• ই-পেপার

রমজানের বাজার

ইফতারি পণ্যের দামেও অস্বস্তিতে সাধারণ ক্রেতারা

তারেক রহমান বাংলাদেশের জন্য ‘আশার আলো’: সাইমন ড্যানজাক

অনলাইন ডেস্ক
তারেক রহমান বাংলাদেশের জন্য ‘আশার আলো’: সাইমন ড্যানজাক
সংগৃহীত ছবি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বাংলাদেশের জন্য ‘আশার আলো’ বললেন ব্রিটিশ এমপি ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক সাইমন ড্যানজাক। সম্প্রতি কালের কণ্ঠকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন। এ সময় তিনি বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং যুক্তরাজ্য-বাংলাদেশ সম্পর্ক নিয়ে নিজের মতামত তুলে ধরেন।

সাক্ষাৎকারে সাইমন ড্যানজাক বলেন, গত ১৫ বছরে বাংলাদেশের মানুষ নানা ধরনের রাজনৈতিক ও সামাজিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে। তার মতে, তারেক রহমান দেশের নেতৃত্বে থাকলে ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে এবং দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারবেন।

যুক্তরাজ্যের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সরকারেরও সমালোচনা করেন সাইমন ড্যানজাক। তিনি দাবি করেন, সাবেক ব্রিটিশ মন্ত্রী টিউলিপ সিদ্দিক যুক্তরাজ্য সরকারের সঙ্গে যুক্ত থাকায় বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে যুক্তরাজ্যের সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ ছিল এবং সুবিধা পেয়েছে।

ড্যানজাক আরো বলেন, যুক্তরাজ্যের বর্তমান সরকারের ওপর রাজনৈতিক চাপ রয়েছে এবং দেশটির নেতৃত্বে পরিবর্তন আসতে পারে। একই সঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন যে, ‍নেতৃত্বে পবিবর্তন এলে দুই দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে পরিবর্তনের ফলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে নতুনভাবে সহযোগিতা ও সুসম্পর্ক গড়ে ওঠার সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, আগামী দিনে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার হবে এবং পারস্পরিক সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরি হবে।

তবে সাক্ষাৎকারে দেওয়া এসব মন্তব্য সাইমন ড্যানজাকের ব্যক্তিগত রাজনৈতিক মূল্যায়ন ও মতামত।

প্রতিহিংসার বদলে দেশের জন্য কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

বাসস
প্রতিহিংসার বদলে দেশের জন্য কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আমাদের প্রতিহিংসার মানসিকতা বদলাতে হবে।

সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি  বলেন, ‘আসুন আমাদের নিজের চিন্তা কিছুটা পরিবর্তন করার চেষ্টা করি। হ্যাঁ আমার সঙ্গে যা হয়েছে, এখন প্রতিশোধ নিলে সেটা ফেরত পাব না। তাই প্রতিশোধের মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আমরা দেশের জন্য কী করতে পারি সেই চেষ্টা করতে পারি। সাকসেসফুল হওয়া পরের ব্যাপার, অন্তত দেশের জন্য কাজ করার মাইন্ডসেট নিয়ে আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যাব।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি সরকার বারবার প্রমাণ করেছে গণমাধ্যমের সঙ্গে তাদের শত্রুতা নেই। আর তাই বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে চায়। সরকারের ভুল হতে পারে, গঠনমূলক আলোচনা হোক।’

আজ বিকালে বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিএনপি বিটের সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকের দিনটা আমাদের জন্য, বাংলাদেশের সংবাদপত্র জগতের জন্য একটা গুরুত্বপূর্ণ দিন। আজকের এই দিনে বাংলাদেশের সব সংবাদপত্র একসময় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল, হাতেগোনা মাত্র চারটি সংবাদপত্র ছিল। সেখান থেকে আজকে আমরা এতগুলো সাংবাদিক ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলছি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এর মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে যে, ওই সময় সংবাদপত্রের যে গলা চেপে ধরা হয়েছিল সেটি অন্তত এখন নেই, এই মুহূর্তে নেই। যেভাবে সংবাদপত্রের স্বাধীনতাকে কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। চারটা সংবাদপত্রকে রেখে সব বন্ধ করে দিয়েছিল। একই সময় আমরা দেখেছি বাংলাদেশের সব রাজনৈতিক দলকে বন্ধ মানে বিলুপ্ত করে বাকশাল নামে একটা দল গঠন করা হয়েছিল।’

