• ই-পেপার

আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলা: ১৬ বছরেও বিচার চূড়ান্ত হলো না

তারেক রহমান-আনোয়ার ইব্রাহিমের বৈঠকে গুরুত্ব পেল যেসব বিষয়

নিজস্ব প্রতিবেদক
তারেক রহমান-আনোয়ার ইব্রাহিমের বৈঠকে গুরুত্ব পেল যেসব বিষয়

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আলোচনায় বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের জন্য শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্তকরণের আহ্বান জানিয়েছেন তারেক রহমান।

আজ সোমবার (২২ জুন) পুত্রজোয়ায় কাল সাড়ে ১০টায় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে বৈঠকের পর যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ আহ্বান জানান।

এছাড়া বিভিন্ন কারণে অবৈধ হয়ে যাওয়া বাংলাদেশি নাগরিকদের নিয়মিতকরণ ও ওয়ার্ক পারমিট নবায়ন, বাংলাদেশের আম, ফলমূল ও শাকসবজির জন্য মালেশিয়ার বাজারে প্রবেশাধিকার বৃদ্ধি, আসিয়ানের সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনার হওয়ার জন্য বাংলাদেশের আবেদন, Regional Comprehensive Economic Partnership-এ বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তি, রোহিঙ্গা ইস্যু এবং জাতিসংঘ ও অন্যান্য বহুপাক্ষিক ফোরামে সহযোগিতার বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে।

এ বৈঠকের পর দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে সংস্কৃতি বিষয়ক একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। এ ছাড়া সন্ত্রাসবাদ দমন ( counter-terrorism) বিষয়ে গবেষণা ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহযোগিতা সংক্রান্ত একটি দলিল এবং বিনিয়োগ সংক্রান্ত একটি দ্বিপাক্ষিক দলিল বিনিময় করা হয়। দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা দলিল দুটি বিনিময় করেন। এরপর দুই দেশের সরকার প্রধানমন্ত্রী একটি যৌথ সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেন।

যৌথ সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘আমি প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমকে অনুরোধ করেছি, আরো বেশি বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের পাশাপাশি যত দ্রুত সম্ভব শ্রমবাজার উন্মুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনা করার জন্য। আমি অনিয়মিত শ্রমিকদের নিয়মিতকরণ এবং সম্ভব হলে আটক বাংলাদেশিদের পুনরায় নিয়োগের বিষয়গুলোও উত্থাপন করেছি।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা একমত যে নিয়োগ স্বচ্ছ, ন্যায্য এবং সাশ্রয়ী মূল্যের হওয়া উচিত, কর্মীদের জন্য মধ্যবর্তী এবং কম খরচ হওয়া উচিত।’

এসময় রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমি রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি। বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন এবং মায়ানমারে তাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ এবং টেকসই  প্রত্যাবাসনে অব্যাহত সহায়তার জন্য মালয়েশিয়াকে ধন্যবাদ জানাই।’

বৈঠকে আঞ্চলিক সহযোগিতা নিয়েও আলোচনা হয়েছে জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশ আসিয়ানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পৃক্ততা চায় এবং আসিয়ান সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনার হতে চায়। আঞ্চলিক সুসংহত অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে যোগ দিতে আগ্রহী আমরা। আমি তার আঞ্চলিক সংহতকরণ প্রচেষ্টার মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রতি মালয়েশিয়ার সমর্থনের প্রশংসা করি।’

এর আগে সোমবার (২২ জুন) স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৯টায় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ‘পেরদানা পুত্রা’ ভবনের পঞ্চম তলায় একান্ত এই বৈঠকে বসেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। একান্ত বৈঠকে বসার আগে পরিদর্শন বইতে সই করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

একান্ত বৈঠকের পরে দুই দেশের উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক শুরু হয়। বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী এতে নিজ নিজ দেশের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেয়। বৈঠকে অংশ নেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান, বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, অর্থ উপদেষ্টা রাশেদ মাহমুদ তিতুমীর, শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহাদী আমিন, পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আল সিয়াম প্রমুখ।

বৈঠকে বাণিজ্য-বিনিয়োগ সম্প্রসারণ,জ্বালানি সহযোগিতা, হালাল অর্থনীতি, কর্মী পাঠানো, সেমিকন্ডাক্টর শিল্প ও কৃষি, শিক্ষা ও জন-যোগাযোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুইদেশের মধ্যে অধিকতর সহযোগিতা স্থাপনের বিষয়ে আলোচনা হওয়ার কথা আগেই জানিয়েছিলেন পররাষ্ট্র সচিব।

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত খোলার অনুরোধ তারেক রহমানের

অনলাইন ডেস্ক
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত খোলার অনুরোধ তারেক রহমানের

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত খোলার অনুরোধ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (২২ জুন) পুত্রজোয়ায় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে বৈঠকের পর যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা জানান।

