• ই-পেপার

বাচ্চাদের এবারের ঈদ আনন্দ টেলিভিশনে ছাদে-বারান্দায়

গণমানুষের বাজেটকে যারা দলীয়করণ বলছে তারা নিকৃষ্ট প্রকৃতির লোক : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি
গণমানুষের বাজেটকে যারা দলীয়করণ বলছে তারা নিকৃষ্ট প্রকৃতির লোক : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ছবি: কালের কণ্ঠ

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘বিএনপি সরকার 'গণমানুষের বাজেট' ঘোষণা করেছে। সরকার ব্যাংকমূখী না হয়ে ঘোষিত এই বাজেটকে যারা দলীয়করণ বলছে তারা খুবই নিকৃষ্ট প্রকৃতির লোক।’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শনিবার কক্সবাজার আগমন উপলক্ষে শুক্রবার (১২ জুন) সকালে কক্সবাজার পৌঁছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। পরে প্রধানমন্ত্রীর নির্ধারিত অনুষ্ঠানস্থল এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ শেষে চকরিয়া পৌরসভার বাস টার্মিনালের মাঠে তিনি ঘোষিত বাজেট নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এই মন্তব্য করেন।

নিজ জেলায় প্রধানমন্ত্রীর সফরের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফরকে কেন্দ্র করে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি নিশ্চিত করেছে। সফরের প্রতিটি কর্মসূচি যাতে শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও নিরাপদভাবে সম্পন্ন হয়, সেই লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে।’

শনিবার প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কক্সবাজার সফরকে ঘিরে জেলাজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। সফরের সার্বিক প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা তদারকিতে কক্সবাজারের বিভিন্ন কর্মসূচী পরিদর্শন করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। 

এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তা, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য এবং আয়োজকদের সঙ্গে মতবিনিময় করে প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। 

প্রশাসনে বড় রদবদল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রশাসনে বড় রদবদল

প্রশাসনে গতিশীলতা আনতে যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদার ৯ কর্মকর্তাকে একযোগে বদলি করেছে সরকার। সেই সঙ্গে আরো ২ যুগ্ম-সচিবের পদে রদবদল করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন নিয়োগ-২ ও প্রেষণ-১ শাখা থেকে জারি করা পৃথক ১১টি প্রজ্ঞাপনে তাদের বদলি ও পদায়নের বিষয়টি জানানো হয়েছে।

এর মধ্যে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের হাইড্রোকার্বন ইউনিটের মহাপরিচালক (যুগ্ম-সচিব) মো. সাবেত আলীকে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের যুগ্ম-সচিব হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। পাশাপাশি রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান হিসেবে কর্মরত যুগ্ম-সচিব এস এম তুহিনুর আলমকে পরবর্তী পদায়নের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া প্রেষণে দায়িত্ব পালন শেষে সম্প্রতি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে যোগদান করা যুগ্ম-সচিব মো. আবুল হোসেনকে জাতীয় উন্নয়ন প্রশাসন একাডেমির (নাডা) এমডিএস হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগে সংযুক্ত যুগ্ম-সচিব মো. অলিউর রহমানকে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের (বিআরডিবি) পরিচালক এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক সৈয়দ ফরহাদ হোসেনকে ‘অসচ্ছল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য আবাসন নির্মাণ’ শীর্ষক প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক (পিডি) হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। পাশাপাশি নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের যুগ্ম-সচিব ডি এম আতিকুর রহমানকে নবগঠিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তরের’ মহাপরিচালক (ডিজি) হিসেবে নিয়োগ দিয়ে তার চাকরি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।

অন্যদিকে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব মো. জহিরুল ইসলাম খানকে সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের পরিচালক এবং রাজশাহী বিভাগের কৃষি বিপণন কার্যালয়ের উপ-পরিচালক বেগম শাহানা আখতার জাহানকে রাজশাহী ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশনের পরিচালক এরশাদ হোসেন খানকে ঢাকা ওয়াসার উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা পৃথক প্রজ্ঞাপনগুলো দেখতে এখানে ক্লিক করুন

আকস্মিক কক্সবাজার সৈকতে ৩ প্রতিমন্ত্রী, কথা বললেন পর্যটকদের সঙ্গে

অনলাইন ডেস্ক
আকস্মিক কক্সবাজার সৈকতে ৩ প্রতিমন্ত্রী, কথা বললেন পর্যটকদের সঙ্গে

আকস্মিক কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত পরিদর্শন করেছেন তিন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী। তারা পায়ে হেঁটে সৈকতে ঘুরতে আসা পর্যটকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং সুবিধা-অসুবিধার কথা জানতে চান।

শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাতের নেতৃত্বে বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শরিফুল আলম এবং ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্ট ঘুরে দেখেন।

