• ই-পেপার

‘অর্ধেক গণপরিবহন’ চালানোর নির্দেশনা কিভাবে বাস্তবায়ন হবে?

আসছে মাদক প্রতিরোধে নতুন আইন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
আসছে মাদক প্রতিরোধে নতুন আইন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আগামী দুই একদিনের মধ্যে মাদক প্রতিরোধ আইন সংশোধনী সংসদে উপস্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

আজ শুক্রবার (২৬ জুন) ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস’ এর অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমলী আদালতের পাশাপাশি প্রয়োজন মতো মাদক মামলার বিষয়ে ট্রাইবুনাল গঠন করা হবে। আইনের পাশাপাশি সামাজিকভাবে সচেতনতা তৈরি করতে হবে না। তাই মাদকের বিরুদ্ধে লড়াই সহজ হবে।

মাদকের কারণে অপরাধ প্রবণতা বাড়ছে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, দেশে ৮২ লাখ মানুষ মাদক গ্রহণ করে, যা মোট জনসংখ্যার ৪ দশমিক ৮৮ শতাংশ। এখানে জিরো টলারেন্স বাস্তবায়নে সরকার কাজ করছে। মাদক কারবারীদের বিরুদ্ধে অধিদপ্তর এখন পর্যন্ত ৯টি মানিলন্ডারিংয়ের মামলা করেছে।

জাতীয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ জাকাত সংগ্রহকারী ঢাকার ডিসি

অনলাইন ডেস্ক
জাতীয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ জাকাত সংগ্রহকারী ঢাকার ডিসি

২০২৪-২৫ অর্থবছরে জাতীয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ জাকাত সংগ্রহকারী জেলা প্রশাসক হিসেবে প্রথমস্থান অর্জন করেছেন ঢাকা জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম।

সম্প্রতি ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জাকাত তহবিল বিভাগের পরিচালক মো. আব্দুল হামিদ খান স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে দেশের বিভিন্ন জেলার জাকাত সংগ্রহের তথ্য পর্যালোচনা করে এ স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, চট্টগ্রামে জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তার নেতৃত্বে দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ পরিমাণ জাকাতের অর্থ সংগ্রহ করা সম্ভব হয়েছে। এর স্বীকৃতি হিসেবে তাকে জাতীয় পর্যায়ে প্রথমস্থান অর্জনকারী জেলা প্রশাসক হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে।

জানা গেছে, সরকারি জাকাত ব্যবস্থাপনাকে আরো কার্যকর, স্বচ্ছ ও জনসম্পৃক্ত করতে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রম, সমন্বয় সভা এবং জাকাত দিতে উদ্বুদ্ধকরণ কর্মসূচি পরিচালনা করা হয়। এসব উদ্যোগের ফলে জাকাত তহবিলে মানুষের অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায় এবং সংগ্রহের পরিমাণও বেড়ে যায়।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেন, সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কার্যক্রমকে আরো শক্তিশালী করতে জাকাত তহবিল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে জাকাতের অর্থ প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা যাবে।

তিনি এ অর্জনকে ভবিষ্যতে আরো দায়িত্বশীলভাবে কাজ করার অনুপ্রেরণা হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, মানুষের কল্যাণে কাজ করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। ভবিষ্যতেও জনসেবামূলক কার্যক্রমে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাব।

ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে হতাহতের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক

অনলাইন ডেস্ক
ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে হতাহতের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক

ভেনেজুয়েলায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে বহু মানুষের প্রাণহানি ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনায় গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 

আজ শুক্রবার (২৬ জুন) এক শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী জানান, ভেনেজুয়েলায় সংঘটিত বিধ্বংসী ভূমিকম্পে বহু মানুষের প্রাণহানি এবং ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের ঘটনায় তিনি গভীরভাবে মর্মাহত।

তারেক রহমান বাংলাদেশের জনগণের পক্ষ থেকে নিহতদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।

