলে ফের ইরানে বোমা

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে হওয়া চুক্তি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। এর বাস্তবায়নে...

 

‘আমরা এখন ইনস্টাগ্রামে সবচেয়ে জনপ্রিয় জুটি’

‘আমরা এখন ইনস্টাগ্রামে সবচেয়ে জনপ্রিয় জুটি’

জি৭ সম্মেলনে উপস্থিত রাষ্ট্রনেতারা একে অন্যের সঙ্গে করমর্দন করছেন। হালকা মেজাজে কথাবার্তা বলছেন। সেখানে ছিলেন...

 

রাশিয়ার ড্রোন হামলায় বিধ্বস্ত একটি ভবনে উদ্ধার অভিযান

রাশিয়ার ড্রোন হামলায় বিধ্বস্ত একটি ভবনে উদ্ধার অভিযান

  

 

বাজেট বাস্তবায়ন এবং বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ

বাজেট বাস্তবায়ন এবং বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা ব্যয়সংবলিত জাতীয়...

 

প্রযুক্তিনির্ভর আগামীর কৃষিতে ‘ওয়ানস্টপ সার্ভিস’ সময়ের দাবি

প্রযুক্তিনির্ভর আগামীর কৃষিতে ‘ওয়ানস্টপ সার্ভিস’ সময়ের দাবি

বাংলাদেশের অর্থনীতি, খাদ্য নিরাপত্তা ও গ্রামীণ কর্মসংস্থানের মূলভিত্তি এখনো কৃষি। কিন্তু একবিংশ শতাব্দীর কৃষি...

 

রেলযোগাযোগ ও উন্নত যাত্রীসেবায় বাড়বে অভ্যন্তরীণ পর্যটন

রেলযোগাযোগ ও উন্নত যাত্রীসেবায় বাড়বে অভ্যন্তরীণ পর্যটন

আমরা রাস্তা যত বড় করব, তত গাড়ি নামবে এবং ট্রাফিক বাড়বে। তাই রেলকে আমরা উন্নত করতে চাই। রেলযোগাযোগ উন্নত হলে...

 

ফ্যামিলি কার্ড ইস্যুতে পাল্টাপাল্টি অবস্থান

ফ্যামিলি কার্ড ইস্যুতে পাল্টাপাল্টি অবস্থান

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণকে কেন্দ্র করে ধর্ষণের অভিযোগের প্রসঙ্গ তুলে জাতীয় সংসদে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন মেহেরপুর-১...

 

বাজারে চালসহ নিত্যপণ্যের দাম স্থিতিশীল

বাজারে চালসহ নিত্যপণ্যের দাম স্থিতিশীল

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর বলেছেন, গত মঙ্গলবার একটি পত্রিকায় চালের দাম বেড়েছে এমন খবরে সত্যতা...

 

কৃষিতে বরাদ্দ বাড়লেও যথাযথ সুফল পাচ্ছেন না ক্ষুদ্র কৃষক

কৃষিতে বরাদ্দ বাড়লেও যথাযথ সুফল পাচ্ছেন না ক্ষুদ্র কৃষক

খাদ্য নিরাপত্তা, গ্রামীণ জীবিকা, কৃষিভিত্তিক শিল্পের বিকাশ এবং রপ্তানি আয়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন...

 

প্রতি টন রডে খরচ বাড়বে ১১ থেকে ১২ হাজার টাকা

প্রতি টন রডে খরচ বাড়বে ১১ থেকে ১২ হাজার টাকা

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ভ্যাট, শুল্ক ও কর বৃদ্ধির কারণে দেশের ইস্পাতশিল্প বড় ধরনের চাপের মুখে পড়বে...

 

কোথায় থামবেন এমবাপ্পে!

কোথায় থামবেন এমবাপ্পে!

নিজের প্রথম বিশ্বকাপেই তিনি পেলের সঙ্গে তুলনীয় হন। পেলের পর সবচেয়ে কম বয়সী খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপের এক ম্যাচে...

 

সীমান্তে বস্তা কাঁধে আসছে জিরা

সীমান্তে বস্তা কাঁধে আসছে জিরা

সিলেটের সীমান্তগুলো দিয়ে হঠাৎ অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে জিরার চোরাচালান। সীমান্তবর্তী যেসব রুটে এত দিন ভারতীয়...

 

মায়ের মুখে ফুটেছে হাসি

মায়ের মুখে ফুটেছে হাসি

  

 

গোপনে ইবাদত করার গুরুত্ব ও তাৎপর্য

গোপনে ইবাদত করার গুরুত্ব ও তাৎপর্য

গোপন নেক আমল হলো লোকচক্ষুর আড়ালে, একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য নিভৃতে সম্পন্ন করা নফল ও পুণ্যকর্ম। এটি ইখলাস...

