• ই-পেপার

সিপিডি গবেষণা প্রতিবেদন

সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির ৬৫.৫% সুবিধাভোগী দরিদ্র নয়

বাংলাদেশকে নেপাল থেকে ৪০ মেগাওয়াটের বেশি নিতে দেবে না ভারত

অনলাইন ডেস্ক
বাংলাদেশকে নেপাল থেকে ৪০ মেগাওয়াটের বেশি নিতে দেবে না ভারত

নেপাল থেকে বাংলাদেশে ৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানির কথা থাকলেও ৪০ মেগাওয়াট রপ্তানি করবে তারা। আগামীকাল সোমবার (১৫ জুন) থেকে আমদানি শুরু হবে।

ভারতের অনুমোদন না পাওয়ায় অতিরিক্ত ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানি আপাতত বন্ধ থাকছে। সংশ্লিষ্ট জ্বালানি কর্মকর্তারা বলছেন, ভারতের সেন্ট্রাল ইলেকট্রিসিটি অথরিটি (সিইএ) এখন পর্যন্ত সেই অনুমোদন দেয়নি। খবর কাঠমান্ডু পোস্টের

কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে কাঠমান্ডু পোস্ট জানিয়েছে, ভারতের কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ (সিইএ) বিদ্যুৎ পরিবহন লাইনের সক্ষমতার সীমাবদ্ধতার কারণ দেখিয়ে অনুমোদন স্থগিত করে দিয়েছে। পাশাপাশি সংশোধিত বা নতুন ত্রিপক্ষীয় চুক্তি এবং নেপাল-ভারত জ্বালানি সচিব পর্যায়ের জয়েন্ট স্টিয়ারিং কমিটির (জেএসসি) সিদ্ধান্তসহ আরো কিছু প্রক্রিয়া এখনো সম্পন্ন হয়নি।

বর্ষা মৌসুমে উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ ভারত ও বাংলাদেশে রপ্তানি করে নেপাল। তবে শীত মৌসুমে দেশটি আবার ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানি করে থাকে।

২০২৫ সালের ২৭ নভেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত নেপাল-ভারত জেএসসির বৈঠকে বিদ্যমান ৪০ মেগাওয়াট ব্যবস্থার আওতায় বাংলাদেশে আরও ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানি বাড়ানোর বিষয়ে নীতিগত সম্মতি হয়েছিল। একই সঙ্গে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার বিষয়েও সমঝোতা হয়।

গণমাধ্যমগুলো বিজনেস হাউসের প্রতিনিধি হয়ে গেছে : মির্জা ফখরুল

অনলাইন ডেস্ক
গণমাধ্যমগুলো বিজনেস হাউসের প্রতিনিধি হয়ে গেছে : মির্জা ফখরুল
ফাইল ছবি

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘গণমাধ্যমগুলো বিজনেস হাউসের প্রতিনিধি হয়ে গেছে। রবিবার (১৪ জুন) এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের উদ্দেশে এ কথা বলেন তিনি।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘মিডিয়ার সমস্যা তো এখন বিশাল। সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো মিডিয়া আর এখন মিডিয়া নেই। চাটুকারিতা কাকে বলে এখন মিডিয়াকে দেখলে বুঝা যায়। আমরা লাস্ট রেজিমে দেখেছি কিভাবে চাটুকারিতা হয়েছে। আমরা আশা করব আপনারা এখন বের হয়ে এসেছেন, লড়াই করেছেন এর বিরুদ্ধে এটা ভালোভাবে কাজে লাগান। আমরা আপনাদের সাথে আছি।’

তিনি বলেন, ‘জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রের প্রতিটি খাতের উন্নয়নে কাজ করেছেন। বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ সত্ত্বার বিকাশ ঘটিয়েছেন তিনি। গণতন্ত্রকে উত্তম শাসনব্যবস্থা হিসেবে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছেন শহিদ জিয়া। দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার চেষ্টা করেছেন।’

নবম পে স্কেলে দ্বিগুণ হচ্ছে পেনশন, গেজেট প্রকাশ কবে?

অনলাইন ডেস্ক
নবম পে স্কেলে দ্বিগুণ হচ্ছে পেনশন, গেজেট প্রকাশ কবে?
সংগৃহীত ছবি

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন পে স্কেল অবশ্যই বাস্তবায়ন হবে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।

জানা গেছে, সময় পে স্কেলের গেজেট প্রকাশের নির্ধারিত সময় প্রকাশ করা হয়নি। তবে শিগগিরই গেজেট প্রকাশ করা হবে। এর জন্য পে স্কেলের রূপরেখা চূড়ান্ত হয়ে গেছে। চূড়ান্ত এই রূপরেখা অনুযায়ী, একবারে পে স্কেল বাস্তবায়ন হচ্ছে না। মোট তিন ধাপে পে স্কেল বাস্তবায়ন হবে। নতুন পে স্কেলে সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতনের অর্থাৎ বেসিকের ৫০ শতাংশ বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে বেসিকের শতভাগ বেতন বৃদ্ধি করা হতে পারে বলেও আলোচনা হচ্ছে।

