সোনা ও স্বর্ণালংকার সরবরাহে ৫ শতাংশ উৎসে কর কমিয়ে ০.৫০ শতাংশ, এ ছাড়া ৫ শতাংশ ভ্যাটের পরিবর্তে প্রতি ভরিতে দুই হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে কমতে পারে আকাশছোঁয়া সোনার দাম। আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে এ ঘোষণা দেবেন।
এই প্রস্তাব কার্যকর হলে দেশে স্বর্ণালংকারের দাম কমতে পারে। সোনা বিক্রিতে বর্তমানে ৫ শতাংশ ভ্যাট দিতে হয়। এতে বর্তমান বাজারমূল্য হিসাব করলে প্রতি ভরিতে ১২-১৩ হাজার টাকা ভ্যাট দিতে হয়। তবে আগামী বাজেটে এই হার প্রতি ভরিতে দুই হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। ফলে প্রতি ভরিতে ১০ হাজার টাকার মতো দাম কমতে পারে। সোনার দাম আন্তর্জাতিক বাজারের ওপর নির্ভর করে নির্ধারিত হয়। তবে বাজেট বাস্তবায়িত হলে ভ্যাটের পরিমাণ কমবে।
ব্যবসায়ীদের মতে, নতুন ব্যবস্থা চালু হলে স্বর্ণালংকারের বাজারে স্বচ্ছতা বাড়বে, পাশাপাশি ক্রেতাদের ব্যয়ও কমবে। এরই মধ্যে দেশের বাজারে সোনার দাম কমেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) গতকাল বুধবার নতুন মূল্য ঘোষণা করে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট সোনার দাম ছয় হাজার ৫৯১ টাকা কমিয়ে দুই লাখ ২২ হাজার ৭৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, বাজারে সোনার মূল্যের সাম্প্রতিক নিুমুখী প্রবণতার সঙ্গে বাজেটে প্রস্তাবিত ভ্যাট সুবিধা যুক্ত হলে স্বর্ণালংকারের খুচরা দাম আরো কমতে পারে। ফলে সোনা কেনা সাধারণ ক্রেতাদের জন্য তুলনামূলকভাবে সহজ হবে এবং বাজারে লেনদেনও বাড়তে পারে। ভ্যাট ছাড়াও উল্লেখযোগ্য হারে কমানো হয়েছে উৎসে করের হার। ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে এই হার ০.৫০ শতাংশ করা হয়েছে।




