• ই-পেপার

জ্বালানিসংকট আরো তীব্র হওয়ার শঙ্কা, পরিকল্পনা গ্রহণের তাগিদ

জলবায়ু অর্থায়নকে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য আরও সহজলভ্য করার দাবি প্রধানমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
জলবায়ু অর্থায়নকে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য আরও সহজলভ্য করার দাবি প্রধানমন্ত্রীর
সংগৃহীত ছবি

জলবায়ু ‘ক্ষয়ক্ষতি তহবিল’কে প্রতিশ্রুতি থেকে বাস্তবায়নে আনা, জলবায়ু অর্থায়নকে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য আরও সহজলভ্য করার দাবি জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম আয়োজিত ‘গ্রীষ্মকালীন দাভোস’র ‘ক্লাইমেট লিডারশিপ ইন অ্যা শিফটিং গ্লোবার ল্যান্ডস্কেপ’ শীর্ষক সেশনে অংশ নিয়ে তিনি এ দাবি জানান। চীনের ডালিয়ান শহরের ডালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এই সেশন অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী জলবায়ু সহনশীলতা তৈরিতে অংশীদারিত্ব, প্রযুক্তি, অর্থায়ন এবং যৌথ অঙ্গীকারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
 
তিনি বলেন, জলবায়ু ‘ক্ষয়ক্ষতি তহবিল’কে প্রতিশ্রুতি থেকে বাস্তবায়নে আনা, জলবায়ু অর্থায়নকে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য আরও সহজলভ্য করা এবং পাশাপাশি ‘সবুজ জলবায়ু তহবিল’কে কার্যকর করতে হবে।
  
সম্মেলনস্থলে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানিয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্ট ও সিইও আলোইস জভিংগি।
 
উল্লেখ্য, চীনের ডালিয়ান শহরে ২৩ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত চলছে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের গ্রীষ্মকালীন দাভোস। ‘বৃহৎ পরিসরে উদ্ভাবন’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত এবারের সম্মেলনে বৈশ্বিক অর্থনীতি, শিল্প কাঠামোর পরিবর্তন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও উদীয়মান প্রযুক্তির বাস্তব প্রয়োগ, চীনের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ, তরুণদের কর্মসংস্থান এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।

ভূমিকম্প মোকাবেলায় ঢাকায় ৪৪৫টি নিরাপদ আশ্রয়স্থল চিহ্নিত

অনলাইন ডেস্ক
ভূমিকম্প মোকাবেলায় ঢাকায় ৪৪৫টি নিরাপদ আশ্রয়স্থল চিহ্নিত
সংগৃহীত ছবি

ভূমিকম্পসহ নগর দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস ও প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ৪৪৫টি নিরাপদ আশ্রয়স্থল চিহ্নিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে এগুলোকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ভূমিকম্পের নিরাপদ আশ্রয়স্থল’ হিসেবে ঘোষণা করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) জাতীয় সংসদে গোপালগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য সেলিমুজ্জামান মোল্লার এক প্রশ্নের জবাবে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এ তথ্য জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর পর্বটি টেবিলে উত্থাপন করা হয়।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনামন্ত্রী সংসদে জানান, চিহ্নিত ৪৪৫টি আশ্রয়স্থলের মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকায় ওয়ার্ডভিত্তিক ২৫৬টি এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় ১৮৯টি স্থান রয়েছে। পাশাপাশি, বড় ধরনের দুর্যোগ-পরবর্তী উদ্ধারকাজ চালানোর জন্য ঢাকা মহানগর ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় এক লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রাখার কাজ চলছে। এর অংশ হিসেবে সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আওতাধীন স্বেচ্ছাসেবকদের তথ্য সংগ্রহ করে একটি ‘সমন্বিত স্বেচ্ছাসেবক ডেটাবেইস’ তৈরির কার্যক্রম চলমান রয়েছে ।

বাংলাদেশ ভূপ্রকৃতিগতভাবে ভূমিকম্প ও সুনামির ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলের নিকটবর্তী অবস্থানে থাকায় সরকার এই দুর্যোগ মোকাবেলায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

মন্ত্রী জানান, দুর্যোগের আগাম তথ্য ও দ্রুত প্রচারের ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর, ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বয়ে পর্যবেক্ষণব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এ ছাড়া, ভবিষ্যতে ভূমিকম্প সহনশীল টেকসই অবকাঠামো নির্মাণ নিশ্চিত করতে ‘বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড’ কঠোরভাবে অনুসরণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে উচ্চ পর্যায়ের টাস্কফোর্স গঠন

