• ই-পেপার

২২ হাজার পর্ন ও দুই হাজার জুয়ার সাইট বন্ধ

বিয়ের অতিথি ১০০ ছাড়ালে জনপ্রতি ১০০০ টাকা ট্যাক্স বসানোর দাবি এমপির

অনলাইন ডেস্ক
বিয়ের অতিথি ১০০ ছাড়ালে জনপ্রতি ১০০০ টাকা ট্যাক্স বসানোর দাবি এমপির
সংগৃহীত ছবি

বিয়েতে ‘আনন্দ-ফুর্তির’ নামে অতিরিক্ত খরচ করা হয় বলে দাবি করেছেন সংসদ সদস্য লক্ষ্মীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. শাহাদাত হোসেন সেলিম। বিয়েতে অতিথি ১০০ জনের বেশি হলে প্রতি জনে ১০০০ টাকা ট্যাক্স নির্ধারণের প্রস্তাব দেন তিনি।

সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেনের এমন প্রস্তাব দেওয়া বক্তব্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, গতকাল শুক্রবার রাজধানীতে এক আলোচনাসভায় অংশ নিয়ে এই বক্তব্য দেন।

ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, ‘বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে, বিয়েশাদিতে আমরা দেখেছি কি পরিমাণ অপচয় হয়। এটা একেবারে কল্পনার বাইরে।’

এ সময় তিনি বিয়ের অনুষ্ঠানে ‘অশ্লীল প্রদর্শনী’ হয় বলে মন্তব্য করেন। গায়ে হলুদে নৃত্যের জন্য এক মাস পর্যন্ত ট্রেনিং দেওয়া হয় দাবি করে এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘এইসব অনুষ্ঠানে ব্যাপকভাবে অর্থ ব্যয় করা হয়। বিয়ের অনুষ্ঠানে নাচ-গানে হাজার হাজার মানুষ এসে সেখানে অংশগ্রহণ করে। যা খায়-দায় তার অর্ধেকের বেশি অপচয় হয়। এই অপচয়টাকে বন্ধ করতে হবে।’

বিগত সময়ে অতিথি নিয়ন্ত্রণ আইন ছিল বলে জানান সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন। তিনি জানান, সেই আইনে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলেই সেখানে একটা ট্যাক্স ধরা হতো।

এই সংসদ সদস্য বলেন,  ‘আমরা প্রস্তাব করছি, ১০০ জনের অতিথির বাইরে প্রতি অতিথির জন্য ১০০০ টাকা করে ট্যাক্স নির্ধারণ করতে হবে। যদি অপচয়টা বন্ধ করা হয় তাহলে একদিনে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম ১০ শতাংশ কমে আসবে।’

এর আগে গত ২২ জুন জাতীয় সংসদে একই দাবি তোলেন সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম। সংসদে তিনি আহ্বান জানান, বিয়ে ও গায়েহলুদের অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জাঁকজমক ও অপচয় বন্ধে অতীতে যে অতিথি নিয়ন্ত্রণ আইন ছিল, সেটি কার্যকর করার।

স্বাধীন ফরেন পলিসিতে হস্তক্ষেপ কখনো মেনে নেব না : বিরোধীদলীয় নেতা

অনলাইন ডেস্ক
স্বাধীন ফরেন পলিসিতে হস্তক্ষেপ কখনো মেনে নেব না : বিরোধীদলীয় নেতা
জামায়াত আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। ছবি : সংগৃহীত

পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা উল্লেখ করে জামায়াত আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমাদের সম্পর্ক হবে পারস্পরিক সম্মান ও সমতার ভিত্তিতে। বাংলাদেশের স্বাধীন ফরেন পলিসিতে (পররাষ্ট্রনীতি) কেউ হস্তক্ষেপ করুক, এটা আমরা কখনো মেনে নেব না। সবার আগে দেশের স্বার্থ।’

তিনি বলেন, ‘কোনো চুক্তিই হোক বা যা-ই হোক, তা হবে পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে। আমরা কাউকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে চাই না, আবার নিজেরাও ক্ষতিগ্রস্ত হতে চাই না। এই ভারসাম্য রক্ষা করেই আগামীর পলিসি যেন পরিচালিত হয়।’

শনিবার (২৭ জুন ) জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক বিদেশ সফরের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের উত্থাপিত ধন্যবাদ প্রস্তাবটিকে সমর্থন জানিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘এই দেশ আমাদের সবার। আমরা সত্যিকার অর্থেই একটি স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি দেখতে চাই এবং তা বাস্তবায়ন করতে চাই। এ ক্ষেত্রে বিরোধী দল হিসেবে আমাদের যেটুকু করণীয়, সরকারকে আশ্বস্ত করছি যে আমরা সর্বাত্মক সহযোগিতা করব।’