তিনি বলেন, ‘পরবর্তীতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যখন দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেলেন, তিনি বহুদলীয় গণতন্ত্র চালু করলেন। একই সঙ্গে সংবাদপত্রের ওপর থেকে রেস্ট্রিকশন তুলে নিলেন। পরবর্তী সময় কী হয়েছে, কতটুকু হয়েছে এটা আপনাদের কথা থেকেও বেরিয়ে এসেছে।’

প্রতি বছর ১৬ জুন বাংলাদেশে সংবাদপত্রের কালো দিবস হিসেবে পালিত হয়। ১৯৭৫ সালের এই দিনে তৎকালীন বাকশাল সরকার গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করতে চারটি সরকারি প্রচারপত্র বাদে দেশের সব পত্রিকার প্রকাশনা ও ডিক্লারেশন বাতিল করে দেয়। এর প্রতিবাদে পরবর্তী বছর থেকে সাংবাদিক ও সংবাদমাধ্যমকর্মীরা দিনটিকে কালো দিবস হিসেবে পালন করে আসছেন।

গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করে উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাকে অনেক সাহায্য করতে পারেন। শুধু সরকার একা পারবে না, আপনার সহযোগিতা আমার লাগবে। আপনার সহযোগিতা না পেলে আমি বুঝতে পারব না যে, কাজটা ভালো হচ্ছে না খারাপ হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘সবার সহযোগিতা পেলেই অন্তত বুঝতে পারব যে, কাজটা ভালো হচ্ছে না খারাপ হচ্ছে। অথবা ভালো কাজের পথটা আপনাদের দেখাতে হবে। অর্থাৎ দেশের কাজে আমাদের প্রত্যেককে এগিয়ে আসতে হবে। এই সহযোগিতাটা আমি আপনাদের কাছে চাইছি। আপনারা সহযোগিতা করলে আমার কাজ সহজ হবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের তরুণ প্রজন্মের সামনে এখন একটি বড় সমস্যা হচ্ছে মাদক। বিশ্বব্যাপী কম-বেশি থাকলেও আমাদের এখানে এর প্রকোপ আশঙ্কাজনক। কিন্তু প্রশ্ন হলো, আমরা কতজনকে ধরব, কতজনকে চিকিৎসা দেব বা কাউন্সেলিং করব? আমাদের তো সক্ষমতা ও সম্পদের একটা সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তাই এই সমস্যার সমাধানে আমাদের বিকল্প পথ খুঁজতে হবে।’

ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সঠিকভাবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৫ থেকে ২৫ বছর বয়সী তরুণ-তরুণীদের শারীরিক ও মানসিক যে বিপুল শক্তি থাকে, তা ইতিবাচক খাতে ব্যবহারের সুযোগ করে দিতে হবে। আর এর অন্যতম প্রধান মাধ্যম হলো খেলাধুলা ও সংস্কৃতি। অথচ ঢাকা শহরসহ সারা দেশেই এখন খেলার মাঠের তীব্র সংকট।

তরুণদের এই শক্তিকে কাজে লাগাতে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা চালু করেছি। সম্প্রতি শেষ হওয়া একটি শিক্ষা বিভাগীয় ইভেন্টে সারা দেশের প্রায় ২২ লাখ ছেলে-মেয়ে অংশ নিয়েছে। দল-মত-নির্বিশেষে সব পরিবারের সন্তান এখানে যুক্ত হয়েছে। অথচ দুঃখের বিষয়, এত বড় একটি আয়োজন আমাদের দেশের সংবাদমাধ্যমগুলোতে সেভাবে গুরুত্ব পায়নি।’