একই সঙ্গে এই দুর্যোগের কঠিন সময়ে ভেনেজুয়েলাবাসীর পাশে বাংলাদেশের জনগণ সংহতি প্রকাশ করছে বলেও উল্লেখ করেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানান, ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে। তিনি এই সংকট মোকাবেলায় ভেনেজুয়েলার সরকার ও জনগণের জন্য শক্তি, সাহস এবং দ্রুত পুনরুদ্ধার কামনা করেন।

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ট্রেডিং পার্টনার চীন: মাহদী আমিন

বাসস
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ট্রেডিং পার্টনার চীন: মাহদী আমিন
বেইজিংয়ে হোটেল ‘দাইওইউতাই’-এ এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন বক্তব্য দেন–ছবি: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ট্রেডিং পার্টনার চীন। এ কারণে আমাদের একটা বড় সুযোগ রয়েছে। একদিকে, তারা যেমন সবচেয়ে বড় ট্রেডিং পার্টনার, একই সঙ্গে বাংলাদেশ থেকেও চীনে রপ্তানি হয়। তবে তুলনামূলকভাবে চীন থেকে বাংলাদেশের আমদানির পরিমাণ অনেক বেশি বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।

বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় বেইজিংয়ে হোটেল ‘দাইওইউতাই’-এ এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।

মাহদী আমিন বলেন, ‘আমরা রপ্তানি বাড়াতে পারি কিনা, ডাইভার্সিফাই কীভাবে করতে পারি? বাংলাদেশ থেকে চীনে রপ্তানি বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। বর্তমানে আমাদের ডিউটি ফ্রি ইমপোর্ট চীনে রয়েছে। এ থেকে আরো কীভাবে সুবিধা পাওয়া যায় তা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।’

আগামীতে চীনের বিশাল বাজারে রপ্তানির সুযোগ কীভাবে করা যায়, তা নিয়ে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

মাহদী আমিন বলেন, ‘তিস্তা প্রজেক্টের বিষয়ে আমাদের মহাপরিকল্পনা রয়েছে, যা বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত ছিল। তারই আলোকে এই মহাপরিকল্পনার প্ল্যানিং স্টেজ থেকে শুরু করে যেখানে প্রয়োজন, সেখানে টেকনিক্যাল সাপোর্ট প্রোভাইড করা, তার উপর ভিত্তি করে আমাদের প্রজেক্ট ডিজাইন করা, প্ল্যানিং, এক্সিকিউশন সব জায়গাতে ধারাবাহিকভাবে চীন সরকার যুক্ত হবেন বলে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।’

তিনি বলেন, ‘জয়েন্ট ফিজিবিলিটি স্টাডি করাটা খুব প্রয়োজন। এত বড় একটি প্রজেক্টে সেই জয়েন্ট ফিজিবিলিটি স্টাডির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সাথে চীন কাজ করতে চায় এবং টোটাল ওয়াটার রিসোর্স ম্যানেজমেন্টের ড্রেনেজ সিস্টেমে যে বিশেষজ্ঞ যেখানে রয়েছেন সেটি বাংলাদেশের কাজে লাগানো সম্ভব। দুই দেশের সরকার প্রধানই এ বিষয়ে ঐকমত্য পোষণ করেছেন।’

মাহদী আমিন বলেন,‘চীনের প্রধানমন্ত্রীর ভাষায় চীনের যে মেগা সাইজ মার্কেট রয়েছে তাতে অবশ্যই বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রোডাক্টের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই আমরা যদি আমাদের সাপ্লাই চেইনটাকে সেভাবে উন্নত করতে পারি, চীনের যে ডমেস্টিক ডিমান্ড আছে, সেটার সাথে এলাইন করতে পারলে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়ানো সম্ভব।’

‘চীনের মার্কেটে আমরা অনেক কিছু রপ্তানি করতে পারি। তাৎক্ষণিকভাবে আজ বাংলাদেশ থেকে আমাদের জাতীয় ফল কাঁঠাল পাঁচ হাজার রপ্তানির বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে। এই ধরনের ফ্রুট, ভেজিটেবল, অ্যাগ্রোভেইড প্রোডাক্ট, ফিশারিজ অনেক ক্ষেত্রে আমরা নতুন নতুন ডাইভার্সিফিকেশন করতে পারি।’