স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির স্বার্থে বিদেশের সঙ্গে সম্পাদিত সব মৌলিক চুক্তি সংসদে নিয়ে আসার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সংসদকে বাইপাস (পাশ কাটিয়ে) করে যেন কিছুই না হয়, সব কিছু হোক সংসদের ভেতরে। এই সংসদ যেন সব কর্মকাণ্ডের মূল কেন্দ্রবিন্দু হয়। চুক্তিগুলো সংসদে এলে জনপ্রতিনিধিরা তা জানতে পারবেন এবং এর মাধ্যমে সরকার ও জনগণের মধ্যে আস্থার সেতুবন্ধ তৈরি হবে।’

প্রধানমন্ত্রীর সফর করা উভয় দেশকেই বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত বন্ধু হিসেবে উল্লেখ করেন বিরোধীদলীয় নেতা। দেশের বাণিজ্য ঘাটতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ একটি আমদানিনির্ভর দেশ। আমাদের রপ্তানির চেয়ে আমদানি অনেক বেশি। আমাদের রপ্তানির মূল দুটি জায়গা— তৈরি পোশাক (আরএমজি) ও জনশক্তি। একে বহুমুখী (ডাইভার্সিফাই) করার যথেষ্ট সুযোগ আমাদের রয়েছে। এর জন্য স্বল্প, মধ্য এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা দরকার। আশা করি, প্রধানমন্ত্রী তার সফরে এই বিষয়গুলো মাথায় রেখেই দুটি দেশের সঙ্গে আলোচনা করেছেন।’

রাজনীতিতে নতুন সংস্কৃতির প্রত্যাশা ব্যক্ত করে জামায়াত আমির বলেন, ‘এখানে সরকারি দল সব ক্রেডিট (কৃতিত্ব) নেবে আর বিরোধী দল সব কিছুতে শুধু বিরোধিতাই করবে—ব্যক্তিগত ও দলগতভাবে আমরা এই কালচার সমর্থন করি না। সরকারি দলকেও বিরোধী দলকে সম্মান করতে হবে। আর বিরোধী দলেরও দায়িত্ব থাকবে দেশ গঠনে তার জায়গা থেকে যথাযথ ভূমিকা রাখা।’

সরকারি চাকরিজীবীদের সুবিধা বাড়ছে, পাবেন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরাও

অনলাইন ডেস্ক
সরকারি চাকরিজীবীদের সুবিধা বাড়ছে, পাবেন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরাও
ছবি : কালের কণ্ঠ

নবম জাতীয় পে স্কেল বাস্তবায়নের প্রস্তুতির মধ্যে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য একাধিক আর্থিক সুবিধা বাড়ানোর প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা চলছে। বিশেষ করে ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডভুক্ত কর্মচারীরা নতুন বেতন কাঠামোয় সবচেয়ে বেশি সুবিধা পেতে পারেন। নতুন পে স্কেলের সুবিধা পাবেন এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরাও। তবে বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের পে স্কেল ভিন্নভাবে বাস্তবায়ন হবে বলে জানা গেছে।

সরকারি চাকরিজীবীদের প্রস্তাবিত সুবিধাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হলো টিফিন ভাতা বৃদ্ধি। বর্তমানে মাসিক ২০০ টাকা টিফিন ভাতা পেলেও নতুন পে স্কেলে তা পাঁচ গুণ বাড়িয়ে ১ হাজার টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছে। ২০১৫ সালে অষ্টম পে স্কেল কার্যকরের পর সরকারি চাকরিজীবীদের ভাতা কাঠামোয় এটিকে সবচেয়ে বড় পরিবর্তনগুলোর একটি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) সূত্র জানা গেছে, সরকারি চাকরিজীবীদের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরাও নবম পে স্কেল পাবেন। তবে তাদের বেতন ও অন্যান্য সুবিধা সরকারি চাকরিজীবীদের সঙ্গে কার্যকর হবে না। দেরিতে এই সুবিধা পাবেন শিক্ষক-কর্মচারীরা। অর্থাৎ আগে সরকারি চাকরিজীবীদের পে স্কেল কার্যকর হবে। পরবর্তী সময়ে এর আওতায় আসবেন শিক্ষক-কর্মচারীরা।

এ বিষয়ে মাউশি পরিচালক (অর্থ ও ক্রয়) প্রফেসর মোহাম্মদ মনির হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘পূর্বের নিয়ম অনুযায়ী সরকারি চাকরিজীবীদের পে স্কেল আগে হবে। এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা কিছুটা দেরিতে পে স্কেল পাবেন। সচরাচর সরকারি চাকরিজীবী এবং এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের পে স্কেল একই সঙ্গে বাস্তবায়ন হয় না।’