 

সকাল ৯টার মধ্যে যেসব অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা

অনলাইন ডেস্ক
সকাল ৯টার মধ্যে যেসব অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা
ফাইল ছবি

দেশের ১৩টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে সকাল ৯টার মধ্যে ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল ৯টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরসমূহের জন্য দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বুধবার রাত ৯টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার মধ্যে রংপুর, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলসমূহের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরসমূহকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

সায়েন্টিফিক আমেরিকানের ‘বিজ্ঞানের উদীয়মান তারকা’ ড. তনিমা তাসনিম

নিজস্ব প্রতিবেদক
সায়েন্টিফিক আমেরিকানের ‘বিজ্ঞানের উদীয়মান তারকা’ ড. তনিমা তাসনিম
বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত জ্যোতির্বিজ্ঞানী ড. তনিমা তাসনিম অনন্যা

বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ বিজ্ঞান সাময়িকী সায়েন্টিফিক আমেরিকান ‘বিজ্ঞানের উদীয়মান তারকা’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত জ্যোতির্বিজ্ঞানী ড. তনিমা তাসনিম অনন্যাকে। অতিভারি কৃষ্ণগহ্বর এবং গ্যালাক্সির সক্রিয় কেন্দ্র নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ গবেষণার জন্য তাঁকে সাময়িকীটির উদ্বোধনী ‘ইয়াং আমেরিকান সায়েন্টিস্টস’ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন শাখার মাত্র ২৮ জন সম্ভাবনাময় তরুণ গবেষকের মধ্যে স্থান পাওয়ায় আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান অঙ্গনে বাংলাদেশের জন্য এটি একটি গৌরবজনক অর্জন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ড. তনিমা তাসনিম অনন্যা বিএনপির ক্ষুদ্র ঋণ বিষয়ক সম্পাদক ড. এম এ কাইয়ুমের বড় মেয়ে। তাঁর এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিতে পরিবার, স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীদের পাশাপাশি দেশের বিজ্ঞানমনস্ক মহলেও আনন্দ ও গর্বের অনুভূতি সৃষ্টি হয়েছে।

১৮৪৫ সালে প্রতিষ্ঠিত সায়েন্টিফিক আমেরিকান যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে পুরোনো ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত বিজ্ঞান সাময়িকী। দুই শতাধিক নোবেলজয়ী বিজ্ঞানীর লেখা প্রকাশিত হয়েছে এ সাময়িকীতে। বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি পাঠকের কাছে পৌঁছানো এই সাময়িকী চলতি বছর প্রথমবারের মতো এমন একটি তালিকা প্রকাশ করেছে, যেখানে স্থান পেয়েছেন আগামী দিনের বিজ্ঞান নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার সম্ভাবনাময় গবেষকেরা।

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েইন স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত ড. তনিমা তাসনিম অনন্যা মহাবিশ্বের অন্যতম রহস্যময় বস্তু কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে গবেষণা করছেন। তাঁর গবেষণার মূল বিষয় হলো অতিভারী কৃষ্ণগহ্বর কীভাবে আশপাশের গ্যাস ও পদার্থ শোষণ করে এবং সেই প্রক্রিয়া একটি গ্যালাক্সির গঠন, বিকাশ ও বিবর্তনে কী ধরনের প্রভাব ফেলে।

সায়েন্টিফিক আমেরিকানে প্রকাশিত তাঁর পরিচিতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ঢাকায় বেড়ে ওঠা তনিমার মহাকাশের প্রতি আগ্রহের সূচনা হয়েছিল শৈশবে। বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময় আকাশভরা তারা দেখে মহাবিশ্ব সম্পর্কে তাঁর মনে গভীর কৌতূহল জন্ম নেয়। সেই কৌতূহলই পরবর্তীতে তাঁকে জ্যোতির্পদার্থবিজ্ঞানের গবেষণার পথে নিয়ে আসে।

তাঁর গবেষণায় বিভিন্ন ধরনের মহাকাশ পর্যবেক্ষণ তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে কৃষ্ণগহ্বরের চারপাশে থাকা গ্যাস ও ধূলিকণার গঠন এবং আচরণ সম্পর্কে নতুন তথ্য উঠে এসেছে। বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, এই গবেষণা মহাবিশ্বের বিবর্তন, গ্যালাক্সির বিকাশ এবং কৃষ্ণগহ্বরের কার্যপ্রক্রিয়া সম্পর্কে নতুন ধারণা দিতে সক্ষম হবে।

বিজ্ঞান সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, ড. তনিমা তাসনিম অনন্যার এই অর্জন শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশি মেধা ও গবেষণা সক্ষমতারও একটি উজ্জ্বল স্বীকৃতি। তাঁর এ সাফল্য দেশের নতুন প্রজন্মকে বিজ্ঞান গবেষণায় এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করবে বলেও মনে করছেন তারা।

মহাবিশ্বের অজানা রহস্য উন্মোচনে তাঁর গবেষণা ভবিষ্যতে আরও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। ড. তনিমা তাসনিম অনন্যার এই অর্জন বাংলাদেশের বিজ্ঞানচর্চা ও গবেষণার জন্য একটি ইতিবাচক ও গর্বের বার্তা হয়ে থাকবে।