kalerkantho

রবিবার । ১০ শ্রাবণ ১৪২৮। ২৫ জুলাই ২০২১। ১৪ জিলহজ ১৪৪২

ভার্চুয়াল শুনানিতে ৪০ দিনে হাজার শিশুর জামিন

অনলাইন ডেস্ক   

১২ জুন, ২০২১ ১২:১৭ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ভার্চুয়াল শুনানিতে ৪০ দিনে হাজার শিশুর জামিন

করোনা সংক্রমণ রোধে সরকার ঘোষিত চলমান বিধি-নিষেধের মধ্যে ৪০ কার্যদিবসে সারা দেশের নিম্ন আদালতে ভার্চুয়াল শুনানিতে জামিনে মুক্তি পেয়েছে এক হাজার ১৭ জন শিশু। একই সময়ে নিম্ন আদালতে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন ৬৩ হাজার ৭৫ জন কারাবন্দি।

সুপ্রিম কোর্টের মুখপাত্র ও হাইকোর্ট বিভাগের বিশেষ কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুর রহমান এ তথ্য জানিয়েছেন। গত ১২ এপ্রিল থেকে ১০ জুন পর্যন্ত মোট ৪০ কার্যদিবসের এই তথ্য জানান তিনি।

সুপ্রিম কোর্টের তথ্য মতে, গত ১২ এপ্রিল থেকে করোনা সংক্রমণ রোধে পুনরায় দ্বিতীয় দফায় সারা দেশে অধস্তন আদালত এবং ট্রাইব্যুনালে শারীরিক উপস্থিতি ছাড়া ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে জামিন ও অতি জরুরি ফৌজদারি দরখাস্ত শুনানি হচ্ছে।

১২ এপ্রিল থেকে ১০ জুন পর্যন্ত মোট ৪০ কার্যদিবসে সারাদেশে অধস্তন আদালত এবং ট্রাইব্যুনালে এক লাখ ২৩ হাজার ৬৫টি মামলায় জামিন আবেদন নিষ্পত্তি হয়েছে ভার্চুয়াল শুনানির মাধ্যমে। এই সময়ে মোট ৬৩ হাজার ৭৫ জন কারাবন্দি জামিন পেয়ে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। এর মধ্যে ভার্চুয়াল আদালতে একই সময়ে মোট জামিন পেয়েছে ১০১৭ জন শিশু।

বিধি-নিষেধের মধ্যে আদালতের কার্যক্রম চালাতে প্রধান বিচারপতির আদেশে গত ১১ এপ্রিল বিজ্ঞপ্তি জারি করেন হাইকোর্ট বিভাগের রেজিস্ট্রার মো. গোলাম রব্বানী।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, করোনাভাইরাসের ব্যাপক বিস্তার রোধে ১২ এপ্রিল থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ভার্চুয়াল উপস্থিতির মাধ্যমে জামিন ও অতি জরুরি ফৌজদারি দরখাস্ত নিষ্পত্তি করার উদ্দেশ্যে আদালত ও ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।

বলা হয়, প্রত্যেক জেলার জেলা ও দায়রা জজ, মহানগর এলাকার মহানগর দায়রা জজ, নারীও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক, শিশু আদালতের বিচারক এবং চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট/চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নিজে অথবা তার নিয়ন্ত্রনাধীন এক বা একাধিক ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা 'আদালত কর্তৃক তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার আইন, ২০২০'  এবং হাইকোর্ট কর্তৃক জারিকৃত এতদসংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি অনুসরণ করে শুধু জামিন ও অতি জরুরি ফৌজদারি দরখাস্তগুলো নিষ্পত্তি করতে ভার্চুয়াল উপস্থিতির মাধ্যমে আদালতের কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, হাইকোর্ট বিভাগ থেকে দেওয়া জামিন আদেশের ক্ষেত্রে চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট/চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে জামিন নামা দাখিল করতে হবে। এছাড়া সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতায় প্রত্যেক চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট/চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এক বা একাধিক ম্যাজিস্ট্রেট যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে শারীরিক উপস্থিতিতে দায়িত্বপালন করবেন। 



সাতদিনের সেরা