অর্থ মন্ত্রণালয় ও পে কমিশন সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, বর্তমান উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে বিদ্যমান টিফিন ভাতা বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তাই নিম্ন ও মধ্যম আয়ের কর্মচারীদের জীবনযাত্রার ব্যয় কিছুটা লাঘব করতে ভাতা বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে। শুধু টিফিন ভাতাই নয়, নতুন পে স্কেলের খসড়ায় আরো কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব রয়েছে। এর মধ্যে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের সর্বনিম্ন মূল বেতন বর্তমান ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা নির্ধারণের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে।

এ ছাড়া বৈশাখী উৎসব ভাতা বর্তমান মূল বেতনের ২০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করার সুপারিশ করা হয়েছে। কর্মচারীদের সন্তানদের শিক্ষাব্যয় নির্বাহে মাসিক ২ হাজার টাকা শিক্ষা ভাতা চালুর প্রস্তাবও আলোচনায় রয়েছে।

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবারের চিকিৎসা সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রথমবারের মতো স্বাস্থ্যবীমা সুবিধা চালুর বিষয়টিও বিবেচনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি প্রতিবন্ধী সন্তান রয়েছে এমন কর্মচারীদের জন্য অতিরিক্ত ২ হাজার টাকার বিশেষ চাইল্ড কেয়ার ভাতা প্রদানের প্রস্তাবও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

তবে এসব সুবিধা এখনো প্রস্তাবনার পর্যায়ে রয়েছে। সচিব কমিটি ও সরকারের চূড়ান্ত অনুমোদনের পরই নবম জাতীয় পে স্কেলের গেজেট প্রকাশ করা হবে এবং তখনই চূড়ান্ত সুবিধাগুলো নিশ্চিত হবে।

প্রধানমন্ত্রী

মালয়েশিয়া ও চীন সফরে দেশের মানুষের স্বার্থ নিয়ে কথা বলেছি

বাসস
মালয়েশিয়া ও চীন সফরে দেশের মানুষের স্বার্থ নিয়ে কথা বলেছি
ছবি : ভিডিও থেকে নেওয়া

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশের মানুষ আমাদের দায়িত্ব দিয়েছে তাদের স্বার্থ দেখার। মালয়েশিয়া ও চীন সফরে আমি দেশের ও দেশের মানুষের স্বার্থ নিয়ে কথা বলেছি এবং সেই স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করেছি।

তিনি বলেন, এখানে আমাদের ব্যক্তিগত কোনো বিষয় নেই। এ সফরে যদি ভালো কিছু অর্জিত হয়ে থাকে, তবে সেটি বাংলাদেশের অর্জন। এটি দেশের মানুষের অর্জন।

আজ শনিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন (বাজেট অধিবেশন)-এর ১৬তম কার্যদিবসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া ও চীন সফরের অভূতপূর্ব সাফল্যের জন্য উত্থাপিত ধন্যবাদ জ্ঞাপন প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হলে সংসদ নেতা এসব কথা বলেন।

বেলা ১১টায় শুরু হওয়া সংসদের বৈঠকে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম সভাপতিত্ব করেন। গত ২১ থেকে ২৬ জুন পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়া ও চীনে তাঁর প্রথম সরকারি ছয় দিনের সফর সফলভাবে শেষ করেন।

জাতীয় সংসদের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর সফল রাষ্ট্রীয় সফরের জন্য তাঁকে অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানানো হয়। জবাবে প্রধানমন্ত্রী সংসদ সদস্যদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান।

তিনি বলেন, ‘যে কারণে সংসদের পক্ষ থেকে আমাকে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে, সে জন্য আমি সকল সদস্যকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। আমাদের দলের অবস্থান থেকে আমরা একটি স্লোগান ব্যবহার করি সেটি হলো, ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট বা বাংলাদেশ প্রথম।’

প্রধানমন্ত্রী সংসদের সব সদস্যকে, বিশেষ করে বিরোধীদলীয় নেতাকে ধন্যবাদ জানান।

তিনি বলেন, ‘বিরোধীদলীয় নেতাকেও ধন্যবাদ জানাই। তিনিও দেশের মানুষের পক্ষে কাজ করার জন্য উৎসাহ দিয়েছেন।’

এর আগে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ধন্যবাদ জ্ঞাপন প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন। পরে প্রস্তাবটি সংসদে বিস্তারিত আলোচনার পর কণ্ঠভোটে গৃহীত হয়।

প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে সরকারি ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা সফরটিকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ও অর্থনৈতিক কূটনীতির ক্ষেত্রে একটি যুগান্তকারী ঘটনা হিসেবে বর্ণনা করেন।

আলোচনায় অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান প্রধানমন্ত্রীর ২১ থেকে ২৬ জুনের দুই দেশ সফরের কৌশলগত গুরুত্ব তুলে ধরেন।

প্রস্তাবটি কণ্ঠভোটে দেওয়ার আগে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেন, ‘আলোচনাগুলো স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত দেয় যে প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া ও চীন সফর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।’