• ই-পেপার

বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস

বড় হচ্ছে বেকারের মিছিল, ১২ শতাংশই উচ্চশিক্ষিত

ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএর জরুরি বার্তা

নিজস্ব প্রতিবেদক
ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএর জরুরি বার্তা
সংগৃহীত ছবি

মোটরযান চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তন শুরু করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। শুক্রবার (২৬ জুন) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটি চালকদের বিদ্যমান আইন ও বিধিমালা কঠোরভাবে মেনে গাড়ি চালানোর আহ্বান জানিয়েছে। 

বিআরটিএ জানায়, সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ধারা-১১ (১) অনুযায়ী প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য মোট ১২ পয়েন্ট বরাদ্দ থাকে। এই আইনে বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘনের কারণে অর্থদণ্ড বা কারাদণ্ড বা উভয় দণ্ডের পাশাপাশি মোটরযান চালকের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত হিসেবে দোষসূচক পয়েন্ট কর্তনের কথা উল্লেখ রয়েছে।

সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর আওতায় বর্তমানে ‘রোড সেফটি পেনাল্টি সিস্টেম’ (আরএসপিএস) অ্যাপের মাধ্যমে কোনো চালক অপরাধ করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই পয়েন্ট কাটা হচ্ছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। এ অবস্থায় মোটরযান চালকদের বিদ্যমান আইন ও বিধিমালা যথারীতি অনুসরণ করে মোটরযান চালনার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা যাচ্ছে।

বাংলাদেশি শ্রমিকদের সুখবর দিলেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলাদেশি শ্রমিকদের সুখবর দিলেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

অনিয়মিত শ্রমিকদের বৈধকরণ বিষয়গুলো বিশেষ করে ৮ হাজার শ্রমিকের কর্মে যোগদানের বিষয়টি মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম আশ্বাস দিয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, শ্রম সহযোগিতা বিষয়ে নিরাপদ, নিয়মিত ও স্বচ্ছ অভিবাসনের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত এবং বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ পুনরায় শুরু, দক্ষ কর্মী প্রেরণ, অনিয়মিত শ্রমিকদের বৈধকরণ বিষয়গুলো বিশেষ করে ৮ হাজার শ্রমিকের কর্মে যোগদানের বিষয়টি মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন। এ ছাড়া মালয়েশিয়ায় অবস্থান করা এবং নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মীদের কল্যাণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও নিয়োগ ব্যয় হ্রাসের বিষয়ে উভয় পক্ষের ঐকমত্য হয়েছে।

‘শ্রম সহযোগিতাবিষয়ক জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠকের মাধ্যমে বিদ্যমান সমঝোতা স্মারক মূল্যায়ন এবং বর্তমান প্রয়োজনের আলোকে নতুন বা হালনাগাদ সমঝোতা স্মারক প্রণয়নের বিষয়ে অগ্রগতি হয়েছে’, যোগ করা হয় বিবৃতিতে।

এতে বলা হয়, দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে সংস্কৃতি বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর এবং সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধে সক্ষমতা বৃদ্ধি ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ বিষয়ে মন্ত্রী পর্যায়ে দুটি নোট বিনিময় হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে স্থগিত থাকা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক দ্রুত পুনরায় শুরু করার বিষয়ে উভয় পক্ষের ঐকমত্য হয়েছে। বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি আলোচনা দ্রুত শুরু এবং ২০২৭ সালের মধ্যে একটি পারস্পরিকভাবে লাভজনক, সমন্বিত ও ভবিষ্যৎমুখী চুক্তি সম্পাদনের লক্ষ্যে অগ্রসর হওয়ার অঙ্গীকার করা হয়েছে।
 
‘মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ জয়েন্ট বিজনেস কাউন্সিল প্রতিষ্ঠার অগ্রগতিকে স্বাগত জানানো এবং দুই দেশের ব্যবসায়ী সমাজের মধ্যে নিয়মিত সংলাপ, পারস্পরিক ব্যবসায়িক যোগাযোগ ও বিনিয়োগ সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে’, যোগ করা হয় বিবৃতিতে।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান ও দ্রুত প্রত্যাবাসনের বিষয়ে মালয়েশিয়ার সক্রিয় ভূমিকার আশ্বাস, আসিয়ান কাঠামোর আওতায় বিষয়টি এগিয়ে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি এবং এ বিষয়ে অগ্রগতি সাধনে মিয়ানমারের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত হয়ে সমস্যা সমাধানের সম্ভাব্য করণীয় নির্ধারণে মালয়েশিয়া আগ্রহ প্রকাশ করেছে। আসিয়ান সেক্টরাল ডায়লগ পার্টনার হিসেবে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে মালয়েশিয়ার সমর্থন পুনর্ব্যক্ত এবং আসিয়ান কাঠামোর সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পৃক্ততা আরো জোরদারে ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে।
 
এতে আরো বলা হয়, জ্বালানি, ডিজিটাল অবকাঠামো, টেলিযোগাযোগ, বৈদ্যুতিক যানবাহন, প্রযুক্তি হস্তান্তর, বন্দর ও লজিস্টিকসসহ অগ্রাধিকার খাতে মালয়েশীয় বিনিয়োগ ও ব্যবসায়িক অংশীদারি সম্প্রসারণে ইতিবাচক আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছে।