সংবাদ সম্মেলনে তারেক রহমান বলেন, ‘আমি প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমকে অনুরোধ করেছি, আরও বেশি বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের পাশাপাশি যত দ্রুত সম্ভব শ্রমবাজার উন্মুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনা করার জন্য। আমি অনিয়মিত শ্রমিকদের নিয়মিতকরণ এবং সম্ভব হলে আটক বাংলাদেশিদের পুনরায় নিয়োগের বিষয়গুলোও উত্থাপন করেছি।’

তিনি  বলেন, ‘আমরা একমত যে নিয়োগ স্বচ্ছ, ন্যায্য এবং সাশ্রয়ী মূল্যের হওয়া উচিত, কর্মীদের জন্য মধ্যবর্তী এবং কম খরচ  হওয়া উচিত।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি। বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন এবং মিয়ানমারে তাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ এবং টেকসই  প্রত্যাবাসনে অব্যাহত সহায়তার জন্য মালয়েশিয়াকে ধন্যবাদ জানাই।’

তারেক রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশ আসিয়ানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পৃক্ততা চায় এবং আসিয়ান সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনার হতে চায়। আঞ্চলিক সুসংহত অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে যোগ দিতে আগ্রহী আমরা। আমি তার আঞ্চলিক সংহতকরণ প্রচেষ্টার মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রতি মালয়েশিয়ার সমর্থনের প্রশংসা করি।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের আলোচনায় তথ্যপ্রযুক্তি, জ্বালানি, অবকাঠামো, জনশক্তি, হালাল শিল্প, কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, প্রতিরক্ষা, ডিজিটাল অর্থনীতি, সেমিকন্ডাক্টরসহ বিভিন্ন উচ্চমূল্য সংযোজিত খাত অন্তর্ভুক্ত ছিল।’

এর আগে সোমবার (২২ জুন) স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৯টায় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ‘পেরদানা পুত্রা’ ভবনের পঞ্চম তলায় একান্ত এই বৈঠকে বসেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। একান্ত বৈঠকে বসার আগে পরিদর্শন বইতে সই করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 

এর আগে বৈঠকে অংশ নেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান, বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, অর্থ উপদেষ্টা রাশেদ মাহমুদ তিতুমীর, শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহাদী আমিন, পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আল সিয়াম প্রমুখ।

জলমহাল আইনের খসড়া প্রস্তুত, থাকছে শাস্তির বিধান

বাসস
জলমহাল আইনের খসড়া প্রস্তুত, থাকছে শাস্তির বিধান

দেশের সরকারি জলমহাল ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা, জলাশয় দখল ও দূষণ রোধ, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং প্রকৃত মৎস্যজীবীদের অধিকার নিশ্চিতে জলমহাল আইনের খসড়া প্রস্তুত করেছে সরকার।

খসড়া আইনে জলমহাল অবৈধভাবে দখল, ভরাট, দূষণ, প্রাকৃতিক প্রবাহে বাধা সৃষ্টি এবং জলজ সম্পদ বিনষ্টের মতো অপরাধের বিরুদ্ধে কারাদ- ও অর্থদ-সহ কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।

এ বিষয়ে ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু বলেন, 'দেশের নদী, খাল, বিল, হাওর, বাঁওড় ও অন্যান্য সরকারি জলমহাল শুধু প্রাকৃতিক সম্পদ নয়, এগুলো আমাদের পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য এবং লাখো মানুষের জীবিকার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। দীর্ঘদিন ধরে জলমহাল দখল, ভরাট, দূষণ ও অব্যবস্থাপনার কারণে এসব সম্পদ হুমকির মুখে পড়েছে। এ বাস্তবতা বিবেচনায় সরকার একটি যুগোপযোগী ও কার্যকর সরকারি জলমহাল আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে।'

তিনি বলেন, নতুন আইনের মাধ্যমে জলমহালের সুরক্ষা, টেকসই ব্যবস্থাপনা এবং প্রকৃত মৎস্যজীবীদের অধিকার নিশ্চিত করা হবে। একই সঙ্গে অবৈধ দখল, ভরাট, পরিবেশ বিনষ্ট এবং জলজ সম্পদ ধ্বংসের মতো অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে, যাতে কেউ সরকারি জলমহাল ক্ষতিগ্রস্ত করার সাহস না পায়।

মন্ত্রী আরও বলেন, 'এই আইন শুধু শাস্তিমূলক আইন নয়; এটি জলমহাল সংরক্ষণ, পরিবেশ রক্ষা, মৎস্যসম্পদের উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য প্রাকৃতিক সম্পদ সুরক্ষার একটি সমন্বিত আইন। সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মতামত নিয়ে আইনটি চূড়ান্ত করা হবে, যাতে এটি বাস্তবমুখী ও কার্যকর হয়।'

ভূমি মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার কর্মকর্তারা জানান, বর্তমানে সরকারি জলমহাল ব্যবস্থাপনা বিভিন্ন বিধিমালা, প্রশাসনিক আদেশ ও নীতিমালার মাধ্যমে পরিচালিত হলেও একটি পূর্ণাঙ্গ আইন না থাকায় অনেক ক্ষেত্রে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে জটিলতা তৈরি হয়।