কেবল খেলাধুলা নয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে তরুণদের মেধা বিকাশের জন্য জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে উদ্ভাবনী মেলা বা সায়েন্স ফেয়ার আয়োজনের ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। তিনি বলেন, বছরের নির্দিষ্ট কিছু দিন (যেমন ১৬ ডিসেম্বর বা ২১ ফেব্রুয়ারি) ছাড়া কেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সারা বছর সাংস্কৃতিক বা বিতর্ক প্রতিযোগিতা হয় না! যুব সমাজকে সুস্থ ধারায় ফেরাতে এই চর্চাগুলো সারা বছর চালু রাখতে হবে।

তরুণদের নৈতিক অবক্ষয় রোধ এবং সামাজিক মূল্যবোধ ফিরিয়ে আনার ওপর তাগিদ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকাল দেখা যায় একটা জীবন্ত প্রাণীকে পিটিয়ে মারা হচ্ছে এবং ১০ জন মিলে তা মোবাইলে রেকর্ড করছে। এগুলো অস্বাভাবিক মানসিকতা। স্কুল পর্যায় থেকেই আমাদের সামাজিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধের চর্চা বাড়াতে হবে। তথ্য মন্ত্রণালয়কে এ বিষয়ে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’ 

প্রধানমন্ত্রী দায়িত্বে ‘অসম্ভব চাপ’ অনুভব করছেন জানিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, এখানে একজন (সাংবাদিক) তার বক্তব্যে বলেছেন, উনি নির্বাচনের পরে বিভিন্ন জায়গায় যাচ্ছেন, উনি মানুষের চোখে-মুখে খুশি দেখেছেন আমার মনে হয় একই জিনিস মনে হয় আমিও দেখেছি। কিন্তু তার পরেও অবশ্যই দায়িত্বের একটা চাপ অনুভব করছি। কারণ, এখানে প্রচুর সমস্যা ও সীমাবদ্ধতা রয়েছে। অ্যাট দ্য সেইম টাইম বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের প্রত্যাশা অনেক বেশি। সো অসম্ভব একটা চাপ অনুভব করছি দায়িত্বে।

রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রসঙ্গ টেনে তারেক রহমান বলেন, ‘কয়েকদিন আগে আমি অফিস থেকে যখন বাসায় যাচ্ছি, তখন আমার সঙ্গে গাড়িতে যারা ছিল, তখন আমি তাদের বলছিলাম আব্বা একসময় উনার একজন সহকর্মীকে বলেছিলেন যে, দিনটা যদি ২৪ ঘণ্টা না হয়ে ৪৮ ঘণ্টা হতো তাহলে আমরা আরেকটু বেটার কাজ করতে পারতাম।’

তিনি বলেন, ‘আব্বার মতো আমি ওদিন বলছিলাম যে, দিনটা মানে কখন অফিসে ঢুকছি এবং কখন সন্ধ্যা হয়ে যাচ্ছে, একটু বুঝতেই পারছি না। দম ফেলার টাইম পাওয়া যাচ্ছে না। সেজন্য আমারও মনে হয় আসলে দিন ২৪ ঘণ্টা না হয়ে যদি ৪৮ ঘণ্টা হতো তাহলে একটু ভালো হতো।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি জেলের মধ্য থেকে এসেছি, আমি শারীরিকভাবে নির্যাতিত হয়েছি, মানসিকভাবে নির্যাতিত হয়েছি। আমাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করার জন্য এখনো এক্স-রে করলে হয়তো দেখা যাবে আমার পিঠের হাড্ডিটা এখনো বাঁকাভাবে একটু লেগে আছে। যেহেতু প্রায় অনেকদিন এটা করে ফেলে রাখা হয়েছিল। প্রপার টাইমে চিকিৎসা করা হয়নি সেজন্য হয়তো একটু বাঁকাভাবে রয়ে গিয়েছে। চার সপ্তাহের মধ্যে তিন দিনে হাড্ডি জোড়া লেগে যাবে না।’

