• ই-পেপার

২৪ মার্চ বাংলাদেশের ইতিহাসের কালো অধ্যায় : বিএনপি

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক

অনলাইন ডেস্ক
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক
সংগৃহীত ছবি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ ভবনের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে বৈঠকটি শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি সংবাদ সম্মেলনে বৈঠকের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও অনুমোদনের বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করবেন।

মন্ত্রিসভার নিয়মিত এ বৈঠকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের উত্থাপিত নীতিগত সিদ্ধান্ত, খসড়া আইন, প্রশাসনিক বিষয় এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

সাগরে লঘুচাপ, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কতা সংকেত

অনলাইন ডেস্ক
সাগরে লঘুচাপ, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কতা সংকেত
সংগৃহীত ছবি

উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও উত্তর উড়িষ্যা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূলীয় এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) আবহাওয়া অধিদপ্তরের জারি করা এক সতর্কবার্তায় বলা হয়, লঘুচাপের প্রভাবে সমুদ্র বিক্ষুব্ধ থাকতে পারে। তাই উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তরের ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণেরও সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময়ে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

স্বাধীনতার পর সবচেয়ে জনকল্যাণমুখী বাজেট পাস হয়েছে : চিফ হুইপ

নিজস্ব প্রতিবেদক
স্বাধীনতার পর সবচেয়ে জনকল্যাণমুখী বাজেট পাস হয়েছে : চিফ হুইপ
ছবি : কালের কণ্ঠ

জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বলেছেন, স্বাধীনতার পর দেশের ইতিহাসে এত জনকল্যাণমুখী ও জীবনঘনিষ্ঠ বাজেট আর প্রণয়ন হয়নি।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার জীবনবান্ধব এই বাজেট সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, সামাজিক সুরক্ষা জোরদার এবং দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক ভিত্তি শক্তিশালী করার লক্ষ্যেই প্রণয়ন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) জাতীয় সংসদের এলডি হলে বাজেট-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় জাতীয় সংসদের হুইপ রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুও উপস্থিত ছিলেন।

চিফ হুইপ বলেন, এ বাজেট জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করা এবং দেশের সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ন রাখার লক্ষ্যকে সামনে রেখে প্রণয়ন করা হয়েছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী এই বাজেটকে মানুষের বাজেট, জনবান্ধব বাজেট এবং জনগণের জীবন-জীবিকার বাজেট হিসেবে অভিহিত করেছেন।

তিনি আরো বলেন, সরকার একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছে। অতীতে ডলারের মূল্যবৃদ্ধি, ব্যাংক খাতের সংকট এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের বিপুল আর্থিক সহায়তার প্রয়োজনীয়তা অর্থনীতির দুর্বলতার প্রমাণ। মেগাপ্রকল্পের নামে অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রভাব এখনো অর্থনীতিতে বিদ্যমান বলে তিনি মন্তব্য করেন। এ কারণে সরকার অবকাঠামোর পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি জনকল্যাণমূলক প্রকল্পকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

নূরুল ইসলাম বলেন, সরকার প্রদর্শনমূলক প্রকল্পের পরিবর্তে মানুষের প্রয়োজন পূরণে গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি জানান, পদ্মা ব্যারাজ ও তিস্তা ব্যারাজ প্রকল্পের মাধ্যমে শুষ্ক মৌসুমে কৃষিতে পানির নিশ্চয়তা এবং পানি ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে।

তিনি বলেন, বাজেটে ২৫ কোটি গাছ রোপণ, ২০ হাজার কিলোমিটার খাল পুনঃখনন, কৃষক কার্ড, পরিবার কার্ড, নারীদের জন্য বিশেষ কার্ড, প্রবাসী সেবা এবং স্বাস্থ্য খাতের বিভিন্ন কর্মসূচি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এসব উদ্যোগের লক্ষ্য কেউ যেন না খেয়ে থাকে এবং মানুষের জীবনমান উন্নত হয়। প্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের ৬৩টি আইটেমে কর বৃদ্ধি করা হয়নি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সংসদীয় গণতন্ত্রের চর্চার বিষয়ে চিফ হুইপ বলেন, এবার বিরোধী দল বাজেট প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় শুরু থেকেই সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছে। সংসদীয় বিধি অনুযায়ী বিরোধী দলের জন্য ২৬ শতাংশ সময় বরাদ্দ থাকলেও তাদের প্রায় ৩১ শতাংশ সময় বক্তব্যের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। বিরোধীদলীয় নেতার অনুরোধে প্রধানমন্ত্রী সাইকেলের ওপর প্রস্তাবিত কর প্রত্যাহারের নির্দেশ দেন বলেও তিনি জানান।

তিনি আরো বলেন, বাজেট আলোচনার নির্ধারিত সময় শেষে গিলোটিন প্রস্তাব আনার অনুরোধও বিরোধীদলীয় নেতার পক্ষ থেকেই আসে এবং পরে বিরোধী দল তাদের ছাঁটাই প্রস্তাব প্রত্যাহার করে নেয়।