নতুন আইন প্রণয়নের মাধ্যমে জলমহাল সংরক্ষণ, ব্যবস্থাপনা এবং ব্যবহারকে একটি সমন্বিত আইনি কাঠামোর আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। খসড়া আইনের বিধান অনুযায়ী, দেশের সব সরকারি জলমহালের একটি কেন্দ্রীয় ডিজিটাল ডাটাবেজ তৈরি করা হবে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গুরুতর অপরাধগুলোকে আমলযোগ্য ও অজামিনযোগ্য করার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হয়েছে, যাতে অবৈধ দখলদার ও পরিবেশবিধ্বংসী কর্মকা-ের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

পরিবেশবিদদের মতে, দেশের জলমহালগুলো শুধু মাছ উৎপাদনের উৎস নয়, বরং বন্যা নিয়ন্ত্রণ, পানি ধারণ, ভূগর্ভস্থ পানির পুনর্ভরণ এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ফলে এসব জলাশয় রক্ষায় একটি শক্তিশালী আইন সময়ের দাবি ছিল।

মৎস্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশের বিপুল সংখ্যক মানুষের জীবিকা সরাসরি জলমহালের ওপর নির্ভরশীল। জলমহাল সংরক্ষণ এবং প্রকৃত জেলেদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা গেলে মৎস্য উৎপাদন বাড়বে এবং গ্রামীণ অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

তবে পরিবেশবিষয়ক সংগঠনগুলো বলছে, শুধু আইন প্রণয়ন করলেই হবে না, এর কার্যকর বাস্তবায়নও নিশ্চিত করতে হবে। জলমহাল ইজারা প্রদান, ব্যবস্থাপনা ও তদারকিতে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা না গেলে আইনের প্রত্যাশিত সুফল পাওয়া কঠিন হবে।

সরকারি সূত্র জানিয়েছে, খসড়া আইনের ওপর বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিশেষজ্ঞ, পরিবেশবিদ, মৎস্যজীবী সংগঠন এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামত নেওয়া হচ্ছে। এসব মতামত পর্যালোচনা শেষে আইনটি চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হবে।

হজ শেষে ফিরলেন ৬৩৪৪০ বাংলাদেশি

অনলাইন ডেস্ক
হজ শেষে ফিরলেন ৬৩৪৪০ বাংলাদেশি

হজ পালন শেষে সৌদি আরব থেকে এখন পর্যন্ত ১৬৪ ফ্লাইটে দেশে ফিরেছেন মোট ৬৩ হাজার ৪৪০ জন বাংলাদেশি হাজি। দেশে প্রত্যাবর্তনকারী হাজিদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ফিরেছেন ৪ হাজার ৩১৯ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ফিরেছেন ৫৯ হাজার ১২১ জন।

এদিকে হজ পালনে সৌদিতে গিয়ে হজ সম্পন্ন হওয়ার আগে এবং পরে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ৫৪ জন বাংলাদেশি। তাদের মধ্যে ৩৬ জন পুরুষ এবং ১৮ জন নারী। মৃতদের মধ্যে মক্কায় ৩৭ জন, মদিনায় ১৬ জন এবং জেদ্দায় একজন মারা যান।

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সর্বশেষ তথ্যে জানা গেছে, ২১ জুন (সৌদি সময়) পর্যন্ত দেশে ফিরতি হজযাত্রী পরিবহনে শীর্ষে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস।

সংস্থাটি এখন পর্যন্ত ২৮ হাজার ৩৭১ জন হাজিকে দেশে ফিরিয়ে এনেছে। এ ছাড়া সৌদি এয়ারলাইনস পরিবহন করেছে ২২ হাজার ৩০০ জন, ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস ৮ হাজার ৬৭২ জন এবং অন্যান্য এয়ারলাইনসের মাধ্যমে ফিরেছেন ৪ হাজার ৯৭ জন হাজি।

হজযাত্রীদের দেশে ফিরিয়ে আনতে এখন পর্যন্ত মোট ১৬৪ ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস পরিচালনা করেছে ৮৪টি, সৌদি এয়ারলাইনস ৫৮টি এবং ফ্লাইনাস ২২টি ফ্লাইট।

স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সৌদি আরবে বাংলাদেশি চিকিৎসাকেন্দ্রগুলো থেকে এখন পর্যন্ত ৬৬ হাজার ৬৬৫টি স্বয়ংক্রিয় চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্র প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি আইটি হেল্পডেস্কের মাধ্যমে ২৮ হাজার ২৮৬টি সেবা দেওয়া হয়েছে।

চলতি বছর পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয় ২৬ মে। বাংলাদেশ থেকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে যান।

হজযাত্রীদের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয় ৩০ মে এবং শেষ ফিরতি ফ্লাইট নির্ধারিত রয়েছে আগামী ৩০ জুন। হজযাত্রীদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।