তারেক রহমান বলেন, ‘বাট আমি এখন যদি যারা এর জন্য দায়ী, আমি যদি সেজন্য কাউকে দায়ী করে বেড়াই তবে আমার তো হাড্ডি জোড়া লাগবে না। আমি এখনো যেই পেইনটা মাঝে মাঝে অনুভব করি, আমার সেই পেইনটা চলে যাবে না। সুতরাং ক্ষতি যা হয়ে গেছে সেটা নিয়ে না ভেবে দেশের কল্যাণের কথা ভাবতে হবে।’

সাংবাদিকদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনাদেরকে বলছি, দয়া করে আমার নেতাকর্মীদের কাছে এই বার্তা পৌঁছে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।’
 
মতবিনিময় অনুষ্ঠানের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিকদের নিয়ে দুপুরের খাবার খান।

প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনির সঞ্চালনায় এই মতবিনিময়সভায় তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন, প্রধানমন্ত্রীর প্রেসসচিব সালেহ শিবলী, স্পিচ রাইটার এসএএম মাহফুজুর রহমান, অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমন, উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু, সুজাউদ্দৌলা সুজন, শাহাদাত হোসেন স্বাধীন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বিসিপিএসের সভাপতি হলেন ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
বিসিপিএসের সভাপতি হলেন ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর
ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর। ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনসের (বিসিপিএস) ২০২৬ সালের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর। এবারের কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনে সব পদের প্রার্থীরাই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। নতুন এই কমিটি আগামী দুই বছরের জন্য দায়িত্ব পালন করবে।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিসিপিএসের নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই নির্বাচনী ফলাফল ঘোষণা করা হয়। নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক কোহিনূর বেগম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, নতুন কমিটির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদের মধ্যে জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি পদে ডা. নূরউদ্দীন আহমদ, সহসভাপতি পদে ডা. লুৎফুল আজিজ, কোষাধ্যক্ষ পদে ডা. সেহরীন ফরহাদ সিদ্দিকা এবং সচিব পদে ডা. ইমতিয়াজ ফারুক নির্বাচিত হয়েছেন। এ ছাড়া কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য (১) হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ডা. কাজী দীন মোহাম্মদ।

তবে একটি পদে কোনো প্রার্থী না থাকায় সেখানে পুনরায় ভোট হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। বিসিপিএসের নির্বাচন কমিশন জানায়, সদস্য (২) পদের বিপরীতে কোনো প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেননি। ফলে নিয়ম অনুযায়ী এই পদটিতে পরবর্তীতে পুনরায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণে আগ্রহ শ্রীলঙ্কার

বাসস
বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণে আগ্রহ শ্রীলঙ্কার

শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী ড. হরিণী অমরাসুরিয়া আজ বলেছেন, তার দেশ বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরো জোরদার করতে চায়।

শ্রীলঙ্কায় নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনার আন্দালিব ইলিয়াস বিদায়ি সাক্ষাৎ করতে গেলে দেশটির প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

শ্রীলঙ্কায় বাংলাদেশ মিশনের এক বিবৃতিতে বলা হয়, হাইকমিশনারের মেয়াদকালে নেওয়া উদ্যোগগুলো—বিশেষ করে বাণিজ্য ও ব্যবসা বাণিজ্যের ক্ষেত্রে অগ্রগতি অব্যাহত থাকবে এবং দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরো গভীর করতে সহায়তা করবে বলে অমরাসুরিয়া আশা প্রকাশ করেন। 

বিবৃতিতে বলা হয়, শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী দক্ষিণ এশীয় দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক জোরদারে হাইকমিশনার ইলিয়াসের ঐকান্তিক প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন।

শক্তিশালী অর্থনৈতিক সহযোগিতা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরো সুদৃঢ় করবে এবং পারস্পরিকভাবে লাভজনক সহযোগিতার নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বৈঠকে উভয় দেশ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরো জোরদার করার এবং বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।

ইফতারি পণ্যের দামেও অস্বস্তিতে সাধারণ ক্রেতারা | কালের কণ্ঠ