একই সঙ্গে ফার্মাসিউটিক্যালস, সিরামিক, হাইটেক বেশ কিছু ইন্ডাস্ট্রি রয়েছে যেখানে বাংলাদেশে একদিকে যেমন চীনের বিনিয়োগ করা সম্ভব। ঠিক একই সঙ্গে বাংলাদেশ থেকে চীনে রপ্তানিরও সুযোগ রয়েছে। এজন্য জয়েন্ট অ্যাকশন প্ল্যান করার বিষয়ে কথা হচ্ছে, বাংলাদেশ-চীনের মধ্যে হতে পারে।

তিনি বলেন, ‘আমরা এমনভাবে রাষ্ট্র ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাবো যেখানে কূটনৈতিক সম্পর্কের মাধ্যমে বেনিফিট পাওয়া যাবে। এতে একদিকে যেমন বাংলাদেশও রাষ্ট্রীয়ভাবে সহযোগিতার মাধ্যমে উপকৃত হবে। একই সঙ্গে চীনও তাদের বিনিয়োগের মাধ্যমে প্রফিট পাবে।’

মাহদী আমিন বলেন, ‘চীন বাংলাদেশে ইনভেস্টমেন্ট করতে চায় এবং অবশ্যই চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত যেসব প্রতিষ্ঠান রয়েছে এবং প্রাইভেট সেক্টরে যেসব প্রতিষ্ঠান রয়েছে তারা ডিজিটাল ইকোনমি, আইটি, অ্যাগ্রিকালচার, ইনফ্রাস্ট্রাকচারের ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী।’

তিনি বলেন, ‘চীনের কিছু ব্যাংক আগামীতে বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রম শুরু করতে চায়। আমাদের ফাইনান্সিয়াল সিস্টেমটাকে আমরা যেভাবে রিকভারি করছি এবং সামনের দিকে নিয়ে যাচ্ছি। চীন মনে করছে যে, বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে বিনিয়োগ করার সুযোগ রয়েছে।’

‘চীনেরও বেশ কিছু কোম্পানি রয়েছে, যাদের বিশ্বের উন্নত দেশে অফিস রয়েছে, সেই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশেও অফিস করবে। এ বিষয়ে চীনের প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করেছেন। আমরা সবসময় চাই পিপলস টু পিপলস কানেক্টিভিটি যেন বাড়ে।’

তিনি বলেন, ‘পিপল টু পিপল কানেক্টিভিটি বাড়ানোর বিষয়ে আমাদের প্রধানমন্ত্রী এবং চীনের প্রধানমন্ত্রীর আলোচনায় উঠে এসেছে। যেমন এডুকেশনের ক্ষেত্রে থার্ড ল্যাঙ্গুয়েজ। আমরা এটা শুরু করতে চাচ্ছি এবং এখানে বড় ধরনের সহযোগিতার সুযোগ রয়েছে। টেকনিক্যাল অ্যান্ড ভোকেশনাল এডুকেশনে চীন সহায়তা করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।’

তিনি বলেন, বাংলাদেশে এরই মধ্যে তারা হাসপাতাল নিয়ে কাজ করছে। চীনের বিনিয়োগকৃত হাসপাতালের সংখ্যা কীভাবে বাড়ানো যায় সে বিষয়ে কথা হয়েছে। চীনের প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। বাংলাদেশ থেকে অনেকেই বিদেশে চিকিৎসা করতে চান। চীনে বাংলাদেশি রোগীদের ভিসা আরো সহজ করা, হেলথ কেয়ার ফ্যাসিলিটি কীভাবে বাংলাদেশিদের জন্য বাড়ানো যায় সেগুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা যেন সহজে চীনা ভিসা পায় এবং স্কলারশিপ বাড়ানোর সুযোগ পায়, সেই বিষয়গুলো নিয়ে সরকারি পর্যায়ে আলোচনা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির ও প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন উপস্থিত ছিলেন।

‘অর্ধেক গণপরিবহন’ চালানোর নির্দেশনা কিভাবে বাস্তবায়ন হবে? | কালের কণ্ঠ