তারা হেঁটে সৈকতের কলাতলী থেকে শুরু করে সুগন্ধা পয়েন্ট ধরে লাবনী পয়েন্ট পর্যন্ত দীর্ঘ এলাকায় পর্যটকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় প্রতিমন্ত্রীরা পর্যটকদের কাছে তাদের সুবিধা-অসুবিধার কথা জানতে চান। বিভিন্ন স্থান থেকে আগত সর্বস্তরের পর্যটকদের নিরাপত্তা, সৈকতের পরিচ্ছন্নতা, ট্যুরিস্ট পুলিশের ভূমিকা, পরিছন্নতাকর্মীদের তৎপরতাসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার খোঁজ নেন তারা।

পর্যটকরা প্রতিমন্ত্রীদের কাছে তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করেন এবং বিচ ম্যানেজমেন্ট ও নিরাপত্তাসহ সার্বিক ব্যবস্থাপনায় সন্তোষ প্রকাশ করেন। তারা প্রতিমন্ত্রীদের কাছে সৈকতের বর্তমান ব্যবস্থাপনা অব্যাহত রেখে আরো আধুনিক সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির আহ্বান জানান।

জবাবে পর্যটন প্রতিমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামী দিনে কক্সবাজারকে পর্যটন হাব হিসেবে গড়ে তোলা হবে। সেই সঙ্গে বাংলাদেশের অন্যান্য সব পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে অত্যাধুনিক হোটেল-মোটেল স্থাপনসহ পর্যটকবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলা হবে।

পর্যটক টানতে ঢাকার বাইরে হাব করবে সরকার : অর্থমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
পর্যটক টানতে ঢাকার বাইরে হাব করবে সরকার : অর্থমন্ত্রী

পর্যটক টানতে ঢাকার বাইরে একটি ‘হাব’ তৈরির কথা বলেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, ‘ঢাকার বাইরে আমরা একটা হাব করছি, যেখানে থিয়েটার থেকে শুরু করে সব ধরনের এন্টারটেইনমেন্ট থাকবে। বিকালে গেলে যাতে, পুরো সন্ধ্যাটা কাটানো যায়। 

আজ শুক্রবার বিকালে বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন অর্থমন্ত্রী। আগের দিন বৃহস্পতিবার ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট সংসদে উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু। বাজেটে সৃজনশীল অর্থনীতি উন্নয়নে প্রাথমিকভাবে ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। এ বরাদ্দ থেকে পর্যটন খাতও চাইলে অর্থ পাবে।

সৃজনশীল অর্থনীতির জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের সিএসআর খাত থেকে আরো ৫০০ কোটি টাকার তহবিল সংগ্রহ করার কথা বলেছেন অর্থমন্ত্রী।

বাংলাদেশে ‘ধর্মীয় পর্যটনের’ সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে ধর্মীয় পর্যটন হতে পারে। বৌদ্ধদের অনেক কিছু আছে। যারা এখানে আসবে, এগুলোকে আমরা কোনোদিন ‘রিস্টোর’ করিনি। কোনোদিন এই সাইটগুলোকে ওইভাবে ডেভেলপ করিনি। ওইখানে কোনো অবকাঠামো তৈরি করিনি। আমাদের এই তালিকার মধ্যে সেটাও আছে।’

তিনি বলেন, ‘বিদেশি পর্যটক আসে না, এর জন্য খুব বেশি চিন্তার কোনো কারণ নেই। দেশের যে পর্যটক আছে এদের যদি আমরা পরিচর্যা করতে পারি, আমাদের অর্থনীতিতে বিশাল একটা ভূমিকা রাখবে।’ 

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘সৃজনশীল অর্থনীতিতে যে কাজটা আমরা করতে চাচ্ছি, ঢাকাসহ দেশের সব জায়গায় এই সুযোগগুলো তৈরির জন্য একটা বড় উদ্যোগের কাজ শুরু করেছি। ৮০০ কোটি টাকা দিয়ে আমরা শুরু করছি এই কাজটা, যেটা কোনোদিন বাংলাদেশে কেউ চিন্তাও করেনি।’ 

দেশীয় সংগীতকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে আমির খসরু বলেন, ‘সুরের কোনো সীমানা নেই। আমরা সারা দুনিয়ার সব গান শুনছি না? এখন তো কোরিয়ান গান, কোরিয়ান থিয়েটার সব চলছে। আমরা এটাকে মনেটাইজ করতে পারিনি। আমাদের যে সুযোগগুলো আছে, এটাকে কাজে লাগানোর জন্য সৃজনশীল অর্থনীতিটা আমরা শুরু করেছি।’

বাচ্চাদের এবারের ঈদ আনন্দ টেলিভিশনে ছাদে-বারান্দায় | কালের কণ্ঠ