নিজস্ব প্রতিবেদক
ডেঙ্গু প্রতিরোধে উচ্চ পর্যায়ের টাস্কফোর্স গঠন
সংগৃহীত ছবি

ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত অন্যান্য রোগ প্রতিরোধে জাতীয় কমিটির প্রথম সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগের উদ্যোগে একটি উচ্চ পর্যায়ের টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) অনুষ্ঠিত সভায় সর্বসম্মতভাবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। টাস্কফোর্সের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

টাস্কফোর্সের প্রধান কার্যপরিধির মধ্যে রয়েছে— জাতীয় কমিটির সিদ্ধান্ত মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা, প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার মধ্যে সমন্বয় করা এবং মাঠ পর্যায়ের অগ্রগতি নিয়মিতভাবে জাতীয় কমিটিকে অবহিত করা। বাস্তবায়নে কোনো সমস্যা দেখা দিলে তা নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে এই কমিটি। ১৯ সদস্যের এই টাস্কফোর্সে স্থানীয় সরকার বিভাগের নগর উন্নয়ন অনুবিভাগের প্রতিনিধি, দুই সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী, স্বাস্থ্য ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা রয়েছেন।

এ ছাড়া ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি), রাজউক, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ এবং আরবান পাবলিক হেলথ প্রিভেন্টিভ সার্ভিসেস প্রকল্পের প্রতিনিধিরাও এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। টাস্কফোর্সের সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্থানীয় সরকার বিভাগের নগর উন্নয়ন-২ শাখার উপসচিব।

সভায় আশা প্রকাশ করা হয়, এই উদ্যোগ ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মাঠ পর্যায়ে সমন্বিত ও কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

বৈদ্যুতিক শক কেমন লাগে শেখ হাসিনার তা অনুভব করা দরকার : এমপি রেহানা

অনলাইন ডেস্ক
বৈদ্যুতিক শক কেমন লাগে শেখ হাসিনার তা অনুভব করা দরকার : এমপি রেহানা

সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানু বলেছেন, অতীতে যে চেয়ারে বিরোধী দলের নেতাদের বসিয়ে ইলেকট্রিক শক দেওয়া হতো, শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে এনে সেই একই চেয়ারে বসিয়ে বা শুইয়ে বৈদ্যুতিক শক দেওয়া উচিত। সেটি কেমন লাগে তা তার অনুভব করা দরকার।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ দাবি জানান। এ সময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। 

রেহানা আক্তার রানু বলেন, চব্বিশের জুলাই আন্দোলনের শহীদদের পরিবারগুলো এখনো সন্তান হত্যার সঠিক বিচার পাচ্ছে না। কারণ, পুলিশ আসামিদের ধরছে না এবং ধরলেও আদালত জামিন দিয়ে দিচ্ছেন।  

সংসদে নিজের বক্তব্যে তিনি আওয়ামী লীগের আমলে তৈরি হওয়া বিভিন্ন অনিয়মের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, বর্তমান সরকারের চার মাস পার হলেও এখনো প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে বিগত সরকারের প্রভাবশালীরা বসে আছেন। বাজেট বাস্তবায়নে এবং সরকারকে সহযোগিতা করার ক্ষেত্রে যারা একটি দুষ্টচক্র হিসেবে কাজ করছে।

এ সময় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কর্মকর্তাদের তীব্র সমালোচনা করে রেহানা আক্তার রানু বলেন, এনবিআর কর্মকর্তারা সরকারের রাজস্ব আদায়ের চেয়ে নিজেদের পকেট ভারী করতেই বেশি ব্যস্ত থাকেন। তাই রাজস্ব খাতে গতি আনতে সেখানে অবিলম্বে একটি ‘সার্জিক্যাল অপারেশন’ চালানো প্রয়োজন।

জাতীয় পার্টির সমালোচনা করে তিনি দলটিকে ‘মিউ মিউ মার্কা’ বিরোধীদল হিসেবে আখ্যা দেন। পাশাপাশি বর্তমান সংসদকে সত্যিকারের ঝকঝকে ও কার্যকর বিরোধী দল সমৃদ্ধ বলে উল্লেখ করেন। এ ছাড়া ব্যাংক খাতের চরম বিশৃঙ্খলা, লুটপাট ও টাকা পাচারের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি ব্যাংক লুটেরাদের সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে সাধারণ গ্রাহকদের টাকা ফেরত দেওয়ার জোর দাবি জানান।

জ্বালানিসংকট আরো তীব্র হওয়ার শঙ্কা, পরিকল্পনা গ্রহণের তাগিদ | কালের কণ্ঠ