বেতন কাঠামোর গেজেট প্রস্তুত, কাটাছেঁড়া হচ্ছে ভাতা

অনলাইন ডেস্ক
বেতন কাঠামোর গেজেট প্রস্তুত, কাটাছেঁড়া হচ্ছে ভাতা
সংগৃহীত ছবি

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ঘোষিত নবম জাতীয় পে স্কেল আগামী ১ জুলাই থেকে কার্যকর করার প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, নতুন পে স্কেলের রূপরেখা চূড়ান্ত হয়েছে এবং খসড়া গেজেটও প্রস্তুত রয়েছে। যে কোনো সময় আনুষ্ঠানিক গেজেট প্রকাশ করা হতে পারে।

জানা গেছে, সরকারি চাকরীজীবীদের বেতন বৃদ্ধির হার এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত না হলেও সরকার পে স্কেলের গেজেট প্রকাশের আগে তিনটি বিকল্প নিয়ে কাজ করছে বলে জানা গেছে। এর মধ্যে যে কোনো একটি প্রস্তাবকে চূড়ান্ত করে ৩০ জুনের আগেই জারি করা হবে নবম জাতীয় পে-স্কেল বিষয়ক সরকারি গেজেট। বর্তমানে অর্থ মন্ত্রণালয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি দ্রুত শেষ করার কাজ করছে। 

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, পে স্কেলের আর্থিক প্রভাব, প্রশাসনিক প্রস্তুতি এবং বাস্তবায়ন কৌশলসহ সার্বিক খুটিনাটি দিক বিষদ বিবেচনার জন্য সরকার গঠিত সচিব কমিটির সভায় যে তিনটি প্রস্তাব করা হয়েছে এর মধ্যে প্রথম প্রস্তাব সব গ্রেডের জন্য মূল বেতন ৫০ শতাংশ বৃদ্ধির কথা রয়েছে। দ্বিতীয় বিকল্পে ১ম থেকে ৯ম গ্রেডে ৪০ শতাংশ এবং ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডে ৬০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির প্রস্তাব রাখা হয়েছে। এ ছাড়া তৃতীয় বিকল্প হিসেবে নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে তাদের মূল বেতন শতভাগ বৃদ্ধির বিষয়ও বিবেচনায় রয়েছে।

খসড়া অনুযায়ী, নতুন বেতন কাঠামোয় মূল বেতন উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে। তবে ব্যয় কমাতে কর্মচারীদের ভাতায় কাটাছেঁড়া করতে যাচ্ছে সরকার। এদিকে সরকারি ব্যয় নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন ভাতা পুনর্মূল্যায়ন, সীমিতকরণে জোর দেওয়া হয়েছে। বাতিলও হতে পারে ছোট ছোট কিছু ভাতা।

অর্থ বিভাগের কর্মকর্তারা মনে করছেন, নতুন পে-স্কেল কার্যকর হলে সরকারের ওপর বড় অঙ্কের অতিরিক্ত ব্যয়ের চাপ সৃষ্টি হবে। এজন্য বাড়িভাড়া ভাতার হার পুনর্বিবেচনা এবং চিকিৎসা, শিক্ষা সহায়ক ও যাতায়াত ভাতার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণের প্রস্তাব আলোচনায় এসেছে। সামাজিক বাস্তবতা ও আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় নিম্ন ও মধ্যম গ্রেডের কর্মচারীদের তুলনামূলক বেশি সুবিধা দেওয়ার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। নতুন পে-স্কেলের আওতায় লিভ প্রিপারেটরি টু রিটায়ারমেন্ট (এলপিআর) ভোগরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরও অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে তারা নতুন বেতন কাঠামোর সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন না।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশনা মাউশির

অনলাইন ডেস্ক
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশনা মাউশির
সংগৃহীত ছবি

‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নে দেশের মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। আগামী সোমবার (২৯ জুন) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। শনিবার (২৭ জুন) (মাউশির এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এ চিঠি সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানকে পাঠানো হয়েছে। 

চিঠিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের অন্যতম প্রতিশ্রুতি ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান টি' কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি গৃহীত হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতায় বাস্তবায়নাধীন লার্নিং এক্সিলারেশন ইন সেকেন্ডারি এডুকেশন (লেইস) প্রজেক্ট কর্তৃক মাধ্যমিক পর্যায়ের সকল সরকারি ও এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জলবায়ু অনুদান বাবদ ৫ হাজার টাকা করে প্রদান করা হয়েছে। এ অর্থ দিয়ে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একটি ফলদ, একটি বনজ ও একটি ঔষধি বৃক্ষ রোপণ, ব্যানার/ফেস্টুন তৈরি এবং সেমিনার/র‍্যালি আয়োজনের নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

এতে জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২৯ জুন সকাল ১০টা ৫ মিনিটে এই কর্মসূচি উদ্বোধনে সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন। 

মাউশির নির্দেশনাসমূহ: 

প্রত্যেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১টি ফলদ, ১টি বনজ ও ১টি ঔষধি বৃক্ষ রোপণ করা হবে;

প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট এলাকার স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত থেকে সরাসরি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করবেন;

বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি মিডিয়ায় অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে নির্বাচিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণকারীরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবেন;

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো অনুষ্ঠানটি সুন্দরভাবে পালনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করবে;

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে এই দিবসে ক্যাম্পাসে জলবায়ু বিষয়ক ব্যানার, ফেস্টুন ইত্যাদি টানানোর ব্যবস্থা করতে হবে;

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উপলক্ষ্যে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে ক্যাম্পাসে র‍্যালির আয়োজন করতে হবে।