বাজেট বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘সরকারি কর্মচারীরা বিগত প্রায় ১১ বছর ধরে একই বেতন কাঠামোতে বেতন-ভাতা পাচ্ছেন। ইতিমধ্যে মূল্যস্ফীতির কারণে জীবনযাত্রার ব্যয় অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো আগামী ১ জুলাই (২০২৬) হতে ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করার ঘোষণা দিচ্ছি। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল এর মধ্যে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও অবকাঠামোগত বৈষম্য কমিয়ে সমতাভিত্তিক সুষম উন্নয়নে বহুমুখী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।’

নতুন সুপারিশ অনুযায়ী, অবসরপ্রাপ্তদের আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে তিন স্তরে পেনশন বৃদ্ধির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে যাদের মাসিক পেনশন ২০ হাজার টাকার কম, তাদের পেনশন ১০০ শতাংশ বা দ্বিগুণ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ২০ হাজার থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত পেনশন পান এমন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে ৭৫ শতাংশ বৃদ্ধির সুপারিশ এসেছে। মাসিক ৪০ হাজার টাকার বেশি পেনশনভোগীদের ক্ষেত্রে ৫৫ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি হতে পারে।

এদিকে, নতুন বেতন কাঠামোতে কেবল মূল বেতন নয়, বরং শিক্ষা, টিফিন ও বৈশাখী ভাতাতেও বড় পরিবর্তনের প্রস্তাব করা হয়েছে। এরমধ্যে বৈশাখী ভাতা মূল বেতনের ২০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করার সুপারিশ করা হয়েছে। ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য টিফিন ভাতা বর্তমানের ২০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া সন্তানদের মাসিক শিক্ষা ভাতা ১ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ হাজার টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছে।

দেশে ফিরলেন ৫৫ হাজার ১৩৩ হাজি, মারা গেছেন ৫১

অনলাইন ডেস্ক
দেশে ফিরলেন ৫৫ হাজার ১৩৩ হাজি, মারা গেছেন ৫১

হজ পালন শেষে সৌদি আরব থেকে এখন পর্যন্ত দেশে ফিরেছেন ৫৫ হাজার ১৩৩ জন বাংলাদেশি হাজি। দেশে প্রত্যাবর্তনকারী হাজিদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ফিরেছেন ৪ হাজার ৩১৩ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ফিরেছেন ৫০ হাজার ৮২০ জন।

এদিকে হজ পালনে সৌদিতে গিয়ে হজ সম্পন্ন হওয়ার আগে এবং পরে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ৫১ জন বাংলাদেশি। তাদের মধ্যে ৩৪ জন পুরুষ এবং ১৭ জন নারী। মৃতদের মধ্যে মক্কায় ৩৫ জন, মদিনায় ১৪ জন এবং জেদ্দায় একজন মারা যান।

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সর্বশেষ তথ্যে জানা যায়, ১৪ জুন (সৌদি সময়) পর্যন্ত দেশে ফিরতি হজযাত্রী পরিবহনে শীর্ষে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস।

সংস্থাটি এখন পর্যন্ত ২৩ হাজার ২৬৫ জন হাজিকে দেশে ফিরিয়ে এনেছে। এ ছাড়া সৌদি এয়ারলাইনস পরিবহন করেছে ১৯ হাজার ৬৮৫ জন, ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস ৮ হাজার ৩৮০ জন এবং অন্যান্য এয়ারলাইনসের মাধ্যমে ফিরেছেন ৩ হাজার ৮০৩ জন হাজি।
হজযাত্রীদের দেশে ফিরিয়ে আনতে এখন পর্যন্ত মোট ১৩১ ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস পরিচালনা করেছে ৬১টি, সৌদি এয়ারলাইনস ৪৯টি এবং ফ্লাইনাস ২১টি ফ্লাইট।

স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সৌদি আরবে বাংলাদেশি চিকিৎসাকেন্দ্রগুলো থেকে এখন পর্যন্ত ৬৩ হাজার ৪২৭টি স্বয়ংক্রিয় চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্র প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি আইটি হেল্পডেস্কের মাধ্যমে ২৭ হাজার ৮১০টি সেবা দেওয়া হয়েছে।

চলতি বছর পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয় ২৬ মে। বাংলাদেশ থেকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে যান। হজযাত্রীদের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয় ৩০ মে এবং শেষ ফিরতি ফ্লাইট নির্ধারিত রয়েছে আগামী ৩০ জুন। হজযাত্রীদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির ৬৫.৫% সুবিধাভোগী দরিদ্র নয় | কালের কণ্ঠ