সংবিধান সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রয়োজনীয় রাষ্ট্রীয় সংস্কারের জন্য সংবিধান সংশোধন জরুরি। রাজনৈতিক ঐকমত্যের ভিত্তিতে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হবে। পাশাপাশি সংসদীয় কমিটি গঠনের কাজ দ্রুত শেষ করা হবে এবং জুলাই জাদুঘর উদ্বোধনের প্রস্তুতি চলছে।

প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সম্পর্ক বিষয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশ পারস্পরিক সম্মান ও সহযোগিতার ভিত্তিতে সম্পর্ক বজায় রাখতে চায়। তবে দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কোনো বিদেশি হস্তক্ষেপ গ্রহণযোগ্য নয় এবং বাংলাদেশের ভূখণ্ডও কোনো দেশের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না।

শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কারই স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার মৌলিক ভিত্তি : মাহদী আমিন

অনলাইন ডেস্ক
শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কারই স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার মৌলিক ভিত্তি : মাহদী আমিন

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহ্দী আমিন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনী ইশতেহারের আলোকে দেশের শিক্ষাব্যবস্থার প্রয়োজনীয় সংস্কারই হবে আগামী দিনের সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তোলার মৌলিক ভিত্তি।

তিনি বলেন, ‘একটি আধুনিক ও যুগোপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে আমাদের শিক্ষার্থীদের দেশপ্রেমিক, সুনাগরিক, যোগ্য ও বিশ্ব নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।’

বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ‘বাংলাদেশে জিপিই সিস্টেম ট্রান্সফরমেশন গ্রান্ট (এসটিজি) এবং মাল্টিপ্লায়ার গ্রান্টের’ আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

গ্লোবাল পার্টনারশিপ ফর এডুকেশন (জিপিই), ইউনেস্কো, ইউনিসেফ, এডিবি, শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

ড. মাহ্দী আমিন বলেন, ‘আজ অত্যন্ত আনন্দের দিন—আন্তর্জাতিক উন্নয়ন অংশীদারদের সহযোগিতায় বাংলাদেশের শিক্ষা খাতের উন্নয়নে ৯৮.৮৫ মিলিয়ন ডলারের একটি বিশাল অনুদান নিশ্চিত হয়েছে। আমাদের আন্তর্জাতিক স্টেকহোল্ডাররা সবাই এখানে এক হয়েছেন। এই অংশীদারির মাধ্যমে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থাকে আরো বেশি অন্তর্ভুক্তিমূলক করা সম্ভব হবে।’

তিনি বলেন, ‘প্রথম শ্রেণি থেকে শুরু করে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত প্রতিটি শিক্ষার্থীর মেধার বিকাশ ও সুপ্ত প্রতিভাকে জাগিয়ে তুলতে শিক্ষাক্রমের আধুনিকায়নের কাজ চলছে। মুখস্থ বিদ্যার চাপ কমিয়ে শিক্ষাকে আনন্দময় করতে প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য ‘সংস্কৃতি’ ও ‘ক্রীড়া’-এই দুটি বিষয়কে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এ ছাড়া বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় কারিগরি, বৃত্তিমূলক ও ভাষাগত দক্ষতার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

শিক্ষকদের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করে শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, ‘আমাদের ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের কাণ্ডারী শিক্ষার্থীদের যারা তৈরি করেন, সেই শিক্ষকদের দক্ষতা ও পেশাদারির উন্নয়ন সবচেয়ে জরুরি। এই শিক্ষকদের যদি আমরা দক্ষ ও যোগ্য করে তুলতে না পারি, তবে আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থার সুফল মিলবে না। 

শিক্ষকদের যথাযথ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে পেশাগত সক্ষমতা বাড়াতে এই অনুদান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘শিক্ষাক্ষেত্রে বৈষম্য দূর করতে আমাদের বড় পরিকল্পনা রয়েছে। আমরা চাই দেশের সব অঞ্চলের প্রতিটি শিক্ষার্থী যেন একই মানের পোশাক (ইউনিফর্ম) এবং একই স্কুল ব্যাগ নিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেতে পারে। প্রযুক্তিনির্ভর স্মার্ট ক্লাসরুম এবং মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমের প্রসারের পাশাপাশি ‘মিড-ডে মিল’ বা স্কুল ফিডিং কর্মসূচির টেকসই বাস্তবায়নের ওপর আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি।’

উন্নয়ন সহযোগীদের ধন্যবাদ জানিয়ে মাহ্দী আমিন বলেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মেধা ও মননশীলতায় দীপ্ত একটি নতুন প্রজন্ম গড়ে উঠবে, যারা আগামী দিনে বাংলাদেশকে বিশ্বমঞ্চে নেতৃত্ব দেবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো বক্তব্য দেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

অনুষ্ঠানে ইউনিসেফ, ইউনেস্কো, এডিবি এবং ব্রিটিশ হাইকমিশনের ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

২৪ মার্চ বাংলাদেশের ইতিহাসের কালো অধ্যায় : বিএনপি | কালের কণ্ঠ